Dhaka , Saturday, 13 June 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে মাদকসেবী আখ্যা দিয়ে ব্যবসায়ীকে হত্যা, গ্রেপ্তার-২ দেশব্যাপী২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির তারেক রহমানের নির্দেশিত বেতাগীতে বর্ণাঢ্য উদ্বোধন মধুপুরে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন পলাশে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের উচ্ছ্বাস,৩০০ ফুট পতাকা নিয়ে মিছিল জাজিরায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন এমপি সাঈদ আহমেদ আসলাম রামগঞ্জে সম্পত্তি বিরোধে মুক্তিযোদ্ধার বসতঘর পুড়ে ছাই রূপগঞ্জে কারখানায় দুর্ধর্ষ ডাকাতিতে কোটি টাকার মালামাল লুট জিয়াউর রহমান বিদেশি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিলেন:- অধ্যাপক নছরুল কদির সন্দ্বীপে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, শীর্ষ সন্ত্রাসী বাবলুসহ ২ জন গ্রেপ্তার শিশুদের ইউটিআইয়ের ঝুঁকি বাড়ায় যে টয়লেট অভ্যাসগুলো, জানালেন বিশেষজ্ঞ কিশোরীদের মধ্যে স্কিনকেয়ার আসক্তি, সতর্ক করলেন বিশেষজ্ঞরা ‘হামলা হবে না’ শর্তে ইরানের জব্দ করা অর্থ ছাড়ছে আমিরাত অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করার মিশন, যা বলছেন সৌম্য হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু প্রেসক্লাব পাইকগাছার সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের প্রতিটি গোলের বিপরীতে গাছ রোপণ: লালমনিরহাটে ‘অদম্য যুব সংগঠন’ এর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ভোরের কাগজ সাংবাদিকের পরিবারকে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে তিন প্রতিমন্ত্রীর আকর্ষিক পরিদর্শন বাবার আদর্শকে ধারণ করে চট্টগ্রামবাসীর ভাগ্যবদলে সবসময় পাশে থাকব:- ডা. শাহাদাত হোসেন কাপ্তাইয়ে পাহাড়ধসের ৮ বছর, এখনো ঝুঁকিতে বসবাস করছে শতাধিক পরিবার মাদক বিবাদে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা, নোয়াখালীতে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ রূপগঞ্জের সরকারি মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়  ১২৫তম বর্ষপূর্তিতে উৎসবমুখর নবীন-প্রবীণের মিলনমেলা আনন্দ-উল্লাস আর গান-গল্প-আড্ডায় মাতলেন সবাই পাইকগাছায় স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনী ধারণার প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের অবৈধ ঝুকিপূর্ণ সংযোগ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল মধুপুরের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী আইডিয়া প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত কুড়ালিয়া ইউনিয়নের জনগণের কাছে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন খালিদুজ্জামান শামীম মরহুম আলহাজ্ব আহমেদুর রহমানের ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে খতমে কোরআন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত সিডিএ চেয়ারম্যান হলেন ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন রায়পুরে বেকার তরুণদের স্বাবলম্বী করতে ফ্রি ফ্রিল্যান্সিং কোর্স। বখাটের এআই ভিডিওর অপপ্রচারে প্রাণ গেল স্কুলছাত্রীর, মানববন্ধনে ফাঁসির দাবি

মেহেরপুরে প্রশাসনকে অমান্য, খোলা রয়েছে গভীর রাত অব্দি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 12:59:39 am, Sunday, 20 June 2021
  • 405 বার পড়া হয়েছে

মেহেরপুর প্রশাসন ও পুলিশ শহর কেন্দ্রীক তৎপরতা ও বিধি নিষেধ।।

 

মেহেরপুর থেকে জুরাইাস ইসলাম।।
উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ শহর কেন্দ্রীক তৎপরতা চালানোর কারণে বিধি নিষেধ কিছুটা মানলেও গ্রামাঞ্চলে কোন তৎপরতা নেই। মেহেরপুর জেলার তিনটি উপজেলা বিভিন্ন স্থানে করোনা প্রতিরোধ কমিটি বিধি নিষেধ আরোপ করলেও তা মানা হচ্ছে না ফলে করোনা সংক্রমণ আরো ছড়িয়ে পড়ার আশংকা করছেন সচেতন মহল। তবে প্রশান বলছে বিষয়টি দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
করোনা প্রতিরোধ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ি সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত দোকান পাট খোলা রাখা সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারী করেন জেলা প্রশাসন। সে অনুযায়ি শহরে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনী তৎপরতা চালিয়ে দোকান পাট বন্ধ করে দেয় এবং বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করে দন্ড প্রদান করেন। কিন্তু করোনার আতুর ঘর হিসেবে পরিচিত পল্লী অঞ্চলে প্রশাসনিক তৎপরতা নেই ফলে গভীর রাত পর্যন্ত দোকান পাট খোলাসহ আড্ডা দিতে দেখা গেছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা সদর, মুজিবনগর ও গাংনী পৌর অঞ্চলে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনী সচেতনতা বৃদ্ধি ও বিধি নিষেধ বাস্তবায়নে অগ্রণী ভ‚মিকা পালন করে। সন্ধ্যা ছয়টা থেকে সাড়ে ছয়টার ভিতরে দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। দিনব্যাপি বিধি নিষেধের ব্যাপারে প্রচারণা চালান গাংনী বাজার কমিটি। কিন্তু অন্য কোন স্থানে ও বাজারে সংশ্লিষ্ট কমিটি কোন প্রচারণা চালান নি। ইউপি চেয়ারম্যানদের ভ‚মিকাও প্রশ্নবিদ্ধ। সংশ্লিষ্ট এলাকার ইউপি চেয়ারম্যানগণ করোনা বিস্তার রোধে কোন ভ‚মিকা পালন করছেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।
সরেজমিনে রাত আটটার দিকে দেখা গেছে বামন্দী বাজারের দোকানপাট খোলা। চায়ের দোকান খোলা রয়েছে গভীর রাত অব্দি। আবার কাকডাকা ভোরে হোটেল রেস্তোরা ও চায়ের দোকান খুলতে দেখা গেছে। একই অবস্থা রাইপুর, মড়কা হেমায়েতপুর, জোড়পুকুর, বাওট সহড়াবাড়িয়া হোগলবাড়িয়া কাজিপুর নওপাড়াসহ অন্যান্য বাজারে। গভীর রাতে কয়েকটি গ্রামের চায়ের দোকানে টেলিভিশনের সামনে বসে উদাম নাচ উপভোগ করতে দেখা গেছে।
চায়ের দোকানে বসে থাকা কয়েকজন জানান, বড় বড় মার্কেট গো হাট খোলা তাতে সমস্যা নেই অথচ গরীব মানুষের চায়ের দোকান নিয়ে সকলের মাথা ব্যাথা। কেউ কেউ বলছে, সারাদিন কাজ করে বাড়ির দুটো ডালভাত খেয়ে চায়ের দোকানে বসে সাধারণ মানুষ। সন্ধ্যার আগেই যদি সব বন্ধ করে দেয়া হয় তাহলে চায়ের দোকানীর যেমন আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাবে তেমনি সাধারণ মানুষের অবসাদ বলে কিছুই থাকবে না।
গ্রামাঞ্চলের লোকজনের এ দাবী অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন অনেকেই। তারা বলছেন সীমান্ত এলাকার গ্রামই নয়, সাধারণ মানুষ করোনার প্রতি উদাসীন হওয়ায় শহরের চেয়ে গ্রামে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এক্ষেত্রে শহর স্বাভাবিক রেখে গ্রামাঞ্চলের দোকানপাট বন্ধ করা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করণে পদক্ষেপ নেয়া দরকার।
বামন্দী বাজার কমিটির সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান আওয়াল হোসেন জানান, দোকানপাট চলছে এবং চলেছে। পুলিশ প্রশাসন দোকান বন্ধে সংশ্লিষ্ট বাজার কমিটির সহযোগিতা চাইলে তা দেয়া হবে। কিন্তু পুলিশি তৎপরতা না থাকায় এমনটি হচ্ছে। গ্রামাঞ্চলে চায়ের দোকান বন্ধে ক্যাম্প পুলিশ টহল দিলেই তা বন্ধ হয়ে যাবে।
গাংনী থানার ওসি বজলুর রহমান জানান, সবখানে একই ভাবে বন্ধ সম্ভব হচ্ছে না। তারপরও পুলিশ চেষ্টা করছে বিধি নিষেধ আরোপের বিষয়টি বাস্তবায়নে। বিভিন্ন এলাকার পুলিশ ক্যাম্পে ইতোমধ্যে জানানো হয়েছে।
গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমী খানম জানান, প্রশাসন বেশ তৎপর রয়েছে। করোনা বিস্তার রোধকল্পে যা যা করণীয় তাই করা হবে। কোন স্থানে বিধি ভঙ্গের ব্যাপারে জানতে পারলে পুলিশ বাহিনীকে সাথে নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সেই সাথে সকলকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলাচল করতে অনুরোধ জানান।

 

 

 

ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে মাদকসেবী আখ্যা দিয়ে ব্যবসায়ীকে হত্যা, গ্রেপ্তার-২

মেহেরপুরে প্রশাসনকে অমান্য, খোলা রয়েছে গভীর রাত অব্দি

আপডেট সময় : 12:59:39 am, Sunday, 20 June 2021

 

মেহেরপুর থেকে জুরাইাস ইসলাম।।
উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ শহর কেন্দ্রীক তৎপরতা চালানোর কারণে বিধি নিষেধ কিছুটা মানলেও গ্রামাঞ্চলে কোন তৎপরতা নেই। মেহেরপুর জেলার তিনটি উপজেলা বিভিন্ন স্থানে করোনা প্রতিরোধ কমিটি বিধি নিষেধ আরোপ করলেও তা মানা হচ্ছে না ফলে করোনা সংক্রমণ আরো ছড়িয়ে পড়ার আশংকা করছেন সচেতন মহল। তবে প্রশান বলছে বিষয়টি দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
করোনা প্রতিরোধ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ি সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত দোকান পাট খোলা রাখা সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারী করেন জেলা প্রশাসন। সে অনুযায়ি শহরে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনী তৎপরতা চালিয়ে দোকান পাট বন্ধ করে দেয় এবং বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করে দন্ড প্রদান করেন। কিন্তু করোনার আতুর ঘর হিসেবে পরিচিত পল্লী অঞ্চলে প্রশাসনিক তৎপরতা নেই ফলে গভীর রাত পর্যন্ত দোকান পাট খোলাসহ আড্ডা দিতে দেখা গেছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা সদর, মুজিবনগর ও গাংনী পৌর অঞ্চলে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনী সচেতনতা বৃদ্ধি ও বিধি নিষেধ বাস্তবায়নে অগ্রণী ভ‚মিকা পালন করে। সন্ধ্যা ছয়টা থেকে সাড়ে ছয়টার ভিতরে দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। দিনব্যাপি বিধি নিষেধের ব্যাপারে প্রচারণা চালান গাংনী বাজার কমিটি। কিন্তু অন্য কোন স্থানে ও বাজারে সংশ্লিষ্ট কমিটি কোন প্রচারণা চালান নি। ইউপি চেয়ারম্যানদের ভ‚মিকাও প্রশ্নবিদ্ধ। সংশ্লিষ্ট এলাকার ইউপি চেয়ারম্যানগণ করোনা বিস্তার রোধে কোন ভ‚মিকা পালন করছেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।
সরেজমিনে রাত আটটার দিকে দেখা গেছে বামন্দী বাজারের দোকানপাট খোলা। চায়ের দোকান খোলা রয়েছে গভীর রাত অব্দি। আবার কাকডাকা ভোরে হোটেল রেস্তোরা ও চায়ের দোকান খুলতে দেখা গেছে। একই অবস্থা রাইপুর, মড়কা হেমায়েতপুর, জোড়পুকুর, বাওট সহড়াবাড়িয়া হোগলবাড়িয়া কাজিপুর নওপাড়াসহ অন্যান্য বাজারে। গভীর রাতে কয়েকটি গ্রামের চায়ের দোকানে টেলিভিশনের সামনে বসে উদাম নাচ উপভোগ করতে দেখা গেছে।
চায়ের দোকানে বসে থাকা কয়েকজন জানান, বড় বড় মার্কেট গো হাট খোলা তাতে সমস্যা নেই অথচ গরীব মানুষের চায়ের দোকান নিয়ে সকলের মাথা ব্যাথা। কেউ কেউ বলছে, সারাদিন কাজ করে বাড়ির দুটো ডালভাত খেয়ে চায়ের দোকানে বসে সাধারণ মানুষ। সন্ধ্যার আগেই যদি সব বন্ধ করে দেয়া হয় তাহলে চায়ের দোকানীর যেমন আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাবে তেমনি সাধারণ মানুষের অবসাদ বলে কিছুই থাকবে না।
গ্রামাঞ্চলের লোকজনের এ দাবী অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন অনেকেই। তারা বলছেন সীমান্ত এলাকার গ্রামই নয়, সাধারণ মানুষ করোনার প্রতি উদাসীন হওয়ায় শহরের চেয়ে গ্রামে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এক্ষেত্রে শহর স্বাভাবিক রেখে গ্রামাঞ্চলের দোকানপাট বন্ধ করা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করণে পদক্ষেপ নেয়া দরকার।
বামন্দী বাজার কমিটির সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান আওয়াল হোসেন জানান, দোকানপাট চলছে এবং চলেছে। পুলিশ প্রশাসন দোকান বন্ধে সংশ্লিষ্ট বাজার কমিটির সহযোগিতা চাইলে তা দেয়া হবে। কিন্তু পুলিশি তৎপরতা না থাকায় এমনটি হচ্ছে। গ্রামাঞ্চলে চায়ের দোকান বন্ধে ক্যাম্প পুলিশ টহল দিলেই তা বন্ধ হয়ে যাবে।
গাংনী থানার ওসি বজলুর রহমান জানান, সবখানে একই ভাবে বন্ধ সম্ভব হচ্ছে না। তারপরও পুলিশ চেষ্টা করছে বিধি নিষেধ আরোপের বিষয়টি বাস্তবায়নে। বিভিন্ন এলাকার পুলিশ ক্যাম্পে ইতোমধ্যে জানানো হয়েছে।
গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমী খানম জানান, প্রশাসন বেশ তৎপর রয়েছে। করোনা বিস্তার রোধকল্পে যা যা করণীয় তাই করা হবে। কোন স্থানে বিধি ভঙ্গের ব্যাপারে জানতে পারলে পুলিশ বাহিনীকে সাথে নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সেই সাথে সকলকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলাচল করতে অনুরোধ জানান।