
সাগর আহমেদ জজ, (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি,
নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার ৩ নং ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। ইউনিয়নের আনাচে-কানাচে, চা-স্টল ও মোড়ে মোড়ে এখন একটাই আলোচনা—আগামী দিনের ইউনিয়ন পরিষদের যোগ্য কাণ্ডারী কে হবেন? এই আলোচনায় সর্বস্তরের জনমানুষের পছন্দের শীর্ষে উঠে এসেছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক হাফেজ মোহাম্মদ শফিউল ইসলাম শামীম। সর্বস্তরের এলাকাবাসী তাঁকে ৩ নং ঘাগড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে দেখতে চান।
এলাকার অবহেলিত অবকাঠামো, কাঁচা রাস্তাঘাটের বেহাল দশা নিরসন এবং সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করায় তরুণ থেকে শুরু করে প্রবীণ—সব বয়সের মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন তিনি।
স্থানীয় অধিবাসীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঘাগড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ভেতরের রাস্তাঘাট দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। একটু বৃষ্টি হলেই অনেক এলাকার মানুষের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। হাফেজ মোহাম্মদ শফিউল ইসলাম শামীম তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও আর্থিক সহায়তায় বিভিন্ন সময়ে কাঁচা রাস্তা সংস্কার, সাঁকো নির্মাণ ও যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়নে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এছাড়া সমাজের অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোর পাশে তিনি সবসময় নীরব সেবক হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
এলাকার একাধিক প্রবীণ ব্যক্তি জানান, “আমরা এমন একজন অভিভাবক চাই যিনি ব্যক্তিগত স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে ইউনিয়নের উন্নয়ন করবেন। হাফেজ শফিউল ইসলাম শামীম ভাই সুখে-দুঃখে সবসময় আমাদের পাশে থাকেন। তাঁকে চেয়ারম্যান পদে পেলে আমাদের ইউনিয়নের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন ও সুশাসন নিশ্চিত হবে।”
তরুণ সমাজের প্রতিনিধিরা জানান, এলাকায় মাদক, সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ড রোধ এবং খেলাধুলা ও তরুণদের সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে হাফেজ শামীমের, বিকল্প নেই। অবহেলিত ৩ নং ঘাগড়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, ডিজিটাল ও মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করতে তাঁর নেতৃত্ব এখন সময়ের দাবি।
নিজের অনুভূতি ও পরিকল্পনার কথা জানাতে গিয়ে মোহাম্মদ হাফেজ শফিউল ইসলাম শামীম বলেন:
”আমি ক্ষমতার লোভে বা পদের জন্য নয়, ৩ নং ঘাগড়া ইউনিয়নের আপামর মেহনতি মানুষের সেবা করতেই রাজনীতি ও সমাজসেবায় এসেছি। ঘাগড়ার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধি এবং একটি বৈষম্যহীন-দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য। সাধারণ জনগণ যদি আমাকে সেবক হিসেবে বেছে নেন, তবে আমি ঘাগড়া ইউনিয়নকে পুরো পূর্বধলা উপজেলার মধ্যে একটি রোল মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলব।”
বর্তমানে তিনি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ড, গ্রাম ও বাজারে সাধারণ মানুষের সঙ্গে গণসংযোগ বজায় রাখছেন এবং তাঁদের সুখ-দুঃখের কথা শুনছেন এর সর্বস্তরের জনগণের অভূতপূর্ব সাড়া দেখে সচেতন মহল মনে করছেন, আসন্ন নির্বাচনে তিনি বিজয়ের দৌড়ে বেশ এগিয়ে থাকবেন।
























