Dhaka , Sunday, 19 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
কুড়িগ্রামে র‍্যাবের বড় সাফল্য: শোবার ঘরের খাটের নিচে মিলল ৭৬ কেজি গাঁজা, আটক ১ র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম এবং র‍্যাব-৬, খুলনা এর যৌথ অভিযানে চকবাজারে’র চাঞ্চল্যকর সাজিদ হত্যার পলাতক আসামি সহযোগীসহ গ্রেফতার সিএমপি’র ডিবি(উত্তর) বিভাগের অভিযানে ০১টি ৭.৬৫ মডেলের বিদেশি পিস্তলসহ আসামি গ্রেফতার প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম এভিয়েশন ক্লাবের পাশে থাকার আশ্বাস প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের মধুপুরে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে কো-অর্ডিনেশন সভা অনুষ্ঠিত শরীয়তপুরে ড্রামে তেল বিক্রি, ভিডিও করায় সাংবাদিকদের উপর হামলা মধুপুরে অপরাধ পর্যবেক্ষণ ও মানবাধিকার সংস্থার সম্মাননা প্রদান বর্ণাঢ্য আয়োজনে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপন চট্টগ্রামের মেয়েদের বিশেষ গুণ আছে – এমপি হুমাম পত্নী সামানজার খান বন্দরে চাঁদা না পেয়ে দুইজনকে কুপিয়ে আহত নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইন্স স্কুলে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল লালমনিরহাটে ১৮ এপ্রিলের শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ: গণকবর সংরক্ষণের দাবি বেতাগীতে গাছবোঝাই নছিম উল্টে  ঘটনাস্থলে একজন মৃত্যু। ফতুল্লায় গোসলঘর নির্মাণ উদ্বোধন ও বৃক্ষ বিতরণ ঝালকাঠিতে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগের প্রথম দিনের কার্যক্রম সম্পন্ন রাজাপুরে ঘর মেরামতের সময় টিনের চালা থেকে পা ফসকে পড়ে কাঠমিস্ত্রীর মৃত্যু পাইকগাছায় ‘উদয়ী-মধুরাজ’ বাজপাখি উদ্ধার; চলছে চিকিৎসা লক্ষ্মীপুরে ধানক্ষেত থেকে ইট ভাটা শ্রমিকের মুখ বাধাঁ লাশ উদ্ধার মির্জাপুরে নবনির্বাচিত এমপিকে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা “যোগ্যদের স্বীকৃতি দিতে পেরে গর্বিত”:- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন লালমনিরহাটের মহেন্দ্রনগরে নিখোঁজের পর পুকুরে ভাসছিল বৃদ্ধের নিথর দেহ ঝালকাঠিতে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন এমপি ইলেন ভুট্টো নলছিটিতে সেলাই মেশিন, খেলাধুলার সামগ্রী ও বাদ্যযন্ত্র বিতরণ নোয়াখালীতে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত  সরাইলে নুরু আলী হত্যাকান্ডে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন  নোয়াখালীতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন নোয়াখালীতে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় পথচারী নারী নিহত কাউখালী উপজেলা প্রশাসনের সমন্বিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান বাংলাদেশি শ্রমিকের ঘামে টিকছে পর্তুগালের কৃষি ; খরা-শ্রমিক সংকট মোকাবেলায় প্রযুক্তি নির্ভরতা বৃদ্ধি পার্কের লেকে গোসল করতে নেমে দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

পাঁচবিবি বাজারে অসময়ে সজনে কেজি ২০০ টাকা, হতাশ ক্রেতারা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 03:09:14 pm, Wednesday, 25 February 2026
  • 24 বার পড়া হয়েছে

ফারহান ইসলাম হিলি ও পাঁচবিবি প্রতিনিধি:

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে বাজারে সজনে ডাঁটার দামে আগুন লেগেছে। বর্তমানে প্রতি কেজি সজনে ডাঁটা ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অসময়ে এ সবজি দেখে ক্রেতারা দোকানে ভিড় করেছেন। তবে বাড়তি দামের কারণে দু’একজন কিনলেও অধিকাংশরা না কিনেই বাড়ি ফিরছেন। এতে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে।

ব্যবসায়ী ও বাজার সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাজারে বিক্রি হওয়া সজনে ডাঁটার একটি বড় অংশ ভারত থেকে আমদানি করা। এসব পণ্য দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করে। পরে পাইকাররা হিলি বাজার থেকে কিনে জয়পুরহাটের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করেন। সেই ধারাবাহিকতায় পাঁচবিবির বাজারে পৌঁছাতে পৌঁছাতে দাম কয়েক ধাপ বেড়ে যাচ্ছে। মানভেদে প্রতি কেজি সজনে ডাঁটা ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে সবজি কিনতে আসা মীর শহিদ বলেন, আজ সকালে কাঁচাবাজারে এসে দেখি সজনে সাজিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। বর্তমানে সজনের মৌসুম না হওয়ায় অসময়ের এ সবজির প্রতি তার আগ্রহ তৈরি হয়। স্বাদ নেওয়ার জন্য তিনি ৫০ টাকায় আড়াইশ গ্রাম সজনে কেনেন। পরিমাণের তুলনায় দাম অনেক বেশি। উচ্চমূল্যের কারণে অনেক ক্রেতাই কিনতে না পেরে ফিরে গেছেন। দাম কিছুটা কম হলে সাধারণ ক্রেতারাও সহজে কিনতে পারতেন।

বাজার করতে আসা রিমন বলেন, বাজারে কাঁচা তরকারির দোকানে সজনে দেখে কিনতে আগ্রহ জাগলেও চড়া দামে সেই ইচ্ছা মিটিয়ে গেছে। প্রতি কেজি সজনে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা তার মতো সাধারণ ক্রেতার পক্ষে কেনা অসম্ভব। অথচ মৌসুমে এ সজনের দাম থাকে কেজিতে মাত্র ২০ থেকে ৩০ টাকা। বর্তমানে দাম ৫০-৬০ টাকার মধ্যে থাকলেও হয়তো কেনা যেতো। নিত্যপণ্যের দাম এমনিতেই বেশি। তার ওপর সজনে ডাঁটা কেজি ২০০ টাকা হলে সাধারণ মানুষের পক্ষে কেনা কঠিন। অতিরিক্ত দামের কারণে না কিনেই ফেরত যাতে হচ্ছে।

সবজি বিক্রেতা রাকিব হোসেন বলেন, খুচরা বাজারে সজনের দাম বৃদ্ধির পেছনে আমাদের একার কোনো দায় নেই। পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে সজনে কিনতে হচ্ছে। বিশেষ করে সীমান্তঘেঁষা এলাকা হিলি থেকে উচ্চমূল্যে পণ্য সংগ্রহ করতে হওয়ায় শুরুতেই খরচ বেড়ে যাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, পাইকারি পর্যায়ে প্রতি কেজি সজনে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে আমদানি ব্যয়, পরিবহন ভাড়া, শ্রমিক মজুরি ও আড়তদারি খরচ। এসব ব্যয় যোগ হয়ে খুচরা বাজারে এসে দাম আরও বেড়ে যাচ্ছে। বর্তমানে প্রতি কেজি সজনে ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করতে হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে র‍্যাবের বড় সাফল্য: শোবার ঘরের খাটের নিচে মিলল ৭৬ কেজি গাঁজা, আটক ১

পাঁচবিবি বাজারে অসময়ে সজনে কেজি ২০০ টাকা, হতাশ ক্রেতারা

আপডেট সময় : 03:09:14 pm, Wednesday, 25 February 2026

ফারহান ইসলাম হিলি ও পাঁচবিবি প্রতিনিধি:

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে বাজারে সজনে ডাঁটার দামে আগুন লেগেছে। বর্তমানে প্রতি কেজি সজনে ডাঁটা ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অসময়ে এ সবজি দেখে ক্রেতারা দোকানে ভিড় করেছেন। তবে বাড়তি দামের কারণে দু’একজন কিনলেও অধিকাংশরা না কিনেই বাড়ি ফিরছেন। এতে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে।

ব্যবসায়ী ও বাজার সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাজারে বিক্রি হওয়া সজনে ডাঁটার একটি বড় অংশ ভারত থেকে আমদানি করা। এসব পণ্য দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করে। পরে পাইকাররা হিলি বাজার থেকে কিনে জয়পুরহাটের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করেন। সেই ধারাবাহিকতায় পাঁচবিবির বাজারে পৌঁছাতে পৌঁছাতে দাম কয়েক ধাপ বেড়ে যাচ্ছে। মানভেদে প্রতি কেজি সজনে ডাঁটা ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে সবজি কিনতে আসা মীর শহিদ বলেন, আজ সকালে কাঁচাবাজারে এসে দেখি সজনে সাজিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। বর্তমানে সজনের মৌসুম না হওয়ায় অসময়ের এ সবজির প্রতি তার আগ্রহ তৈরি হয়। স্বাদ নেওয়ার জন্য তিনি ৫০ টাকায় আড়াইশ গ্রাম সজনে কেনেন। পরিমাণের তুলনায় দাম অনেক বেশি। উচ্চমূল্যের কারণে অনেক ক্রেতাই কিনতে না পেরে ফিরে গেছেন। দাম কিছুটা কম হলে সাধারণ ক্রেতারাও সহজে কিনতে পারতেন।

বাজার করতে আসা রিমন বলেন, বাজারে কাঁচা তরকারির দোকানে সজনে দেখে কিনতে আগ্রহ জাগলেও চড়া দামে সেই ইচ্ছা মিটিয়ে গেছে। প্রতি কেজি সজনে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা তার মতো সাধারণ ক্রেতার পক্ষে কেনা অসম্ভব। অথচ মৌসুমে এ সজনের দাম থাকে কেজিতে মাত্র ২০ থেকে ৩০ টাকা। বর্তমানে দাম ৫০-৬০ টাকার মধ্যে থাকলেও হয়তো কেনা যেতো। নিত্যপণ্যের দাম এমনিতেই বেশি। তার ওপর সজনে ডাঁটা কেজি ২০০ টাকা হলে সাধারণ মানুষের পক্ষে কেনা কঠিন। অতিরিক্ত দামের কারণে না কিনেই ফেরত যাতে হচ্ছে।

সবজি বিক্রেতা রাকিব হোসেন বলেন, খুচরা বাজারে সজনের দাম বৃদ্ধির পেছনে আমাদের একার কোনো দায় নেই। পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে সজনে কিনতে হচ্ছে। বিশেষ করে সীমান্তঘেঁষা এলাকা হিলি থেকে উচ্চমূল্যে পণ্য সংগ্রহ করতে হওয়ায় শুরুতেই খরচ বেড়ে যাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, পাইকারি পর্যায়ে প্রতি কেজি সজনে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে আমদানি ব্যয়, পরিবহন ভাড়া, শ্রমিক মজুরি ও আড়তদারি খরচ। এসব ব্যয় যোগ হয়ে খুচরা বাজারে এসে দাম আরও বেড়ে যাচ্ছে। বর্তমানে প্রতি কেজি সজনে ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করতে হচ্ছে।