Dhaka , Sunday, 1 November 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নগরবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ প্রশাসক ডা. শাহাদাতের রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ২৪ ঘণ্টায় ১,৮১০ মামলা, ডাম্পিং ৪৯৮ গাড়ি পাইকগাছায় জাতীয় যুব দিবস পালিত সাজেকের অবরোধ প্রত্যাহারের দাবিতে খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কে পরিবহন শ্রমিকদের অবরোধ সংবাদপত্র ছেঁড়ার ব্যাখ্যা দিলেন রাশেদ খাঁন রূপগঞ্জে পাথরবোঝাই ট্রাক থেকে ৬৪২ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ মধুপুরে জাতীয় যুব দিবস পালিত, যুব ঋণের চেক ও সনদপত্র বিতরণ কালিয়াকৈরে থেমে থেমে চলছে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ ১৫ কিলোমিটার জুড়ে আটকে আছে যানবাহন  দুর্গাপুরে লক্ষাধিক টাকার মালামালসহ এক তরুণ আটক ১৩৫ টন চালে ক্ষতিকর মাত্রায় অ্যাফ্লাটক্সিন পাওয়ার প্রতিবেদন নিয়ে শিপিং এজেন্টের আপত্তি নারায়ণগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সব উপজেলায় একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান বন্দরে অস্ত্র ও নগদ টাকাসহ ডাকাত সরদার মামুনসহ গ্রেপ্তার ৩ ওস্তাদ আজিজুল ইসলামের বাঁশির সুরে বিমোহিত দর্শক কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে বড় ধস, ১১৯ থেকে নেমে ৪১ শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে গেলেন প্রভা, সঙ্গী কে? ব্যালন ডি’অর না জিতলেও ইয়ামালকে নিয়ে যে কারণে গর্বিত ফ্লিক অন্তঃসত্ত্বা নারীদের জন্য বড় দুঃসংবাদ বাংলাদেশকে ৪৫০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক, আছে যেসব শর্ত লংমার্চ থেকে জামায়াত আমিরের হুংকার ডেভিড ইমনের পরিবর্তে চাঁদাবাজির দায়িত্বে ছিলেন সানি, গ্রেপ্তার নারায়ণগঞ্জে নারায়ণগঞ্জ রেড ক্রিসেন্টের নির্বাচনে টিপু সেক্রেটারি, পাঁচ সদস্য নির্বাচিত রূপগঞ্জে নোয়াপাড়া বাজার ইয়াং স্টার্স মোহনার উদ্যোগে নৌভ্রমণ অনুষ্ঠিত পাইকগাছা পুলিশের অভিযানে অপহৃত দুই ব্যবসায়ী উদ্ধার; আটক ২ শ্রীপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত টেকনাফে আলোচিত বোন হত্যা মামলার পলাতক প্রধান আসামি গ্রেপ্তার এইচএসসিতে ৯৯.০৭ শতাংশ পাস, সামসুল হক খান কলেজে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২৮ শিক্ষার্থী বরিশালে ফাঁকা কলেজ ক্যাম্পাস, পাশের হার ৪৪.৮৪: একজনও পাস করেনি ১১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রেসক্লাব পাইকগাছার জরুরি সভা অনুষ্ঠিত সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আব্দুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ

ইবির বর্তমান ছাত্রের বিরুদ্ধে সাবেক ছাত্রীকে হেনস্তার অভিযোগ।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:06:44 am, Wednesday, 24 January 2024
  • 249 বার পড়া হয়েছে

ইবির বর্তমান ছাত্রের বিরুদ্ধে সাবেক ছাত্রীকে হেনস্তার অভিযোগ।।

ইবি প্রতিনিধি।।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের-ইবি-সাবেক এক ছাত্রী ও তার স্বামীকে মানসিক হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান এক ছাত্রের বিরুদ্ধে। গত ১৫ই জানুয়ারি ঝিনাইদহের ওয়াবদা নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সময় অভিযুক্ত ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম এবং তার বাবার পরিচয়ে ভুক্তভোগীকে বিভিন্ন হুমকি প্রদান করেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর। এ ঘটনায় অভিযুক্তের বিচার চেয়ে সোমবার-২২ জানুয়ারি-বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ছাত্রী।

ভুক্তভোগী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। অন্যদিকে অভিযোগপত্রে উল্লেখিত অভিযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগে স্নাতকে অধ্যয়নরত ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাখাওয়াত হোসেন নিলয়। তার বাবা হারুন-উর রশিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগে উপ রেজিস্টার হিসেবে কর্মরত।

লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৫ জানুয়ারি ভুক্তভোগী ছাত্রী ও তার স্বামী একটা বিয়ের প্রোগ্রামে অংশ নিতে প্রাইভেট কারে করে যশোর থেকে শেখপাড়া যাচ্ছিলেন। এসময় গাড়ি চালাচ্ছিলেন ভুক্তভোগীর স্বামী। পথিমধ্যে ঝিনাইদহের ওয়াবদা নামক স্থানে গাড়ির সিগন্যাল দিয়ে ইউ-টার্ন নেওয়ার সময় অপর দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা অভিযুক্তের বাইকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হওয়ার উপক্রম হয়। এসময় বাইকের পেছনে অভিযুক্তের মেয়ে বন্ধু বসা ছিলো। তখন অভিযুক্ত ছাত্র তার বাইকটি ভুক্তভোগীর গাড়ির সামনে নিয়ে দাড় করান এবং বাইক থেকে নেমে প্রাইভেট কারের দরজা খুলে চাবি নিয়ে নেন। এছাড়া ভুক্তভোগীদের নানান হুমকি-ধামকি ও গালি-গালাজ শুরু করেন অভিযুক্ত।

এমন পরিস্থিতিতে সেখানে মানুষজন জড়ো হয়ে যায় এবং কারো কোন ক্ষয়-ক্ষতি না হওয়ায় উভয়কেই চলে যেতে বলেন। এরপর ভুক্তভোগী গাড়ি নিয়ে অল্প কিছু দূর যেতেই অভিযুক্ত দৌড়ে গিয়ে গাড়ির সামনের ও সাইডের গ্লাসে জোরে আঘাত করে গাড়ি দাড় করিয়ে তাদের সাথে পুনরায় খারাপ ব্যবহার করতে থাকেন। তখন প্রত্যক্ষদর্শী লোকজন পুনরায় এসে অভিযুক্তের আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে বকাঝকা করে ভুক্তভোগীদের যাওয়ার পথ করে দেন।

পরবর্তীতে কিছুদূর সামনে যাওয়ার পর আবার অভিযুক্তের কয়েকজন বন্ধু কয়েকটা বাইক নিয়ে গিয়ে গাড়িটি দাড় করিয়ে ভুক্তভোগীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে, গাড়ির গ্লাস ভেঙ্গে দেওয়ার হুমকি দেয় এবং অভিযুক্তের বাইকের ক্ষতিপূরণ দাবি করে। এর কিছুক্ষনের মধ্যে অভিযুক্ত তার মেয়ে বন্ধুকে নিয়ে নিজের বাইকে করেই সেখানে আসেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাবার পরিচয় দিয়ে বলেন, পালিয়ে যাচ্ছিস কেন? আমার বাইকের ক্ষতিপূরণ দিয়ে যাবি। আমি ইবির ছাত্র। আমার বাবা ইবির ডেপুটি রেজিস্টার, ক্ষতিপূরণ না দিলে এখান থেকে যেতে দেব না।

তখন ভুক্তভোগী কত টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে তা জিজ্ঞেস করলে অভিযুক্তরা বলেন, সার্ভিস সেন্টারে গিয়ে যা খরচ হবে তাই দিয়ে যাবি। তখন ভুক্তভোগীর স্বামী ভুক্তভোগীকে একা রেখে সার্ভিস সেন্টারে যেতে সম্মত না হয়ে তাদের কেউ একজনকে গিয়ে কত টাকা দিতে হবে তা জানাতে বলেন৷ কিন্তু অভিযুক্তরা তাতে সম্মত না হয়ে ভুক্তভোগীকে গাড়ির কাছে একা রেখে তার স্বামীকে তাদের সাথে সার্ভিস সেন্টারে যেতে বাধ্য করেন। তখন সার্ভিস সেন্টারে কোনো মেকানিক না থাকলেও অভিযুক্তরা সেখানকার একজন সহকারিকে ডেকে নিয়ে এসে বাইকের বিভিন্ন রকম ক্ষয়ক্ষতির কথা বলে খরচ জানতে চাইলে সে হিসাব করে ১,৫০০ টাকা লাগবে বলে জানান। পরবর্তীতে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পর অভিযুক্তের একজন বন্ধু ভুক্তভোগীর স্বামীকে ভুক্তভোগীর কাছে দিয়ে আসেন।

লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী ছাত্রী বলেন, ‘আমি ইবির একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে আমাকে যে হ্যারেজমেন্ট ও মানসিক টর্চার করা হয়েছে তার দৃষ্টাক্ষমূলক শাস্তির দাবি করছি। যেন ভবিষ্যতে কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ভাঙ্গিযে কোন নিরপরাধ মানুষকে এমন হ্যারেজমেন্ট করতে না পারে।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সাখাওয়াত হোসেন নিলয় বলেন, ‘তাদের গাড়ির আঘাতে আমার বাইক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তারা এটা দেখার পরেও কোন প্রকার সরি বা ক্ষমাপ্রার্থনা না করে চলে যাচ্ছিল। তখন আমি ওনাদের গাড়ি থামাই এবং একটু খারাপ ব্যবহার করি। আর ওই সময় তারা আমাকে টোকাই বলে গালি দিলে আমি পড়াশোনা করি এটা জানাতেই তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম এবং বাবার পরিচয় বলেছিলাম।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ বলেন গতকাল অভিযোগপত্র হাতে পেয়েছি। যেহেতু অভিযোগে কর্মকর্তার নাম সংশ্লিষ্ট রয়েছে তাই ওই ছাত্রীকে উপাচার্য এবং রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি। সেখান দেখে  নির্দেশনে দেওয়া হলে আমরা পরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

এ বিষয়ে উপাচার্যের একান্ত সচিব-পিএস-মনিরুজ্জামান মিল্টন বলেন আমরা অভিযোগ পেয়েছি। উপাচার্য স্যার ব্যস্ত ছিলেন তিনি ফ্রি হলে বিষয়টা অনুমোদন সাপেক্ষে প্রক্টর অফিসে পাঠানো হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নগরবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ প্রশাসক ডা. শাহাদাতের

ইবির বর্তমান ছাত্রের বিরুদ্ধে সাবেক ছাত্রীকে হেনস্তার অভিযোগ।।

আপডেট সময় : 04:06:44 am, Wednesday, 24 January 2024

ইবি প্রতিনিধি।।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের-ইবি-সাবেক এক ছাত্রী ও তার স্বামীকে মানসিক হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান এক ছাত্রের বিরুদ্ধে। গত ১৫ই জানুয়ারি ঝিনাইদহের ওয়াবদা নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সময় অভিযুক্ত ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম এবং তার বাবার পরিচয়ে ভুক্তভোগীকে বিভিন্ন হুমকি প্রদান করেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর। এ ঘটনায় অভিযুক্তের বিচার চেয়ে সোমবার-২২ জানুয়ারি-বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ছাত্রী।

ভুক্তভোগী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। অন্যদিকে অভিযোগপত্রে উল্লেখিত অভিযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগে স্নাতকে অধ্যয়নরত ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাখাওয়াত হোসেন নিলয়। তার বাবা হারুন-উর রশিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগে উপ রেজিস্টার হিসেবে কর্মরত।

লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৫ জানুয়ারি ভুক্তভোগী ছাত্রী ও তার স্বামী একটা বিয়ের প্রোগ্রামে অংশ নিতে প্রাইভেট কারে করে যশোর থেকে শেখপাড়া যাচ্ছিলেন। এসময় গাড়ি চালাচ্ছিলেন ভুক্তভোগীর স্বামী। পথিমধ্যে ঝিনাইদহের ওয়াবদা নামক স্থানে গাড়ির সিগন্যাল দিয়ে ইউ-টার্ন নেওয়ার সময় অপর দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা অভিযুক্তের বাইকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হওয়ার উপক্রম হয়। এসময় বাইকের পেছনে অভিযুক্তের মেয়ে বন্ধু বসা ছিলো। তখন অভিযুক্ত ছাত্র তার বাইকটি ভুক্তভোগীর গাড়ির সামনে নিয়ে দাড় করান এবং বাইক থেকে নেমে প্রাইভেট কারের দরজা খুলে চাবি নিয়ে নেন। এছাড়া ভুক্তভোগীদের নানান হুমকি-ধামকি ও গালি-গালাজ শুরু করেন অভিযুক্ত।

এমন পরিস্থিতিতে সেখানে মানুষজন জড়ো হয়ে যায় এবং কারো কোন ক্ষয়-ক্ষতি না হওয়ায় উভয়কেই চলে যেতে বলেন। এরপর ভুক্তভোগী গাড়ি নিয়ে অল্প কিছু দূর যেতেই অভিযুক্ত দৌড়ে গিয়ে গাড়ির সামনের ও সাইডের গ্লাসে জোরে আঘাত করে গাড়ি দাড় করিয়ে তাদের সাথে পুনরায় খারাপ ব্যবহার করতে থাকেন। তখন প্রত্যক্ষদর্শী লোকজন পুনরায় এসে অভিযুক্তের আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে বকাঝকা করে ভুক্তভোগীদের যাওয়ার পথ করে দেন।

পরবর্তীতে কিছুদূর সামনে যাওয়ার পর আবার অভিযুক্তের কয়েকজন বন্ধু কয়েকটা বাইক নিয়ে গিয়ে গাড়িটি দাড় করিয়ে ভুক্তভোগীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে, গাড়ির গ্লাস ভেঙ্গে দেওয়ার হুমকি দেয় এবং অভিযুক্তের বাইকের ক্ষতিপূরণ দাবি করে। এর কিছুক্ষনের মধ্যে অভিযুক্ত তার মেয়ে বন্ধুকে নিয়ে নিজের বাইকে করেই সেখানে আসেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাবার পরিচয় দিয়ে বলেন, পালিয়ে যাচ্ছিস কেন? আমার বাইকের ক্ষতিপূরণ দিয়ে যাবি। আমি ইবির ছাত্র। আমার বাবা ইবির ডেপুটি রেজিস্টার, ক্ষতিপূরণ না দিলে এখান থেকে যেতে দেব না।

তখন ভুক্তভোগী কত টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে তা জিজ্ঞেস করলে অভিযুক্তরা বলেন, সার্ভিস সেন্টারে গিয়ে যা খরচ হবে তাই দিয়ে যাবি। তখন ভুক্তভোগীর স্বামী ভুক্তভোগীকে একা রেখে সার্ভিস সেন্টারে যেতে সম্মত না হয়ে তাদের কেউ একজনকে গিয়ে কত টাকা দিতে হবে তা জানাতে বলেন৷ কিন্তু অভিযুক্তরা তাতে সম্মত না হয়ে ভুক্তভোগীকে গাড়ির কাছে একা রেখে তার স্বামীকে তাদের সাথে সার্ভিস সেন্টারে যেতে বাধ্য করেন। তখন সার্ভিস সেন্টারে কোনো মেকানিক না থাকলেও অভিযুক্তরা সেখানকার একজন সহকারিকে ডেকে নিয়ে এসে বাইকের বিভিন্ন রকম ক্ষয়ক্ষতির কথা বলে খরচ জানতে চাইলে সে হিসাব করে ১,৫০০ টাকা লাগবে বলে জানান। পরবর্তীতে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পর অভিযুক্তের একজন বন্ধু ভুক্তভোগীর স্বামীকে ভুক্তভোগীর কাছে দিয়ে আসেন।

লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী ছাত্রী বলেন, ‘আমি ইবির একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে আমাকে যে হ্যারেজমেন্ট ও মানসিক টর্চার করা হয়েছে তার দৃষ্টাক্ষমূলক শাস্তির দাবি করছি। যেন ভবিষ্যতে কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ভাঙ্গিযে কোন নিরপরাধ মানুষকে এমন হ্যারেজমেন্ট করতে না পারে।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সাখাওয়াত হোসেন নিলয় বলেন, ‘তাদের গাড়ির আঘাতে আমার বাইক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তারা এটা দেখার পরেও কোন প্রকার সরি বা ক্ষমাপ্রার্থনা না করে চলে যাচ্ছিল। তখন আমি ওনাদের গাড়ি থামাই এবং একটু খারাপ ব্যবহার করি। আর ওই সময় তারা আমাকে টোকাই বলে গালি দিলে আমি পড়াশোনা করি এটা জানাতেই তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম এবং বাবার পরিচয় বলেছিলাম।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ বলেন গতকাল অভিযোগপত্র হাতে পেয়েছি। যেহেতু অভিযোগে কর্মকর্তার নাম সংশ্লিষ্ট রয়েছে তাই ওই ছাত্রীকে উপাচার্য এবং রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি। সেখান দেখে  নির্দেশনে দেওয়া হলে আমরা পরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

এ বিষয়ে উপাচার্যের একান্ত সচিব-পিএস-মনিরুজ্জামান মিল্টন বলেন আমরা অভিযোগ পেয়েছি। উপাচার্য স্যার ব্যস্ত ছিলেন তিনি ফ্রি হলে বিষয়টা অনুমোদন সাপেক্ষে প্রক্টর অফিসে পাঠানো হবে।