
চঞ্চল,
সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে লালমনিরহাটের পাঁচজন গুণী শিল্পী ও সংগঠককে ‘জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা-২০২৪’ প্রদান করা হয়েছে। বর্ণাঢ্য আয়োজন, আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই গুণীজনদের সম্মানিত করা হয়।
বৃহস্পতিবার -১০ জুলাই- সন্ধ্যায় শহরের জেলা পরিষদ পুরাতন অডিটোরিয়ামে এই সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। লালমনিরহাট জেলা কালচারাল অফিসার মোহাম্মদ হাসানুর রশীদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক এইচ. এম. রকিব হায়দার। তিনি সম্মাননাপ্রাপ্ত গুণীজনদের গলায় মেডেল ও উত্তরীয় পরিয়ে দেন এবং সম্মানি হিসেবে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা প্রদান করেন। এই সময় সম্মাননাপ্রাপ্ত গুণীজন ও আমন্ত্রিত অতিথিদের জেলা শিল্পকলা একাডেমির একটি বিশেষ প্রকাশনা উপহার দেওয়া হয়।
এ বছর যারা সম্মাননা পেলেন:
• নাট্যকলা: মো. সামসুদ্দোহা বাবু
• লোকসংগীত: শরণ কুমার বর্মা
• যন্ত্রসংগীত: মুকুল চন্দ্র রায়
• কণ্ঠসংগীত: শাওন রায়
• সৃজনশীল সংগঠক: সত্যেন্দ্র নাথ রায়
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক –সার্বিক- মো. রাসেল মিয়া এবং জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম. মমিনুল হক।
বীথি রানি রায় ও আজিজুল হক মোল্লা বাবুর সঞ্চালনায় আলোচনা পর্বে বক্তারা বলেন, “এই গুণী শিল্পীরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের সাধনার মাধ্যমে লালমনিরহাটের সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছেন। তাদের এই স্বীকৃতি জেলার তরুণ প্রজন্মকে সংস্কৃতি চর্চায় আরও উৎসাহিত করবে।”
আলোচনা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। এতে কিশোর সরকার বাকার নেতৃত্বে শিল্পকলা একাডেমির শিশুশিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করে। এছাড়াও শিল্পীরা কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশন করেন। তবে অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল সম্মাননাপ্রাপ্ত গুণী শিল্পীদের মুগ্ধকর পরিবেশনা, যা উপস্থিত দর্শকদের মন জয় করে নেয়।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি সফল করতে নেপথ্যে অবদান রাখেন আব্দুল আজিজ, শ্যামল চন্দ্র রায়, বিশ্বজিৎ বণিক তপু, দিলীপ রায় এবং দুলাল রায়সহ আরও অনেকে।
বৃহস্পতিবার -১০ জুলাই- সন্ধ্যায় শহরের জেলা পরিষদ পুরাতন অডিটোরিয়ামে এই সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। লালমনিরহাট জেলা কালচারাল অফিসার মোহাম্মদ হাসানুর রশীদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক এইচ. এম. রকিব হায়দার। তিনি সম্মাননাপ্রাপ্ত গুণীজনদের গলায় মেডেল ও উত্তরীয় পরিয়ে দেন এবং সম্মানি হিসেবে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা প্রদান করেন। এই সময় সম্মাননাপ্রাপ্ত গুণীজন ও আমন্ত্রিত অতিথিদের জেলা শিল্পকলা একাডেমির একটি বিশেষ প্রকাশনা উপহার দেওয়া হয়।
এ বছর যারা সম্মাননা পেলেন:
• নাট্যকলা: মো. সামসুদ্দোহা বাবু
• লোকসংগীত: শরণ কুমার বর্মা
• যন্ত্রসংগীত: মুকুল চন্দ্র রায়
• কণ্ঠসংগীত: শাওন রায়
• সৃজনশীল সংগঠক: সত্যেন্দ্র নাথ রায়
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক –সার্বিক- মো. রাসেল মিয়া এবং জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম. মমিনুল হক।
বীথি রানি রায় ও আজিজুল হক মোল্লা বাবুর সঞ্চালনায় আলোচনা পর্বে বক্তারা বলেন, “এই গুণী শিল্পীরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের সাধনার মাধ্যমে লালমনিরহাটের সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছেন। তাদের এই স্বীকৃতি জেলার তরুণ প্রজন্মকে সংস্কৃতি চর্চায় আরও উৎসাহিত করবে।”
আলোচনা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। এতে কিশোর সরকার বাকার নেতৃত্বে শিল্পকলা একাডেমির শিশুশিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করে। এছাড়াও শিল্পীরা কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশন করেন। তবে অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল সম্মাননাপ্রাপ্ত গুণী শিল্পীদের মুগ্ধকর পরিবেশনা, যা উপস্থিত দর্শকদের মন জয় করে নেয়।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি সফল করতে নেপথ্যে অবদান রাখেন আব্দুল আজিজ, শ্যামল চন্দ্র রায়, বিশ্বজিৎ বণিক তপু, দিলীপ রায় এবং দুলাল রায়সহ আরও অনেকে।

























