Dhaka , Saturday, 9 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে ৪২ বোতল বিদেশি মদসহ ১১ মামলার আসামি গ্রেপ্তার স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে স্বামীর বাড়িতে অনশন কুড়িগ্রামের তরুণীর চিকিৎসার নামে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার পলাশে ইয়াবাসহ যুবক আটক চবির ঐতিহ্যবাহী আলাওল হলের নতুন প্রভোস্ট অধ্যাপক জামালুল আকবর চৌধুরী দুর্গাপুরে ‘মুসলিম হজ ট্যুরস’-এর হজযাত্রীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ ও উপহার প্রদান সম্ভাবনাময় সীমান্ত বাণিজ্য কেন্দ্র বাস্তবায়নে দ্রুত কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দাবি সম্পূর্ণ কুতুবপুর ইউনিয়নকে সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে স্মারকলিপি ও অবস্থান কর্মসূচি ফতুল্লায় পুলিশের অভিযানে বিপুল দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার, গ্রেফতার ১ মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র ও গুলাবারুদসহ ৪ জলদস্যু আটক চট্টগ্রামে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় দেড় হাজার মানুষের বিশাল যোগদান চট্টগ্রাম জেলার নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে মোঃ মাসুদ আলম বিপিএম’র দায়িত্বভার গ্রহণ রূপগঞ্জে খাল পুনঃখননের দাবিতে কৃষক-গ্রামবাসীর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ লালমনিরহাট সীমান্তে ১৫ বিজিবির অভিযানে মাদকসহ নারী কারবারি আটক রংপুর বিভাগের দুই জেলায় র‍্যাবের মাদকবিরোধী অভিযান: ৯৪ কেজি গাঁজা ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩ ইসরাইলি বোমা হামলায় লেবাননে- নিহত দিপালীর লাশ নিজ বাড়ীতে- জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন। লক্ষ্মীপুরে বজ্রপাতে কোরআনে হাফেজার মৃত্যু সৌদি আরবে নিহত দুর্গাপুরের শ্রমিক আল আমিনের মরদেহ দেশে আনতে উদ্যোগ নিলেন ডেপুটি স্পিকার পাইকগাছায় খালে অবৈধ নেট পাটা অপসারণে প্রশাসনের অভিযান চট্টগ্রামের কর্মমুখী শিক্ষার মান উন্নয়নে কসোভোর সাথে কাজ করতে চান চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত এসডিএফ-এ চরম অস্থিরতা: চেয়ারম্যান ও এমডির পদত্যাগ দাবিতে কর্মকর্তাদের কর্মবিরতি শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বনখেকুদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ রামুর খুনিয়া পালংয়ের মাদককারবারী আরিফ চট্টগ্রাম শহরে ইয়াবাসহ আটক পাঁচবিবির নবাগত ইউএনওর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পানি উন্নয়ন বোর্ডের ক্যানেল অপরিষ্কার ও খাল ভরাটের কারণে রূপগঞ্জে জলাবদ্ধতায় ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ ও টেক্সটাইল মালিক। কুড়িগ্রাম সীমান্তে ১৫ বিজিবি’র বড় সাফল্য: জব্দকৃত প্যান্ট পিসের বাজারমূল্য ৩০ লাখ টাকা কালীগঞ্জ ও তারাগঞ্জে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান: পরিবেশ বিধ্বংসী ইটভাটায় র‍্যাবের হানা রূপগঞ্জে নিরাপদ খাদ্য রপ্তানির লক্ষ্যে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি সদরে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব: চিকিৎসা নিয়েছে ৭৩, বাড়ছে নতুন ভর্তি স্মার্টফোনে জুয়া খেলায় যুবকের জেল-জরিমানা

শুভ মহালয়া, দেবী পক্ষের সূচনাকাল

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:20:49 pm, Saturday, 20 September 2025
  • 167 বার পড়া হয়েছে

অরবিন্দ রায়,

হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয়। মহালয়া দুর্গা পূজার আগমনী বার্তা। মহালয়া এসে ঘোঘনা দেয়, মা দুর্গা আসছেন। মহালয়ার মাধ্যমে দুর্গা পূজার সূচনা শুরু হয় । এ বছর ২১ সেপ্টেম্বর রবিবার শুভ মহালয়া পালন করা হবে। ভোরে শ্রী শ্রী চণ্ডীপাঠে মর্ত্যলোকে দেবী দূর্গাকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। শুরু হবে দেবীপক্ষ। আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষ তিথিকে বলা হয় দেবীপক্ষ। হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, মহালয়ার দিন কৈলাসে শ্বশুরালয় ছেড়ে সন্তানদের নিয়ে পৃথিবীতে আসেন দেবী দুর্গা। এ দিন থেকে দুর্গাপূজার ক্ষনগণনাও শুরু হয়। মহালয়া হল পিতৃপক্ষ এবং দেবী পক্ষের সন্ধিক্ষণ। মহালয়ার মাধ্যমে দুর্গাপূজার সূচনা হয়। দেবী দুর্গা এই দিনে পৃথিবীতে অবতরণ করেছিলেন বলে সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ বিশ্বাস করেন। মহালয়া শব্দটির অর্থ মহান যে আলয় বা আশ্রয়। মহালয়া স্ত্রীলিঙ্গ বাচক শব্দ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। মহালয়ার দিনে পিতৃপক্ষের অবসান হয় ও আমাবস্যার অন্ধকার দূর হয়ে আলোকময় দেবিপক্ষে শুরু হয়। পুরানে বলা আছে, মহালয়ার দিন দেবী দুর্গা মহিষাসুরকে বধ করার দায়িত্ব পান । ব্রক্ষার বরপ্রাপ্ত কোনো মানুষ বা দেবতার পক্ষে মহিষাসুরকে বধ করা সম্ভব ছিল না। অসীম ক্ষমতাশালী মহিষাসুর তার ক্ষমতার দম্ভে মদমত্ত হয়ে ওঠে । একে একে দেবতাদের স্বর্গ থেকে বিতাড়িত করে। ব্রক্ষা, বিষ্ণু ও শিব এয়ী তখন বাধ্য হয়ে মিলিতভাবে মহামায়া রূপে অমোঘ নারী শক্তি সৃষ্টি করলেন। দেবতাদের দান করা ১০ টি অস্ত্রে সিংহবাহিনী দেবী দুর্গা সুসজ্জিত হয়ে উঠেন। ৯ দিন ব্যাপী ঘোরতর যুদ্ধে মহিষাসুরকে পরাজিত ও হত্যা করলেন। মহালয়ার দিনে দেবী দুর্গা এই মর্ত্যে অবতরণ করেছেন বলে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন। পিতৃপুরুষের অবসান দেবীপক্ষের সূচনার দিনটিকেই মহালয়া হিসেবে উদযাপন করা হয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা গঙ্গায় গিয়ে তিন পুরুষের আত্মার শান্তি কামনায় জল ও তেল দিতে হয়। মহালয়া থেকে শুরু হয় প্রতিবদ, প্রথমা, দ্বিতীয়া, তৃতীয়া, এরপর থেকে দেবীর অকাল বোধন। পুরাণ অনুযায়ী, জীবিত ব্যক্তির পূর্বের তিন পুরুষ পর্যন্ত পিতৃলোকে বাস করেন।স্বর্গ ও মর্ত্যের মাঝামাঝি স্হানে অবস্হিত।পিতৃলোকের শাসক হলেও মৃত্যু দেবতা যম।পরবর্তী প্রজন্মে একজনের মৃত্যু হলে পূর্ববর্তী প্রজন্মের একজন পিতৃলোক ছেড়ে স্বর্গে গমন করেন। পরমাত্মা নীল হন এবং এই প্রক্রিয়ায় তিনি শ্রদ্ধানুষ্ঠানের উর্ধ্বে উঠে যান।পুরান মতে, ব্রক্ষার নির্দেশে পিতৃপুরুষেরা ১৫ দিন মনুষ্যলোকের কাছাকাছি চলে আসেন। সত্যি এজন্য গোটা পক্ষকাল ধরে পিতৃপুরুষদের স্মরণ ও মাননের তর্পন করা হয়। মহিষাসুরকে বধ করে অশুভ শক্তি ও শুভ শক্তি আরাধনায় মহালয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। মহালয়া মানে তিন পুরুষের আত্মার শান্তির জন্য বিশেষ দিন। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা প্রতিবছর অধীর আগ্রহে মহালয়ার দিনটির জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। শারদীয়া নবরাএিকে একটি পবিএ সময় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ভক্তরা দুঃখ থেকে মুক্তি ও সমৃদ্ধির অর্জনের জন্য প্রতিদিন প্রার্থনা করেন। বিশ্বের সমস্ত অশুভ শক্তির বিনাশ হয়ে শুভ শক্তির উদয় হোক। সবাইকে শুভ মহালয়ার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে ৪২ বোতল বিদেশি মদসহ ১১ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

শুভ মহালয়া, দেবী পক্ষের সূচনাকাল

আপডেট সময় : 05:20:49 pm, Saturday, 20 September 2025

অরবিন্দ রায়,

হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয়। মহালয়া দুর্গা পূজার আগমনী বার্তা। মহালয়া এসে ঘোঘনা দেয়, মা দুর্গা আসছেন। মহালয়ার মাধ্যমে দুর্গা পূজার সূচনা শুরু হয় । এ বছর ২১ সেপ্টেম্বর রবিবার শুভ মহালয়া পালন করা হবে। ভোরে শ্রী শ্রী চণ্ডীপাঠে মর্ত্যলোকে দেবী দূর্গাকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। শুরু হবে দেবীপক্ষ। আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষ তিথিকে বলা হয় দেবীপক্ষ। হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, মহালয়ার দিন কৈলাসে শ্বশুরালয় ছেড়ে সন্তানদের নিয়ে পৃথিবীতে আসেন দেবী দুর্গা। এ দিন থেকে দুর্গাপূজার ক্ষনগণনাও শুরু হয়। মহালয়া হল পিতৃপক্ষ এবং দেবী পক্ষের সন্ধিক্ষণ। মহালয়ার মাধ্যমে দুর্গাপূজার সূচনা হয়। দেবী দুর্গা এই দিনে পৃথিবীতে অবতরণ করেছিলেন বলে সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ বিশ্বাস করেন। মহালয়া শব্দটির অর্থ মহান যে আলয় বা আশ্রয়। মহালয়া স্ত্রীলিঙ্গ বাচক শব্দ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। মহালয়ার দিনে পিতৃপক্ষের অবসান হয় ও আমাবস্যার অন্ধকার দূর হয়ে আলোকময় দেবিপক্ষে শুরু হয়। পুরানে বলা আছে, মহালয়ার দিন দেবী দুর্গা মহিষাসুরকে বধ করার দায়িত্ব পান । ব্রক্ষার বরপ্রাপ্ত কোনো মানুষ বা দেবতার পক্ষে মহিষাসুরকে বধ করা সম্ভব ছিল না। অসীম ক্ষমতাশালী মহিষাসুর তার ক্ষমতার দম্ভে মদমত্ত হয়ে ওঠে । একে একে দেবতাদের স্বর্গ থেকে বিতাড়িত করে। ব্রক্ষা, বিষ্ণু ও শিব এয়ী তখন বাধ্য হয়ে মিলিতভাবে মহামায়া রূপে অমোঘ নারী শক্তি সৃষ্টি করলেন। দেবতাদের দান করা ১০ টি অস্ত্রে সিংহবাহিনী দেবী দুর্গা সুসজ্জিত হয়ে উঠেন। ৯ দিন ব্যাপী ঘোরতর যুদ্ধে মহিষাসুরকে পরাজিত ও হত্যা করলেন। মহালয়ার দিনে দেবী দুর্গা এই মর্ত্যে অবতরণ করেছেন বলে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন। পিতৃপুরুষের অবসান দেবীপক্ষের সূচনার দিনটিকেই মহালয়া হিসেবে উদযাপন করা হয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা গঙ্গায় গিয়ে তিন পুরুষের আত্মার শান্তি কামনায় জল ও তেল দিতে হয়। মহালয়া থেকে শুরু হয় প্রতিবদ, প্রথমা, দ্বিতীয়া, তৃতীয়া, এরপর থেকে দেবীর অকাল বোধন। পুরাণ অনুযায়ী, জীবিত ব্যক্তির পূর্বের তিন পুরুষ পর্যন্ত পিতৃলোকে বাস করেন।স্বর্গ ও মর্ত্যের মাঝামাঝি স্হানে অবস্হিত।পিতৃলোকের শাসক হলেও মৃত্যু দেবতা যম।পরবর্তী প্রজন্মে একজনের মৃত্যু হলে পূর্ববর্তী প্রজন্মের একজন পিতৃলোক ছেড়ে স্বর্গে গমন করেন। পরমাত্মা নীল হন এবং এই প্রক্রিয়ায় তিনি শ্রদ্ধানুষ্ঠানের উর্ধ্বে উঠে যান।পুরান মতে, ব্রক্ষার নির্দেশে পিতৃপুরুষেরা ১৫ দিন মনুষ্যলোকের কাছাকাছি চলে আসেন। সত্যি এজন্য গোটা পক্ষকাল ধরে পিতৃপুরুষদের স্মরণ ও মাননের তর্পন করা হয়। মহিষাসুরকে বধ করে অশুভ শক্তি ও শুভ শক্তি আরাধনায় মহালয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। মহালয়া মানে তিন পুরুষের আত্মার শান্তির জন্য বিশেষ দিন। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা প্রতিবছর অধীর আগ্রহে মহালয়ার দিনটির জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। শারদীয়া নবরাএিকে একটি পবিএ সময় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ভক্তরা দুঃখ থেকে মুক্তি ও সমৃদ্ধির অর্জনের জন্য প্রতিদিন প্রার্থনা করেন। বিশ্বের সমস্ত অশুভ শক্তির বিনাশ হয়ে শুভ শক্তির উদয় হোক। সবাইকে শুভ মহালয়ার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।