Dhaka , Sunday, 26 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
লালমনিরহাটে শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করছে ১৫ বিজিবি: মোগলহাটে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ রাউজানে বাবলু হত্যাকাণ্ডে জড়িত এজাহারনামীয় ০২ আসামী গ্রেফতার পূর্ব শত্রুতার জেরে নৃশংসভাবে যুবককে কুপিয়ে হাত-পা বিচ্ছিন্ন। নেত্রকোণায় এমপি মাছুম মোস্তফার গাড়িতে হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৯ ভাঙন কবলিত এলাকা রক্ষায় ব্যয় নয়, মানুষের জীবনই অগ্রাধিকার: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নদী ভাঙ্গন নিয়ে অনেক রাজনীতি হয়, আমরা রাজনীতি করতে আসিনি: মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে সিএসএসের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত ইশিকার স্বপ্ন হারাবে না টাকার অভাবে রাঙ্গামাটির বরকলে পরীক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক দৃষ্টান্ত গড়লেন পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পতেঙ্গায় বিরোধপূর্ণ জমি দখলের অভিযোগ, আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দেয়াল নির্মাণের চেষ্টা ঐতিহাসিক লালদীঘির ময়দানে জব্বারের বলি খেলার ১১৭ তম আসর পরিদর্শনে সিএমপি কমিশনার.. রূপগঞ্জে বালু নদীর উপর কেওডালা সেতুর নির্মান কাজের উদ্বোধন সিদ্দিরগঞ্জ থানায় পুলিশ সদস্যের হৃদরোগে মৃত্যু নোয়াখালীতে ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করে ধর্ষণ, প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার চবির প্রাঙ্গণে জ্ঞানের আলোকশিখা, কেন্দ্রীয় ‘সরস্বতী জ্ঞান মন্দির’ উদ্বোধন নদীর ঘাটে লুকানো ২৭’শ লিটার ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১ পাইকগাছায় হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সিডিএ কর্ণফুলী হাউজিং হবে চট্টগ্রামের সবচেয়ে নান্দনিক আবাসিক প্রকল্প :- প্রকৌশলী নুরুল করিম, সিডিএ চেয়ারম্যান রূপগঞ্জের লন্ডন প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, নগদ টাকা ও বিদেশী মুদ্রাসহ মালামাল লুট শ্রীপুরে ব্যবসার পাওনা টাকা চাওয়ায় পার্টনারদের মারধরে যুবক অপূর্ব বাছাড়ের আত্মহত্যা লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বিদ্যুৎ অফিসের অর্থ বাণিজ্য, বিচ্ছিন্ন করা অবৈধ ইটভাটায় পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ প্রেসক্লাব পাইকগাছার ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের কমিটি ঘোষণা; সভাপতি ইশরাক হোসেন দপ্তর লেখক আসাদ পারভেজ। প্রচণ্ড গরম ও লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত গাজীপুরের জনজীবন নোয়াখালীতে কাভার্ডভ্যানে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২ মধুপুরে জাসাসের উদ্যোগে মরহুম লোকমান হোসেন ফকির এর মৃত্যু বার্ষিকী পালন জাতিসংঘে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার প্রতিবাদে রাঙামাটিতে পিসিসিপি’র বিক্ষোভ লালমনিরহাটে মে দিবস ও পেশাগত স্বাস্থ্য দিবস পালনের তোড়জোড়: প্রস্তুতি সভা সম্পন্ টেকনাফে বিদেশি পিস্তলসহ ১ মানবপাচারকারী কোস্ট গার্ডের হাতে আটক আমাদের সম্মিলিত লক্ষ্য একটাই, আগামীর সুন্দর দুর্গাপুর : ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল পাইকগাছায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি পালিত

তিতাসের ৩০ টি গ্রামের ৬০ হাজার মানুষের পারাপারের এক মাত্র ভরসা নৌকা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 01:27:28 pm, Wednesday, 13 July 2022
  • 214 বার পড়া হয়েছে

তিতাসের ৩০ টি গ্রামের ৬০ হাজার মানুষের পারাপারের এক মাত্র ভরসা নৌকা

তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি।।

 

কুমিল্লার তিতাসের গোমতী- কাঁঠালিয়া নদীর সংযোগ মাইটা নদীতে পারাপারের সেতু না থাকায় চরম ভোগান্তিতে ৩০ গ্রামবাসী।পার হওয়ার জন্য ৩০ গ্রামের প্রায় ৬০ হাজার মানুষের এক মাত্র ভরসা নৌকা।জানা যায়,৩০ গ্রামের মানুষের পারাপারের এক মাত্র ভরসা হলো নৌকা।প্রতিদিনই তিতাস ও দাউদকান্দির উপজেলার প্রায় ৩০টি গ্রামের মানুষ পারাপার করছে নৌকায়।গোমতী- কাঁঠালিয়া নদীর সংযোগ মাটিয়া নদীর দুই তীরের প্রায় ৬০ হাজার মানুষ বছরের পর বছর নৌকায় পারাপার করছে বলে জানা গেছে।এই নদীতে সেতু না থাকায় চরম ভোগান্তিতে বর্ষা মৌসুমে নৌকা দিয়ে চলাচল করতে হয় ৩০ গ্রামের প্রায় ৬০ হাজার মানুষ।এই নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের প্রয়োজন বলে দাবি জানান এই অঞ্চলের মানুষেরা।সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়,গোমতী- কাঁঠালিয়া নদীর সংযোগ মাটিয়া নদীটি তিতাস ও দাউদকান্দি উপজেলার শেষ সীমানায় অবস্থিত হওয়ায় দুই উপজেলার প্রায় ৩০ গ্রামের মানুষের পারাপারের এক মাত্র ভরসা হলো নৌকা।এই নদীর পূর্ব পাশে তিতাস উপজেলার বালুয়াকান্দি,কাকিয়াখালি,শাহবৃদ্ধি,
মজিদপুর,আলীর গাঁও,কড়িকান্দি, কলাকান্দি,
একলারামপুর,শাহপুর,শোলাকান্দি,লালপুর,
ভাটিপাড়া,দুধঘাটা,দড়িগাঁও,মোহনপুর, ৫ আটি আর দাউদকান্দি অংশে বারজা,বাহেরচর,
হাসনাবাদ,চাউরারচর,নন্দিরচর,গংগারদ,বালুরচরসহ প্রায় ৩০ টি গ্রামের হাজার হাজার বাসিন্দাদের ছোট মাটিয়া (মাইট্টা) নদী পারাপারে একমাত্র ভরসা নৌকা।তবে শুকনো মৌসুমে বাঁশেরসাঁকোর ওপর দিয়ে চলাচল করতে পারলেও বর্ষা মৌসুমে নৌকা দিয়ে চলাচল করে মানুষজন।দেশে বর্তমানে ডিজিটাল উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত হলেও একটি ব্রিজের অভাবে এখনো পিছিয়ে রয়েছে এই জনপদের জীবনমান।ফলে স্থানীয় কৃষকরা উৎপাদিত ফসলের নায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে বলেও জানা গেছে।এই অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় তাদের মধ্যে এখনো আধুনিকতার কোন ছোঁয়াই স্পর্শ করেনি।যার কারণে প্রতিনিয়তই থমকে যাচ্ছে এই অঞ্চলের কৃষকসহ হাজার হাজার মানুষের অর্থনৈতিক চাকা।প্রতিদিনই নৌকায় ৩ থেকে ৪ হাজার মানুষ চলাচল করছে।নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজ ছাড়াও স্কুল-কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষার্থীরা নৌকায় পারাপার করছে বলে জানা যায়। এব্যাপারে দাউদকান্দি উপজেলার বাজরা গ্রামের ওয়ার্ড মেম্বার শরীফ মিয়া বলেন, ভাজরা এস ই এস পি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও আইয়ুব আলী ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা রয়েছে,ওপার থেকে এপারে প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষসহ ছাত্র-ছাত্রীরা আসছে।এই নদীতে একটা সেতু নির্মাণ করে দিলে মানুষের অনেক উপকার হতো।এব্যাপারে বালুয়াকান্দি গ্রামের সাবেক মেম্বার আবুল কাসেম জানান,মাটিয়া নদীতে একটি ব্রিজ না থাকায় আমাদের এলাকার মানুষের অনেক কষ্ট হচ্ছে,বর্ষা মৌসুমে নৌকায় ও শুকনো মৌসুমে বাঁশেরসাঁকোর ওপর দিয়ে হাজার হাজার মানুষ চলাচল করছে। সরকারের কাছে আমাদের একটাই দাবি মাটিয়া নদীতে একটি ব্রিজ নির্মাণ করে দিলে মানুষের বিরাট উপকার হবে।বালুয়াকান্দি গ্রামের মুদিদোকানী হক মিয়া জানান,এই নদীর ওপর দিয়ে হাজার হাজার মানুষ আসা যাওয়া করে,এর মধ্যে ৪০-৫০ জন ছাত্র-ছাত্রীও নৌকায় চলাচল করে।তবে শুকনো মৌসুমে বাঁশেরসাঁকোর ওপর দিয়ে আসা যাওয়া করতে পরালেও বর্ষ মৌসুমে এই নদীর ওপর দিয়ে মানুষের চলাচলে বিরাট অসুবিধা হয়।তিতাস উপজেলার মধ্যে এক মাত্র এই নদীর ওপরই কোন ব্রিজ নেই। আমরা শুকনো মৌসুমে
মানুষের কাছ থেকে টাকা তোলে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিয়ে এই নদীর ওপর একটি বাঁশেরসাঁকো নির্মাণ করি।কিন্তু বর্ষা মৌসুমে এই নদীতে পানি বেড়ে যায়, এজন্য এই নদীতে একটা নৌকা রাখি, আর সেই নৌকা দিয়ে ২০ টাকা করে মানুষ আসা যাওয়া করে।একটা ব্রিজের অভাবে মানুষ ১০ বছর যাবৎ অনেক কষ্ট করে এই নদীর ওপর দিয়ে আসা যাওয়া করছে।স্থানীয় সমাজ সেবক সুমন মিয়া বলেন ,গোমতী-কাঁঠালিয়া নদীর সংযোগ মাটিয়া নদীতে একটা সেতু জরুরি দরকার,একটা সেতুর অভাবের মানুষ অনেক কষ্ট করছে। বালুয়াকান্দি গ্রামের মো.হানিফ মিয়া জানান,আমরা এই নদী নিয়ে অনেক সংকটে আছি অনেক বছর ধইরা।আজ থেকে ৪০-৫০ বছর ধইরা গুদারা দিয়া এই গ্রামের লোক এপার-ওপার আসা যাওয়া করে। তখন থেইকা গুদারা রেট দিন দিন বাইড়া যাইতো গা,আবার রোদও মাঝি পার করতে গিয়া বিরক্ত হইয়া চইলা যাইতো।আজ থেকে ৮ বছর আগে আমরা সিদ্ধান্ত নেই একটি বাঁশেরসাঁকো দেয়ার জন্য এবং মানুষের কাছ থেকে টাকা-পয়সা তুইলা এই নদীতে একটা বাঁশেরসাঁকো দেই।এই দুর্ভোগের হাত থেকে আমরা রেহাই চাই এবং এই নদী ওপর একটি ব্রিজ নির্মাণ করে দেয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাই।আশা করি আমাদের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে এই নদী ওপর একটি ব্রিজ নির্মাণ করে দিবেন। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন,বাপ-দাদার পাশাপাশি আমাদের ও বর্তমান প্রজন্মের জীবন কেটে গেলো বাঁশেরসাঁকো আর নৌকা করে নদী পার হয়ে।আমরা জানি না আগামী প্রজন্মরা কি তাদের জীবনদশায় এই নদীতে একটি সেতু কিংবা ব্রিজ দেখতে পাবে।শুকনো ও বর্ষা এই দুই মৌসুমেই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যে এই নদীর ওপর দিয়ে চলাচল করতে হয়।তাই ছোট-বড় দুর্ঘটনা তো ঘটছেই।এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মোজাম্মেল হক বলেন, আমি তো সরজমিন গিয়েছিলাম,এই মূহুর্তে এই নদীতে ব্রীজ নির্মাণের কোনো পরিকল্পনা নেই,সামনে সুযোগ পেলে এই নদীতে ব্রিজ নির্মাণের ব্যবস্থা করে দিবো।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

লালমনিরহাটে শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করছে ১৫ বিজিবি: মোগলহাটে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

তিতাসের ৩০ টি গ্রামের ৬০ হাজার মানুষের পারাপারের এক মাত্র ভরসা নৌকা

আপডেট সময় : 01:27:28 pm, Wednesday, 13 July 2022

তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি।।

 

কুমিল্লার তিতাসের গোমতী- কাঁঠালিয়া নদীর সংযোগ মাইটা নদীতে পারাপারের সেতু না থাকায় চরম ভোগান্তিতে ৩০ গ্রামবাসী।পার হওয়ার জন্য ৩০ গ্রামের প্রায় ৬০ হাজার মানুষের এক মাত্র ভরসা নৌকা।জানা যায়,৩০ গ্রামের মানুষের পারাপারের এক মাত্র ভরসা হলো নৌকা।প্রতিদিনই তিতাস ও দাউদকান্দির উপজেলার প্রায় ৩০টি গ্রামের মানুষ পারাপার করছে নৌকায়।গোমতী- কাঁঠালিয়া নদীর সংযোগ মাটিয়া নদীর দুই তীরের প্রায় ৬০ হাজার মানুষ বছরের পর বছর নৌকায় পারাপার করছে বলে জানা গেছে।এই নদীতে সেতু না থাকায় চরম ভোগান্তিতে বর্ষা মৌসুমে নৌকা দিয়ে চলাচল করতে হয় ৩০ গ্রামের প্রায় ৬০ হাজার মানুষ।এই নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের প্রয়োজন বলে দাবি জানান এই অঞ্চলের মানুষেরা।সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়,গোমতী- কাঁঠালিয়া নদীর সংযোগ মাটিয়া নদীটি তিতাস ও দাউদকান্দি উপজেলার শেষ সীমানায় অবস্থিত হওয়ায় দুই উপজেলার প্রায় ৩০ গ্রামের মানুষের পারাপারের এক মাত্র ভরসা হলো নৌকা।এই নদীর পূর্ব পাশে তিতাস উপজেলার বালুয়াকান্দি,কাকিয়াখালি,শাহবৃদ্ধি,
মজিদপুর,আলীর গাঁও,কড়িকান্দি, কলাকান্দি,
একলারামপুর,শাহপুর,শোলাকান্দি,লালপুর,
ভাটিপাড়া,দুধঘাটা,দড়িগাঁও,মোহনপুর, ৫ আটি আর দাউদকান্দি অংশে বারজা,বাহেরচর,
হাসনাবাদ,চাউরারচর,নন্দিরচর,গংগারদ,বালুরচরসহ প্রায় ৩০ টি গ্রামের হাজার হাজার বাসিন্দাদের ছোট মাটিয়া (মাইট্টা) নদী পারাপারে একমাত্র ভরসা নৌকা।তবে শুকনো মৌসুমে বাঁশেরসাঁকোর ওপর দিয়ে চলাচল করতে পারলেও বর্ষা মৌসুমে নৌকা দিয়ে চলাচল করে মানুষজন।দেশে বর্তমানে ডিজিটাল উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত হলেও একটি ব্রিজের অভাবে এখনো পিছিয়ে রয়েছে এই জনপদের জীবনমান।ফলে স্থানীয় কৃষকরা উৎপাদিত ফসলের নায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে বলেও জানা গেছে।এই অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় তাদের মধ্যে এখনো আধুনিকতার কোন ছোঁয়াই স্পর্শ করেনি।যার কারণে প্রতিনিয়তই থমকে যাচ্ছে এই অঞ্চলের কৃষকসহ হাজার হাজার মানুষের অর্থনৈতিক চাকা।প্রতিদিনই নৌকায় ৩ থেকে ৪ হাজার মানুষ চলাচল করছে।নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজ ছাড়াও স্কুল-কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষার্থীরা নৌকায় পারাপার করছে বলে জানা যায়। এব্যাপারে দাউদকান্দি উপজেলার বাজরা গ্রামের ওয়ার্ড মেম্বার শরীফ মিয়া বলেন, ভাজরা এস ই এস পি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও আইয়ুব আলী ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা রয়েছে,ওপার থেকে এপারে প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষসহ ছাত্র-ছাত্রীরা আসছে।এই নদীতে একটা সেতু নির্মাণ করে দিলে মানুষের অনেক উপকার হতো।এব্যাপারে বালুয়াকান্দি গ্রামের সাবেক মেম্বার আবুল কাসেম জানান,মাটিয়া নদীতে একটি ব্রিজ না থাকায় আমাদের এলাকার মানুষের অনেক কষ্ট হচ্ছে,বর্ষা মৌসুমে নৌকায় ও শুকনো মৌসুমে বাঁশেরসাঁকোর ওপর দিয়ে হাজার হাজার মানুষ চলাচল করছে। সরকারের কাছে আমাদের একটাই দাবি মাটিয়া নদীতে একটি ব্রিজ নির্মাণ করে দিলে মানুষের বিরাট উপকার হবে।বালুয়াকান্দি গ্রামের মুদিদোকানী হক মিয়া জানান,এই নদীর ওপর দিয়ে হাজার হাজার মানুষ আসা যাওয়া করে,এর মধ্যে ৪০-৫০ জন ছাত্র-ছাত্রীও নৌকায় চলাচল করে।তবে শুকনো মৌসুমে বাঁশেরসাঁকোর ওপর দিয়ে আসা যাওয়া করতে পরালেও বর্ষ মৌসুমে এই নদীর ওপর দিয়ে মানুষের চলাচলে বিরাট অসুবিধা হয়।তিতাস উপজেলার মধ্যে এক মাত্র এই নদীর ওপরই কোন ব্রিজ নেই। আমরা শুকনো মৌসুমে
মানুষের কাছ থেকে টাকা তোলে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিয়ে এই নদীর ওপর একটি বাঁশেরসাঁকো নির্মাণ করি।কিন্তু বর্ষা মৌসুমে এই নদীতে পানি বেড়ে যায়, এজন্য এই নদীতে একটা নৌকা রাখি, আর সেই নৌকা দিয়ে ২০ টাকা করে মানুষ আসা যাওয়া করে।একটা ব্রিজের অভাবে মানুষ ১০ বছর যাবৎ অনেক কষ্ট করে এই নদীর ওপর দিয়ে আসা যাওয়া করছে।স্থানীয় সমাজ সেবক সুমন মিয়া বলেন ,গোমতী-কাঁঠালিয়া নদীর সংযোগ মাটিয়া নদীতে একটা সেতু জরুরি দরকার,একটা সেতুর অভাবের মানুষ অনেক কষ্ট করছে। বালুয়াকান্দি গ্রামের মো.হানিফ মিয়া জানান,আমরা এই নদী নিয়ে অনেক সংকটে আছি অনেক বছর ধইরা।আজ থেকে ৪০-৫০ বছর ধইরা গুদারা দিয়া এই গ্রামের লোক এপার-ওপার আসা যাওয়া করে। তখন থেইকা গুদারা রেট দিন দিন বাইড়া যাইতো গা,আবার রোদও মাঝি পার করতে গিয়া বিরক্ত হইয়া চইলা যাইতো।আজ থেকে ৮ বছর আগে আমরা সিদ্ধান্ত নেই একটি বাঁশেরসাঁকো দেয়ার জন্য এবং মানুষের কাছ থেকে টাকা-পয়সা তুইলা এই নদীতে একটা বাঁশেরসাঁকো দেই।এই দুর্ভোগের হাত থেকে আমরা রেহাই চাই এবং এই নদী ওপর একটি ব্রিজ নির্মাণ করে দেয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাই।আশা করি আমাদের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে এই নদী ওপর একটি ব্রিজ নির্মাণ করে দিবেন। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন,বাপ-দাদার পাশাপাশি আমাদের ও বর্তমান প্রজন্মের জীবন কেটে গেলো বাঁশেরসাঁকো আর নৌকা করে নদী পার হয়ে।আমরা জানি না আগামী প্রজন্মরা কি তাদের জীবনদশায় এই নদীতে একটি সেতু কিংবা ব্রিজ দেখতে পাবে।শুকনো ও বর্ষা এই দুই মৌসুমেই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যে এই নদীর ওপর দিয়ে চলাচল করতে হয়।তাই ছোট-বড় দুর্ঘটনা তো ঘটছেই।এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মোজাম্মেল হক বলেন, আমি তো সরজমিন গিয়েছিলাম,এই মূহুর্তে এই নদীতে ব্রীজ নির্মাণের কোনো পরিকল্পনা নেই,সামনে সুযোগ পেলে এই নদীতে ব্রিজ নির্মাণের ব্যবস্থা করে দিবো।