Dhaka , Tuesday, 21 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
মেঘনা নদীতে নিখোঁজের দুই দিন পর স্কুল ছাএের মরদেহ উদ্ধার শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার প্রস্তুতিতে ‘এক্সক্লুসিভ লিংকডইন সেশন’ অনুষ্ঠিত জিয়াউল আহসানের রূপগঞ্জের জলসিঁড়ির ৮তলা বাড়িতে দুদকের অভিযান পাইকগাছায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গাছের চারা বিতরণ শিশু আয়নী হত্যা মামলার রায়ে একমাত্র আসামী রুবেলের মৃত্যুদন্ড চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২০০টি বর্জ্য পৃথকীকরণ বিন দিলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন নগরের যানজট কমাতে হাসপাতালগুলোর নকশা ও পার্কিংয়ে কড়া নজর সিডিএ’র চট্টগ্রামে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ওআইসি দেশগুলোর উদ্যোগে ১০০০ দুর্গতের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জনগণই দেশের প্রকৃত মালিক, আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার বদ্ধপরিকর: ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল সীতাকুণ্ডে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে যাওয়ার পথে বাধার অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে STP Association-এর প্রতিবাদ পূবাইলে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও জনদুর্ভোগ লাঘবে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সরাইলে জিহাদ হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ মধুপুরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে নিষিদ্ধ চায়না জাল ধ্বংস রূপগঞ্জে বালুবাহী ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে বৃদ্ধ নিহত ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কার করা হবে:- চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পাইকগাছায় জুলাই শহীদদের স্মরণে জামায়াতের আলোচনা সভা পাইকগাছায় ৪ লাখ প্রাকৃতিক উৎসের চিংড়ি পিএল জব্দ; নদীতে অবমুক্ত পাইকগাছায় কুটির শিল্পের সাফল্যের গল্প: মাদুর বুনে স্বাবলম্বী গ্রামের অর্ধেক মানুষ বিশ্বকাপ ফাইনাল উপলক্ষ্যে ঢাকায় কনসার্ট, মঞ্চ মাতাবেন সঞ্জয় দেব ও প্রীতম হাসান ইয়ামালকে নিয়ে স্বস্তির খবর জানাল স্পেন কুয়েতে দুটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলা হালাল সনদ পেতে ঘুষ ও অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগ ব্যবসায়ীদের জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত: মির্জা ফখরুল প্রতিটি ক্যাম্পে নিরাপদ পানি, ফ্রি চিকিৎসা ও ওষুধ দেওয়া হবে: আমিনুল হক রূপগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের নতুন প্রশাসক নূর নবী ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স কার্যক্রমের নেতৃত্বে শাহ ইউসুফকে নিয়োগ দিল বৈশ্বিক ফিনটেক প্রতিষ্ঠান লেমফাই রূপগঞ্জে জলাবদ্ধতায় লক্ষাধিক মানুষ ভোগান্তিতে \ বেদখল খাল উদ্ধার ও সংস্কারের দাবি মধুপুরে গোসল করতে গিয়ে আদিবাসী যুবকের মৃত্যু

রাজধানীর চিড়িয়াখানার দর্শনার্থীদের অভ্যর্থনা হয় দুর্গন্ধে।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:16:54 am, Monday, 24 June 2024
  • 93 বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর চিড়িয়াখানার দর্শনার্থীদের অভ্যর্থনা হয় দুর্গন্ধে।।

মোঃ আসিফুজ্জামান আসিফ 
ষ্টাফ রিপোর্টার।।

ঢাকার বাসিন্দা ও ঢাকায় ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের ভ্রমণের অন্যতম প্রধান স্থান জাতীয় চিড়িয়াখানা। এর পাশেই জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানেও সময় কাটাতে আসেন অনেকে। তবে দর্শনীয় স্থান দুটির গেট থেকে রাইনখোলা মোড় পর্যন্ত ৮০০ মিটার অংশে নানা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে দর্শনার্থীদের । সড়কজুড়ে যেখানে সেখানে বর্জ্য- অপরিচ্ছন্ন রাস্তা- সারি সারি বাস পার্কিং এবং গাড়ির গ্যারেজগুলোর ফুটপাত দখলের কারণে ঘুরতে আসা মানুষের যেমন হাঁটতে সমস্যা হচ্ছে- তেমনি চিড়িয়াখানার গেট পর্যন্ত জ্যামে বসে থাকতে হচ্ছে দীর্ঘ সময়।

চিড়িয়াখানামুখী সড়কে ভোগান্তির শুরু হয় রাইনখোলা মোড়ে অবস্থিত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ময়লা রাখার সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন -এসটিএস- থেকে। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত এখানে বাসাবাড়ির ময়লা এনে জমা করা হয়। সেখান থেকে ময়লা ট্রাকে করে ল্যান্ডফিলে নিয়ে যাওয়ার কাজ চলে নানা সময়। এর ফলে যেমন রাস্তার দুই-তৃতীয়াংশ এই কাজে দখল থাকে- তেমন দুর্গন্ধের কারণে পাশ দিয়ে যাওয়াটাও কষ্টকর। চিড়িয়াখানায় আসার সড়কে এমন ময়লার এসটিএস রাখা নিয়ে আপত্তি এলাকাবাসীরও। তবে আপত্তি থাকলেও ডিএনসিসির পক্ষ থেকে সেখানেই আরও একটি এসটিএস বানানো হচ্ছে।
   
এছাড়া যেখানে খুশি সেখানে বাস পার্কিং করে রাস্তার এক অংশ দখল করে রাখা হচ্ছে। সড়কের পাশেই আবার চলছে গাড়ি মেরামতের কাজ। গাড়ি মেরামতের ওয়ার্কশপগুলো ছাড়িয়ে বসেছে রাস্তার ওপর।
স্থানীয় বাসিন্দা ইব্রাহিম খলিল বলেন- দূর থেকে যারা আসেন তারা হয়তো বাসে করে সরাসরি চিড়িয়াখানার গেটের কাছে নামেন। তবু এখান থেকে পার হবার সময় পুরা বাসে দুর্গন্ধ চলে আসে। আর আমরা স্থানীয়রা চাইলে এটুকু পথ হেঁটে গিয়ে জাতীয় উদ্যানে সময় কাটাতে পারি। কিন্তু এই দুর্গন্ধের কারণে এদিক যেতেই ইচ্ছে করে না। তাছাড়া পুরা সড়কের যত্রতত্র ময়লা পড়া থাকে। আগ্রহ হয় না সেখানে যাওয়ার।
    
বিকালে হাঁটাহাঁটির জন্য এই সড়কটিও চমৎকার এক জায়গা হতে পারতো মন্তব্য করে স্থানীয় আরেক বাসিন্দা রোমানা সুলতানা বলেন- এই রাস্তার পাশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি অফিস- স্কুল-কলেজ আছে। রাস্তার ওপর বাস ও ওয়ার্কশপ না থাকলে জায়গাটা সুন্দর দেখাতো। কিন্তু সবচেয়ে বাজে অবস্থা এই রাস্তার। যেখানে সেখানে ময়লার স্তূপ। পুরো রাস্তাটা দেখলে মনে হবে বাসের ওয়ার্কশপ। রাস্তার পাশেই বাস সারায় তারা।
ময়লার এসটিএসের বিষয়ে ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ফিদা হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন- এটা নিয়ে নানা আপত্তির কথা জেনেছি। এসটিএস থেকে গন্ধ ছড়ায় মূলত ভাঙারিওলাদের কারণে। তারা ময়লা নিয়ে এসে নানা জিনিসপত্র খুঁজতে ময়লা ঘাঁটে। এছাড়া ময়লা থেকে খুঁজে পাওয়া বিভিন্ন জিনিসপত্র রেখে রাস্তা অনেকটাই দখল করে রাখে।
   
গন্ধ ছড়ানোর বিষয়ে সঠিক সমাধানের কথা না জানালেও এসটিএসের সৌন্দর্য বাড়ানো হবে বলে জানান ডিএনসিসির এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন- আমরা ভাবছি এসটিএসে রঙ করে সৌন্দর্য বাড়াবো- যাতে এই সড়ক দিয়ে আসা মানুষজনের কাছে দৃষ্টিকটু না লাগে।
এক এসটিএসের দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ স্থানীয়রা- তবু কেন পাশেই আরেকটি এসটিএস তৈরি করা হচ্ছে জানতে চাইলে মোহাম্মদ ফিদা হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন- এই এলাকায় অনেক ময়লা বাসাবাড়ি থেকে সংগ্রহ করা হয়- সেগুলো কোথাও রাখার জন্য জায়গা পাওয়া যায় না। কোথাও নতুন এসটিএস তৈরির জায়গাও পাওয়া যাচ্ছে না। এই ময়লাগুলো কোথায় রাখবো বলেন। আমরা চেষ্টা করি দ্রুত সময়ের মধ্যেই এসটিএসগুলো থেকে ময়লা সরিয়ে নেওয়ার।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মেঘনা নদীতে নিখোঁজের দুই দিন পর স্কুল ছাএের মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর চিড়িয়াখানার দর্শনার্থীদের অভ্যর্থনা হয় দুর্গন্ধে।।

আপডেট সময় : 05:16:54 am, Monday, 24 June 2024
মোঃ আসিফুজ্জামান আসিফ 
ষ্টাফ রিপোর্টার।।

ঢাকার বাসিন্দা ও ঢাকায় ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের ভ্রমণের অন্যতম প্রধান স্থান জাতীয় চিড়িয়াখানা। এর পাশেই জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানেও সময় কাটাতে আসেন অনেকে। তবে দর্শনীয় স্থান দুটির গেট থেকে রাইনখোলা মোড় পর্যন্ত ৮০০ মিটার অংশে নানা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে দর্শনার্থীদের । সড়কজুড়ে যেখানে সেখানে বর্জ্য- অপরিচ্ছন্ন রাস্তা- সারি সারি বাস পার্কিং এবং গাড়ির গ্যারেজগুলোর ফুটপাত দখলের কারণে ঘুরতে আসা মানুষের যেমন হাঁটতে সমস্যা হচ্ছে- তেমনি চিড়িয়াখানার গেট পর্যন্ত জ্যামে বসে থাকতে হচ্ছে দীর্ঘ সময়।

চিড়িয়াখানামুখী সড়কে ভোগান্তির শুরু হয় রাইনখোলা মোড়ে অবস্থিত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ময়লা রাখার সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন -এসটিএস- থেকে। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত এখানে বাসাবাড়ির ময়লা এনে জমা করা হয়। সেখান থেকে ময়লা ট্রাকে করে ল্যান্ডফিলে নিয়ে যাওয়ার কাজ চলে নানা সময়। এর ফলে যেমন রাস্তার দুই-তৃতীয়াংশ এই কাজে দখল থাকে- তেমন দুর্গন্ধের কারণে পাশ দিয়ে যাওয়াটাও কষ্টকর। চিড়িয়াখানায় আসার সড়কে এমন ময়লার এসটিএস রাখা নিয়ে আপত্তি এলাকাবাসীরও। তবে আপত্তি থাকলেও ডিএনসিসির পক্ষ থেকে সেখানেই আরও একটি এসটিএস বানানো হচ্ছে।
   
এছাড়া যেখানে খুশি সেখানে বাস পার্কিং করে রাস্তার এক অংশ দখল করে রাখা হচ্ছে। সড়কের পাশেই আবার চলছে গাড়ি মেরামতের কাজ। গাড়ি মেরামতের ওয়ার্কশপগুলো ছাড়িয়ে বসেছে রাস্তার ওপর।
স্থানীয় বাসিন্দা ইব্রাহিম খলিল বলেন- দূর থেকে যারা আসেন তারা হয়তো বাসে করে সরাসরি চিড়িয়াখানার গেটের কাছে নামেন। তবু এখান থেকে পার হবার সময় পুরা বাসে দুর্গন্ধ চলে আসে। আর আমরা স্থানীয়রা চাইলে এটুকু পথ হেঁটে গিয়ে জাতীয় উদ্যানে সময় কাটাতে পারি। কিন্তু এই দুর্গন্ধের কারণে এদিক যেতেই ইচ্ছে করে না। তাছাড়া পুরা সড়কের যত্রতত্র ময়লা পড়া থাকে। আগ্রহ হয় না সেখানে যাওয়ার।
    
বিকালে হাঁটাহাঁটির জন্য এই সড়কটিও চমৎকার এক জায়গা হতে পারতো মন্তব্য করে স্থানীয় আরেক বাসিন্দা রোমানা সুলতানা বলেন- এই রাস্তার পাশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি অফিস- স্কুল-কলেজ আছে। রাস্তার ওপর বাস ও ওয়ার্কশপ না থাকলে জায়গাটা সুন্দর দেখাতো। কিন্তু সবচেয়ে বাজে অবস্থা এই রাস্তার। যেখানে সেখানে ময়লার স্তূপ। পুরো রাস্তাটা দেখলে মনে হবে বাসের ওয়ার্কশপ। রাস্তার পাশেই বাস সারায় তারা।
ময়লার এসটিএসের বিষয়ে ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ফিদা হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন- এটা নিয়ে নানা আপত্তির কথা জেনেছি। এসটিএস থেকে গন্ধ ছড়ায় মূলত ভাঙারিওলাদের কারণে। তারা ময়লা নিয়ে এসে নানা জিনিসপত্র খুঁজতে ময়লা ঘাঁটে। এছাড়া ময়লা থেকে খুঁজে পাওয়া বিভিন্ন জিনিসপত্র রেখে রাস্তা অনেকটাই দখল করে রাখে।
   
গন্ধ ছড়ানোর বিষয়ে সঠিক সমাধানের কথা না জানালেও এসটিএসের সৌন্দর্য বাড়ানো হবে বলে জানান ডিএনসিসির এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন- আমরা ভাবছি এসটিএসে রঙ করে সৌন্দর্য বাড়াবো- যাতে এই সড়ক দিয়ে আসা মানুষজনের কাছে দৃষ্টিকটু না লাগে।
এক এসটিএসের দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ স্থানীয়রা- তবু কেন পাশেই আরেকটি এসটিএস তৈরি করা হচ্ছে জানতে চাইলে মোহাম্মদ ফিদা হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন- এই এলাকায় অনেক ময়লা বাসাবাড়ি থেকে সংগ্রহ করা হয়- সেগুলো কোথাও রাখার জন্য জায়গা পাওয়া যায় না। কোথাও নতুন এসটিএস তৈরির জায়গাও পাওয়া যাচ্ছে না। এই ময়লাগুলো কোথায় রাখবো বলেন। আমরা চেষ্টা করি দ্রুত সময়ের মধ্যেই এসটিএসগুলো থেকে ময়লা সরিয়ে নেওয়ার।