Dhaka , Sunday, 19 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
হাসপাতালের চুরির রহস্য উদঘাটন: চোরাই মালামাল উদ্ধার, গ্রেফতার ৩ পাইকগাছায় হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত বর্ষায় জলাবদ্ধতা কমাতে চসিকের খাল-নালা পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু মধুপুরে শালবন রক্ষায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম ওয়াসায় ২৩ বছরেও বাস্তবায়ন হয়নি বেগম জিয়া কর্তৃক ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা প্রকল্প রামগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠিত লক্ষ্মীপুরে চাঞ্চল্যকর ইটভাটা শ্রমিক মিন্টু হত্যা মামলার দুই আসামি গ্রেপ্তার লালমনিরহাটে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে উদ্যোগ: টিকা পাবে দেড় লাখ শিশু শ্রীপুর থানা পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহ, ঝালকাঠিতে বেড়েছে লোডশেডিং, ভোগান্তিতে পরীক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ নলছিটি হদুয়া আইডিয়াল একাডেমিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা কুড়িগ্রামে র‍্যাব-১৩ অভিযানে প্রায় ২ মণ গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার কুড়িগ্রামে র‍্যাবের বড় সাফল্য: শোবার ঘরের খাটের নিচে মিলল ৭৬ কেজি গাঁজা, আটক ১ র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম এবং র‍্যাব-৬, খুলনা এর যৌথ অভিযানে চকবাজারে’র চাঞ্চল্যকর সাজিদ হত্যার পলাতক আসামি সহযোগীসহ গ্রেফতার সিএমপি’র ডিবি(উত্তর) বিভাগের অভিযানে ০১টি ৭.৬৫ মডেলের বিদেশি পিস্তলসহ আসামি গ্রেফতার প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম এভিয়েশন ক্লাবের পাশে থাকার আশ্বাস প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের মধুপুরে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে কো-অর্ডিনেশন সভা অনুষ্ঠিত শরীয়তপুরে ড্রামে তেল বিক্রি, ভিডিও করায় সাংবাদিকদের উপর হামলা মধুপুরে অপরাধ পর্যবেক্ষণ ও মানবাধিকার সংস্থার সম্মাননা প্রদান বর্ণাঢ্য আয়োজনে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপন চট্টগ্রামের মেয়েদের বিশেষ গুণ আছে – এমপি হুমাম পত্নী সামানজার খান বন্দরে চাঁদা না পেয়ে দুইজনকে কুপিয়ে আহত নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইন্স স্কুলে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল লালমনিরহাটে ১৮ এপ্রিলের শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ: গণকবর সংরক্ষণের দাবি বেতাগীতে গাছবোঝাই নছিম উল্টে  ঘটনাস্থলে একজন মৃত্যু। ফতুল্লায় গোসলঘর নির্মাণ উদ্বোধন ও বৃক্ষ বিতরণ ঝালকাঠিতে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগের প্রথম দিনের কার্যক্রম সম্পন্ন রাজাপুরে ঘর মেরামতের সময় টিনের চালা থেকে পা ফসকে পড়ে কাঠমিস্ত্রীর মৃত্যু পাইকগাছায় ‘উদয়ী-মধুরাজ’ বাজপাখি উদ্ধার; চলছে চিকিৎসা লক্ষ্মীপুরে ধানক্ষেত থেকে ইট ভাটা শ্রমিকের মুখ বাধাঁ লাশ উদ্ধার

তিতাসে কালভার্টের দুইপাশে রাস্তা নেই

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:52:28 pm, Sunday, 10 April 2022
  • 247 বার পড়া হয়েছে

তিতাসে কালভার্টের দুইপাশে রাস্তা নেই

তিতাস(কুমিল্লা)প্রতিনিধি।।

কুমিল্লার তিতাসে ১০ বছর আগে কালভার্ট নির্মাণ করা হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় এলাকাবাসীর কোন কাজে আসছে না এই কালর্ভাটি।সংযোগস্থলে তৎকালীন এমদাদ চেয়ারম্যানের আমলে তার নীজ উদ্যোগে কিছু মাটি দিলেও সেটি বর্ষাকালীন মৌসুমের পানির সঙ্গে চলে গেছে অনেক আগেই।ফলে কালভার্ট এর উপর দিয়ে যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা বরং ৮-১০ টি গ্রামের জনসাধারণের চলাচলেও ভোগান্তির শেষ নেই।জানা গেছে,২০১২ সালে ১১ লাখ টাকা ব্যয়ে উপজেলার জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের
পূর্ব গোপালপুর হইতে রসুলপুর গ্রামের মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে সরু রাস্তার মাঝখানে নির্জন চকের খালের উপর এই কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়।কালভার্টের দুই পাশে ৮/১০ ফুট উঁচু থাকলেও সংযোগের দুই পাশে কোনো মাটি নেই।স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছি।আমরা ইউনিয়ন ও উপজেলার সুযোগ-সুবিধাসহ সব ধরণের সেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছি এই সমস্যার কারণে।রাস্তার অভাবে ইউনিয়ন বা উপজেলা সদরে কোনো জরুরি কাজ থাকলে সেখানে দ্রুত যেতে পারি না।পার্শ্ববর্তী
দাউদকান্দি উপজেলার গলিয়ারচর দিয়ে নদী পার হয়ে যেতে ডাবল খরচ দিয়ে এবং সময় গচ্ছা দিতে হয়।এমনকি ফসল পর্যন্ত পরিবহন করতে পারছি না।নামমাত্র কালভার্ট দিয়ে রাখা হলেও আমাদের কোনো উপকারে আসছে না। এ রাস্তায় বর্ষাকালীন মৌসুমে গলা পানি হয়ে যায়, তাছাড়া ধান কাটার পর পরই এই রাস্তা পানিতে তলিয়ে গিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়।বৃষ্টি হলেতো কথাই নেই পিচ্ছিল ও কাদায় ভরে যায়।কালভার্ট সংলগ্ন নতুন বাড়ির মালিক জয়নাল আবেদিন (৬৫)বলেন,কালভার্ট নির্মাণের পর পর জমি বরাট করেছি,
বাড়ি করবো বলে কিন্তু ১০ বছর হয়ে গেলো
রাস্তাও হয়না স্বপ্নের বাড়িও বানানো হলনা।এই কালভার্ট আমাদের কোন উপকারেতো আসেই নি বরং ক্ষতিই হয়েছে।রাস্তা না হলে ঘরও করবো না।পূর্ব গোপালপুর গ্রামের কৃষক জামাল উদ্দিন জানান, এই কালভার্ট এলাকাবাসীর কাজে আসত, যদি রাস্তা থাকতো, যে খালের উপর কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে, সে খাল তেমন গভীর নয়,পাতা পানি মাত্র।আমরা খালের উপর দুইটা বাশ পেতে অনায়াসেই বোঝা নিয়ে যেতে পারতাম,
কিন্তু এই কালভার্ট উচু হওয়ায় বোঝা নিয়ে উঠতে অনেক কষ্ট হয়।রাস্তা থাকলে হয়তোবা এমনটি হতোনা।আমরা অবহেলিত আমাদের এই রাস্তাটা নিয়ে কারো কোন ভাবনা নেই। পথচারী আনোয়ার হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, লাখ লাখ টাকা খরচ করে এখানে
কালভার্ট করেছে,কিন্তু কালভার্টের দুইপাশে রাস্তা না থাকায় তা আমাদের কোনো উপকারে আসছে না। তারা আরও বলেন,এলাকার মানুষের আবাদী শস্য,ভারী মালামাল হাট-বাজারে নিতে পায়ে হেঁটে পারাপার হতে হয়।আমাদের যদি কোনো জরুরি রোগী জেলা সদর ও হাদপাতালে যেতে হয়, তাহলে আমাদের পায়ে হাটা ছাড়া আর কোন উপায় নেই।বর্ষাকালীন মৌসুমে আমাদের খেয়া নৌকার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়।এক কথায় আমাদের ভোগান্তির শেষ নেই।এই ভোগান্তি থেকে আমরা মুক্তি চাই।এ ব্যাপারে জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী আলী আশ্রাফ বলেন,কালভার্ট হলেও দুর্ভাগ্যবসত রাস্তাটা হয়নি।আমি রসুলপুর হতে বড় একটি রাস্তার লিষ্ট দিয়েছি, আশা করি এটি হবে ইনশাআল্লাহ।রাস্তা না হওয়ায় কালভার্টটি অকেজো হয়ে আছে বলে জানা গেছে। তিতাস উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আহসান উল্লাহ বলেন,এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যানকে বলেন।এই কালভার্টের বিষয়ে আমার কিছু জানা নাই, যেহেতু আমার আমলে তা হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসপাতালের চুরির রহস্য উদঘাটন: চোরাই মালামাল উদ্ধার, গ্রেফতার ৩

তিতাসে কালভার্টের দুইপাশে রাস্তা নেই

আপডেট সময় : 07:52:28 pm, Sunday, 10 April 2022

তিতাস(কুমিল্লা)প্রতিনিধি।।

কুমিল্লার তিতাসে ১০ বছর আগে কালভার্ট নির্মাণ করা হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় এলাকাবাসীর কোন কাজে আসছে না এই কালর্ভাটি।সংযোগস্থলে তৎকালীন এমদাদ চেয়ারম্যানের আমলে তার নীজ উদ্যোগে কিছু মাটি দিলেও সেটি বর্ষাকালীন মৌসুমের পানির সঙ্গে চলে গেছে অনেক আগেই।ফলে কালভার্ট এর উপর দিয়ে যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা বরং ৮-১০ টি গ্রামের জনসাধারণের চলাচলেও ভোগান্তির শেষ নেই।জানা গেছে,২০১২ সালে ১১ লাখ টাকা ব্যয়ে উপজেলার জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের
পূর্ব গোপালপুর হইতে রসুলপুর গ্রামের মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে সরু রাস্তার মাঝখানে নির্জন চকের খালের উপর এই কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়।কালভার্টের দুই পাশে ৮/১০ ফুট উঁচু থাকলেও সংযোগের দুই পাশে কোনো মাটি নেই।স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছি।আমরা ইউনিয়ন ও উপজেলার সুযোগ-সুবিধাসহ সব ধরণের সেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছি এই সমস্যার কারণে।রাস্তার অভাবে ইউনিয়ন বা উপজেলা সদরে কোনো জরুরি কাজ থাকলে সেখানে দ্রুত যেতে পারি না।পার্শ্ববর্তী
দাউদকান্দি উপজেলার গলিয়ারচর দিয়ে নদী পার হয়ে যেতে ডাবল খরচ দিয়ে এবং সময় গচ্ছা দিতে হয়।এমনকি ফসল পর্যন্ত পরিবহন করতে পারছি না।নামমাত্র কালভার্ট দিয়ে রাখা হলেও আমাদের কোনো উপকারে আসছে না। এ রাস্তায় বর্ষাকালীন মৌসুমে গলা পানি হয়ে যায়, তাছাড়া ধান কাটার পর পরই এই রাস্তা পানিতে তলিয়ে গিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়।বৃষ্টি হলেতো কথাই নেই পিচ্ছিল ও কাদায় ভরে যায়।কালভার্ট সংলগ্ন নতুন বাড়ির মালিক জয়নাল আবেদিন (৬৫)বলেন,কালভার্ট নির্মাণের পর পর জমি বরাট করেছি,
বাড়ি করবো বলে কিন্তু ১০ বছর হয়ে গেলো
রাস্তাও হয়না স্বপ্নের বাড়িও বানানো হলনা।এই কালভার্ট আমাদের কোন উপকারেতো আসেই নি বরং ক্ষতিই হয়েছে।রাস্তা না হলে ঘরও করবো না।পূর্ব গোপালপুর গ্রামের কৃষক জামাল উদ্দিন জানান, এই কালভার্ট এলাকাবাসীর কাজে আসত, যদি রাস্তা থাকতো, যে খালের উপর কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে, সে খাল তেমন গভীর নয়,পাতা পানি মাত্র।আমরা খালের উপর দুইটা বাশ পেতে অনায়াসেই বোঝা নিয়ে যেতে পারতাম,
কিন্তু এই কালভার্ট উচু হওয়ায় বোঝা নিয়ে উঠতে অনেক কষ্ট হয়।রাস্তা থাকলে হয়তোবা এমনটি হতোনা।আমরা অবহেলিত আমাদের এই রাস্তাটা নিয়ে কারো কোন ভাবনা নেই। পথচারী আনোয়ার হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, লাখ লাখ টাকা খরচ করে এখানে
কালভার্ট করেছে,কিন্তু কালভার্টের দুইপাশে রাস্তা না থাকায় তা আমাদের কোনো উপকারে আসছে না। তারা আরও বলেন,এলাকার মানুষের আবাদী শস্য,ভারী মালামাল হাট-বাজারে নিতে পায়ে হেঁটে পারাপার হতে হয়।আমাদের যদি কোনো জরুরি রোগী জেলা সদর ও হাদপাতালে যেতে হয়, তাহলে আমাদের পায়ে হাটা ছাড়া আর কোন উপায় নেই।বর্ষাকালীন মৌসুমে আমাদের খেয়া নৌকার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়।এক কথায় আমাদের ভোগান্তির শেষ নেই।এই ভোগান্তি থেকে আমরা মুক্তি চাই।এ ব্যাপারে জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী আলী আশ্রাফ বলেন,কালভার্ট হলেও দুর্ভাগ্যবসত রাস্তাটা হয়নি।আমি রসুলপুর হতে বড় একটি রাস্তার লিষ্ট দিয়েছি, আশা করি এটি হবে ইনশাআল্লাহ।রাস্তা না হওয়ায় কালভার্টটি অকেজো হয়ে আছে বলে জানা গেছে। তিতাস উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আহসান উল্লাহ বলেন,এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যানকে বলেন।এই কালভার্টের বিষয়ে আমার কিছু জানা নাই, যেহেতু আমার আমলে তা হয়নি।