Dhaka , Friday, 27 February 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
শরীয়তপুরে ঢাকা পোস্টের সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলা পাইকগাছায় নিসচার উদ্যোগে তিন প্রতিবন্ধীর মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ পাইকগাছায় নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন উদ্ভাবনী প্রকল্পের উদ্বোধন নিরাপদ পানি নিশ্চিতে পাইকগাছায় উদ্যোক্তাদের সমন্বয় সভা পাইকগাছায় বাজার পরিদর্শন ও মশক নিধন কর্মসূচির উদ্বোধন হিলিতে অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ নেত্রকোণার দুর্গাপুরে প্রথমবার সরকারি সফরে আসছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ফতুল্লায় দিনে দুপুরে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি মেঘনাঘাটে তিতাস গ্যাসের মোবাইল কোর্ট অভিযান, ৬টি অবৈধ চুনা ভাট্টি উচ্ছেদ বিপদ কাটলেই মানুষ বিএনপি হয়ে যায়: ইবি বৈছআ আহ্বায়ক রামগঞ্জ প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত। দেশে প্রথমবারের মতো কারাবন্দীদের জন্য আশ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে চালু হচ্ছে ইন্টারকম ব্যবস্থা জয়নুল আবদীন ফারুকের স্ত্রীর দাফন সম্পন্ন: সেনবাগে শেষ বিদায়ে অশ্রুসিক্ত পরিবেশ দোকানে ঢুকল তেলবাহী লরি:নোয়াখালীতে বাবার মৃত্যুর ছয়দিন পর ছেলের মৃত্যু হরিপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান: মালিকবিহীন ৩৫ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার মোংলায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা ও ছানি অপারেশন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত শরীয়তপুরে সেরা ওসি নির্বাচিত জাজিরা থানার মো. সালেহ্ আহাম্মদ হিলি সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ ৭ ঘণ্টা পর বিজিবির হাতে আটক যুবককে ফেরত দিল বিএসএফ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রূপগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দখল মুক্ত করে ফুটপাত উচ্ছেদের পর ফের দখল চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া এলাকায় বিএসটিআই ও নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তরের সমন্বয়ে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম’র বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযান; বিপুল পরিমাণ কসমেটিকস ও মাদক জব্দ কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ৮ ডাকাত আটক ৪ জেলে উদ্ধার পাঁচবিবির ১নং রেলগেট সড়ক সংস্কার: দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমে স্বস্তি ফিরেছে শরীয়তপুরে দেবরের আত্মহত্যার ২৪ ঘন্টা পর ভাবীর আত্মহত্যা পাইকগাছায় শিবসা ব্রিজ যেন মরণফাঁদ; প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার কবলে পথচারী পাইকগাছায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে প্রশাসন মধুপুরে মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মধুপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মধুপুরে গাছ নিধনের পর বনে আগুন ॥ ৭৫ একর ভূমি জবরদখলের পায়তারা ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে রাজনগরে যুবক খুন ছুরিকাঘাতে নিহত, অভিযুক্ত একই গ্রামের তরুণ

আশ্রয়ণকেন্দ্রের বেহাল দশা, ভবনের ছাদ ও পিলারে ফাটল ।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 09:38:54 am, Monday, 7 August 2023
  • 232 বার পড়া হয়েছে

আশ্রয়ণকেন্দ্রের বেহাল দশা, ভবনের ছাদ ও পিলারে ফাটল ।।

  এইচ এম সালাহ উদ্দীন কাদের

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি।।

কক্সবাজারের পেকুয়ার উজানটিয়া বহুমুখী কমিউনিটি সেন্টার (আশ্রয় কেন্দ্র)টি সংস্কারের অভাবে দিনদিন বেহাল অবস্থায় পরিণত হয়েছে। চরম ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় দুর্যোগ মহামারিতে জীবন বাঁচাতে যেখানে আশ্রয় নেওয়া হয়। আর সেই আশ্রয়কেন্দ্রটি আরো ঝুঁকিপূর্ণ। ছাদ ও পিলারের পলেস্তারা খসে পড়ছে। তারপরও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এলাকার লোকজন ওই কেন্দ্রে আশ্রয় নেন।

সরেজমিনে গিয়ে তথ্য নিয়ে জানা যায়, ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণহানি ও জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পরে ১৯৯৫ সালে কারিতাস ইতালিয়ান অনুদানে ও কারিতাস বাংলাদেশ ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রটি নির্মাণ করে। নির্মাণের পর আর সংস্কার করা হয়নি। ২৭ বছরের মাথায় সংস্কারের অভাবে ভবনটির ছাদ ও পিলারে ফাটল, এমনকি ভেঙে যাচ্ছে দরজা- জানালাও। সংস্কারের অভাবে অকালেই ব্যবহার উপযোগিতা হারাচ্ছে আশ্রয়কেন্দ্রেটি। ফলে দুই এলাকার মানুষ দুর্যোগের সময় আশ্রয় সংকটে পড়বে। শুরু থেকে ওই আশ্রয় কেন্দ্রে কারিতাসের পরিচালনাধীন একটি স্কুল ছিল। ২০১৬ সাল থেকে স্কুল বন্ধ হওয়ার পর থেকে আশ্রয়কেন্দ্রে কোনো সংস্কার হয়নি। বর্তমানে এ আশ্রয়কেন্দ্রটিতে গাঁজাসহ মাদক সেবনের আস্তানা ও কিশোর গ্যাং এর আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে পরিণত হয়েছে।

পেকুয়ার চর এলাকার তৌহিদুল ইসলাম জিমেল বলেন, এ আশ্রয় কেন্দ্রটি ১৯৯৫ সালে নির্মিত হয়েছে। দুই ওয়ার্ডে দুইটি আশ্রয় কেন্দ্র থাকলেও ওয়ার্ড দুটির প্রায় দুইশো পরিবার এ আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় গ্রহণ করে। ১৯৯৭ সালে আমরা সপরিবারে এ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করেছিলাম। বর্তমানে এ আশ্রয় কেন্দ্রের অবস্থা দেখে আমি হতভম্ব। সরকারের কাছে আমাদের আবেদন দ্রুত আশ্রয় কেন্দ্রের সংস্কার করা হোক।

সৃথানীয় এমইউপি ওসমান গনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের সময় এ আশ্রয় কেন্দ্রে ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডের শত শত মানুষ আশ্রয় গ্রহণ করে। এ আশ্রয় কেন্দ্র সংস্কারের অভাবে ভেঙ্গে যাওয়ার অবস্থা। এ আশ্রয় কেন্দ্র হচ্ছে কারিতাসের পরিচালনাধীন, তবুও সরকারিভাবে অনুদানের জন্য আমি ও চেয়ারম্যান কাজ করছি।

আশ্রয় কেন্দ্রের সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশ কারিতাসের পরিচালনাধীন স্কুল ছিল এ ভবনে। তখন আমি সভাপতি ছিলাম। তখন তাদের সাথে যোগাযোগ ছিল। স্কুল বন্ধ হওয়ার পর থেকে তাদের সাথে আর যোগাযোগ হয়নি। সরকারিভাবে সংস্কার করা না হলে এটি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পরিণত হবে। আমি স্থানীয় চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে সংস্কারের জন্য জোর আবেদন জানাচ্ছি।
কারিতাসের এরিয়া ম্যানেজার কামাল বলেন, ১৯৯৫ সালে ইতালির অনুদানে তৈরি করা হয় এ আশ্রয়কেন্দ্র। কিন্তু এরপর এলাকায় কমিটি করে আমরা তাদের বুঝিয়ে দিয়েছি। এখন এটা জনগণের সম্পদ, কারিতাসের কিছু নেই। আর সেই অনুদান শেষ। সরকারিভাবে সংস্কার করতে পারবে। তবে আগষ্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর এই তিন মাস কারিতাস থেকে ১৯৯৫ এর পরে তৈরি করা আশ্রয় কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করবে। যদি সংস্কার করার মতো পরিবেশ থাকে এবং বাংলাদেশ কারিতাস যদি ডোনার পায়, তবে সংস্কার হতে পারে।

স্থানীয় চেয়ারম্যান তোফাজল করিম জানান, আশ্রয়ন কেন্দ্রটি সংস্কার করতে ইউএনওসহ পরিদর্শন করেছিলাম। কিন্তু এখনো কোন কাজ হয়নি

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শরীয়তপুরে ঢাকা পোস্টের সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলা

আশ্রয়ণকেন্দ্রের বেহাল দশা, ভবনের ছাদ ও পিলারে ফাটল ।।

আপডেট সময় : 09:38:54 am, Monday, 7 August 2023

  এইচ এম সালাহ উদ্দীন কাদের

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি।।

কক্সবাজারের পেকুয়ার উজানটিয়া বহুমুখী কমিউনিটি সেন্টার (আশ্রয় কেন্দ্র)টি সংস্কারের অভাবে দিনদিন বেহাল অবস্থায় পরিণত হয়েছে। চরম ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় দুর্যোগ মহামারিতে জীবন বাঁচাতে যেখানে আশ্রয় নেওয়া হয়। আর সেই আশ্রয়কেন্দ্রটি আরো ঝুঁকিপূর্ণ। ছাদ ও পিলারের পলেস্তারা খসে পড়ছে। তারপরও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এলাকার লোকজন ওই কেন্দ্রে আশ্রয় নেন।

সরেজমিনে গিয়ে তথ্য নিয়ে জানা যায়, ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণহানি ও জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পরে ১৯৯৫ সালে কারিতাস ইতালিয়ান অনুদানে ও কারিতাস বাংলাদেশ ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রটি নির্মাণ করে। নির্মাণের পর আর সংস্কার করা হয়নি। ২৭ বছরের মাথায় সংস্কারের অভাবে ভবনটির ছাদ ও পিলারে ফাটল, এমনকি ভেঙে যাচ্ছে দরজা- জানালাও। সংস্কারের অভাবে অকালেই ব্যবহার উপযোগিতা হারাচ্ছে আশ্রয়কেন্দ্রেটি। ফলে দুই এলাকার মানুষ দুর্যোগের সময় আশ্রয় সংকটে পড়বে। শুরু থেকে ওই আশ্রয় কেন্দ্রে কারিতাসের পরিচালনাধীন একটি স্কুল ছিল। ২০১৬ সাল থেকে স্কুল বন্ধ হওয়ার পর থেকে আশ্রয়কেন্দ্রে কোনো সংস্কার হয়নি। বর্তমানে এ আশ্রয়কেন্দ্রটিতে গাঁজাসহ মাদক সেবনের আস্তানা ও কিশোর গ্যাং এর আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে পরিণত হয়েছে।

পেকুয়ার চর এলাকার তৌহিদুল ইসলাম জিমেল বলেন, এ আশ্রয় কেন্দ্রটি ১৯৯৫ সালে নির্মিত হয়েছে। দুই ওয়ার্ডে দুইটি আশ্রয় কেন্দ্র থাকলেও ওয়ার্ড দুটির প্রায় দুইশো পরিবার এ আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় গ্রহণ করে। ১৯৯৭ সালে আমরা সপরিবারে এ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করেছিলাম। বর্তমানে এ আশ্রয় কেন্দ্রের অবস্থা দেখে আমি হতভম্ব। সরকারের কাছে আমাদের আবেদন দ্রুত আশ্রয় কেন্দ্রের সংস্কার করা হোক।

সৃথানীয় এমইউপি ওসমান গনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের সময় এ আশ্রয় কেন্দ্রে ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডের শত শত মানুষ আশ্রয় গ্রহণ করে। এ আশ্রয় কেন্দ্র সংস্কারের অভাবে ভেঙ্গে যাওয়ার অবস্থা। এ আশ্রয় কেন্দ্র হচ্ছে কারিতাসের পরিচালনাধীন, তবুও সরকারিভাবে অনুদানের জন্য আমি ও চেয়ারম্যান কাজ করছি।

আশ্রয় কেন্দ্রের সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশ কারিতাসের পরিচালনাধীন স্কুল ছিল এ ভবনে। তখন আমি সভাপতি ছিলাম। তখন তাদের সাথে যোগাযোগ ছিল। স্কুল বন্ধ হওয়ার পর থেকে তাদের সাথে আর যোগাযোগ হয়নি। সরকারিভাবে সংস্কার করা না হলে এটি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পরিণত হবে। আমি স্থানীয় চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে সংস্কারের জন্য জোর আবেদন জানাচ্ছি।
কারিতাসের এরিয়া ম্যানেজার কামাল বলেন, ১৯৯৫ সালে ইতালির অনুদানে তৈরি করা হয় এ আশ্রয়কেন্দ্র। কিন্তু এরপর এলাকায় কমিটি করে আমরা তাদের বুঝিয়ে দিয়েছি। এখন এটা জনগণের সম্পদ, কারিতাসের কিছু নেই। আর সেই অনুদান শেষ। সরকারিভাবে সংস্কার করতে পারবে। তবে আগষ্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর এই তিন মাস কারিতাস থেকে ১৯৯৫ এর পরে তৈরি করা আশ্রয় কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করবে। যদি সংস্কার করার মতো পরিবেশ থাকে এবং বাংলাদেশ কারিতাস যদি ডোনার পায়, তবে সংস্কার হতে পারে।

স্থানীয় চেয়ারম্যান তোফাজল করিম জানান, আশ্রয়ন কেন্দ্রটি সংস্কার করতে ইউএনওসহ পরিদর্শন করেছিলাম। কিন্তু এখনো কোন কাজ হয়নি