Dhaka , Tuesday, 9 December 2025
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
চবিত “ইউনিভাার্সিটি এক্টিভেশন প্রোগ্রাম” অনুষ্ঠিত। নোয়াখালীতে একাধিক মামলার আসামিকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা  নোয়াখালীতে রেলওয়ের জায়গা থেকে ১০৭টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ   সরাইলে‘আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস ২০২৫’ পালিত বেগম রোকেয়া দিবসে রাজাপুরে সফল জননী পুরস্কার পেলেন আনোয়ারা খানম নোয়াখালীতে শর্ট সার্কিটের আগুনে পুড়লো ৯ দোকান   গোপনে নারীদের গোসল ও পোশাক পরিবর্তনের ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল, অভিযুক্ত সুমন বাপ্পি গ্রেপ্তার ‎বিতর্কিত মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে কিশোরগঞ্জে বিএনপি নেতাদের সংবাদ সম্মেলন,মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত চন্দনাইশ উপজেলা পরিদর্শনে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি মানবিক কাজেও অবদান রেখে চলেছে ১৫ বিজিবি ডেঙ্গু–চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে একযোগে কাজ করবে চসিক ও এমএসএফ মধুপুরে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস পালিত টাঙ্গাইলের মধুপুরে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত শরীয়তপুরে মসজিদের মধ্যে বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার উন্নয়ন কার্যক্রমে শৃঙ্খলা আনতে প্রয়োজন নগর সরকার :- চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত চরভদ্রাসন থানার নবাগত ওসির সাথে উপজেলা জামায়াতে ইসলামী নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ পাইকগাছায় নানা আয়োজনে বেগম রোকেয়া দিবস পালিত রূপগঞ্জ ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীর ওপর সশস্ত্র হামলা ও গুলিবর্ষণ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় উদযাপিত হলো বেগম রোকেয়া দিবস ও অদম্য নারী পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান–২০২৫। সদরপুরে ‘অদম্য নারী ‍পুরস্কার’ অনুষ্ঠান সম্পন্ন পাইকগাছায় আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শনে- ইউএনও ওয়াসিউজ্জামান নতুন প্রজন্মকে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে -জেলা প্রশাসক কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস–২০২৫ উদযাপিত দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে তারুণ্যের অঙ্গীকার চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস ২০২৫ অনুষ্ঠিত অভিযাত্রী পত্রিকার উদ্যোগে বিজয় দিবসের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ৯ ডিসেম্বর মাস্টার এ কে এম নাজিম উদ্দিন চেয়ারম্যানের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী সাতকানিয়ায় কেরানীহাট উপকেন্দ্রে বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ: ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে  নোয়াখালীতে বরকত উল্লাহ বুলুর নির্বাচনী কমিটির সভায় হামলা-ভাংচুর আমি নিজেও নির্বাচনী প্রচারণায় ধর্মপুর ইউনিয়নে স্বৈরাচার কর্তৃক আঘাতপ্রাপ্ত হই:- কর্ণেল অলি “আমরা যোগ্য শিক্ষক এবং যোগ্য শিক্ষার্থী তৈরি করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি”- চবি উপাচার্য। 

সাবরেজিস্ট্রার সপ্তাহে (১) দিন অফিসে,সেবা নিতে ভোগান্তিতে চরভদ্রাসনের মানুষ।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:39:49 pm, Wednesday, 12 November 2025
  • 23 বার পড়া হয়েছে

মামুন মিঞা, ফরিদপুর:

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার দীপা রানী নন্দী প্রায় দুই বছর ধরে সপ্তাহে মাত্র (১)দিন অফিসে উপস্থিত হয়ে সমস্ত দাপ্তরিক কার্যাবলী সম্পন্ন করে আসছেন । সম্প্রতি তিনি প্রতি বৃহস্পতিবার উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয়ে হাজির হয়ে সারা সপ্তাহের অফিসিয়াল পেন্ডিং কাজ সম্পন্ন করেন। এতে উপজেলার কৃষক, শ্রমিক,মজুর ও সাধারন পরিবারগুলো সপ্তাহে মাত্র একদিন জমির দলিল রেজিষ্ট্রি করতে গিয়ে অতিরিক্ত চাপে পড়ছেন। সপ্তাহে জমাকৃত দলিল একদিন সম্পাদনের ভিড়ে সাধারনরা নির্ধারিত ফিসের অতিরিক্ত মোটা অংক ব্যয় করে,এবং করতে বাধ্য হচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সোমবার এ ব্যপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা খাতুন জানান,“শুধু সাব-রেজিষ্ট্রার কেনো। সপ্তাহে একদিন অফিস করার বিধান কোনো সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীর নাই। কাজ থাকুক বা না থাকুন, সপ্তাহে ৫দিন রুটিনমত অফিসে উপস্থিত থাকতে হবে। তিনি আরও জানান, সাব-রেজিষ্ট্রার যাতে নিয়মিত অফিস করেন সে ব্যাপারে আমি তার সাথে আলোচনা করবো”। আর উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার দীপা রানী নন্দীকে মুঠোফোনে বলেন, “ আমি ডিআরও স্যারকে অবগত করে অফিসিয়াল কাজ চালাচ্ছি এবং বর্তমানে আমার শারীরিক কারনে অফিসে কম যাওয়া হয়”।

সোমবার উক্ত অফিস ঘুরে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে অত্র উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রি কার্যালয়ে সপ্তাহে মাত্র একদিন দলিল সম্পাদনের প্রথা চালু রাখা হয়েছে। এতে জমি ক্রেতা বিক্রেতাদের বাড়ছে ভোগান্তি। সেই সাথে অনিয়ম ও দুর্নীতির কবলে পড়ে গ্রাহকরা মোট অংকের অর্থদন্ডি দিয়ে চলেছেন। এছাড়া সপ্তাহে জমাকৃত দলিলগুলো একদিনে ভিড়ের মধ্যে সম্পাদন করতে গিয়ে ভুল ত্রুটির শঙ্কা বাড়ছে। উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রি কার্যালয়ের অন্যান্য কর্মচারীর সাথে কথা বলে জানা যায়, উক্ত অফিসের সব কর্মচারীই সপ্তাহে ৫দিন অফিস করে থাকেন। শুধু সাব-রেজিষ্ট্রার ঢাকা থেকে প্রতি বৃহস্পতিবার আসেন। তাই সপ্তাহের এক দিনই দলিল সম্পাদনের কাজ সম্পন্ন করা হয়।

উক্ত সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের পেশকার গৌতম সাহা বলেন,“অত্র ছোট্ট উপজেলায় সপ্তাহে মাত্র ৩০ খানা দলিল সম্পাদন হয়। তাই উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার সপ্তাতে মাত্র একদিন অফিস করেন। এছাড়া সাব-রেজিষ্ট্রারের জেলাতেও কাজ থাকে বলে তাকে অফিসের বাইরে থাকতে হয়। তিনি আরও জানান, আপনারা সপ্তাহে ২০০ দলিল দেন, সাব-রেজিষ্ট্রার প্রতিদিন অফিস করবেন”।

একই দিন ভুক্তভোগী এক জমি ক্রেতা হাসেম মৃধা (৬০) জানান,“ ৫ শতাংশ জমি কিনতে গিয়ে মহুরীদের কাছে সমস্ত কাগজপত্র ও টাকা পয়সা দিয়ে সাতদিন বসে থাকতে হয়। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসে আসবেন এবং বিকাল ৪ টার মধ্যে জমাকৃত সমস্ত দলিল সম্পাদন করবেন। তাই মহুরিরা ভিড়ের মধ্যে তাড়াহুড়ো করে দলিল লেখালিখি করেন। ফলে ভুলত্রুটির শঙ্কা থাকে বেশি এবং স্যার চলে গেলে আর দলিল হবে না এই অজুহাতে আমাদের মত মূর্খদের কাছ থেকে মোটা অংশ হাতিয়ে নেওয়া হয়”।আরো এক ভুক্তভোগী শিক্ষক মনির হোসেন জানান,“ একদিনে তাড়াহুড়ো করে দলিল সম্পাদনের কারনে আমার প্রতিবেশী প্রতিপক্ষ মহল ২০২২ সালে একটি ভূয়া জন্ম সনদ তৈরী করে এবং ভারতের এক নাগরিককে দাতা সাজিয়ে আমার বসতভিটের জমির দলিল বানিয়েছে। ফলে উক্ত দলিল গ্রহিতার সাথে আমার এক বছর ধরে বসতভিটার জমি নিয়ে বিরোধ চলমান। তিনি আরও জানান, সেই সময়ের সাব-রেজিষ্ট্রার যদি সময় নিয়ে কাগজপত্র যাচাই করতো তাহলে আজ আমি এতো বড় বিপদে পড়তাম না। সপ্তাহের একদিনে সামান্য অফিস টাইমে সাব-রেজিষ্ট্রার তাড়াহুড়ো করে দলিল সম্পাদন করে আমার সর্বনাশ করেছে বলেও তিনি হতাশা ব্যাক্ত করেন”
এ বিষয় জেলা রেজিস্ট্রার শফিকুল ইসলাম এর সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করতে করলে,তিনি ফোন না তোলায় তার বক্তব্য দেওয়া সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চবিত “ইউনিভাার্সিটি এক্টিভেশন প্রোগ্রাম” অনুষ্ঠিত।

সাবরেজিস্ট্রার সপ্তাহে (১) দিন অফিসে,সেবা নিতে ভোগান্তিতে চরভদ্রাসনের মানুষ।

আপডেট সময় : 05:39:49 pm, Wednesday, 12 November 2025

মামুন মিঞা, ফরিদপুর:

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার দীপা রানী নন্দী প্রায় দুই বছর ধরে সপ্তাহে মাত্র (১)দিন অফিসে উপস্থিত হয়ে সমস্ত দাপ্তরিক কার্যাবলী সম্পন্ন করে আসছেন । সম্প্রতি তিনি প্রতি বৃহস্পতিবার উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয়ে হাজির হয়ে সারা সপ্তাহের অফিসিয়াল পেন্ডিং কাজ সম্পন্ন করেন। এতে উপজেলার কৃষক, শ্রমিক,মজুর ও সাধারন পরিবারগুলো সপ্তাহে মাত্র একদিন জমির দলিল রেজিষ্ট্রি করতে গিয়ে অতিরিক্ত চাপে পড়ছেন। সপ্তাহে জমাকৃত দলিল একদিন সম্পাদনের ভিড়ে সাধারনরা নির্ধারিত ফিসের অতিরিক্ত মোটা অংক ব্যয় করে,এবং করতে বাধ্য হচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সোমবার এ ব্যপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা খাতুন জানান,“শুধু সাব-রেজিষ্ট্রার কেনো। সপ্তাহে একদিন অফিস করার বিধান কোনো সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীর নাই। কাজ থাকুক বা না থাকুন, সপ্তাহে ৫দিন রুটিনমত অফিসে উপস্থিত থাকতে হবে। তিনি আরও জানান, সাব-রেজিষ্ট্রার যাতে নিয়মিত অফিস করেন সে ব্যাপারে আমি তার সাথে আলোচনা করবো”। আর উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার দীপা রানী নন্দীকে মুঠোফোনে বলেন, “ আমি ডিআরও স্যারকে অবগত করে অফিসিয়াল কাজ চালাচ্ছি এবং বর্তমানে আমার শারীরিক কারনে অফিসে কম যাওয়া হয়”।

সোমবার উক্ত অফিস ঘুরে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে অত্র উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রি কার্যালয়ে সপ্তাহে মাত্র একদিন দলিল সম্পাদনের প্রথা চালু রাখা হয়েছে। এতে জমি ক্রেতা বিক্রেতাদের বাড়ছে ভোগান্তি। সেই সাথে অনিয়ম ও দুর্নীতির কবলে পড়ে গ্রাহকরা মোট অংকের অর্থদন্ডি দিয়ে চলেছেন। এছাড়া সপ্তাহে জমাকৃত দলিলগুলো একদিনে ভিড়ের মধ্যে সম্পাদন করতে গিয়ে ভুল ত্রুটির শঙ্কা বাড়ছে। উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রি কার্যালয়ের অন্যান্য কর্মচারীর সাথে কথা বলে জানা যায়, উক্ত অফিসের সব কর্মচারীই সপ্তাহে ৫দিন অফিস করে থাকেন। শুধু সাব-রেজিষ্ট্রার ঢাকা থেকে প্রতি বৃহস্পতিবার আসেন। তাই সপ্তাহের এক দিনই দলিল সম্পাদনের কাজ সম্পন্ন করা হয়।

উক্ত সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের পেশকার গৌতম সাহা বলেন,“অত্র ছোট্ট উপজেলায় সপ্তাহে মাত্র ৩০ খানা দলিল সম্পাদন হয়। তাই উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার সপ্তাতে মাত্র একদিন অফিস করেন। এছাড়া সাব-রেজিষ্ট্রারের জেলাতেও কাজ থাকে বলে তাকে অফিসের বাইরে থাকতে হয়। তিনি আরও জানান, আপনারা সপ্তাহে ২০০ দলিল দেন, সাব-রেজিষ্ট্রার প্রতিদিন অফিস করবেন”।

একই দিন ভুক্তভোগী এক জমি ক্রেতা হাসেম মৃধা (৬০) জানান,“ ৫ শতাংশ জমি কিনতে গিয়ে মহুরীদের কাছে সমস্ত কাগজপত্র ও টাকা পয়সা দিয়ে সাতদিন বসে থাকতে হয়। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসে আসবেন এবং বিকাল ৪ টার মধ্যে জমাকৃত সমস্ত দলিল সম্পাদন করবেন। তাই মহুরিরা ভিড়ের মধ্যে তাড়াহুড়ো করে দলিল লেখালিখি করেন। ফলে ভুলত্রুটির শঙ্কা থাকে বেশি এবং স্যার চলে গেলে আর দলিল হবে না এই অজুহাতে আমাদের মত মূর্খদের কাছ থেকে মোটা অংশ হাতিয়ে নেওয়া হয়”।আরো এক ভুক্তভোগী শিক্ষক মনির হোসেন জানান,“ একদিনে তাড়াহুড়ো করে দলিল সম্পাদনের কারনে আমার প্রতিবেশী প্রতিপক্ষ মহল ২০২২ সালে একটি ভূয়া জন্ম সনদ তৈরী করে এবং ভারতের এক নাগরিককে দাতা সাজিয়ে আমার বসতভিটের জমির দলিল বানিয়েছে। ফলে উক্ত দলিল গ্রহিতার সাথে আমার এক বছর ধরে বসতভিটার জমি নিয়ে বিরোধ চলমান। তিনি আরও জানান, সেই সময়ের সাব-রেজিষ্ট্রার যদি সময় নিয়ে কাগজপত্র যাচাই করতো তাহলে আজ আমি এতো বড় বিপদে পড়তাম না। সপ্তাহের একদিনে সামান্য অফিস টাইমে সাব-রেজিষ্ট্রার তাড়াহুড়ো করে দলিল সম্পাদন করে আমার সর্বনাশ করেছে বলেও তিনি হতাশা ব্যাক্ত করেন”
এ বিষয় জেলা রেজিস্ট্রার শফিকুল ইসলাম এর সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করতে করলে,তিনি ফোন না তোলায় তার বক্তব্য দেওয়া সম্ভব হয়নি।