Dhaka , Tuesday, 28 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাইকগাছায় আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্পের ফেজ-আউট সভা অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটে খুদে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনী মেলা: স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় চরভদ্রাসনে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ- ফুটবল টুর্নামেন্টের উপজেলা পর্যায়ের ফাইনাল অনুষ্ঠিত। ফরিদপুরে চরভদ্রাসনে পদ্মা নদীতে জেলের বড়শিতে ধরা ধরা পড়লো- বিশাল কুমির। আদিতমারীতে র‍্যাবের অভিযান: বসতবাড়ির উঠান থেকে মাদকসহ কারবারি গ্রেপ্তার মধুপুরের শালবন পুনরুদ্ধারে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ঢাবিসাসের সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন নোয়াখালীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে খাল পরিস্কার কর্মসূচি নোয়াখালীতে দুই ভাটাকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা লালমনিরহাটের মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত ফেরারি আসামি গ্রেফতার: গাজীপুরে র‍্যাবের ঝটিকা অভিযান রামগঞ্জে নবাগত ইউ এন ওর সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত “এই শহর আমাদের—জনসচেতনতা ছাড়া জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব নয়”: চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন মাইক বাজিয়ে আ.লীগের স্লোগান, পুলিশ দেখে পালালো যুবক পরীক্ষার হলে দুর্ঘটনা, রক্তাক্ত হয়েও লিখল উত্তর পত্র চসিকের পরিচ্ছন্ন কর্মীদের আবাসন হবে সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে:- একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী রূপগঞ্জে জমিতে কাজ করতে বাধা, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ তালাবদ্ধ দোকান খুলে দেয়ার দাবি কালেক্টরেট জামে মসজিদ মার্কেটের ব্যাবসায়ীদের পাইকগাছায় শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ পাইকগাছায় বাল্যবিবাহের আসর ভেঙে দিল ইউএনও, মোবাইল কোর্টে জরিমানা অবৈধ অস্ত্র-গুলিসহ ১৮ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ওসমান গ্রেফতার চান্দগাঁও থানা পুলিশের অভিযানে চোরাইকৃত ২৩ লাখ ৭৩ হাজার ৫১০ টাকা উদ্ধার, চোর চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার জেমসের গানে মাতবে লিসবন ; ২৬ জুলাই ” বাংলা লাইভ কনসার্ট ” আয়োজকদের সাংবাদিক সম্মেলন দুর্গাপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ভারতীয় মদ উদ্ধার, আটক ২ বাকলিয়া এক্সেস রোডে কলেজ শিক্ষার্থী ও সংবাদকর্মীর ওপর হামলার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের কয়রায় মাদরাসার অনুদানের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ঘোড়াশালে পল্লীবিদ্যুতের প্রহরীকে অস্ত্র ঠেকিয়ে তার-যন্ত্রাংশ লুট,পাঁচটি গ্রাম অন্ধকারে বিএইচআরএফ’র আবেদনে ভারতীয় নাগরিক’কে নিরাপদ হেজাজতে দিলেন বিজ্ঞ মহানগর আদালত চট্টগ্রাম চবির বাংলা বিভাগের আয়োজনে ‘বাংলা বিজ্ঞানসাহিত্যের নন্দিত ভুবন’ শীর্ষক অশোক বড়ুয়া পঞ্চম স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত রামগঞ্জ উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার কমিটি গঠিত  সড়কের পাশে বালুর স্তুপ, বেপরোয়া ট্রাক চাপায় সিএনজি যাত্রীর মৃত্যু

ভোলার মেঘনায় ফের সিসি ব্লক ধস – আতঙ্কে স্থানীয় এলাকাবাসী।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:51:39 pm, Sunday, 17 September 2023
  • 242 বার পড়া হয়েছে

ভোলার মেঘনায় ফের সিসি ব্লক ধস - আতঙ্কে স্থানীয় এলাকাবাসী।।

স্টাফ রিপোর্টার

ভোলা।।

 

মেঘনায় পুনরায় শুরু হয়েছে সিসি ব্লকের ধস, ভয় এবং আতঙ্কে স্থানীয় এলাকাবাসী। উজান থেকে আসা মেঘনা নদীর পানির তীব্র চাপে ভোলায় ইলিশা লঞ্চঘাট এলাকার তীর সংরক্ষণ সিসি ব্লক বাঁধের আরেকটি পয়েন্টে ধস দেখা দিয়েছে। এতে করে হুমকির মুখে পরেছেন ভোলা শহর রক্ষা বাঁধসহ তিনটি ইউনিয়নের কয়েক লাখ মানুষ। এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ডাম্পিং করে ধস প্রতিরোধ করা চেষ্টা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, গেল কয়েক দিন আগে উজান থেকে আসা মেঘনা নদীর তীব্র পানির চাপে ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের তালতলি লঞ্চঘাট এলাকার দুইটি পয়েন্টে তীর সংরক্ষণ সিসি ব্লকের ৭০ মিটার ধস দেখা দেয়। ১৪ সেপ্টেম্বর নতুন করে আরেকটি পয়েন্টে ১০ মিটার সিসি ব্লক বাঁধের ধস দেখা দিয়েছে। তিনটি পয়েন্টে মোট ৮০ মিটার মেঘনা নদীর তীর সংরক্ষণ সিসি ব্লকের ধসের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে ইলিশার শহর রক্ষা বাঁধ, তিনটি লঞ্চঘাট, দুইটি ফেরিঘাটসহ তিন ইউনিয়নের ফসলি জমি, বসতঘর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন স্থাপনা।

পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা মো. মোর্শেদ আলম নোমান ও মো. মিজানুর রহমান বলেন, কয়েক দিন আগে ইলিশা তালতলি লঞ্চঘাট এলাকায় দুইটি পয়েন্টে সিসি ব্লক বাঁধ ধসে পড়েছে। বুধবার ইলিশা লঞ্চঘাট এলাকায় আরেকটি পয়েন্টে ধস শুরু হয়েছে। এভাবে যদি ব্লক বাঁধ ধসে যায় তাহলে আমাদের ইলিশসহ কাচিয়া ও রাজাপুর ইউনিয়নে অনেক বতসঘর, ফসলি জমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন স্থাপনা হুমকির মুখে পরবে।

মো. নান্নু পাটোয়ারী জানান, তিনি মেঘনা নদীর বাঁধ ভাঙনের ফলে নিজের বসতঘর, ফসলি জমি হারিয়েছেন। এখন কয়েক বছর ধরে পরিবারের সবাইকে নিয়ে ইলিশা লঞ্চঘাট এলাকায় মেয়ে জামাইর বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। যদি জামাইর বাড়িও ভাঙনের শিকার হয় তাহলে তাকে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে রাস্তায় আশ্রয় নিতে হবে।

মো. রিয়াজ জানান, ব্লক বাঁধ ধসে যাওয়ায় আমার একটি দোকান ভেঙে গেছে। এখন ব্যবসা করতে পারছি না। আমার দাবি ধসে যাওয়া ব্লক বাঁধে দ্রুত কাজ করে যেন ধস বন্ধ করা হয়।

ইলিশা বাঁচাও আন্দোলন কমিটির আহ্বায়ক মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ভোলার ইলিশা মেঘনা নদীর পয়েন্টে অসংখ্য ডুবো চরের কারণে উজান থেকে আসা পানির অতি স্রোতে ইলিশার তিনটি পয়েন্টে ধস দেখা দিয়েছে। এটি যদি দ্রুত বন্ধ না করা হয় তাহলে হুমকির মুখে পড়বে ইলিশাসহ আরও দুইটি ইউনিয়ন। আমি সরকারের কাছে আবেদন করছি অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে ধসে যাওয়া স্থান সংস্কার করে স্থায়ী ব্লক বাঁধ নির্মাণ এবং ইলিশা পয়েন্টের মেঘনা নদীর ড্রেজিংয়ের ব্যবস্থার করে এ সমস্যা সমাধান করার জন্য।

ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো ডিভিশন-১) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাসানুজ্জামান বলেন, আগে দুইটি পয়েন্টে ৭০ মিটার ধস হয়। সর্বশেষ আবার আরেকটি পয়েন্টে ১০ মিটার ধসে যায়। আমরা ধস প্রতিরোধে ৫৪ লাখ টাকা ব্যায়ে ১২ হাজার জিও ব্যাগ ফেলে তিনটি পয়েন্টের ধস প্রতিরোধে কাজ করছি। আগের বরাদ্দ দিয়ে ধস প্রতিরোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে যদি এটিতে প্রতিরোধ করা না যায় তাহলে বরাদ্দ বাড়িয়ে জিও ব্যাগ বাড়ানো হবে।

এদিকে ২০১৭-২১ সাল পর্যন্ত একটি প্রকল্পের মাধ্যমে ৩৩৫ কোটি টাকা ব্যায়ে ভোলার পূর্ব ইলিশার সাজি কান্দি থেকে রাজাপুরের জোর খাল পর্যন্ত চার কিলোমিটার নদীর তীর সংরক্ষণ ও সাড়ে তিন কিলোমিটার সিসি ব্লক দ্বারা বাঁধ সংরক্ষণ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছায় আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্পের ফেজ-আউট সভা অনুষ্ঠিত

ভোলার মেঘনায় ফের সিসি ব্লক ধস – আতঙ্কে স্থানীয় এলাকাবাসী।।

আপডেট সময় : 05:51:39 pm, Sunday, 17 September 2023

স্টাফ রিপোর্টার

ভোলা।।

 

মেঘনায় পুনরায় শুরু হয়েছে সিসি ব্লকের ধস, ভয় এবং আতঙ্কে স্থানীয় এলাকাবাসী। উজান থেকে আসা মেঘনা নদীর পানির তীব্র চাপে ভোলায় ইলিশা লঞ্চঘাট এলাকার তীর সংরক্ষণ সিসি ব্লক বাঁধের আরেকটি পয়েন্টে ধস দেখা দিয়েছে। এতে করে হুমকির মুখে পরেছেন ভোলা শহর রক্ষা বাঁধসহ তিনটি ইউনিয়নের কয়েক লাখ মানুষ। এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ডাম্পিং করে ধস প্রতিরোধ করা চেষ্টা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, গেল কয়েক দিন আগে উজান থেকে আসা মেঘনা নদীর তীব্র পানির চাপে ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের তালতলি লঞ্চঘাট এলাকার দুইটি পয়েন্টে তীর সংরক্ষণ সিসি ব্লকের ৭০ মিটার ধস দেখা দেয়। ১৪ সেপ্টেম্বর নতুন করে আরেকটি পয়েন্টে ১০ মিটার সিসি ব্লক বাঁধের ধস দেখা দিয়েছে। তিনটি পয়েন্টে মোট ৮০ মিটার মেঘনা নদীর তীর সংরক্ষণ সিসি ব্লকের ধসের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে ইলিশার শহর রক্ষা বাঁধ, তিনটি লঞ্চঘাট, দুইটি ফেরিঘাটসহ তিন ইউনিয়নের ফসলি জমি, বসতঘর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন স্থাপনা।

পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা মো. মোর্শেদ আলম নোমান ও মো. মিজানুর রহমান বলেন, কয়েক দিন আগে ইলিশা তালতলি লঞ্চঘাট এলাকায় দুইটি পয়েন্টে সিসি ব্লক বাঁধ ধসে পড়েছে। বুধবার ইলিশা লঞ্চঘাট এলাকায় আরেকটি পয়েন্টে ধস শুরু হয়েছে। এভাবে যদি ব্লক বাঁধ ধসে যায় তাহলে আমাদের ইলিশসহ কাচিয়া ও রাজাপুর ইউনিয়নে অনেক বতসঘর, ফসলি জমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন স্থাপনা হুমকির মুখে পরবে।

মো. নান্নু পাটোয়ারী জানান, তিনি মেঘনা নদীর বাঁধ ভাঙনের ফলে নিজের বসতঘর, ফসলি জমি হারিয়েছেন। এখন কয়েক বছর ধরে পরিবারের সবাইকে নিয়ে ইলিশা লঞ্চঘাট এলাকায় মেয়ে জামাইর বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। যদি জামাইর বাড়িও ভাঙনের শিকার হয় তাহলে তাকে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে রাস্তায় আশ্রয় নিতে হবে।

মো. রিয়াজ জানান, ব্লক বাঁধ ধসে যাওয়ায় আমার একটি দোকান ভেঙে গেছে। এখন ব্যবসা করতে পারছি না। আমার দাবি ধসে যাওয়া ব্লক বাঁধে দ্রুত কাজ করে যেন ধস বন্ধ করা হয়।

ইলিশা বাঁচাও আন্দোলন কমিটির আহ্বায়ক মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ভোলার ইলিশা মেঘনা নদীর পয়েন্টে অসংখ্য ডুবো চরের কারণে উজান থেকে আসা পানির অতি স্রোতে ইলিশার তিনটি পয়েন্টে ধস দেখা দিয়েছে। এটি যদি দ্রুত বন্ধ না করা হয় তাহলে হুমকির মুখে পড়বে ইলিশাসহ আরও দুইটি ইউনিয়ন। আমি সরকারের কাছে আবেদন করছি অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে ধসে যাওয়া স্থান সংস্কার করে স্থায়ী ব্লক বাঁধ নির্মাণ এবং ইলিশা পয়েন্টের মেঘনা নদীর ড্রেজিংয়ের ব্যবস্থার করে এ সমস্যা সমাধান করার জন্য।

ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো ডিভিশন-১) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাসানুজ্জামান বলেন, আগে দুইটি পয়েন্টে ৭০ মিটার ধস হয়। সর্বশেষ আবার আরেকটি পয়েন্টে ১০ মিটার ধসে যায়। আমরা ধস প্রতিরোধে ৫৪ লাখ টাকা ব্যায়ে ১২ হাজার জিও ব্যাগ ফেলে তিনটি পয়েন্টের ধস প্রতিরোধে কাজ করছি। আগের বরাদ্দ দিয়ে ধস প্রতিরোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে যদি এটিতে প্রতিরোধ করা না যায় তাহলে বরাদ্দ বাড়িয়ে জিও ব্যাগ বাড়ানো হবে।

এদিকে ২০১৭-২১ সাল পর্যন্ত একটি প্রকল্পের মাধ্যমে ৩৩৫ কোটি টাকা ব্যায়ে ভোলার পূর্ব ইলিশার সাজি কান্দি থেকে রাজাপুরের জোর খাল পর্যন্ত চার কিলোমিটার নদীর তীর সংরক্ষণ ও সাড়ে তিন কিলোমিটার সিসি ব্লক দ্বারা বাঁধ সংরক্ষণ করা হয়।