Dhaka , Friday, 4 September 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা শেষে কেমন আছেন অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি উৎসবমুখর আয়োজনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন শ্রীপুরের গোয়ালদাহ হাট পরিদর্শনে ইউএনও নাজমুল ইসলাম ‘গোট’ বিতর্কে মেসির পোস্ট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা শিক্ষাসনদ প্রকাশ করুন, মোদিকে চ্যালেঞ্জ ককরোচ জনতা পার্টির দীপকের কালচারাল লীগের রোগ অনেক আগেই ডায়াগনসিস করে গেছেন আবুল মনসুর: ফারুকী বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ল, দেশে আরও বাড়বে চরভদ্রাসনে শিক্ষার মানউন্নয়ন, মাদক ও বাল্যবিবাহ রোধকল্পে অভিভাবক সমাবেশ বিশ্ব ইজতেমার দুই পর্বের তারিখ নির্ধারণ কুড়িগ্রামে শিক্ষকদের নিয়ে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত মানিকগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহতের পরিবার এবং আহত ব্যক্তিদের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ রামগঞ্জে ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগে মানববন্ধন সব জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমৃদ্ধিই সরকারের মূল লক্ষ্য:- ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল মধুপুরের গোলাবাড়ীতে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ রূপগঞ্জে বিদেশি পিস্তল ও ৭ রাউন্ড গুলিসহ ২৬ মামলার পলাতক আসামী সবুজ গ্রেফতার কাউখালীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান-এর বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত জেনারেটর অকেজো,কলেরা  রোগীর সাথে সাধারণ রোগী, চিকিৎসক সংকটে সরাইলের স্বাস্থ্যসেবা মাদক ও কিশোর অপরাধকে লাল কার্ড দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের শপথ কালিয়াকৈরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুই বাড়ির ২০ লাখ টাকার ক্ষতি পাইকগাছায় ৪০ প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে ৩৩৪ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত রামগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা “হয় মাদক ছাড়ো না হয় এলাকা ছাড়ো “ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে কলমাকান্দার ওলামা ও ইমাম-খতিবদের মতবিনিময় “মাঠে মুখোমুখি পুলিশ ও সাংবাদিক: সিএমপি বনাম চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত” চট্টগ্রামে ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ এবং শান্তি ফিরিয়ে আনতে সরকারের সমন্বিত পরিকল্পনা রয়েছে :- ব্যারিস্টার মীর হেলাল এমপি কেন ভারত ছেড়ে লন্ডনে স্থায়ী হয়েছেন বিরাট-আনুশকা? যোগ্য প্রজন্ম গড়তে সুস্থ পরিবেশ জরুরি: ডিসি জাহিদ মেসির পর আর্জেন্টিনার ‘নাম্বার টেন’ হওয়ার দৌড়ে তিনজন শেরপুরে বিজিবির সফল অভিযানে ভারতীয় কসমেটিক জব্দ রূপগঞ্জের মেয়ে সাওয়ানার হাত ধরে চীনে বাংলাদেশের গৌরবময় সাফল্য

দূর্গাপুরে আকশা ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ 

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:21:06 pm, Monday, 15 September 2025
  • 142 বার পড়া হয়েছে
এম. শাহাবুদ্দিন, রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:
রাজশাহীর দূর্গাপুরে অবশেষে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ভুয়া আল আকশা ডায়াগনস্টিক সেন্টার। অনুমোদন ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি চালু থাকলেও প্রশাসনের নজর এড়িয়ে গিয়েছিল। তবে গণমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশের পরপরই নড়েচড়ে বসে উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ।
জানাযায়,  ভুয়া আল আকসা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্ণধার দূর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত (টেকনোলজিস্ট) আব্দুল জলিল দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আল আকশা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কোনো রকম সরকারি অনুমোদন ছাড়াই রোগীদের বিভিন্ন ধরণের প্যাথলজি পরীক্ষা চালানো হচ্ছিল। রোগীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অযোগ্য টেকনিশিয়ানদের মাধ্যমে পরীক্ষার রিপোর্ট প্রদান করছিল প্রতিষ্ঠানটি। এতে সঠিক চিকিৎসা না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়ছিল সাধারণ মানুষ।
সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের নজরে আসে ফলে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়।
আল আকশা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্যাডে প্যাথলজিক্যাল মোঃ আজিজুল হক এর স্বক্ষরিত রিপোর্টের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাবৎ রাজশাহীতে ডেপুটিসনে আছি। আল- আকশার প্যাডে আমার স্বাক্ষরের রিপোর্টে আমার স্বাক্ষর না বলে অস্বীকার করেন এবং তিনি বলেন, আমার যেদিন ছুটি থাকে সেদিন  আল আকশা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বসে রিপোর্ট দেই। তিনি আরো বলেন, আল- আকশা ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারে স্ত্রী’র মালিকানা অংশ আছে।
দূর্গাপুর উপজেলা ফ্যামিলিপ্যানিংয়ের প্রধান ডাঃ  আঈশা নুসরাত জাহান কর্মরত অফিসিয়াল ডিউটি চলাকালে সময় আল- আকশা নামের লাইসেন্স বিহীন ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারে বসে দেদারছে রুগী দেখছেন ও নিজে স্বাক্ষর করে রিপোর্ট দেওয়া বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন,
আমি অফিসিয়াল সময়ে কোন রোগীর চিকিৎসা বা  কোন রিপোর্ট প্রদান করি নাই। আল- আকশা প্যাডে তার স্বাক্ষরের রিপোর্ট দেখালে তিনি এই রিপোর্ট  আমার না বা এই স্বাক্ষর আমার না বলে অস্বীকার করেন এবং তিনি আরো বলেন, আমার স্বাক্ষরের নিচে বাংলায় তারিখ দেই কিন্তু দেখেন সেখানে ইংরাজীতে তারিখ দেওয়া আছে। অর্থাৎ এটা আমার স্বাক্ষর বা আমার হাগে লিখা তারিখ না।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও ডা: রুহুল আমিন বলেন, “কোনোভাবেই অনুমোদনবিহীন প্রতিষ্ঠান চালানোর সুযোগ নেই। যারা এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমে জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ”আল- আকশা নামের লাইসেন্স বিহীন ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টার বন্ধের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে।
দূর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবরিনা শারমিন মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি জানা ছিল না। এব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
রাজশাহীর সিভিল সার্জন এস.আই.এম রেজাউল করিম বলেন, অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অনুমোদন বিহীন আল আকশা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে৷
তবে ভুয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশনায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি নেমে এসেছে। তারা বলেন, প্রশাসনের এমন পদক্ষেপে ভুয়া প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হলে রোগীরা প্রতারণা থেকে মুক্তি পাবে এবং স্বাস্থ্যসেবার মানও উন্নত হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা শেষে কেমন আছেন অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি

দূর্গাপুরে আকশা ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ 

আপডেট সময় : 06:21:06 pm, Monday, 15 September 2025
এম. শাহাবুদ্দিন, রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:
রাজশাহীর দূর্গাপুরে অবশেষে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ভুয়া আল আকশা ডায়াগনস্টিক সেন্টার। অনুমোদন ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি চালু থাকলেও প্রশাসনের নজর এড়িয়ে গিয়েছিল। তবে গণমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশের পরপরই নড়েচড়ে বসে উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ।
জানাযায়,  ভুয়া আল আকসা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্ণধার দূর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত (টেকনোলজিস্ট) আব্দুল জলিল দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আল আকশা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কোনো রকম সরকারি অনুমোদন ছাড়াই রোগীদের বিভিন্ন ধরণের প্যাথলজি পরীক্ষা চালানো হচ্ছিল। রোগীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অযোগ্য টেকনিশিয়ানদের মাধ্যমে পরীক্ষার রিপোর্ট প্রদান করছিল প্রতিষ্ঠানটি। এতে সঠিক চিকিৎসা না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়ছিল সাধারণ মানুষ।
সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের নজরে আসে ফলে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়।
আল আকশা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্যাডে প্যাথলজিক্যাল মোঃ আজিজুল হক এর স্বক্ষরিত রিপোর্টের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাবৎ রাজশাহীতে ডেপুটিসনে আছি। আল- আকশার প্যাডে আমার স্বাক্ষরের রিপোর্টে আমার স্বাক্ষর না বলে অস্বীকার করেন এবং তিনি বলেন, আমার যেদিন ছুটি থাকে সেদিন  আল আকশা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বসে রিপোর্ট দেই। তিনি আরো বলেন, আল- আকশা ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারে স্ত্রী’র মালিকানা অংশ আছে।
দূর্গাপুর উপজেলা ফ্যামিলিপ্যানিংয়ের প্রধান ডাঃ  আঈশা নুসরাত জাহান কর্মরত অফিসিয়াল ডিউটি চলাকালে সময় আল- আকশা নামের লাইসেন্স বিহীন ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারে বসে দেদারছে রুগী দেখছেন ও নিজে স্বাক্ষর করে রিপোর্ট দেওয়া বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন,
আমি অফিসিয়াল সময়ে কোন রোগীর চিকিৎসা বা  কোন রিপোর্ট প্রদান করি নাই। আল- আকশা প্যাডে তার স্বাক্ষরের রিপোর্ট দেখালে তিনি এই রিপোর্ট  আমার না বা এই স্বাক্ষর আমার না বলে অস্বীকার করেন এবং তিনি আরো বলেন, আমার স্বাক্ষরের নিচে বাংলায় তারিখ দেই কিন্তু দেখেন সেখানে ইংরাজীতে তারিখ দেওয়া আছে। অর্থাৎ এটা আমার স্বাক্ষর বা আমার হাগে লিখা তারিখ না।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও ডা: রুহুল আমিন বলেন, “কোনোভাবেই অনুমোদনবিহীন প্রতিষ্ঠান চালানোর সুযোগ নেই। যারা এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমে জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ”আল- আকশা নামের লাইসেন্স বিহীন ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টার বন্ধের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে।
দূর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবরিনা শারমিন মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি জানা ছিল না। এব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
রাজশাহীর সিভিল সার্জন এস.আই.এম রেজাউল করিম বলেন, অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অনুমোদন বিহীন আল আকশা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে৷
তবে ভুয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশনায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি নেমে এসেছে। তারা বলেন, প্রশাসনের এমন পদক্ষেপে ভুয়া প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হলে রোগীরা প্রতারণা থেকে মুক্তি পাবে এবং স্বাস্থ্যসেবার মানও উন্নত হবে।