Dhaka , Sunday, 18 October 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
গুজবে নয় সচেতন থাকুন সন্দেহজনক কিছু দেখলে জানান বিজিবি মধুপুরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় এসআরবি-১৪-এর প্রেস ব্রিফিং খাগড়াছড়িতে ২০০ কোটি টাকার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, শিক্ষায় বৈপ্লবিক পরিবর্তনের আশা এমপি ওয়াদুদ ভূইয়ার সারাদেশে বাড়ছে তামাকের ব্যবহার: তবুও নেই উৎপাদন ও আমদানি বন্ধের দাবী নেএকোণা সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি বরিশালে ডাকাতির চেষ্টায় ধারালো অস্ত্রসহ আটক ১: গত একমাসে ৪৭১টি অপরাধের ঘটনা নথিভুক্ত গাইবান্ধা ‎সাঘাটায় জ্বালানি তেল পাচারে বাধা দেওয়ায় যুবদল নেতাকে পিটিয়ে জখম, গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন কাউখালীতে সড়ক দূর্ঘটনায় ৪জন আহত দুর্গাপূজার ছুটির আগেই পর্যটক মুখর কক্সবাজার, পাঁচ দিনে ৬ লাখ পর্যটকের প্রত্যাশা খাগড়াছড়িতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তা পরিদর্শনে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি দুর্গম কাটারুংছড়ায় বৌদ্ধ বিহারের উন্নয়নে দীঘিনালা জোনের সহায়তা রূপগঞ্জের স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে পল্লী চিকিৎসকদের সহযোগিতা প্রয়োজন: তানসিভ জুবায়ের পাঁচবিবিতে দুর্গোৎসব উপলক্ষে ১,৮০০ পরিবারের মাঝে পূজাসামগ্রী বিতরণ লালমনিরহাটে তরুণদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দিনব্যাপী কর্মশালা: জেন্ডার সমতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা ও অ্যাডভোকেসির ওপর জোর মধুপুরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম ফতুল্লায় শ্রমিক দলের প্রতিবাদ মিছিল দুর্গাপূজায় সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় মাঠে ৬২ বিজিবি কক্সবাজারে ৩ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার মামলার ১ নম্বর পলাতক আসামি গ্রেপ্তার এক দেশ এক কিউআর এই স্লোগান সামনে রেখে মাদারীপুরে ‘বাংলা কিউআর’ বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কক্সবাজারে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৬, ইয়াবাসহ আটক মাদক কারবারি নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে রামকৃষ্ণ মন্দিরের পাশে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক আহত উখিয়ায় টুপটুপ রিসোর্টে আগুনে ১০ পর্যটকের মৃত্যু, মালিক-ম্যানেজারসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা কালিয়াকৈরে ওষুধ কারখানায় আগুন, আহত ১ মানবতাবাদী সমাজ গঠনে লালন সাঁইয়ের দর্শন অনুসরণের আহ্বান প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের এপিক হেলথ কেয়ার ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ট্রাকচাপায় নিহত ৫, একই পরিবারের ৩ জন অজয় দেবগনের বাংলো ভেঙে দিল বিএমসি রোববার ঢাকায় আসতে পারেন ফিফা সভাপতি দুর্গাপুরে সাংবাদিক হত্যা: খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের  দাবিতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

কালিয়াকৈরে ঐতিহ্যবাহী ১৬২ তম পাগল নাথের মেলা অনুষ্ঠিত।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 12:16:38 pm, Thursday, 24 October 2024
  • 151 বার পড়া হয়েছে
উৎপল রক্ষিত
 
গাজীপুর প্রতিনিধি।।
   
  
গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলা গোলয়া গ্রামে ঐতিহ্যবাহী  ১৬২ তম পাগল নাথের মেলা  সম্প্রীতির বন্ধন।  শত শত মানুষের আগমনে পাগল নাথের মেলা হয়ে উঠেছে উৎসবমুখর। আজ থেকে দেড়শত বছর আগে চিকিৎসা ব্যবস্হা উন্নত ছিল না। 
কার্তিক মাস থেকে শুরু করে শীতের দিনে বিভিন্ন রোগে  মানুষ মারা যেত বেশি। তাই এ গ্রামের মানুষ বিশ্বাস করতো বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পেতে পাগল নাথের মেলা শুরু করে।
প্রতি বছর কার্তিক মাসে ১ তারিখ থেকে  ৭তারিখ  পর্যন্ত  দিন  গোলয়া  গ্রামের মানুষ নিরামিষ খেয়ে প্রতিরাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাম কীর্তন করে। সপ্তম দিন  সারাদিন কীর্তন  ও পাগল নাথ গান গাওয়া হয়।  মেলায় আগত সকল মানুষের মধ্যে প্রসাদ বিতরন করা হয়। 
ডক্টর চিও রঞ্জন রায় জানান- এক সময় গোলয়া গ্রামের  প্রধান উৎসব ছিল পাগল নাথের মেলা। এ মেলায় ছোট কাল থেকে দেখে আসছি সম্প্রীতির এক অপূর্ব বন্ধন।  পূর্ব পুরুষের ঐতিহ্য আমরা আজও রক্ষা করে চলছি।  গ্রামে এখন দুর্গাপূজা, অষ্টপ্রহর, স্বরসতী পূজা সহ বিভিন্ন উৎসব পালন করা হয়। আধুনিকতার ছোঁয়া এ গ্রামেও লেগেছে। পূর্ব পুরুষদের বিশ্বাস কে ধরে রেখে আজও আমরা  প্রতি বছর পাগল নাথে উৎসব পালন করে আসছি। 
গোলয়া গ্রামের সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ  ভাবে পালন করা হয় পাগল নাথের মেলা। বোয়ালী-শ্রীপুর- রঘুনাথপুর- সিকদার চালা-বেড়া চালা- শিমুলচালা-সোনাতলা- তালতলী- বাঁশতলী-গাছবাড়ী সহ  আশে পাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ এ মেলায় আসে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা মেলায় এসে সনাতন ধর্মী মানুষ সাথে মতবিনিময় করেন। 
শিক্ষক বিদ্যা সাগর  রায় জানান- পাগল নাথ আমাকে অনেক বিপদ থেকে রক্ষা করেছে। তাই তো আমি ও আমার পরিবার পাগল নাথের ভক্ত।
শিক্ষক খুশীমোহন রায় জানান-গোলয়া গ্রামের মানুষ ৭ দিন নিয়মতান্ত্রিক  ভাবে নিরামিষ খেয়ে থাকে ।পাগল নাথ আমাদের সকল দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে। তাই আমাদের মনের গভীরে বিশ্বাসে পাগল নাথ আছে।
কালের বিবর্তনে সাথে পরিবর্তন হয়েছে অনেক কিছু। আধুনিক যুগে ওয়ানটাইম প্লেট- সহ বিভিন্ন প্লেট বের হয়েছে। তারপরও কলাপাতায় প্রসাদ  বিতরণ করে ঐতিহ্য রক্ষা করা হয়েছে।
দেড়শত বছর আগে মেলার দিন রাতে নাটক- যাএা অনুষ্ঠিত হতো। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তন হয়ে গেছে। এখন আর নাটক যাএা গান অনুষ্ঠিত হয় না। তবে পাগল নাথের অন্যান্য অনুষ্ঠান যথাযথ ভাবে পালন করা হয়। গোলয়া গ্রামে বিরাজ করছে আনন্দমুখর পরিবেশ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গুজবে নয় সচেতন থাকুন সন্দেহজনক কিছু দেখলে জানান বিজিবি

কালিয়াকৈরে ঐতিহ্যবাহী ১৬২ তম পাগল নাথের মেলা অনুষ্ঠিত।।

আপডেট সময় : 12:16:38 pm, Thursday, 24 October 2024
উৎপল রক্ষিত
 
গাজীপুর প্রতিনিধি।।
   
  
গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলা গোলয়া গ্রামে ঐতিহ্যবাহী  ১৬২ তম পাগল নাথের মেলা  সম্প্রীতির বন্ধন।  শত শত মানুষের আগমনে পাগল নাথের মেলা হয়ে উঠেছে উৎসবমুখর। আজ থেকে দেড়শত বছর আগে চিকিৎসা ব্যবস্হা উন্নত ছিল না। 
কার্তিক মাস থেকে শুরু করে শীতের দিনে বিভিন্ন রোগে  মানুষ মারা যেত বেশি। তাই এ গ্রামের মানুষ বিশ্বাস করতো বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পেতে পাগল নাথের মেলা শুরু করে।
প্রতি বছর কার্তিক মাসে ১ তারিখ থেকে  ৭তারিখ  পর্যন্ত  দিন  গোলয়া  গ্রামের মানুষ নিরামিষ খেয়ে প্রতিরাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাম কীর্তন করে। সপ্তম দিন  সারাদিন কীর্তন  ও পাগল নাথ গান গাওয়া হয়।  মেলায় আগত সকল মানুষের মধ্যে প্রসাদ বিতরন করা হয়। 
ডক্টর চিও রঞ্জন রায় জানান- এক সময় গোলয়া গ্রামের  প্রধান উৎসব ছিল পাগল নাথের মেলা। এ মেলায় ছোট কাল থেকে দেখে আসছি সম্প্রীতির এক অপূর্ব বন্ধন।  পূর্ব পুরুষের ঐতিহ্য আমরা আজও রক্ষা করে চলছি।  গ্রামে এখন দুর্গাপূজা, অষ্টপ্রহর, স্বরসতী পূজা সহ বিভিন্ন উৎসব পালন করা হয়। আধুনিকতার ছোঁয়া এ গ্রামেও লেগেছে। পূর্ব পুরুষদের বিশ্বাস কে ধরে রেখে আজও আমরা  প্রতি বছর পাগল নাথে উৎসব পালন করে আসছি। 
গোলয়া গ্রামের সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ  ভাবে পালন করা হয় পাগল নাথের মেলা। বোয়ালী-শ্রীপুর- রঘুনাথপুর- সিকদার চালা-বেড়া চালা- শিমুলচালা-সোনাতলা- তালতলী- বাঁশতলী-গাছবাড়ী সহ  আশে পাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ এ মেলায় আসে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা মেলায় এসে সনাতন ধর্মী মানুষ সাথে মতবিনিময় করেন। 
শিক্ষক বিদ্যা সাগর  রায় জানান- পাগল নাথ আমাকে অনেক বিপদ থেকে রক্ষা করেছে। তাই তো আমি ও আমার পরিবার পাগল নাথের ভক্ত।
শিক্ষক খুশীমোহন রায় জানান-গোলয়া গ্রামের মানুষ ৭ দিন নিয়মতান্ত্রিক  ভাবে নিরামিষ খেয়ে থাকে ।পাগল নাথ আমাদের সকল দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে। তাই আমাদের মনের গভীরে বিশ্বাসে পাগল নাথ আছে।
কালের বিবর্তনে সাথে পরিবর্তন হয়েছে অনেক কিছু। আধুনিক যুগে ওয়ানটাইম প্লেট- সহ বিভিন্ন প্লেট বের হয়েছে। তারপরও কলাপাতায় প্রসাদ  বিতরণ করে ঐতিহ্য রক্ষা করা হয়েছে।
দেড়শত বছর আগে মেলার দিন রাতে নাটক- যাএা অনুষ্ঠিত হতো। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তন হয়ে গেছে। এখন আর নাটক যাএা গান অনুষ্ঠিত হয় না। তবে পাগল নাথের অন্যান্য অনুষ্ঠান যথাযথ ভাবে পালন করা হয়। গোলয়া গ্রামে বিরাজ করছে আনন্দমুখর পরিবেশ।