
বিনোদন ডেস্ক,
ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী শ্রেয়া ঘোষালের প্রতিভায় শুরু থেকেই আস্থা ছিল বলিউডের কোরিওগ্রাফার ও পরিচালক ফারাহ খানের। তবে সেই সময়ে অনেকেই বড় সিনেমায় শ্রেয়াকে দিয়ে গান গাওয়ানোর পক্ষে ছিলেন না। এমনকি এ সিদ্ধান্ত নিয়ে ফারাহ খানকেও অনেকে ফোন করে প্রশ্ন তুলেছিলেন।
সম্প্রতি শ্রেয়া ঘোষালের মুম্বাইয়ের বাড়িতে গিয়ে ‘ম্যায় হুঁ না’ সিনেমায় তাদের প্রথম কাজের স্মৃতিচারণ করেন ফারাহ খান। ২০০৩ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটির গান রেকর্ড করার সময় শ্রেয়ার বয়স ছিল মাত্র ১৭ বা ১৮ বছর।
স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ফারাহ জানতে চান, ‘ম্যায় হুঁ না’ সিনেমায় গান গাওয়ার সময় শ্রেয়ার বয়স কত ছিল। তিনি বলেন, শ্রেয়া তখন একেবারেই নতুন এবং খুব কম বয়সী প্রতিভা ছিলেন। সিনেমার জন্য তিনি একটি নতুন কণ্ঠ খুঁজছিলেন।
সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘দেবদাস’ সিনেমায় গান গেয়ে পরিচিতি পাওয়ার পর শ্রেয়াকে ‘ম্যায় হুঁ না’ সিনেমায় গান গাওয়ার সুযোগ দেন ফারাহ। সিনেমার সেটে প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা জানিয়ে শ্রেয়া বলেন, শুটিংয়ের জায়গায় এত রকম খাবারের আয়োজন দেখে তিনি অবাক হয়েছিলেন।
শ্রেয়ার কণ্ঠে গান শুনে মুগ্ধ হয়েছিলেন ফারাহ। এমনকি তাকে উপহারও দিয়েছিলেন তিনি। তবে সিনেমাটিতে শ্রেয়াকে নেওয়ার পেছনে সুরকার অনু মালিকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তিনিই ফারাহকে শ্রেয়ার কথা বলেছিলেন। ফারাহর ভাষায়, অনু মালিক বলেছিলেন, ‘এই মেয়েটিকে নাও। অসাধারণ গান গায়।’
তবে শ্রেয়াকে নিয়ে শুরুতে কিছুটা দ্বিধায় ছিলেন ফারাহ নিজেও। কারণ ‘তুম হে জো ম্যায়নে দেখা’ গানটি ছিল বেশ আবেদনময়। এত অল্প বয়সে শ্রেয়া গানটি কীভাবে গাইবেন, তা নিয়ে সংশয়ে ছিলেন তিনি। ফারাহ বলেন, গানটি অনেকটা সুনিধি চৌহানের ধরনের হলেও শ্রেয়া অসাধারণ গেয়েছিলেন।

























