
শওকত আলম, কক্সবাজার:
কক্সবাজারে আবারও উচ্ছেদ আতঙ্কে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সমিতিপাড়া এলাকা। বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নীলুফার ইয়াসমিন চৌধুরী ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমিন সুলতানার নেতৃত্বে পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার চেষ্টা করলে বসবাসকারী হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।
অভিযান ঠেকাতে স্থানীয়রা বাঁশ-লাঠি হাতে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। মুহূর্তেই পুরো এলাকা আতংকে পরিণত হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নীলুফার ইয়াসমিন চৌধুরী বলেন,
“আমরা কোনো উচ্ছেদ অভিযানে যাইনি। কেবল আশ্রয়ণ প্রকল্পের ফ্ল্যাট বরাদ্দের তালিকা তৈরির জন্য সমিতিপাড়ায় গিয়েছিলাম।”
স্থানীয়দের অভিযোগ—
সাধারণ মানুষের সঙ্গে কোনো প্রকার আলাপ-আলোচনা ছাড়াই এমন কর্মকাণ্ড শুরু করা হয়েছে।
আদালতের আদেশ ও সরকারের বৈধ খতিয়ান-দলিল উপেক্ষা করে রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করে ঘরবাড়ি গুড়িয়ে দেয়ার আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
এর ফলে কক্সবাজারের লাখো মানুষ ভয় ও অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন।
জনমত মানুষের ভাষ্য— সরকারের কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ও উপদেষ্টা রাষ্ট্রীয় শক্তিকে হাতিয়ার বানিয়ে উচ্ছেদ অভিযানের নামে সাধারণ-অসহায় মানুষকে বাস্তুহারা করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। এতে লাখ লাখ মানুষের জীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে।
সরকারের দায়
জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—
এই আতঙ্কের দায় সরকার কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। বরং সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনের জন্য জরুরি ভিত্তিতে সংলাপ ও স্বচ্ছ তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

























