Dhaka , Thursday, 3 September 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা শেষে কেমন আছেন অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি উৎসবমুখর আয়োজনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন শ্রীপুরের গোয়ালদাহ হাট পরিদর্শনে ইউএনও নাজমুল ইসলাম ‘গোট’ বিতর্কে মেসির পোস্ট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা শিক্ষাসনদ প্রকাশ করুন, মোদিকে চ্যালেঞ্জ ককরোচ জনতা পার্টির দীপকের কালচারাল লীগের রোগ অনেক আগেই ডায়াগনসিস করে গেছেন আবুল মনসুর: ফারুকী বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ল, দেশে আরও বাড়বে চরভদ্রাসনে শিক্ষার মানউন্নয়ন, মাদক ও বাল্যবিবাহ রোধকল্পে অভিভাবক সমাবেশ বিশ্ব ইজতেমার দুই পর্বের তারিখ নির্ধারণ কুড়িগ্রামে শিক্ষকদের নিয়ে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত মানিকগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহতের পরিবার এবং আহত ব্যক্তিদের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ রামগঞ্জে ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগে মানববন্ধন সব জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমৃদ্ধিই সরকারের মূল লক্ষ্য:- ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল মধুপুরের গোলাবাড়ীতে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ রূপগঞ্জে বিদেশি পিস্তল ও ৭ রাউন্ড গুলিসহ ২৬ মামলার পলাতক আসামী সবুজ গ্রেফতার কাউখালীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান-এর বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত জেনারেটর অকেজো,কলেরা  রোগীর সাথে সাধারণ রোগী, চিকিৎসক সংকটে সরাইলের স্বাস্থ্যসেবা মাদক ও কিশোর অপরাধকে লাল কার্ড দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের শপথ কালিয়াকৈরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুই বাড়ির ২০ লাখ টাকার ক্ষতি পাইকগাছায় ৪০ প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে ৩৩৪ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত রামগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা “হয় মাদক ছাড়ো না হয় এলাকা ছাড়ো “ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে কলমাকান্দার ওলামা ও ইমাম-খতিবদের মতবিনিময় “মাঠে মুখোমুখি পুলিশ ও সাংবাদিক: সিএমপি বনাম চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত” চট্টগ্রামে ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ এবং শান্তি ফিরিয়ে আনতে সরকারের সমন্বিত পরিকল্পনা রয়েছে :- ব্যারিস্টার মীর হেলাল এমপি কেন ভারত ছেড়ে লন্ডনে স্থায়ী হয়েছেন বিরাট-আনুশকা? যোগ্য প্রজন্ম গড়তে সুস্থ পরিবেশ জরুরি: ডিসি জাহিদ মেসির পর আর্জেন্টিনার ‘নাম্বার টেন’ হওয়ার দৌড়ে তিনজন শেরপুরে বিজিবির সফল অভিযানে ভারতীয় কসমেটিক জব্দ রূপগঞ্জের মেয়ে সাওয়ানার হাত ধরে চীনে বাংলাদেশের গৌরবময় সাফল্য

চট্টগ্রাম শাখা ড্যাবের অনুষ্ঠানে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন…….

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:04:32 pm, Sunday, 24 August 2025
  • 160 বার পড়া হয়েছে

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন ভূমিকা তুলে ধরে বিএনপি নেতা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, এ নেত্রীকে বাদ দিয়ে দেশের কোনো ইতিহাস রচিত হবে না।

তিনি বলেন, স্বৈরাচারী হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে যখন আওয়ামী লীগ থেকে শুরু করে জামায়াত ইসলামীসহ অন্যান্য দলগুলো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছিল, তখনই আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঘোষণা দিয়েছিলেন, এরশাদের সাথে কোনো নির্বাচনে বিএনপি যাবে না। ১৯৮৬ সালে চট্টগ্রামের লালদিঘীর ময়দানে খালেদা জিয়া এ ঘোষণা দেন। তখন শেখ হাসিনাও একই কথা বললেও ঢাকায় গিয়ে তিনি এরশাদের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেন। অথচ বেগম খালেদা জিয়া কখনো আপোষ করেননি।

তিনি শনিবার (২৩ আগষ্ট) বিকেলে নগরীর নাসিরাবাদ কনভেনশন হলে ড‍্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচন গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় চট্টগ্রাম শাখা ড্যাবের পক্ষ থেকে ভোটার এবং চট্টগ্রামের নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও বেগম খালেদা জিয়ার ৮০তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

চসিক মেয়র বলেন, শেখ হাসিনা ও জামায়াতে ইসলাম নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কারণেই এরশাদের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত হয়েছিল। অন্যথায় এরশাদের পতন ১৯৮৬ সালেই হতো।

তিনি বলেন, ১৯৮৮ সালেও আন্দোলনের মুখে এরশাদ নির্বাচনের ঘোষণা দিলে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের কারণে। এর পরপরই আন্দোলন জোড়দার হয়। সেসময় আমি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল ছাত্রদলের সভাপতি ছিলাম।

খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ছাত্রদলের প্রভাব বৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরে শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, বুয়েট, চুয়েট, ঢাকা মেডিক্যাল, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব ব্রিলিয়ান্ট ইনস্টিটিউশনে ছাত্রদলের জয়জয়কার দেখা গেছে। এমনকি ডাকসু নির্বাচনে আমান-খোকনের প্যানেল নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে।

তিন বলেন, ২৭ নভেম্বর নুর হোসেন, মোজাম্মেল, জিয়াদসহ অনেকে শহীদ হয়েছেন। বিএমএর যুগ্ম সম্পাদক ডা. মিলন গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন, অথচ আওয়ামী লীগের মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন তার পাশে থেকেও অক্ষত ছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদের পতন ঘটে।

বিএনপির এ নেতা বলেন, এই প্রক্রিয়ায় যদি বেগম খালেদা জিয়া ভূমিকা না রাখতেন তাহলে এরশাদের পতন এত সহজে সম্ভব হতো না। আর ১৯৯১ সালে জনগণ ভুল করেনি, খালেদা জিয়ার গলায় বিজয়ের মালা পড়িয়ে দিয়েছিল।

তিনি ১/১১ এর সময়কার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, মাইনাস টু ফর্মূলা বাস্তবায়নের জন্য শেখ হাসিনাকে বিদেশে পাঠানো হয়। সে সময় মনের আনন্দে হাতে মেহেদি নিয়ে তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়াকে বলা হলেও তিনি দেশ ত্যাগ করেননি। তিনি বলেছিলেন ‘যদি বাঁচতে হয় এ দেশেই বাঁচব, মরতে হলে এ দেশেই মরব।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা কুকর্মের বৈধতা দিতে রাজি হওয়ায় ২০০৮ সালে তাঁকে ক্ষমতায় বসানো হয়। আর খালেদা জিয়া বৈধতা দিতে রাজি হননি। এজন্যই ১৬ বছর ধরে নির্বিচারে হত্যা, গুম, মামলা হামলা চলছে।

মানুষের অধিকার আদায়ে কথা বলার কারণে খালেদা জিয়াকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় জেলে ঢোকানো হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষের অধিকার, ভোটের অধিকার, মানবাধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, খাবার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বেঁচে থাকার অধিকারের কথা বলতে গিয়ে তাঁকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় জেলে ঢোকানো হয়েছে, গৃহবন্দি রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আল্লাহ যাকে সম্মান দিতে চান তাকেই সম্মান দেন। রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনার বিপরীতে খালেদা জিয়া রানীর মতো বিদেশে গেছেন, রানীর মতো সম্মান নিয়ে দেশে ফিরেছেন।

আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশনায়ক তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় এনে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করি।

ড্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহবায়ক ডা. এস এম সারোয়ার আলমের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ডা. রিফাত কামাল রনির পরিচালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন ড‍্যাব চমেক শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. জসিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. তমিজ উদ্দীন আহমেদ মানিক, মহানগর শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আব্বাস উদ্দীন, উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আলীম, চমেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. জসীম উদ্দীন, ডা. এম এ মান্নান, অধ‍্যাপক ডা. আনোয়ারুল হক চোধুরী, অধ‍্যাপক ডা. মো. আব্দুল মোত্তালিব, অধ্যাপক ডা. ইকবাল হোসেন, ডা. সুকান্ত ভট্টাচার্য, ডা. কামরুন নাহার দস্তগীর, ডা. মো. ইব্রাহিম চৌধুরী, রাঙামাটি জেলা ড‍্যাবের সভাপতি ডা. নীলু কুমার তন্চংগ‍্যা, জেলা ড‍্যাবের সাধারণ সম্পাদক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, ড্যাব নেতা ডা. মো. টিপু সুলতান, ডা. জীবক চাকমা, অধ্যাপক ডা. অজয় দেব, ডা. আনিসুল হোসেন বাবুল, ডা. জোনায়েদ মাহমুদ খান, ডা. মো. আইউব, ডা. মো. ইয়াসিন, ডা. মোস্তাফিজুর রহমান নাহিদ, ডা. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, অধ্যাপক ডা. রাশেদ মীরজাদা, ডা. শাহাদাত হোসেন, ডা. জিনাত আরা চৌধুরী, ডা. এস মুজিবুর রহমান, ডা. ফিরোজ খান, ডা. মনোজ কুমার বড়ুয়া, ডা. আলী আজগর চৌধুরী, ডা. একেএম আশরাফুল করিম, ডা. শিহাবুল ইসলাম, ডা. জামাল হোসেন, ডা. এনামুল হক, ডা. মাফরুহা খানম পরাগ, ডা. হোসনে আরা বেগম, ডা. মোতাহার হোসেন, ডা. আবদুর রাজ্জাক শিকদার, ডা. রাসেল ফরিদ চৌধুরী, ডা. মিজানুর রহমান, ডা. তৌহিদুর রহমান, ডা. শোয়েবুল করিম পিউ, ডা. আকরাম হোসেন, ডা. মিনহাজ রানা, ডা. শাহনেওয়াজ সিরাজ মামুন, অধ্যাপক ডা. সুলতানা রুমা আলম, ডা. মাজেদ সুলতান, ডা. মো. রিজওয়ানুল হক, ডা. রাহাত খান অন্জন, ডা. রাশেদুল হাসান, অধ্যাপক ডা. ময়নাল হোসেন, ডা. নাজমুল মোরশেদ, ডা. এরশাদুল হক, ডা. মো. মিনহাজুল আলম, ডা. মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, ডা. তানভীর হাবিব তান্না, ডা. ইফতেখার মো. আদনান, ডা. ফারাহ মাবুদ সিলভী, ডা. সালমা আক্তার শিমু, ডা. চিন্ময় বড়ুয়া, ডা. মো. মোদ্দাচ্ছির রহমান, ডা. মো. মইনুদ্দিন, ডা. জোনায়েদ রায়হান, ডা. রিয়াসাদ শাহাবুদ্দিন, ডা. সাদ্দাম হোসেন, ডা. মেহেদি হাসান, ডা. মাহমুদ হোসেন, ডা. তারেকুল ইসলাম জনি, ডা. মো. জায়েদ, ডা. সাদ্দাম হোসেন, ডা. ইয়াসির আরাফাত, ডা. জাহেদুল আলম ইমন, ডা. গিয়াস উদ্দিন নয়ন প্রমূখ।

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম
০১৮১০২৮৪১৯২

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা শেষে কেমন আছেন অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি

চট্টগ্রাম শাখা ড্যাবের অনুষ্ঠানে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন…….

আপডেট সময় : 04:04:32 pm, Sunday, 24 August 2025

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন ভূমিকা তুলে ধরে বিএনপি নেতা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, এ নেত্রীকে বাদ দিয়ে দেশের কোনো ইতিহাস রচিত হবে না।

তিনি বলেন, স্বৈরাচারী হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে যখন আওয়ামী লীগ থেকে শুরু করে জামায়াত ইসলামীসহ অন্যান্য দলগুলো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছিল, তখনই আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঘোষণা দিয়েছিলেন, এরশাদের সাথে কোনো নির্বাচনে বিএনপি যাবে না। ১৯৮৬ সালে চট্টগ্রামের লালদিঘীর ময়দানে খালেদা জিয়া এ ঘোষণা দেন। তখন শেখ হাসিনাও একই কথা বললেও ঢাকায় গিয়ে তিনি এরশাদের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেন। অথচ বেগম খালেদা জিয়া কখনো আপোষ করেননি।

তিনি শনিবার (২৩ আগষ্ট) বিকেলে নগরীর নাসিরাবাদ কনভেনশন হলে ড‍্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচন গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় চট্টগ্রাম শাখা ড্যাবের পক্ষ থেকে ভোটার এবং চট্টগ্রামের নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও বেগম খালেদা জিয়ার ৮০তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

চসিক মেয়র বলেন, শেখ হাসিনা ও জামায়াতে ইসলাম নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কারণেই এরশাদের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত হয়েছিল। অন্যথায় এরশাদের পতন ১৯৮৬ সালেই হতো।

তিনি বলেন, ১৯৮৮ সালেও আন্দোলনের মুখে এরশাদ নির্বাচনের ঘোষণা দিলে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের কারণে। এর পরপরই আন্দোলন জোড়দার হয়। সেসময় আমি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল ছাত্রদলের সভাপতি ছিলাম।

খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ছাত্রদলের প্রভাব বৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরে শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, বুয়েট, চুয়েট, ঢাকা মেডিক্যাল, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব ব্রিলিয়ান্ট ইনস্টিটিউশনে ছাত্রদলের জয়জয়কার দেখা গেছে। এমনকি ডাকসু নির্বাচনে আমান-খোকনের প্যানেল নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে।

তিন বলেন, ২৭ নভেম্বর নুর হোসেন, মোজাম্মেল, জিয়াদসহ অনেকে শহীদ হয়েছেন। বিএমএর যুগ্ম সম্পাদক ডা. মিলন গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন, অথচ আওয়ামী লীগের মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন তার পাশে থেকেও অক্ষত ছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদের পতন ঘটে।

বিএনপির এ নেতা বলেন, এই প্রক্রিয়ায় যদি বেগম খালেদা জিয়া ভূমিকা না রাখতেন তাহলে এরশাদের পতন এত সহজে সম্ভব হতো না। আর ১৯৯১ সালে জনগণ ভুল করেনি, খালেদা জিয়ার গলায় বিজয়ের মালা পড়িয়ে দিয়েছিল।

তিনি ১/১১ এর সময়কার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, মাইনাস টু ফর্মূলা বাস্তবায়নের জন্য শেখ হাসিনাকে বিদেশে পাঠানো হয়। সে সময় মনের আনন্দে হাতে মেহেদি নিয়ে তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়াকে বলা হলেও তিনি দেশ ত্যাগ করেননি। তিনি বলেছিলেন ‘যদি বাঁচতে হয় এ দেশেই বাঁচব, মরতে হলে এ দেশেই মরব।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা কুকর্মের বৈধতা দিতে রাজি হওয়ায় ২০০৮ সালে তাঁকে ক্ষমতায় বসানো হয়। আর খালেদা জিয়া বৈধতা দিতে রাজি হননি। এজন্যই ১৬ বছর ধরে নির্বিচারে হত্যা, গুম, মামলা হামলা চলছে।

মানুষের অধিকার আদায়ে কথা বলার কারণে খালেদা জিয়াকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় জেলে ঢোকানো হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষের অধিকার, ভোটের অধিকার, মানবাধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, খাবার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বেঁচে থাকার অধিকারের কথা বলতে গিয়ে তাঁকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় জেলে ঢোকানো হয়েছে, গৃহবন্দি রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আল্লাহ যাকে সম্মান দিতে চান তাকেই সম্মান দেন। রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনার বিপরীতে খালেদা জিয়া রানীর মতো বিদেশে গেছেন, রানীর মতো সম্মান নিয়ে দেশে ফিরেছেন।

আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশনায়ক তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় এনে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করি।

ড্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহবায়ক ডা. এস এম সারোয়ার আলমের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ডা. রিফাত কামাল রনির পরিচালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন ড‍্যাব চমেক শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. জসিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. তমিজ উদ্দীন আহমেদ মানিক, মহানগর শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আব্বাস উদ্দীন, উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আলীম, চমেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. জসীম উদ্দীন, ডা. এম এ মান্নান, অধ‍্যাপক ডা. আনোয়ারুল হক চোধুরী, অধ‍্যাপক ডা. মো. আব্দুল মোত্তালিব, অধ্যাপক ডা. ইকবাল হোসেন, ডা. সুকান্ত ভট্টাচার্য, ডা. কামরুন নাহার দস্তগীর, ডা. মো. ইব্রাহিম চৌধুরী, রাঙামাটি জেলা ড‍্যাবের সভাপতি ডা. নীলু কুমার তন্চংগ‍্যা, জেলা ড‍্যাবের সাধারণ সম্পাদক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, ড্যাব নেতা ডা. মো. টিপু সুলতান, ডা. জীবক চাকমা, অধ্যাপক ডা. অজয় দেব, ডা. আনিসুল হোসেন বাবুল, ডা. জোনায়েদ মাহমুদ খান, ডা. মো. আইউব, ডা. মো. ইয়াসিন, ডা. মোস্তাফিজুর রহমান নাহিদ, ডা. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, অধ্যাপক ডা. রাশেদ মীরজাদা, ডা. শাহাদাত হোসেন, ডা. জিনাত আরা চৌধুরী, ডা. এস মুজিবুর রহমান, ডা. ফিরোজ খান, ডা. মনোজ কুমার বড়ুয়া, ডা. আলী আজগর চৌধুরী, ডা. একেএম আশরাফুল করিম, ডা. শিহাবুল ইসলাম, ডা. জামাল হোসেন, ডা. এনামুল হক, ডা. মাফরুহা খানম পরাগ, ডা. হোসনে আরা বেগম, ডা. মোতাহার হোসেন, ডা. আবদুর রাজ্জাক শিকদার, ডা. রাসেল ফরিদ চৌধুরী, ডা. মিজানুর রহমান, ডা. তৌহিদুর রহমান, ডা. শোয়েবুল করিম পিউ, ডা. আকরাম হোসেন, ডা. মিনহাজ রানা, ডা. শাহনেওয়াজ সিরাজ মামুন, অধ্যাপক ডা. সুলতানা রুমা আলম, ডা. মাজেদ সুলতান, ডা. মো. রিজওয়ানুল হক, ডা. রাহাত খান অন্জন, ডা. রাশেদুল হাসান, অধ্যাপক ডা. ময়নাল হোসেন, ডা. নাজমুল মোরশেদ, ডা. এরশাদুল হক, ডা. মো. মিনহাজুল আলম, ডা. মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, ডা. তানভীর হাবিব তান্না, ডা. ইফতেখার মো. আদনান, ডা. ফারাহ মাবুদ সিলভী, ডা. সালমা আক্তার শিমু, ডা. চিন্ময় বড়ুয়া, ডা. মো. মোদ্দাচ্ছির রহমান, ডা. মো. মইনুদ্দিন, ডা. জোনায়েদ রায়হান, ডা. রিয়াসাদ শাহাবুদ্দিন, ডা. সাদ্দাম হোসেন, ডা. মেহেদি হাসান, ডা. মাহমুদ হোসেন, ডা. তারেকুল ইসলাম জনি, ডা. মো. জায়েদ, ডা. সাদ্দাম হোসেন, ডা. ইয়াসির আরাফাত, ডা. জাহেদুল আলম ইমন, ডা. গিয়াস উদ্দিন নয়ন প্রমূখ।

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম
০১৮১০২৮৪১৯২