Dhaka , Tuesday, 30 June 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাইকগাছায় জনগুরুত্বপূর্ণ বাইনতলা-খড়িয়া সড়ক সংস্কারহীন; চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী চন্দনাইশ প্রবাসী সমিতি-দাম্মাম এর সহযোগিতায় বরকল এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান কিশোর বয়সে প্রেমের বিয়ে, ৮ মাস পর রহস্যজনক মৃত্যু অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে আশেকানে গাউছিয়া সুলতানপুরী পরিষদ রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর লুটপাট ও জমি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মধুপুরে পরিত্যক্ত গর্ত থেকে ছাগল তুলতে গিয়ে বাবা-ছেলে – মামা সহ প্রাণ গেল ৪ জনের রায়পুরে বর্ণমালা একাডেমীতে ফল উৎসব ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। তারুণ্যের মেধা ও প্রযুক্তির শক্তিতেই গড়ে উঠবে সুখী-সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ: ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল কঠিন সময়ে সতীর্থকে পাশে পাচ্ছেন রোনালদো ইরানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যা করছে, তা ‘বিশ্বকাপের ইতিহাসে কালো অধ্যায়’ মোহাম্মদপুরের অপরাধীদের নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে খুশি করতে মিথ্যা সংবাদ লেখার প্রয়োজন নেই: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ স্বপ্নের নিউক্লিয়াস বদলে যাওয়া ভিনি নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির অভিযানে ৩ কোটি টাকার বেশি মূল্যের ইয়াবা উদ্ধার সরাইলে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক প্রযুক্তি নির্ভর কৃষিই উন্নয়নের চাবিকাঠি: ড. মঈন খান সাতকানিয়ার আমিলাইশে রাতের অন্ধকারে বাড়িতে আগুন নন্দিনী হত্যার বিচার হবে দ্রুততম সময়ে, ফলিমারীতে নিহতের পরিবারকে সান্ত্বনা ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে ত্রাণমন্ত্রী দুলুর ঘোষণা ক্যাবের চরভদ্রাসন উপজেলা শাখার পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। মির্জাপুরের গোড়াই শিল্পাঞ্চলে বিশেষ অভিযান বিপুল পরিমাণ অবৈধ তিতাস গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন মধুপুরে কারিতাসের দিনব্যাপী কৃষি ও খাদ্য মেলা অনুষ্ঠিত মধুপুরে ব্র্যাকের উদ্যোগে ভার্মি কম্পোস্ট প্রশিক্ষণ ও উপকরণ বিতরণ মধুপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ মধুপুরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা জেল, জরিমানা ঘাটাইলে ব্র্যাকের বিশেষ প্রশিক্ষণ শেষে হাঁসের বাচ্চা বিতরণ রূপগঞ্জের অপহৃত ব্যবসায়ী ১৫ দিনেও উদ্ধার হয়নি রূপগঞ্জ বালু নদের কায়েতপাড়া-নগরপাড়া সেতু আগামী এক বছরের মধ্যে চালু করা হবে – প্রতিমন্ত্রী নারী শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র ঐতিহ্যবাহী সহিতুন্নেছা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় রূপগঞ্জে মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে মা সমাবেশ রূপগঞ্জে অপহৃত ব্যবসায়ী উদ্ধারের দাবিতে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন খুনিয়াপালংয়ের ছাদিরকাঠার সড়ক বর্ষায় চলাচলের অনুপযোগী, দুর্ভোগে পথচারীরা

আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পর এখন আরেকটি গোষ্ঠী সিজিকেএস দখল করতে চাচ্ছে

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:27:10 pm, Thursday, 30 January 2025
  • 95 বার পড়া হয়েছে

আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পর এখন আরেকটি গোষ্ঠী সিজিকেএস দখল করতে চাচ্ছে

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
আওয়ামী সন্ত্রাসী এবং ফ্যাসিবাদের পর এখন আরেকটি গোষ্ঠী চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে -সিজেকেএস- দখল করতে চাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। 
তিনি বলেন, আওয়ামী সন্ত্রাসী, ফ্যাসিবাদীরা এতদিন ধরে নেতৃত্ব দিয়েছে, খেলোয়াড়দের তারা কুক্ষিগত করেছে। আবারও আমরা দেখছি, এ ধরনের একটি গোষ্ঠী এসব করতে চাচ্ছে। এটা কখনো চট্টগ্রামের আপামর জনতা, জনসাধারণ, ক্রীড়ামোদি, ক্রীড়া সংগঠকরা মেনে নিবে না।
তিনি বৃহস্পতিবার -৩০ জানুয়ারি- দুপুরে নগরীর কাজীর দেউড়ী এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের সামনে চট্টগ্রাম স্টেডিয়াম রক্ষা কমিটি আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে এসব কথা বলেন। 
এম এ আজিজ স্টেডিয়াম নিয়ে নানামুখী ষড়যন্ত্র, স্টেডিয়ামকে ২৫ বছরের জন্য বাফুফেকে লিজ দেয়া ও সিজেকেএসের এডহক কমিটি বাতিলের দাবিতে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। 
এতে চট্টগ্রামের বিপুল সংখ্যক ক্রীড়া কর্মকর্তা, সাবেক খেলোয়াড়, ক্রীড়া সংগঠক, কোচ সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেন।
এসময় চসিক মেয়র বলেন, যে স্টেডিয়ামটি সবসময় চট্টগ্রামের খেলোয়াড় প্রোডাকশনের জন্য একটা ফ্যাক্টরি হিসেবে কাজ করেছে। এই মাঠ থেকে বাংলাদেশের বরেণ্য ক্রিকেটার মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, আকরাম খান এবং তামিম ইকবালদের মতো বাংলাদেশের প্রাক্তন অধিনায়কদের জন্ম হয়েছে। ফুটবলে আশিশ ভদ্র, দিপু, এফআই কামাল, মামুন, নাজিমসহ অনেকেই এ চট্টগ্রাম থেকে হাতেকড়ি হয়েছে, এই স্টেডিয়াম থেকে। দুর্ভাগ্যের বিষয় আজকে খুবই খারাপ লাগে এই যে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ছাত্রজনতার অকাতরে রক্ত দিয়েছে, শ্রমিক জনতা প্রাণ দিয়েছে। ১৬ বছর ধরে আমরা একটি বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছি মানুষের মৌলিক অধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার, ঠিক তখনই এই চট্টগ্রামকে আবারও বৈষম্যের শিকার হতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, এই চট্টগ্রামের যে স্টেডিয়ামটি সিজিকেএসের ৪৩টি ইভেন্ট পরিচালনা করে, যেখানে ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবলসহ ৪৩টি ইভেন্ট যার মাঠে হয়। অথচ কোনো কারণ ছাড়াই আমরা দেখতে পেয়েছি একদিন সকালে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে ২৫ বছরের জন্য ইজারা দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
শাহাদাত হোসেন বলেন, আমরা বলতে চাই, চট্টগ্রামের বৃহত্তর স্বার্থে এ মাঠটি শুধুমাত্র চট্টগ্রামের খেলোয়াড়দের জন্যই ব্যবহৃত হবে। চট্টগ্রামের একজন শুধু মেয়র হিসেবে নয়, একজন নাগরিক হিসেবে এবং এ সিজেকেএসের আট বছর আমি কাউন্সিলর ছিলাম। এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে কখনো আমরা এ ধরনের যে সিদ্ধান্ত আজকে তারা নিয়েছে, এই সিদ্ধান্তকে আমরা কখনো স্বাগত জানাতে পারি না। কারণ, এটা চট্টগ্রামের বিরুদ্ধে একটা বৈষম্যের সিদ্ধান্ত। তাই মেয়র হিসেবে আমি বলতে চাই, অনতিবিলম্বে এ ধরনের হটকারী সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হবে। চট্টগ্রামের সমস্ত খেলোয়াড়রা যারা ক্লাবে খেলে, হয়তোবা বছরে তারা খেলে কিছু টাকা পায়, সেই টাকা দিয়ে তাদের সংসার চলে। অনেক খেলোয়াড় আছে এসব ক্রিকেট ফুটবল ভলিবল লীগে খেলে তাদের পরিবার চালায়।
সিজিকেএসে এডহক কমিটির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমরা দেখেছি একটি এডহক কমিটি হয়েছে সিজিকেএসের। সেখানে কোন খেলোয়াড়, কোচ কিংবা সিজেকেএসের কোনো কর্মকর্তার নাম আমরা দেখছি না, এটা আমাদের অবাক করেছে। কারণ এ ৪৩টি ইভেন্ট পরিচালনা করার তাদের আদৌও যোগ্যতা কিংবা দক্ষতা আছে কিনা আমাদের সন্দেহ রয়েছে। সেই এরকম কমিটি অনতিবিলম্বে বাতিল করার জন্য আমি বলছি। এখানে যারা কোচ, খেলোয়াড়, প্রাক্তন খেলোয়াড়, সিজেকেএসের কর্মকর্তা এবং সাংবাদিক আছে, তারা এখানে নেতৃত্ব দিবে এবং এটাই হয়ে এসেছে।
ক্রীড়া সংগঠক ও সাবেক কাউন্সিলর মাহবুব আলমের সভাপতিত্বে ও মো. কামরুল ইসলামের পরিচালনায় এতে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর নিয়াজ মো. খান, ইসমাইল বালি, ক্রীড়া সংগঠক ইস্কান্দার মির্জা, মশিউল আলম স্বপন, সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি, সিএমইউজের সভাপতি মো. শাহনওয়াজ, সিজেকেএস’র সাবেক সহ সভাপতি এড. শাহীন আফতাবুর রেজা চৌধুরী, হাফিজুর রহমান, সৈয়দ আবুল বশর, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন মো. জাহাঙ্গীর, নির্বাহী সদস্য একেএম আব্দুল হান্নান আকবর, আ ন ম ওয়াহিদ দুলাল, সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার শহীদুর রহমান, পেশাজীবি নেতা ইঞ্জি. বেলায়েত হোসেন, ইঞ্জি. জানে আলম সেলিম, ডা. এস এম সারোয়ার আলম, হাজী মো. সালাউদ্দীন, আলহাজ্ব জাকির হোসেন, নারী নেত্রী জেলী চৌধুরী, কামরুন্নাহার লিজা, সিজেকেএস এ মেয়রের প্রতিনিধি আবদুল আহাদ রিপন, সিজেকেএস কাউন্সিলর ফরিদ আহমেদ, শর্মিষ্ঠা রায়, মাহমুদুর রহমান মাহবুব, এনামুল হক, সাইফুল্লাহ চৌধুরী, হারুন রশিদ, ওয়াসিম কামাল রাজা, ফারুক আহমেদ, আবুল হাসেম রাজা, শওকত হোসেন, মোমিনুল হক, আবু শামা বিপ্লব, ক্রীড়া সংগঠক এমদাদুল হক বাদশা, জমির উদ্দিন নাহিদ, শাহাবুদ্দিন বাবু, জাতীয় দলের খেলোয়াড় নাজিম উদ্দিন, ক্রিকেট কোচ মাসুম উদ্দৌলা প্রমূখ। 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছায় জনগুরুত্বপূর্ণ বাইনতলা-খড়িয়া সড়ক সংস্কারহীন; চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পর এখন আরেকটি গোষ্ঠী সিজিকেএস দখল করতে চাচ্ছে

আপডেট সময় : 04:27:10 pm, Thursday, 30 January 2025
ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
আওয়ামী সন্ত্রাসী এবং ফ্যাসিবাদের পর এখন আরেকটি গোষ্ঠী চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে -সিজেকেএস- দখল করতে চাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। 
তিনি বলেন, আওয়ামী সন্ত্রাসী, ফ্যাসিবাদীরা এতদিন ধরে নেতৃত্ব দিয়েছে, খেলোয়াড়দের তারা কুক্ষিগত করেছে। আবারও আমরা দেখছি, এ ধরনের একটি গোষ্ঠী এসব করতে চাচ্ছে। এটা কখনো চট্টগ্রামের আপামর জনতা, জনসাধারণ, ক্রীড়ামোদি, ক্রীড়া সংগঠকরা মেনে নিবে না।
তিনি বৃহস্পতিবার -৩০ জানুয়ারি- দুপুরে নগরীর কাজীর দেউড়ী এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের সামনে চট্টগ্রাম স্টেডিয়াম রক্ষা কমিটি আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে এসব কথা বলেন। 
এম এ আজিজ স্টেডিয়াম নিয়ে নানামুখী ষড়যন্ত্র, স্টেডিয়ামকে ২৫ বছরের জন্য বাফুফেকে লিজ দেয়া ও সিজেকেএসের এডহক কমিটি বাতিলের দাবিতে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। 
এতে চট্টগ্রামের বিপুল সংখ্যক ক্রীড়া কর্মকর্তা, সাবেক খেলোয়াড়, ক্রীড়া সংগঠক, কোচ সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেন।
এসময় চসিক মেয়র বলেন, যে স্টেডিয়ামটি সবসময় চট্টগ্রামের খেলোয়াড় প্রোডাকশনের জন্য একটা ফ্যাক্টরি হিসেবে কাজ করেছে। এই মাঠ থেকে বাংলাদেশের বরেণ্য ক্রিকেটার মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, আকরাম খান এবং তামিম ইকবালদের মতো বাংলাদেশের প্রাক্তন অধিনায়কদের জন্ম হয়েছে। ফুটবলে আশিশ ভদ্র, দিপু, এফআই কামাল, মামুন, নাজিমসহ অনেকেই এ চট্টগ্রাম থেকে হাতেকড়ি হয়েছে, এই স্টেডিয়াম থেকে। দুর্ভাগ্যের বিষয় আজকে খুবই খারাপ লাগে এই যে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ছাত্রজনতার অকাতরে রক্ত দিয়েছে, শ্রমিক জনতা প্রাণ দিয়েছে। ১৬ বছর ধরে আমরা একটি বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছি মানুষের মৌলিক অধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার, ঠিক তখনই এই চট্টগ্রামকে আবারও বৈষম্যের শিকার হতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, এই চট্টগ্রামের যে স্টেডিয়ামটি সিজিকেএসের ৪৩টি ইভেন্ট পরিচালনা করে, যেখানে ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবলসহ ৪৩টি ইভেন্ট যার মাঠে হয়। অথচ কোনো কারণ ছাড়াই আমরা দেখতে পেয়েছি একদিন সকালে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে ২৫ বছরের জন্য ইজারা দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
শাহাদাত হোসেন বলেন, আমরা বলতে চাই, চট্টগ্রামের বৃহত্তর স্বার্থে এ মাঠটি শুধুমাত্র চট্টগ্রামের খেলোয়াড়দের জন্যই ব্যবহৃত হবে। চট্টগ্রামের একজন শুধু মেয়র হিসেবে নয়, একজন নাগরিক হিসেবে এবং এ সিজেকেএসের আট বছর আমি কাউন্সিলর ছিলাম। এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে কখনো আমরা এ ধরনের যে সিদ্ধান্ত আজকে তারা নিয়েছে, এই সিদ্ধান্তকে আমরা কখনো স্বাগত জানাতে পারি না। কারণ, এটা চট্টগ্রামের বিরুদ্ধে একটা বৈষম্যের সিদ্ধান্ত। তাই মেয়র হিসেবে আমি বলতে চাই, অনতিবিলম্বে এ ধরনের হটকারী সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হবে। চট্টগ্রামের সমস্ত খেলোয়াড়রা যারা ক্লাবে খেলে, হয়তোবা বছরে তারা খেলে কিছু টাকা পায়, সেই টাকা দিয়ে তাদের সংসার চলে। অনেক খেলোয়াড় আছে এসব ক্রিকেট ফুটবল ভলিবল লীগে খেলে তাদের পরিবার চালায়।
সিজিকেএসে এডহক কমিটির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমরা দেখেছি একটি এডহক কমিটি হয়েছে সিজিকেএসের। সেখানে কোন খেলোয়াড়, কোচ কিংবা সিজেকেএসের কোনো কর্মকর্তার নাম আমরা দেখছি না, এটা আমাদের অবাক করেছে। কারণ এ ৪৩টি ইভেন্ট পরিচালনা করার তাদের আদৌও যোগ্যতা কিংবা দক্ষতা আছে কিনা আমাদের সন্দেহ রয়েছে। সেই এরকম কমিটি অনতিবিলম্বে বাতিল করার জন্য আমি বলছি। এখানে যারা কোচ, খেলোয়াড়, প্রাক্তন খেলোয়াড়, সিজেকেএসের কর্মকর্তা এবং সাংবাদিক আছে, তারা এখানে নেতৃত্ব দিবে এবং এটাই হয়ে এসেছে।
ক্রীড়া সংগঠক ও সাবেক কাউন্সিলর মাহবুব আলমের সভাপতিত্বে ও মো. কামরুল ইসলামের পরিচালনায় এতে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর নিয়াজ মো. খান, ইসমাইল বালি, ক্রীড়া সংগঠক ইস্কান্দার মির্জা, মশিউল আলম স্বপন, সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি, সিএমইউজের সভাপতি মো. শাহনওয়াজ, সিজেকেএস’র সাবেক সহ সভাপতি এড. শাহীন আফতাবুর রেজা চৌধুরী, হাফিজুর রহমান, সৈয়দ আবুল বশর, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন মো. জাহাঙ্গীর, নির্বাহী সদস্য একেএম আব্দুল হান্নান আকবর, আ ন ম ওয়াহিদ দুলাল, সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার শহীদুর রহমান, পেশাজীবি নেতা ইঞ্জি. বেলায়েত হোসেন, ইঞ্জি. জানে আলম সেলিম, ডা. এস এম সারোয়ার আলম, হাজী মো. সালাউদ্দীন, আলহাজ্ব জাকির হোসেন, নারী নেত্রী জেলী চৌধুরী, কামরুন্নাহার লিজা, সিজেকেএস এ মেয়রের প্রতিনিধি আবদুল আহাদ রিপন, সিজেকেএস কাউন্সিলর ফরিদ আহমেদ, শর্মিষ্ঠা রায়, মাহমুদুর রহমান মাহবুব, এনামুল হক, সাইফুল্লাহ চৌধুরী, হারুন রশিদ, ওয়াসিম কামাল রাজা, ফারুক আহমেদ, আবুল হাসেম রাজা, শওকত হোসেন, মোমিনুল হক, আবু শামা বিপ্লব, ক্রীড়া সংগঠক এমদাদুল হক বাদশা, জমির উদ্দিন নাহিদ, শাহাবুদ্দিন বাবু, জাতীয় দলের খেলোয়াড় নাজিম উদ্দিন, ক্রিকেট কোচ মাসুম উদ্দৌলা প্রমূখ।