Dhaka , Saturday, 2 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নাট্যকলা বিভাগের আয়োজনে হুমায়ূন মেলা ১৪৩৩ সম্পন্ন নোয়াখালী সরকারি কলেজে শিক্ষক হেনস্তার প্রতিবাদে মানববন্ধন, পাল্টাপাল্টি স্লোগানে উত্তেজনা লালমনিরহাট ব্যাটালিয়নের সফল অভিযান: সীমান্তে ১২ কেজি গাঁজা ও বিপুল সিরাপ জব্দ দিনাজপুরে র‍্যাবের বড় মাদক উদ্ধার: ঘর তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ মদ ও ফেন্সিডিল জব্দ, গ্রেপ্তার ১ নরসিংদী রাস্তায় পড়ে থাকা এসএসসি পরীক্ষার ২৬৮ টি উত্তর পএ উদ্ধার গাইয়ার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ। পাইকগাছায় লাইসেন্সবিহীন করাতকল ও বেকারিকে জরিমানা শরীয়তপুরে জেলেদের বকনা বাছুর বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, মানহীন বিতরণে ক্ষুব্ধ জেলেরা মাদকে জিরো টলারেন্স ঘোষিত আড়াইহাজারে মাদক নিয়ন্ত্রণে বড় বাধা পুলিশ ভবিষ্যতে মন্দিরের জন্য বরাদ্দ প্রদানে বিন্দুমাত্র অবহেলা করা হবে না,পুরোহিতদের সঙ্গে সাক্ষাতে ডেপুটি স্পিকার চট্টগ্রাম মা ও হাসপাতালে সন্তান সম্ভবা চিকিৎসকসহ কর্তব্যরত চিকিৎসকদের উপর রোগীর স্বজনদের হামলার ঘটনায় ড্যাব চট্টগ্রাম এর প্রতিবাদ চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে ১৯ সদস্যের সমন্বয় কমিটি গঠন রূপগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় আহত মৎস্য খামারির মৃত্যু ৩৪৪ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক: সারপুকুর ইউপি চেয়ারম্যানের ৫ বছরের জেল রামুতে বন্যহাতির আক্রমনে মা-মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু র‍্যাব ৭’র অভিযান এক লাখ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বয় কমিটি করবে সরকার:- প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম প্রবাসীদের জন্য প্রথম অনলাইন গণশুনানি, সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধানের নির্দেশ দিলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক সদরপুরে হত্যা চেষ্টা মামলায় বিতর্ক, আসামি তালিকা নিয়ে প্রশ্ন মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র রূপগঞ্জে মাদকসেবীদের হামলায় আহত বৃদ্ধের মৃত্যু কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বিদ্যালয়ের চাল উড়ে গেল, পাঠদান নিয়ে অনিশ্চয়তা চাঁদাবাজির মামলায় সাবেক ইউপি সদস্যসহ ২ জন কারাগারে ভারতের বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জনের সাথে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎ পাইকগাছায় রাতে দোকান খোলা রাখায় জরিমানা পাইকগাছায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত গাজীপুরে ৬৪ কেজি গাঁজা ও ১২ বোতল বিদেশি মদসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা: গৃহশিক্ষকের ফাঁসির আদেশ গণসচেতনতা বৃদ্ধি পেলে শব্দদূষণ প্রতিরোধ সম্ভব : বিভাগীয় কমিশনার নরসিংদী বৃষ্টির মধ্যে হাঁটু পানির নিচে সড়ক ঢালাই, এলাকাবাসীর ক্ষোভ শিট না আনায় ক্লাস থেকে বের করে দেয় শিক্ষক, প্যানিক অ্যাটাকে মেডিকেলে এক শিক্ষার্থী

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে যুগের পর যুগ অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে ৫ টি স্লুইস গেট,কারা করেছে জানে না কর্তৃপক্ষ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 03:58:57 pm, Saturday, 4 April 2026
  • 24 বার পড়া হয়েছে

মাসুদ রানা মনি, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি:

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বিভিন্ন খালে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৫টি স্লুইস গেট অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশী সময় ধরে।কিন্তু কোন কর্তৃপক্ষ জানে না গেট গুলো কোন ডিপার্টমেন্ট থেকে তৈরী করা হয়েছিল।এই অকেজো স্লুইসগেট গুলোর কারণে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে কৃষি জমিতে সেচ সংকট, জলাবদ্ধতা, মাছের প্রজনন হ্রাস, খালে পলি ও ময়লা-অবর্জনা জমে অল্প সময়ে মধ্যে খাল ভরাট হয়ে যাওয়া, জমাট বাঁধা সহ নানা সমস্যায় এ সব অচল স্লুইস গেট এখন রামগঞ্জবাসীর গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জানা গেছে , বন্যা নিয়ন্ত্রণ, কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা, জলাবদ্ধতা নিরসনে ২০০১-২০০২ অর্থ বছরেস্থানীয় সরকার প্রকৌশলঅধিদপ্তর (এলজিইডি) অর্থায়নে এ সব স্লুইস গেট নির্মান করা হয়েছিল। অথচ রামগঞ্জ পাউবো,বিএডিসি, কৃষি বিভাগ সহ কেউ বলতে পারছে না স্লুইসগেট গুলো কার অধীন?
রামগঞ্জ-সোনাইমুড়ি বিরেন্দ্র খালের আনসার ভিডিপি ক্যাম্পের পাশের স্লুইসগেট, একই খালের আলীপুর ব্রীজের পাশের স্লুইসগেট কাঁটাখালী ও পানপাড়ার মজুপুর স্লুইস গেট গুলো শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খালের উপর কংক্রিট কাঠামোয় স্টিলের ফ্রেম বসানো গেট সিস্টেমে তৈরী স্লুইস গেটগুলো এখন আর কোনো কাজে আসছে না। গেট ছাড়াই খালের উপর অসাড় অবস্থায় খাল দখল করে অকেজো স্লুইস গেটগুলো দাঁড়িয়ে আছে। খালের পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নেই। খাল জুড়ে কচুরি পানা ও ময়লা আবর্জনার ভাগাড়। খাল গুলো পলি ও ময়লা আবর্জনা জমে সরু হয়ে আছে। কিছু স্থানে জমাট বাঁধা পানি কালো ও দূগর্ন্ধ ছড়াচ্ছে।
এ সময় কৃষক আবুল মান্নান পাটোয়ারী বলেন, সরকার কৃষকদের চাষাবাদের সুবিধার জন্য স্লুইস গেট গুলো তৈরী করেছেন। কিন্তু রক্ষনাবেক্ষণ না করার কারনে কিছু দিন পর স্লুইস গেট গুলো নষ্ট হয়ে গেছে। খালে সময় মতো পানি আসে না, অতি বৃষ্টি ও বন্যায় সময় পানি যেতে পারে না। তাই সময় মতো চাষাবাদ করা যায় না, অনেক সময় পানি যেতে না পেরে ফসল তলিয়ে যায়। এতে সুবিধার চেয়ে অসুবিধা বেশী হচ্ছে। সরকার গেট গুলো তুলে পেললে অথবা সংস্কার করে ঠিক মতো পানি ব্যবস্থা নিশ্চিত করলে মানুষের উপকার হবে। চাষাবাদে খরচ কম হবে এবং ফসল উৎপাদন বাড়বে। একই কথা জানিয়েছেন নোয়াগাঁও ইউনিয়নের আমির হোসেন, ভাদুর ইউনিয়নের হাসান, দরবেশপুর ইউনিয়নের ফজল মিয়াসহ একাধিক কৃষক।
অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য বাচ্ছু মিয়া, ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন, সমাজ কর্মী আনোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় ৫ থেকে ৬ জন ব্যক্তি জানান, স্লুইস গেট গুলো সেচের সুবিধার জন্য করা হলেও এটি শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি। অব্যবস্থাপনার কারনে হিতে বিপরীত হয়েছে। স্লুইস গেটে গুলো করার আগে খালে পানি প্রবাহ ছিল, ময়লা-আবর্জনা, কচুরি পানা গুলো স্রোতের সাথে ভেসে যেত। এখন শুকনা মৌসুমে জমাট থাকা পানি নষ্ট হয়ে যায়,রোগ-জীবাণু ছড়ায় ।বর্ষায় জলাবদ্ধতায় কৃষকের ফসল নষ্ট হয়ে যায়। খাল খনন করলেও অল্প সময়ের মধ্যে ভরাট হয়ে যায়। খাল কেটেও সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। রামগঞ্জ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) অফিসের উপ সহকারি প্রকৌশলী আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, অত্র স্লুইস গেট গুলো আমাদের বিএডিসি থেকে করা হয়নি। অন্য কোন বিভাগ থেকে করা হয়েছে কিনা, তাও জানা নেই।
পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবো) রামগঞ্জ উপজেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (এসও) মো: সাকিল মাহমুদ জানান, স্লইস গেট গুলো আমাদের বিভাগের আওতায় নয়। গত বছর বন্যার সময় আমরা এ নিয়ে বেড়াজালে পড়ছিলাম। দেখেছি স্লুইস গেট গুলো খুব খারাপ অবস্থায় রয়েছে।
রামগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ সাব্বির আহমেদ সিফাত জানান,স্লইস গেট গুলো কৃষি বিভাগের আওতায় করা হয়নি, তাই এ ব্যাপারে কোন তথ্য কৃষি অফিসে নেই। স্লইস গেট গুলো সক্রিয় না থাকায় চাষাবাদে সেচের জন্য যে পানি দরকার হয়,তা সময় মত আসে না। অতি বৃষ্টির সময় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে চাষাবাদে ও ফসল উৎপাদনে ব্যাপক ক্ষতি হয়।
রামগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী সাজ্জাদ মাহমুদ খাঁন জানান, উপজেলা প্রকৌশল অফিসের আওতায় আমার জানা মতে কাঁটাখালিতে একটি স্লুইস গেট আছে। বাকী গুলো কোন বিভাগ থেকে করা হয়েছে, তা জানা নেই। আমরা কাটাখালির স্লুইড গেটটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বরাবার চিঠি চালাচালি করে আসছি, বরাদ্ধ পেলে সংস্কার করে ব্যবহারে উপযুক্ত করা হবে।
রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাশিদ বিন এনাম জানান, স্লুইস গেট গুলোর যদি ক্ষতি হয়ে থাকে অপসারন করতে হবে। যদি সংস্কার করলে মানুষের উপকার আসে তাহলে সংস্কারের ব্যবস্থা নিতে হবে। এ গুলো কোন বিভাগ থেকে করা হয়েছে, এ ব্যাপারে খোজখবর নিয়ে পত্র যোগযোগের মাধ্যমে ব্যবস্থা নিব।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নাট্যকলা বিভাগের আয়োজনে হুমায়ূন মেলা ১৪৩৩ সম্পন্ন

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে যুগের পর যুগ অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে ৫ টি স্লুইস গেট,কারা করেছে জানে না কর্তৃপক্ষ

আপডেট সময় : 03:58:57 pm, Saturday, 4 April 2026

মাসুদ রানা মনি, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি:

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বিভিন্ন খালে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৫টি স্লুইস গেট অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশী সময় ধরে।কিন্তু কোন কর্তৃপক্ষ জানে না গেট গুলো কোন ডিপার্টমেন্ট থেকে তৈরী করা হয়েছিল।এই অকেজো স্লুইসগেট গুলোর কারণে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে কৃষি জমিতে সেচ সংকট, জলাবদ্ধতা, মাছের প্রজনন হ্রাস, খালে পলি ও ময়লা-অবর্জনা জমে অল্প সময়ে মধ্যে খাল ভরাট হয়ে যাওয়া, জমাট বাঁধা সহ নানা সমস্যায় এ সব অচল স্লুইস গেট এখন রামগঞ্জবাসীর গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জানা গেছে , বন্যা নিয়ন্ত্রণ, কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা, জলাবদ্ধতা নিরসনে ২০০১-২০০২ অর্থ বছরেস্থানীয় সরকার প্রকৌশলঅধিদপ্তর (এলজিইডি) অর্থায়নে এ সব স্লুইস গেট নির্মান করা হয়েছিল। অথচ রামগঞ্জ পাউবো,বিএডিসি, কৃষি বিভাগ সহ কেউ বলতে পারছে না স্লুইসগেট গুলো কার অধীন?
রামগঞ্জ-সোনাইমুড়ি বিরেন্দ্র খালের আনসার ভিডিপি ক্যাম্পের পাশের স্লুইসগেট, একই খালের আলীপুর ব্রীজের পাশের স্লুইসগেট কাঁটাখালী ও পানপাড়ার মজুপুর স্লুইস গেট গুলো শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খালের উপর কংক্রিট কাঠামোয় স্টিলের ফ্রেম বসানো গেট সিস্টেমে তৈরী স্লুইস গেটগুলো এখন আর কোনো কাজে আসছে না। গেট ছাড়াই খালের উপর অসাড় অবস্থায় খাল দখল করে অকেজো স্লুইস গেটগুলো দাঁড়িয়ে আছে। খালের পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নেই। খাল জুড়ে কচুরি পানা ও ময়লা আবর্জনার ভাগাড়। খাল গুলো পলি ও ময়লা আবর্জনা জমে সরু হয়ে আছে। কিছু স্থানে জমাট বাঁধা পানি কালো ও দূগর্ন্ধ ছড়াচ্ছে।
এ সময় কৃষক আবুল মান্নান পাটোয়ারী বলেন, সরকার কৃষকদের চাষাবাদের সুবিধার জন্য স্লুইস গেট গুলো তৈরী করেছেন। কিন্তু রক্ষনাবেক্ষণ না করার কারনে কিছু দিন পর স্লুইস গেট গুলো নষ্ট হয়ে গেছে। খালে সময় মতো পানি আসে না, অতি বৃষ্টি ও বন্যায় সময় পানি যেতে পারে না। তাই সময় মতো চাষাবাদ করা যায় না, অনেক সময় পানি যেতে না পেরে ফসল তলিয়ে যায়। এতে সুবিধার চেয়ে অসুবিধা বেশী হচ্ছে। সরকার গেট গুলো তুলে পেললে অথবা সংস্কার করে ঠিক মতো পানি ব্যবস্থা নিশ্চিত করলে মানুষের উপকার হবে। চাষাবাদে খরচ কম হবে এবং ফসল উৎপাদন বাড়বে। একই কথা জানিয়েছেন নোয়াগাঁও ইউনিয়নের আমির হোসেন, ভাদুর ইউনিয়নের হাসান, দরবেশপুর ইউনিয়নের ফজল মিয়াসহ একাধিক কৃষক।
অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য বাচ্ছু মিয়া, ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন, সমাজ কর্মী আনোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় ৫ থেকে ৬ জন ব্যক্তি জানান, স্লুইস গেট গুলো সেচের সুবিধার জন্য করা হলেও এটি শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি। অব্যবস্থাপনার কারনে হিতে বিপরীত হয়েছে। স্লুইস গেটে গুলো করার আগে খালে পানি প্রবাহ ছিল, ময়লা-আবর্জনা, কচুরি পানা গুলো স্রোতের সাথে ভেসে যেত। এখন শুকনা মৌসুমে জমাট থাকা পানি নষ্ট হয়ে যায়,রোগ-জীবাণু ছড়ায় ।বর্ষায় জলাবদ্ধতায় কৃষকের ফসল নষ্ট হয়ে যায়। খাল খনন করলেও অল্প সময়ের মধ্যে ভরাট হয়ে যায়। খাল কেটেও সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। রামগঞ্জ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) অফিসের উপ সহকারি প্রকৌশলী আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, অত্র স্লুইস গেট গুলো আমাদের বিএডিসি থেকে করা হয়নি। অন্য কোন বিভাগ থেকে করা হয়েছে কিনা, তাও জানা নেই।
পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবো) রামগঞ্জ উপজেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (এসও) মো: সাকিল মাহমুদ জানান, স্লইস গেট গুলো আমাদের বিভাগের আওতায় নয়। গত বছর বন্যার সময় আমরা এ নিয়ে বেড়াজালে পড়ছিলাম। দেখেছি স্লুইস গেট গুলো খুব খারাপ অবস্থায় রয়েছে।
রামগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ সাব্বির আহমেদ সিফাত জানান,স্লইস গেট গুলো কৃষি বিভাগের আওতায় করা হয়নি, তাই এ ব্যাপারে কোন তথ্য কৃষি অফিসে নেই। স্লইস গেট গুলো সক্রিয় না থাকায় চাষাবাদে সেচের জন্য যে পানি দরকার হয়,তা সময় মত আসে না। অতি বৃষ্টির সময় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে চাষাবাদে ও ফসল উৎপাদনে ব্যাপক ক্ষতি হয়।
রামগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী সাজ্জাদ মাহমুদ খাঁন জানান, উপজেলা প্রকৌশল অফিসের আওতায় আমার জানা মতে কাঁটাখালিতে একটি স্লুইস গেট আছে। বাকী গুলো কোন বিভাগ থেকে করা হয়েছে, তা জানা নেই। আমরা কাটাখালির স্লুইড গেটটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বরাবার চিঠি চালাচালি করে আসছি, বরাদ্ধ পেলে সংস্কার করে ব্যবহারে উপযুক্ত করা হবে।
রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাশিদ বিন এনাম জানান, স্লুইস গেট গুলোর যদি ক্ষতি হয়ে থাকে অপসারন করতে হবে। যদি সংস্কার করলে মানুষের উপকার আসে তাহলে সংস্কারের ব্যবস্থা নিতে হবে। এ গুলো কোন বিভাগ থেকে করা হয়েছে, এ ব্যাপারে খোজখবর নিয়ে পত্র যোগযোগের মাধ্যমে ব্যবস্থা নিব।