
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
চট্টগ্রাম ডিবি (উত্তর) বিভাগের টিম নং-৩১ এর অফিসার ফোর্স ১৮ এপ্রিল শনিবার, বিশেষ অভিযান ডিউটিতে থাকাকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিএমপির বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন আতুরার ডিপো কামারাবাদ মোড়স্থ “পপুলার মেডিকেল হল” ফার্মেসির দোকানের সামনে একটি অস্থায়ী চেকপোস্ট শুরু করে। চেকপোস্ট করাকালে একটি যাত্রীবাহী ভাড়াকৃত সিএনজি অটোরিক্সা (চট্টগ্রাম-থ-১৪-৫০২৭) কে সিগন্যাল দিয়ে থামিয়ে উক্ত সিএনজির যাত্রীদের তল্লাশিকালে সিএনজিতে থাকা একজন যাত্রী নেমে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ডিবির আভিযানিক টিমের অফিসার-ফোর্স উক্ত ব্যক্তিকে আটক করেন। তখন আভিযানিক টিম উপস্থিত উৎসুক জনতার সামনে আসামীর বডি সার্চ করলে সে নিজেই তার কোমরে গোঁজা অবস্থা হতে ক) ০১ (একটি) বিদেশি ৭.৬৫ পিস্তল বের করে দেয়। অস্ত্রটির গায়ে ইংরেজিতে MADE IN U.S.A., 7.65 লেখা রয়েছে। তখন আভিযানিক টিম উপস্থিত লোকজনের সামনে অবৈধ অস্ত্রটি জব্দ করে হেফাজতে নেন। গ্রেফতারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে তার নাম মোঃ সাইফুল ইসলাম (৪৪), পিতা-মৃত আলাউদ্দিন আহমেদ আলী আহমেদ, মাতা-মৃত ছেনোয়ারা বেগম, সাং- চর হেয়ার, মোল্লা বাজার, মজিদ পন্ডিতের বাড়ি, ০৫নং ওয়ার্ড, ১০নং জাহাজমারা ইউপি, থানা-হাতিয়া, জেলা-নোয়াখালী এবং বর্তমানে-বিবিরহাট, কাঁচাবাজার, ০২নং গলি, ফারুক মিয়ার টিনসেড ভাড়াঘর, ০৭নং সিটি কর্পোরেশন ওয়ার্ড, থানা-পাঁচলাইশ, জেলা-চট্টগ্রাম বলে জানায়। সে আরো জানায়, উদ্ধারকৃত অস্ত্রটি সে নিজ দখলে রেখে সন্ত্রাসী কার্যক্রম করার উদ্দেশ্যে বর্ণিত সিএনজি অটোরিক্সা দিয়ে চালিতাতলী হতে আতুরার ডিপোর দিকে আসছিল এবং উক্ত অস্ত্রটি দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন এলাকায় সুযোগমতো সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে থাকে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, আসামী মূলত বায়েজিদ বোস্তামী থানার চালিতাতলী, ওয়াজেদিয়া, কুইয়াইশ, অক্সিজেন, বালুছড়া, হামজারবাগ, মুরাদপুরসহ নগরীর বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ সংঘটন করে থাকে। এ সংক্রান্তে গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে বায়েজিদ বোস্তামী থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত আসামি সাইফুল ইসলাম (৪৪)-এর বিরুদ্ধে সিএমপির বিভিন্ন থানায় অস্ত্র, মাদক, চুরিসহ সর্বমোট ০৫টি নিয়মিত মামলা রয়েছে।
পিসিপিআরঃ
১. পাঁচলাইশ মডেল থানার মামলা নং-২৭(১২)১৯, ধারা-মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন এর ৩৬(১) সারণীর ১০(ক)।
২. পাঁচলাইশ থানার মামলা নং-১৩(০১)১৯, ধারা-মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন এর ৩৬(১) সারণীর ১০ (ক)।
৩. চকবাজার থানার মামলা নং-১০(০৯)১৮, ধারা-৩৭৯ পেনাল কোড ১৮৬০।
৪. কোতোয়ালী থানার মামলা নং-৭১(০৭)১২, ধারা-19(f), ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইন।
৫. কোতোয়ালী থানার মামলা নং-৩০(০৭)১২, ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন, ২৫(বি) এর ১(এ), তৎসহ ৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৪৮৯(এ)।
























