Dhaka , Wednesday, 10 June 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ক্রীড়াবান্ধব উদ্যোগ: পাইকগাছার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফুটবল বিতরণ চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা স্থায়ীভাবে নিরসনে প্রকল্প নেয়া হচ্ছে: মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রামের পটিয়া প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকের ওপর হামলা অভিযোগ দক্ষিণ মিঠাছড়ির চাইন্দা ঘোনারপাড়ায় ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্ট, বর্ষার আগেই সংস্কারের দাবি রূপগঞ্জে বিপুল পরিমাণ মাদক দ্রব্যসহ ৬ মাদক কারবারি গ্রেফতার ২৮ ঘন্টা পর মেঘনায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার সরাইলে মায়ের নেতৃত্বে পুত্র হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে মিছিল ও সমাবেশ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত  বাবার জন্য খাবার নিয়ে গিয়ে মেঘনায় নিখোঁজ শিশু শরীয়তপুরে গৃহবধু কনিকা হত্যার রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন জাজিরায় দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে দুর্নীতি বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ‘চোখের বদলে চোখ’, নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে মার্কিন-ইরান পালটাপালটি হামলা স্বামীর চেয়ে স্ত্রীর আয় বেশি হলে পুরুষের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব পড়ে: গবেষণা বিশ্বকাপ ২০২৬: মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার আট দলের সম্ভাবনা বিশ্লেষণ দলীয় সম্পদ-প্রতীকও কি হারাতে পারেন মমতা? সেভেন আপের বোতলে দুধ ঢেলে গোসল করে সৌদিকে সমর্থন ব্রাজিল সমর্থকের সাফজয়ী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমার গৃহনির্মাণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক অনুদান শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ নগর গড়তে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে:- মেয়র ডা. শাহাদাত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল আমীন মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ জন আটক, জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা আজিজুল হক আজিজের নানাবাড়ি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু রূপগঞ্জে বৃক্ষরোপন ও বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন  বিশ্বকাপ উন্মাদনায় রামগঞ্জে চেয়ারম্যান প্রার্থীর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ পাইকগাছায় ফ্রেন্ডশিপের পরিবেশ সচেতনতা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে খাল দখলমুক্ত করতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উচ্ছেদ অভিযান হামলার ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে মামলার আসামি স্টার নিউজের সাংবাদিক রামুতে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রযুক্তি নির্ভর আর্থিক সেবায় বদলে যাচ্ছে মানুষের জীবন ফটিকছড়ি হতে ০১ টি দেশীয় এলজি বন্দুক ও ০৭ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধারসহ ০১ জন’কে আটক করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা যুবক নিহত

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ধানের বাজার কম থাকায় কৃষকদের লোকসান।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:48:19 pm, Tuesday, 30 May 2023
  • 251 বার পড়া হয়েছে

মোঃ রাকিবুল হাসান

 শেরপুর প্রতিনিধি।।

 

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলা একটি কৃষি প্রধান এলাকা। তাই এলাকার অধিকাংশ লোক কৃষি ফসল উৎপাদনের সাথে যুক্ত। আয়ের প্রধান উৎস হলো ধান, পাট, গম, ভুট্টা, সরিষা ও নানা জাতের শাকসবজি। তবে প্রধান হিসাবে কৃষকেরা ধান উৎপাদনের উপর নির্ভরশীল। উৎপাদিত ধান নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে বারতি ধান বাজারে বিক্রি করে থাকে। যাহ দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদায় যুগান্তকারী ভূমিকা রেখে আসছে। সূত্র মতে জানা যায় শেরপুর জেলার ৫ টি উপজেলাতেই প্রচুর পরিমানে ধান উৎপাদন হয়ে থাকে। যে কারনে শেরপুর জেলাকে খাদ্যে উৎপাদনের ভান্ডার হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এছাড়াও অত্র এলকার উৎপাদিত ধানের চাউল মান সম্মত হওয়ায় দেশে এই জেলার চাউলের ব‍্যাপক চাহিদা। কিন্তু কৃষকের উৎপাদিত ফসলের মূল্য ও বাজার বিক্রয় মূল্য হিসাব করলে কৃষক ও প্রান্তিক চাষিরা লাভের পরিবর্তে লোকসানে আছে। কারণ বাজারে প্রতি মন ধানের মূল্য ৯শ’ থেকে ৯শ ৫০ টাকা বিক্রি করতে হচ্ছে। তাও আবার ৪০ কেজির স্থলে ৪২/৪৩ কেজিতে এক মন হিসেবে বিক্রি করতে হয়। উল্লেখ‍্য চলতি বোর মৌসুমে কৃষকের প্রতি একর জমিতে ফসল উৎপাদন করতে ৫০ হাজার থেকে ৫৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। প্রতি একর জমিতে ধান উৎপাদন হয়েছে ৫৫/৬০ মন। তাতে কৃষকের উৎপাদিত ধানের মূল্য সমান বা কিছু কম। সরকার ধান ক্রয়ের মূল্য নির্ধারণ করেছে প্রতি মণ ১২শ’ টাকা। কিন্তু অত্র উপজেলায় সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের বরাদ্দ ১৩৫০ মেট্রিক টন। প্রতিজন কৃষকের বরাদ্দ ৩ মেট্রিক টন করে সরকারি গুদামে ধান দিতে পারবে। এতে অত্র উপজেলা ৭টি ইউনিয়নে মাত্র ৪৫০ জন কৃষক এই সুবিধা পেয়েছে। সিংহভাগ কৃষক উক্ত সরকারি গুদামে ধান বিক্রির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। উল্লেখ্য অত্র উপজেলার প্রায় ১৯ হাজার ৬শ’ ৩৬ জন পরিবার ধান উৎপাদনের সাথে সরাসরি যুক্ত। অত্র উপজেলায় অকৃষি ভুক্ত কৃষক ১ হাজার ৪শ ২৭ জন। শ্রেনী ভুক্ত প্রান্তিক চাষি ৭শ ৩ জন, ক্ষুদ্র কৃষক ২ হাজার ৮শ ৫১ জন, মাঝারি চাষি ৬ হাজার ৮শ ৫৩ জন, বড় চাষি ৬ হাজার ৬শ ২ জন, ১২শ’ লোক রয়েছে বর্গা চাষী। আংশিকভাবে যুক্ত রয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৫শ’ পরিবারের লোক। কৃষকদের কাছ থেকে জানা যায় সরকারি গুদামে লটারির মাধ্যমে ধান নেওয়ায় অধিকাংশ কৃষক বিরম্বনায় পরেছে। যদি কৃষকদের কৃষি কার্ডের মাধ্যমে ১ জন কৃষককে ৩ মেট্রিক টন ধানের পরিবর্তে ১/২ মেট্রিক টন ধানের পরিমান করে দেওয়া হতো তাহলে আরো অনেক কৃষক লোকসানের হাত থেকে বেচে যেতো। কৃষকদের দাবি সরকারিভাবে আরো বরাদ্দ বৃদ্ধি করা এবং সহজভাবে গুদামে ধান বিক্রির পথ উন্মুক্ত করা। প্রকাশ থাকে যে ঝিনাইগাতী উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে প্রতি বছর বোর উৎপাদন হয় ১৪ হাজার হেক্টরের উর্ধ্বে এবং আমন উৎপাদন হয় ১৭ হাজার হেক্টরের মতো। তাই এলাকার কৃষক ও প্রান্তিক চাষীদের দাবি যাতে সরকারি গুদামে প্রতি মণ সরকারি মূল্যে সহজে বিক্রি করতে পারে সে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্বোধন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছে এলাকার দরিদ্র কৃষকেরা।

ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

ক্রীড়াবান্ধব উদ্যোগ: পাইকগাছার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফুটবল বিতরণ

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ধানের বাজার কম থাকায় কৃষকদের লোকসান।

আপডেট সময় : 04:48:19 pm, Tuesday, 30 May 2023

মোঃ রাকিবুল হাসান

 শেরপুর প্রতিনিধি।।

 

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলা একটি কৃষি প্রধান এলাকা। তাই এলাকার অধিকাংশ লোক কৃষি ফসল উৎপাদনের সাথে যুক্ত। আয়ের প্রধান উৎস হলো ধান, পাট, গম, ভুট্টা, সরিষা ও নানা জাতের শাকসবজি। তবে প্রধান হিসাবে কৃষকেরা ধান উৎপাদনের উপর নির্ভরশীল। উৎপাদিত ধান নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে বারতি ধান বাজারে বিক্রি করে থাকে। যাহ দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদায় যুগান্তকারী ভূমিকা রেখে আসছে। সূত্র মতে জানা যায় শেরপুর জেলার ৫ টি উপজেলাতেই প্রচুর পরিমানে ধান উৎপাদন হয়ে থাকে। যে কারনে শেরপুর জেলাকে খাদ্যে উৎপাদনের ভান্ডার হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এছাড়াও অত্র এলকার উৎপাদিত ধানের চাউল মান সম্মত হওয়ায় দেশে এই জেলার চাউলের ব‍্যাপক চাহিদা। কিন্তু কৃষকের উৎপাদিত ফসলের মূল্য ও বাজার বিক্রয় মূল্য হিসাব করলে কৃষক ও প্রান্তিক চাষিরা লাভের পরিবর্তে লোকসানে আছে। কারণ বাজারে প্রতি মন ধানের মূল্য ৯শ’ থেকে ৯শ ৫০ টাকা বিক্রি করতে হচ্ছে। তাও আবার ৪০ কেজির স্থলে ৪২/৪৩ কেজিতে এক মন হিসেবে বিক্রি করতে হয়। উল্লেখ‍্য চলতি বোর মৌসুমে কৃষকের প্রতি একর জমিতে ফসল উৎপাদন করতে ৫০ হাজার থেকে ৫৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। প্রতি একর জমিতে ধান উৎপাদন হয়েছে ৫৫/৬০ মন। তাতে কৃষকের উৎপাদিত ধানের মূল্য সমান বা কিছু কম। সরকার ধান ক্রয়ের মূল্য নির্ধারণ করেছে প্রতি মণ ১২শ’ টাকা। কিন্তু অত্র উপজেলায় সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের বরাদ্দ ১৩৫০ মেট্রিক টন। প্রতিজন কৃষকের বরাদ্দ ৩ মেট্রিক টন করে সরকারি গুদামে ধান দিতে পারবে। এতে অত্র উপজেলা ৭টি ইউনিয়নে মাত্র ৪৫০ জন কৃষক এই সুবিধা পেয়েছে। সিংহভাগ কৃষক উক্ত সরকারি গুদামে ধান বিক্রির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। উল্লেখ্য অত্র উপজেলার প্রায় ১৯ হাজার ৬শ’ ৩৬ জন পরিবার ধান উৎপাদনের সাথে সরাসরি যুক্ত। অত্র উপজেলায় অকৃষি ভুক্ত কৃষক ১ হাজার ৪শ ২৭ জন। শ্রেনী ভুক্ত প্রান্তিক চাষি ৭শ ৩ জন, ক্ষুদ্র কৃষক ২ হাজার ৮শ ৫১ জন, মাঝারি চাষি ৬ হাজার ৮শ ৫৩ জন, বড় চাষি ৬ হাজার ৬শ ২ জন, ১২শ’ লোক রয়েছে বর্গা চাষী। আংশিকভাবে যুক্ত রয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৫শ’ পরিবারের লোক। কৃষকদের কাছ থেকে জানা যায় সরকারি গুদামে লটারির মাধ্যমে ধান নেওয়ায় অধিকাংশ কৃষক বিরম্বনায় পরেছে। যদি কৃষকদের কৃষি কার্ডের মাধ্যমে ১ জন কৃষককে ৩ মেট্রিক টন ধানের পরিবর্তে ১/২ মেট্রিক টন ধানের পরিমান করে দেওয়া হতো তাহলে আরো অনেক কৃষক লোকসানের হাত থেকে বেচে যেতো। কৃষকদের দাবি সরকারিভাবে আরো বরাদ্দ বৃদ্ধি করা এবং সহজভাবে গুদামে ধান বিক্রির পথ উন্মুক্ত করা। প্রকাশ থাকে যে ঝিনাইগাতী উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে প্রতি বছর বোর উৎপাদন হয় ১৪ হাজার হেক্টরের উর্ধ্বে এবং আমন উৎপাদন হয় ১৭ হাজার হেক্টরের মতো। তাই এলাকার কৃষক ও প্রান্তিক চাষীদের দাবি যাতে সরকারি গুদামে প্রতি মণ সরকারি মূল্যে সহজে বিক্রি করতে পারে সে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্বোধন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছে এলাকার দরিদ্র কৃষকেরা।