
চঞ্চল,
দুর্নীতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠেছে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ)। প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ড. আব্দুল মজিদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নুরুল আমিনের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল থেকে রাজধানীর প্রধান কার্যালয়ে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারী ফোরামের ব্যানারে আয়োজিত এই বিক্ষোভে শীর্ষ দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য অভিযোগগুলো হলো- বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত RELI প্রকল্পের আওতায় ৩২০০টি ল্যাপটপ ক্রয়ে সর্বনিম্ন দরদাতার টেন্ডার বাতিল করে দ্বিগুণ মূল্যে নিম্নমানের ডিভাইস কেনা হয়েছে। এতে প্রায় ১৬ কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগ উঠেছে, যা বর্তমানে বিশ্বব্যাংকের তদন্তাধীন। অভিযোগ রয়েছে, এইচআর পলিসি লঙ্ঘন করে বয়সসীমা বাড়িয়ে পছন্দসই ব্যক্তিকে এমডি পদে নিয়োগ দিয়েছেন চেয়ারম্যান। এছাড়া আর্থিক বিনিময়ে অযোগ্যদের নিয়োগ দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। অফিস স্থানান্তরের নামে প্রতিষ্ঠানের মূল্যবান আসবাবপত্র ও সরঞ্জাম পানির দরে বিক্রি এবং এনডাওমেন্ট ফান্ডের অর্থ বিধি বহির্ভূতভাবে ব্যবহারের অভিযোগও করা হয়েছে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
আন্দোলনকারীরা জানান, শীর্ষ প্রশাসনের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে বিশ্বব্যাংকের সাথে এসডিএফ-এর দীর্ঘ ২৫ বছরের উন্নয়ন অংশীদারিত্ব এখন হুমকির মুখে। ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ থাকলেও আকস্মিকভাবে প্রকল্প সমাপ্তির ঘোষণা দেওয়ায় শত শত কর্মী ছাঁটাইয়ের আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন।
বিক্ষোভের ফলে এসডিএফ-এর দাপ্তরিক কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে এসেছে। আন্দোলনরত কর্মকর্তারা সাফ জানিয়েছেন, দুর্নীতিগ্রস্ত এই শীর্ষ কর্মকর্তাদের পদত্যাগ এবং প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ ছাড়া তারা কাজে ফিরবেন না।
























