Dhaka , Thursday, 5 November 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
রোহিঙ্গা পরিচয়ের অভিযোগে ফায়সালের ভুয়া এনআইডি-পাসপোর্ট, রাঙ্গুনিয়ায় আটক মাদক সেবনের দায়ে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আলী আহম্মেদকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড ও বহিষ্কার কুড়িগ্রামে ১১৭০ ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার, একজনের বিরুদ্ধে ২০টি মাদক মামলা ‘এই পৃথিবীর জন্য বড্ড নরম মনের মানুষ আমি’: মেঘনা আলম পাইকগাছায় নাশকতা, জুয়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪ বি‌লে‌তের মা‌টি‌তে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’ ও গুণীজন সম্মাননা ধর্মপাশা সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষককে বিদায় সংবর্ধনা:: সাভার-আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত, পুলিশের গাড়িতে আগুন, ৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন সিলেট টেস্টে ব্যাটিং অর্ডারে রদবদলের ইঙ্গিত, তিনে নামতে পারেন অধিনায়ক ১৯ বছরেই এমবাপ্পেকে টপকে ইতিহাস গড়লেন ইয়ামাল অস্ত্রের মুখে পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ ‘মিথ্যা’: সংবাদ সম্মেলনে সেলিম উদ্দিন খাগড়াছড়িতে ৫৫তম পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত, ‘গিরিস্বপ্ন ২০২৬’-এর মোড়ক উন্মোচন রূপগঞ্জ পূর্বাচলের ৩০০ ফুটে প্রবাসীর গাড়িতে ডাকাতি \ চালকসহ তিন জন গ্রেফতার সীতাকুণ্ডে ফুটওভারব্রিজ নির্মাণে সচিবকে ডিসির চিঠি, ২৪ ঘণ্টায় নানা পদক্ষেপ আসামে উচ্ছেদ অভিযানে গৃহহীন ৪ হাজার বাঙালি মুসলিম ৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতের আহ্বান জিএম কাদেরের জয়পুরহাটে দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি পাইকগাছা পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন, নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান একনেক সভায় বিসিসির জন্য ৭০১ কোটি টাকা অনুমোদন : অবহেলিত থেকে গেল দক্ষিণাঞ্চল মধুপুরে সাংগঠনিক কাঠামো অনুমোদনের দাবিতে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানববন্ধন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ১২০ কোটি টাকার সম্ভাব্য অনুদান দিচ্ছে জাইকা, চট্টগ্রামে নির্মিত হবে নতুন স্যানিটারি ল্যান্ডফিল সাভারে ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, আহত ৫০ ফতুল্লায় পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, পুলিশের টিয়ারশেল-সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ নারায়ণগঞ্জে ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে শ্রমিক সমাবেশ কালিয়াকৈরে শ্রমিকের আন্দোলন পরিস্থিতি স্বাভাবিক ১৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন নেত্রকোনার পূর্বধলায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত কাউখালীতে নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

জনগণের রায় বাস্তবায়নের জন্য একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন দরকার- মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 02:57:27 pm, Thursday, 15 August 2024
  • 193 বার পড়া হয়েছে

জনগণের রায় বাস্তবায়নের জন্য একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন দরকার- মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন।।

ইসমাইল ইমন
চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি।।
   
   
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন বলেছেন- আওয়ামীলীগের আয়নাঘরে এখনো কতজন বন্দি আছে সেটা কেউ জানে না। কেয়ারটেকার সরকারকে আমি অনুরোধ জানাই- আপনারা আয়নাঘরে কারা এখনও বন্দি আছে- কারা এখনও টর্চার সেলে আছে- আমরা তাদের দেখতে চাই। আয়নাঘরে গুম হয়ে থাকা আমাদের দলের নেতাকর্মীসহ সবাইকে তাদের পরিবারের কাছে ফেরত দিতে হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আপনারা এসেছেন- আমরা সবাই আপনাদের সমর্থন দিচ্ছি। জনগণের রায় বাস্তবায়নের জন্য একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন করা দরকার। আপনারা আপনাদের ক্ষমতায় থাকাকালীন অবস্থায় একটা অধ্যাদেশ আনবেন যে- আগামী নির্বাচনও কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে হবে। কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে নির্বাচনের কথা বললে আওয়ামী লীগের গা চুলকানি শুরু হয়। এই গা চুলকানি বন্ধ করার জন্য আমরা অন্তত দুইটি নির্বাচন কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে করতে চাই। 
তিনি বৃহস্পতিবার -১৫ আগষ্ট- বিকালে কাজীর দেউরী নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে নুর আহম্মেদ সড়কে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রজনতার ওপর গুলি চালিয়ে গণহত্যা এবং খুনি হাসিনাসহ তার খুনি দোসরদের বিচারের দাবিতে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। 
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব নাজিমুর রহমানের পরিচালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম। বিশেষ বক্তার বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দীন।
মীর নাছির বলেন- এর মধ্যে যেসব আইন সংস্কার দরকার- সেগুলো আপনারা সংস্কার করে নেন। যারা রাজনীতি প্রশাসন ভালো বোঝেন- তাদের সরকারে রাখুন। জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হয়- সেই বিধান রাখবেন। ছাত্রদের নাম ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। তারা আন্দোলন করে- রক্ত দিয়ে জাতির ওপর থেকে যে বিশাল বোঝা- সেটা সরিয়ে দিয়েছে। শেখ হাসিনাকে আজ পালিয়ে যেতে হয়েছে। শেখ হাসিনা যখন পালিয়ে যান- কত সুন্দর চেহারা তখন কত কালিমালিপ্ত ।কারণ- তিনি মানুষকে মানুষ বলেননি- তার ওপরে কেউ নাই- সব নাকি তার কথায় চলবে। আল্লাহ বলে সবুর লও- তোমাকে সুযোগ দেব না, সেজন্য তাকে সেভাবে বিদায় নিতে হয়েছে। 
মীর নাছির বলেন, দলের নেতা নির্বাচনে ডিএনএ টেস্ট করতে হবে। ছাত্রদল থেকে আমরা নেতৃত্ব নেব। ডিএনএ টেষ্ট করে নেতা নেয়া হয়, আমি মীর নাসির জেলে গেলে আমাকে কনডেম সেলে রাখা হয় আর অন্যরা গেলে তারা কোরমা পোলাও খায়। তারা কারা আর আমি কারা ? শেখ হাসিনা ম্যাডাম সম্পর্কে যে বক্তব্যগুলো রেখেছে, সেগুলোর জবাব সে নিজেই পেয়ে গেছে। তাকে কারও তাড়াতে হয়নি, সে নিজেই পালিয়ে গেছে। আমরা রাজনীতিতে নতুন প্রেক্ষাপট সৃষ্টি করবো। লাল গেঞ্জি গায়ে দিয়ে, মাথায় হ্যাট পরে নেতা হওয়া যাবে না। নেতা হতে হলে অনেক কষ্ট করতে হবে। আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মাদের কোনোভাবেই আমাদের ভেতরে আসতে দেয়া যাবে না।
গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, দীর্ঘ ছয় বছর পর একটি মঞ্চে উঠে মাইক ধরার সুযোগ পেয়েছি। যখন চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে অবতরণ করে ইমিগ্রেশন পার হলাম তখনও আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না আমি আদৌ কি বাংলাদেশে এসেছি নাকি অন্য কোথাও পৌঁছে গেছি। স্বল্প সময়ের মধ্যে এ স্বৈরাচারের পতন কীভাবে হলো আমার এটা বিশ্বাস হচ্ছে না। আমার ছোট ছোট সন্তানরা রাস্তায় নেমেছে, গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তাদের হাজারো সালাম জানাই। আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে তাদের কাছে। যারা ন্যায় বিচারে বিশ্বাস করে তারাই এভাবে গুলির সামনে এগিয়ে যেতে পারে। পিছপা হয় না। 
তিনি বলেন- দেশ আবার স্বাধীন হল। এ স্বাধীনতা ভোগ করতে হলে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে হবে। আজ ১৫ আগস্ট। আমরা যদি সরকারে থাকতাম তাহলেও এ ছুটি আইন বন্ধ করতে পারতাম না। এটা শুধুমাত্র সম্ভব হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য। তাদেরও হাজারো সালাম জানাই। ১৫ আগস্ট এ নাকি অনেকে গিয়ে ধানমন্ডি ৩২ এ গিয়ে ডিস্কো ডান্স করেছে। ৫০ বছর পর এ তরুণ তরুণীরা ইতিহাস লেখবে। কে বেঈমান ছিল আর কে দেশপ্রেমিক ছিল সেটা অবশ্যই লিখে যাবে। লিখে যাবে কোনো সেনাপতি যুদ্ধের ঘোষণা করে শত্রুর শিবিরে আত্মসমর্পণ করে না। সে নজির শেখ মুজিব করে গিয়েছিল। সেটা অপ্রিয় সত্য। 
তিনি আরও বলেন- মিথ্যা কথার আশ্রয় নিতে নিতে শেখ হাসিনা আজ কোথায় চলে গেছে। আওয়ামী লীগের কেউ টেরও পায়নি যে শেখ হাসিনা হেলিকপ্টারে পালিয়ে যাচ্ছে। এ হলো তাদের রাজনীতি। তারা বলেছিল, তাদের পরিবর্তে কে? এখন দেখছেন তো আপনাদের পরিবর্তে কে। দিল্লী থেকে দূরবীন দিয়ে দেখে নিন আপনার পরিবর্তে কে। আমরা সকলেই আজ তোমার পরিবর্তে এখানে উপস্থিত আছি। দীর্ঘদিন যাবত জাতীয়তাবাদী দল বলে আসছে এ দেশ দুইটি শিবিরে বিভক্ত। বাংলাদেশ জিন্দাবাদের শিবির অমর হয়ে থাকবে এ দেশের মাটিতে। জয় বাংলার শিবিরের কবর হতেই হবে। সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম থেকে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ স্লোগান তুলেছিল।এটার কোনোদিন মৃত্যু হবে না। এ বিএনপিকে ভাঙ্গার জন্য অনেকে অপচেষ্টা করা হয়েছে। ভাঙ্গতে পারে নি। উলটো তাদের কোমর ভেঙ্গে গেছে।
গিয়াস উদ্দিন কাদের বলেন, অহংকার পতনের মূল। সব অহমিকা তাদের ধূলিসাৎ হয়ে গেল। উনি যখনই বলেছেন উনার কাজের ছেলে ৪০০ কোটির মালিক। সেদিনই তার প্রধানমন্ত্রীত্ব চলে যাওয়ার কথা। কিন্তু তিনি থেকেছেন। জনগণের ক্ষমতা নয় ভারতের মোদির জেরে। শেখ হাসিনা আবার পরকীয়া করতো চীনের সঙ্গে। যে মহিলা পরকীয়া করে তাদের চীন মোটেও পছন্দ করে না। সরকারের যে পতন আমরা দেখেছি সেটা এ পরকীয়ার ফসল।
প্রধান বক্তার বক্তব্য মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছে। সে বিগত ১৫ বছরে গুম, খুন, হামলা মামলা দিয়ে নির্যাতন করেছে। তার হাত রক্তে রঞ্জিত। শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে দেশে এনে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে। সে বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায় ভাবে বন্দী করে রেখেছিল। তারেক রহমানকে সাজা দিয়ে দেশে আসতে দেয় নাই। আমরা বলতে চায়, অল্প কিছু দিনের মধ্যেই তারেক রহমান দেশে ফিরে আসবে। আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অনুরোধ করবো, রাষ্ট্র সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন। জনগণ ভোট দেওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে। 
বিশেষ বক্তার বক্তব্যে মীর হেলাল বলেন, স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকসহ রাষ্ট্রের সকল কাঠামোকে ধবংস করেছে। দেশকে দেউলিয়া করে ফেলেছে। ছাত্র জনতার রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার থেকে দেশবাসী মুক্তি পেলেও ষড়যন্ত্র থেমে নেই। এই অর্জিত স্বাধীনতাকে নস্যাৎ করার জন্য ষড়যন্ত্রকারীরা এখনও দেশে অরাজকতা ও ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি করে দেশের শান্তি শৃঙ্খলা বিনষ্ট করছে। তাই কোনো দুষ্কৃতকারী যাতে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে, সে জন্য সবাইকে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে। দেশকে পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল করার চক্রান্তকে প্রতিহত করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে এরশাদ উল্লাহ বলেন, শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে পালিয়ে গেলেও এখনো তাদের ষড়যন্ত্র বন্ধ হয়নি। ৫ আগষ্টের পর থেকে একটা নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। তাই আমাদের দলকে সুসংগঠিত করে শক্তিশালী করতে হবে। কারণ এখনো আমাদের পরিপূর্ণ বিজয় আসেনি। যেদিন আমরা নির্বাচনে জয় লাভ করবো সেদিনেই আমাদের পরিপূর্ণ বিজয় হবে। তাই আমাদেরকে পরিচ্ছন্ন রাজনীতি উপহার দিতে হবে। জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে। 
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ এম নাজিম উদ্দীন বলেন, বাংলাদেশটা আমাদের সবার। এ দেশ আমাদেরই গড়তে হবে। কেউ যেন কোনো নির্যাতন নিপীড়নের শিকার না হন। যে কোনো অপপ্রচার ও অপচেষ্টার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামবাসীকে সচেতন থাকতে হবে। 
নাজিমুর রহমান বলেন, হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশের জনগণ আরেকটি বিজয় দেখেছে। তাই কেউ দয়া করে প্রতিহিংসা প্রতিশোধে লিপ্ত হবেন না। এমনকি কেউ বিএনপির নাম ব্যবহার করে কোনো অপকর্ম করলে তাঁকে ধরে আইনের হাতে তুলে দিন। বিএনপির কোন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে যদি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে তাহলে আমাদের জানালে আমরা তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। 
এতে বক্তব‌্য রা‌খেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সি. যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দ আজম উদ্দীন, এস এম সাইফুল আলম, এস কে খোদা তোতন, শফিকুর রহমান স্বপন, কাজী বেলাল উদ্দিন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, মো. শাহ আলম, ইসকান্দর মির্জা, আবদুল মান্নান, মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী, সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান, সাধারন সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, ছাত্রদলের আহবায়ক সাইফুল আলম, সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন সহ মহানগর বিএনপি, থানা ও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সাধারণ সম্পাদক এবং অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গা পরিচয়ের অভিযোগে ফায়সালের ভুয়া এনআইডি-পাসপোর্ট, রাঙ্গুনিয়ায় আটক

জনগণের রায় বাস্তবায়নের জন্য একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন দরকার- মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন।।

আপডেট সময় : 02:57:27 pm, Thursday, 15 August 2024
ইসমাইল ইমন
চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি।।
   
   
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন বলেছেন- আওয়ামীলীগের আয়নাঘরে এখনো কতজন বন্দি আছে সেটা কেউ জানে না। কেয়ারটেকার সরকারকে আমি অনুরোধ জানাই- আপনারা আয়নাঘরে কারা এখনও বন্দি আছে- কারা এখনও টর্চার সেলে আছে- আমরা তাদের দেখতে চাই। আয়নাঘরে গুম হয়ে থাকা আমাদের দলের নেতাকর্মীসহ সবাইকে তাদের পরিবারের কাছে ফেরত দিতে হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আপনারা এসেছেন- আমরা সবাই আপনাদের সমর্থন দিচ্ছি। জনগণের রায় বাস্তবায়নের জন্য একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন করা দরকার। আপনারা আপনাদের ক্ষমতায় থাকাকালীন অবস্থায় একটা অধ্যাদেশ আনবেন যে- আগামী নির্বাচনও কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে হবে। কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে নির্বাচনের কথা বললে আওয়ামী লীগের গা চুলকানি শুরু হয়। এই গা চুলকানি বন্ধ করার জন্য আমরা অন্তত দুইটি নির্বাচন কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে করতে চাই। 
তিনি বৃহস্পতিবার -১৫ আগষ্ট- বিকালে কাজীর দেউরী নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে নুর আহম্মেদ সড়কে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রজনতার ওপর গুলি চালিয়ে গণহত্যা এবং খুনি হাসিনাসহ তার খুনি দোসরদের বিচারের দাবিতে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। 
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব নাজিমুর রহমানের পরিচালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম। বিশেষ বক্তার বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দীন।
মীর নাছির বলেন- এর মধ্যে যেসব আইন সংস্কার দরকার- সেগুলো আপনারা সংস্কার করে নেন। যারা রাজনীতি প্রশাসন ভালো বোঝেন- তাদের সরকারে রাখুন। জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হয়- সেই বিধান রাখবেন। ছাত্রদের নাম ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। তারা আন্দোলন করে- রক্ত দিয়ে জাতির ওপর থেকে যে বিশাল বোঝা- সেটা সরিয়ে দিয়েছে। শেখ হাসিনাকে আজ পালিয়ে যেতে হয়েছে। শেখ হাসিনা যখন পালিয়ে যান- কত সুন্দর চেহারা তখন কত কালিমালিপ্ত ।কারণ- তিনি মানুষকে মানুষ বলেননি- তার ওপরে কেউ নাই- সব নাকি তার কথায় চলবে। আল্লাহ বলে সবুর লও- তোমাকে সুযোগ দেব না, সেজন্য তাকে সেভাবে বিদায় নিতে হয়েছে। 
মীর নাছির বলেন, দলের নেতা নির্বাচনে ডিএনএ টেস্ট করতে হবে। ছাত্রদল থেকে আমরা নেতৃত্ব নেব। ডিএনএ টেষ্ট করে নেতা নেয়া হয়, আমি মীর নাসির জেলে গেলে আমাকে কনডেম সেলে রাখা হয় আর অন্যরা গেলে তারা কোরমা পোলাও খায়। তারা কারা আর আমি কারা ? শেখ হাসিনা ম্যাডাম সম্পর্কে যে বক্তব্যগুলো রেখেছে, সেগুলোর জবাব সে নিজেই পেয়ে গেছে। তাকে কারও তাড়াতে হয়নি, সে নিজেই পালিয়ে গেছে। আমরা রাজনীতিতে নতুন প্রেক্ষাপট সৃষ্টি করবো। লাল গেঞ্জি গায়ে দিয়ে, মাথায় হ্যাট পরে নেতা হওয়া যাবে না। নেতা হতে হলে অনেক কষ্ট করতে হবে। আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মাদের কোনোভাবেই আমাদের ভেতরে আসতে দেয়া যাবে না।
গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, দীর্ঘ ছয় বছর পর একটি মঞ্চে উঠে মাইক ধরার সুযোগ পেয়েছি। যখন চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে অবতরণ করে ইমিগ্রেশন পার হলাম তখনও আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না আমি আদৌ কি বাংলাদেশে এসেছি নাকি অন্য কোথাও পৌঁছে গেছি। স্বল্প সময়ের মধ্যে এ স্বৈরাচারের পতন কীভাবে হলো আমার এটা বিশ্বাস হচ্ছে না। আমার ছোট ছোট সন্তানরা রাস্তায় নেমেছে, গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তাদের হাজারো সালাম জানাই। আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে তাদের কাছে। যারা ন্যায় বিচারে বিশ্বাস করে তারাই এভাবে গুলির সামনে এগিয়ে যেতে পারে। পিছপা হয় না। 
তিনি বলেন- দেশ আবার স্বাধীন হল। এ স্বাধীনতা ভোগ করতে হলে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে হবে। আজ ১৫ আগস্ট। আমরা যদি সরকারে থাকতাম তাহলেও এ ছুটি আইন বন্ধ করতে পারতাম না। এটা শুধুমাত্র সম্ভব হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য। তাদেরও হাজারো সালাম জানাই। ১৫ আগস্ট এ নাকি অনেকে গিয়ে ধানমন্ডি ৩২ এ গিয়ে ডিস্কো ডান্স করেছে। ৫০ বছর পর এ তরুণ তরুণীরা ইতিহাস লেখবে। কে বেঈমান ছিল আর কে দেশপ্রেমিক ছিল সেটা অবশ্যই লিখে যাবে। লিখে যাবে কোনো সেনাপতি যুদ্ধের ঘোষণা করে শত্রুর শিবিরে আত্মসমর্পণ করে না। সে নজির শেখ মুজিব করে গিয়েছিল। সেটা অপ্রিয় সত্য। 
তিনি আরও বলেন- মিথ্যা কথার আশ্রয় নিতে নিতে শেখ হাসিনা আজ কোথায় চলে গেছে। আওয়ামী লীগের কেউ টেরও পায়নি যে শেখ হাসিনা হেলিকপ্টারে পালিয়ে যাচ্ছে। এ হলো তাদের রাজনীতি। তারা বলেছিল, তাদের পরিবর্তে কে? এখন দেখছেন তো আপনাদের পরিবর্তে কে। দিল্লী থেকে দূরবীন দিয়ে দেখে নিন আপনার পরিবর্তে কে। আমরা সকলেই আজ তোমার পরিবর্তে এখানে উপস্থিত আছি। দীর্ঘদিন যাবত জাতীয়তাবাদী দল বলে আসছে এ দেশ দুইটি শিবিরে বিভক্ত। বাংলাদেশ জিন্দাবাদের শিবির অমর হয়ে থাকবে এ দেশের মাটিতে। জয় বাংলার শিবিরের কবর হতেই হবে। সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম থেকে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ স্লোগান তুলেছিল।এটার কোনোদিন মৃত্যু হবে না। এ বিএনপিকে ভাঙ্গার জন্য অনেকে অপচেষ্টা করা হয়েছে। ভাঙ্গতে পারে নি। উলটো তাদের কোমর ভেঙ্গে গেছে।
গিয়াস উদ্দিন কাদের বলেন, অহংকার পতনের মূল। সব অহমিকা তাদের ধূলিসাৎ হয়ে গেল। উনি যখনই বলেছেন উনার কাজের ছেলে ৪০০ কোটির মালিক। সেদিনই তার প্রধানমন্ত্রীত্ব চলে যাওয়ার কথা। কিন্তু তিনি থেকেছেন। জনগণের ক্ষমতা নয় ভারতের মোদির জেরে। শেখ হাসিনা আবার পরকীয়া করতো চীনের সঙ্গে। যে মহিলা পরকীয়া করে তাদের চীন মোটেও পছন্দ করে না। সরকারের যে পতন আমরা দেখেছি সেটা এ পরকীয়ার ফসল।
প্রধান বক্তার বক্তব্য মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছে। সে বিগত ১৫ বছরে গুম, খুন, হামলা মামলা দিয়ে নির্যাতন করেছে। তার হাত রক্তে রঞ্জিত। শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে দেশে এনে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে। সে বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায় ভাবে বন্দী করে রেখেছিল। তারেক রহমানকে সাজা দিয়ে দেশে আসতে দেয় নাই। আমরা বলতে চায়, অল্প কিছু দিনের মধ্যেই তারেক রহমান দেশে ফিরে আসবে। আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অনুরোধ করবো, রাষ্ট্র সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন। জনগণ ভোট দেওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে। 
বিশেষ বক্তার বক্তব্যে মীর হেলাল বলেন, স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকসহ রাষ্ট্রের সকল কাঠামোকে ধবংস করেছে। দেশকে দেউলিয়া করে ফেলেছে। ছাত্র জনতার রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার থেকে দেশবাসী মুক্তি পেলেও ষড়যন্ত্র থেমে নেই। এই অর্জিত স্বাধীনতাকে নস্যাৎ করার জন্য ষড়যন্ত্রকারীরা এখনও দেশে অরাজকতা ও ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি করে দেশের শান্তি শৃঙ্খলা বিনষ্ট করছে। তাই কোনো দুষ্কৃতকারী যাতে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে, সে জন্য সবাইকে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে। দেশকে পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল করার চক্রান্তকে প্রতিহত করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে এরশাদ উল্লাহ বলেন, শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে পালিয়ে গেলেও এখনো তাদের ষড়যন্ত্র বন্ধ হয়নি। ৫ আগষ্টের পর থেকে একটা নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। তাই আমাদের দলকে সুসংগঠিত করে শক্তিশালী করতে হবে। কারণ এখনো আমাদের পরিপূর্ণ বিজয় আসেনি। যেদিন আমরা নির্বাচনে জয় লাভ করবো সেদিনেই আমাদের পরিপূর্ণ বিজয় হবে। তাই আমাদেরকে পরিচ্ছন্ন রাজনীতি উপহার দিতে হবে। জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে। 
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ এম নাজিম উদ্দীন বলেন, বাংলাদেশটা আমাদের সবার। এ দেশ আমাদেরই গড়তে হবে। কেউ যেন কোনো নির্যাতন নিপীড়নের শিকার না হন। যে কোনো অপপ্রচার ও অপচেষ্টার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামবাসীকে সচেতন থাকতে হবে। 
নাজিমুর রহমান বলেন, হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশের জনগণ আরেকটি বিজয় দেখেছে। তাই কেউ দয়া করে প্রতিহিংসা প্রতিশোধে লিপ্ত হবেন না। এমনকি কেউ বিএনপির নাম ব্যবহার করে কোনো অপকর্ম করলে তাঁকে ধরে আইনের হাতে তুলে দিন। বিএনপির কোন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে যদি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে তাহলে আমাদের জানালে আমরা তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। 
এতে বক্তব‌্য রা‌খেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সি. যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দ আজম উদ্দীন, এস এম সাইফুল আলম, এস কে খোদা তোতন, শফিকুর রহমান স্বপন, কাজী বেলাল উদ্দিন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, মো. শাহ আলম, ইসকান্দর মির্জা, আবদুল মান্নান, মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী, সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান, সাধারন সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, ছাত্রদলের আহবায়ক সাইফুল আলম, সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন সহ মহানগর বিএনপি, থানা ও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সাধারণ সম্পাদক এবং অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।