
দৈনিক আজকের বাংলা ডেস্ক,
সাংবাদিকদের বলা হয় রাষ্ট্রের আয়না। কিন্তু সেই আয়না যদি অস্বচ্ছ হয়, তবে সত্যের বদলে প্রতারণার চিত্রই ভেসে ওঠে। কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার পুমদী ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা আতিক আহমেদের সঙ্গে ঘটেছে এমনই এক ঘটনা।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, কিশোরগঞ্জ শহরের আবুল কালাম আজাদ নামের এক তথাকথিত সাংবাদিক পাঁচটি স্যাটেলাইট টেলিভিশনের সাংবাদিক পরিচয়ে নিউজ করার কথা বলে তাঁর কাছ থেকে প্রথমে ২,৫০০ শত টাকা এবং পরে আবারো ১,২০০ শত টাকা নেন। এভাবে মোট ৩,৭০০ শত টাকা নিলেও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোনো সংবাদ প্রকাশ করেননি ওই ব্যক্তি। শুধু তাই নয়, জমি সংক্রান্ত বিরোধ সমাধানের দায়িত্ব নেওয়ার কথাও বলেছিলেন তিনি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাও পালন করেননি।
আতিক আহমেদ জানান, সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে আবুল কালাম আজাদ প্রথমে তাঁর সমস্যার সমাধান ও সংবাদ প্রকাশের আশ্বাস দেন। কিন্তু টাকা নেওয়ার পর একের পর এক আশ্বাস দিয়ে সময়ক্ষেপণ করেন। সবশেষে তিনি বুঝতে পারেন, সাংবাদিকতার নাম ভাঙিয়ে প্রতারণার শিকার হয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে স্থানীয়রা বলছেন, সাংবাদিকতার মহৎ পেশাকে ব্যবহার করে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করলে সমাজে গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট হয়। তাই এমন ভুয়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আতিক আহমেদ অন্য সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি তুলে ধরেছেন এবং প্রেসক্লাবের কাছে প্রতারণার সঠিক বিচার দাবি করেছেন।

























