Dhaka , Sunday, 7 June 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
শরীয়তপুরে প্রধান শিক্ষক সুজিত কর্মকারের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্কের কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে ১৪২ কেজি জেলি মিশ্রিত চিংড়ি জব্দ, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা লালমনিরহাটে বিশ্ব পরিবেশ দিবসের মানববন্ধন: নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর ও পরিবেশ আইন সংশোধনের দাবি রামুর খুনিয়াপালংয়ে ছেলের গুলিতে আহত পিতা আয়াছের মৃত্যু জঙ্গল সলিমপুরের আলিনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশ সুপারে’র শিক্ষা, স্বপ্ন ও নিরাপত্তা নিয়ে মতবিনিময় গ্রীন চট্টগ্রাম গড়তে লাগানো হচ্ছে ১০ লক্ষ গাছ:- মেয়র ডা. শাহাদাত রূপগঞ্জে এনসিপির অনুষ্ঠানে হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রাম পুরুষ শূন্য, গ্রেফতার ২ দুই দশকের মধ্যে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী পাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বকাপের বাকি ৪ দিন : ভাইদের গোলের কীর্তি ব্যাংক সংস্কারে রাজনৈতিক সুশাসন জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিএসএফের ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ যুবককে পুশ ইনের চেষ্টা উচ্চ আদালতে রামিসার মামলার শুনানি এগিয়ে আনতে সুপারিশ করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি অগ্নিসংযোগ, আহত ৬ রামগঞ্জে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার দালালের খপ্পরে নিঃস্ব হয়ে রামগঞ্জের মনু মাস্টারের করুণ মৃত্যু অর্থমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতিতে পতেঙ্গায় টানেল দিয়ে ওয়াসার পানি, ৬৩ বছর পর পতেঙ্গায় পানি, ৩ লাখ মানুষের স্বস্তি পাইকগাছায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালি, প্রচার ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান চসিকের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, নিউমার্কেট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত প্রায় ২০০ অবৈধ দোকান উচ্ছেদ কুড়িগ্রামে পিকআপ-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা-ছেলে নিহত বিয়ের চারদিন পর মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যুবকের মৃত্যু মোংলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান রামগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতাসহ ৯ জন গ্রেপ্তার রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়ন জামায়াতের আমিরের পিতা হাছান আলীর ইন্তেকাল ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের পরেই লালমনিরহাটে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: যুবলীগ সভাপতি মোতালেবসহ ১৫ নেতাকর্মী জেলহাজতে চমেক হাসপাতালের ২৪ সদস্য বিশিষ্ট নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি পূর্ণাঙ্গ ঘোষণায় চট্টগ্রামে স্বাগত মিছিল রূপগঞ্জে পুলিশের সামনেই এনসিপির নেতা কর্মীদের উপর বিএনপির হামলা আহত- ১০ বিক্ষোভ করছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’, দেশে ফিরলেন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট

রামগঞ্জে এখনো বাড়ী ফিরতে পারেনি আশ্রয় কেন্দ্রের মানুষ গুলো পানিবন্দি  রয়েছে ২লাখের উপরে।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:14:56 am, Thursday, 12 September 2024
  • 194 বার পড়া হয়েছে

রামগঞ্জে এখনো বাড়ী ফিরতে পারেনি আশ্রয় কেন্দ্রের মানুষ গুলো পানিবন্দি  রয়েছে ২লাখের উপরে।।

মোঃ মাসুদ রানা মনি
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি।।
   
   
লক্ষ্মীপুরের আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া অধিকাংশ মানুষ এখনো বাড়ি ফিরতে পারেনি। তাদের বাড়িঘর এখনো পানিতে নিমজ্জিত। তারা জানান হয়ত আরো ১৫ দিন লাগতে পারে বাড়িঘরে ফিরতে।ইতিমধ্যে তাদের খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। লক্ষ্মীধর পাড়া সরকারি প্রাথমিকবিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া মোঃসাইফুল আবদুর রশিদ- আজাদ হোসেন জানান গত ৮-১০ দিন যাবত এ এলাকায় কোন রকম ত্রাণ সামগ্রী আসে না।পরিবার পরিজন নিয়ে বড়ই কষ্টে দিনাতিপাত করছি।আগে আমরা কেউ হ্যান্ডট্রলি- কেউ রিকসা- চালাতাম- আবার কেউ দিন মজুরের কাজ করতাম- কিন্তু বন্যা আসার পর থেকেএখন কোন কাজ নাই তাই নিদারুণ কষ্টে আছি।সবাই মনে করেছে বন্যা চলে গেছে- পানি নেমে গেছে। কিন্তু কেউ গ্রাম পর্যায়ে প্রত্যন্ত এলাকার খোঁজ খবর নেয় না।হাঁপানিয়া গ্রামের কামাল হোসেন জানান এখনো গ্রামের রাস্তা গুলোতে কোমর সমান পানি।
আজ বৃহসপতিবার লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল ঘুরে দেখা গেছে বেশিরভাগ এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত। ডুবে গেছে রাস্তা-ঘাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা, স্কুল কলেজ মাঠে কোথাও  হাঁটুপানি কোথাও কোমর পানি। নৌকাই এখন একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে এই অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষের। সারাদিনের কাজ শেষে নৌকায় চড়ে বাড়ি ফিরতে বাধ্য এলাকার বাসিন্দারা।রামগঞ্জ  উপজেলার লামচর ইউনিয়নের পশ্চিম কাশিম নগর- লামচর- ডাংগাতলী- দরবেশ পুর ইউনিয়নের দরবেশ পুর- সমিতির বাজার- পশ্চিম শোশালিয়া ৯নং ভোলাকোট ইউনিয়নের  ভোলাকোট- লক্ষ্মীধর পাড়া হাপানিয়া- মুক্তার পর- দেহলা- দেবনগর- ভাটরা  ইউনিয়নের ভাস্করপুর- উত্তর দল্টা- ভাটরা- মাইজপাড়া- হীরাপুর- পাঁচরুখী- বিষ্ণুপুর সহ প্রত্যন্ত এলাকা যেখানে বন্যার ভয়াবহতা এখনও স্পষ্ট। এছাড়াও  কাঞ্চনপুর  করপাড়া- ইছাপুর- ভাদুর- চন্ডীপুর- ইউনিয়নে দেখা গেছে একই চিত্র।
বন্যার পানি অন্য এলাকায় কিছুটা কমলেও এই অঞ্চলের পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। এখনো দুই লাখেরও বেশি মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। এ অবস্থায় চুরি ও ডাকাতির ভয়ে অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে চাচ্ছেন না বেশিরভাগ লোকজন। বরং- নিজেদের ঘরবাড়ি ও প্রয়োজনীয় কিছু সামগ্রী রক্ষার জন্য ঝুঁকি নিয়েই পানির মধ্যে বাস করছেন তারা।  
স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য আরও বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে দৈনন্দিন খাদ্য সংস্থান ও রান্না। বন্যার কারণে সৃষ্ট সংকটে অনেকের রান্নার উপকরণ ফুরিয়ে আসছে, খাবারের অভাব দেখা দিচ্ছে- এবং গবাদি পশুগুলোর দেখাশোনা করতেও হিমশিম খাচ্ছেন তারা।
পশ্চিম কাশিমনগর এলাকার বাসিন্দারা জানান- উপজেলার পশ্চিম কাশিম নগরের বেশিরভাগ জায়গা এখন পানির নিচে- যার ফলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। রাস্তা-ঘাট প্লাবিত হওয়ায় মানুষজন নৌকার মাধ্যমে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে এই দুর্যোগের মাঝেও অনেকেই ভিন্ন কোথাও আশ্রয় নিতে পারছেন না চুরি ও ডাকাতির আতঙ্কে যদিও ঘরে থাকা এখন নিরাপদ নয়।
আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে গবাদি পশু নিয়ে যাওয়ার সুবিধাও সেখানে নেই- যা স্থানীয় কৃষক ও পশুপালকদের জন্য বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 
বন্যার ভয়াবহতা এবং এই ক্রান্তিকালে বেঁচে থাকার সংগ্রামে প্রতিনিয়ত নানা সংকটের মুখোমুখি হচ্ছেন রামগঞ্জের মানুষ। এই মুহূর্তে তারা অপেক্ষা করছেন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার জন্য। তবে কবে সেই পরিস্থিতি বদলাবে- তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। 
রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. শারমিন ইসলাম জানান, দ্রুত পানি নামার জন্য আমরা প্রায় শতাধীক বাধ কেটে দিয়েছি। এ উপজেলার অভিশাপ রামগঞ্জ বিরেন্দ্র খাল সংস্কার ও পরিস্কারে আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। খালের ময়লা অপসারন করা হচ্ছে, আশা করছি দ্রুত ফলাফল পাবো।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

শরীয়তপুরে প্রধান শিক্ষক সুজিত কর্মকারের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

রামগঞ্জে এখনো বাড়ী ফিরতে পারেনি আশ্রয় কেন্দ্রের মানুষ গুলো পানিবন্দি  রয়েছে ২লাখের উপরে।।

আপডেট সময় : 07:14:56 am, Thursday, 12 September 2024
মোঃ মাসুদ রানা মনি
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি।।
   
   
লক্ষ্মীপুরের আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া অধিকাংশ মানুষ এখনো বাড়ি ফিরতে পারেনি। তাদের বাড়িঘর এখনো পানিতে নিমজ্জিত। তারা জানান হয়ত আরো ১৫ দিন লাগতে পারে বাড়িঘরে ফিরতে।ইতিমধ্যে তাদের খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। লক্ষ্মীধর পাড়া সরকারি প্রাথমিকবিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া মোঃসাইফুল আবদুর রশিদ- আজাদ হোসেন জানান গত ৮-১০ দিন যাবত এ এলাকায় কোন রকম ত্রাণ সামগ্রী আসে না।পরিবার পরিজন নিয়ে বড়ই কষ্টে দিনাতিপাত করছি।আগে আমরা কেউ হ্যান্ডট্রলি- কেউ রিকসা- চালাতাম- আবার কেউ দিন মজুরের কাজ করতাম- কিন্তু বন্যা আসার পর থেকেএখন কোন কাজ নাই তাই নিদারুণ কষ্টে আছি।সবাই মনে করেছে বন্যা চলে গেছে- পানি নেমে গেছে। কিন্তু কেউ গ্রাম পর্যায়ে প্রত্যন্ত এলাকার খোঁজ খবর নেয় না।হাঁপানিয়া গ্রামের কামাল হোসেন জানান এখনো গ্রামের রাস্তা গুলোতে কোমর সমান পানি।
আজ বৃহসপতিবার লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল ঘুরে দেখা গেছে বেশিরভাগ এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত। ডুবে গেছে রাস্তা-ঘাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা, স্কুল কলেজ মাঠে কোথাও  হাঁটুপানি কোথাও কোমর পানি। নৌকাই এখন একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে এই অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষের। সারাদিনের কাজ শেষে নৌকায় চড়ে বাড়ি ফিরতে বাধ্য এলাকার বাসিন্দারা।রামগঞ্জ  উপজেলার লামচর ইউনিয়নের পশ্চিম কাশিম নগর- লামচর- ডাংগাতলী- দরবেশ পুর ইউনিয়নের দরবেশ পুর- সমিতির বাজার- পশ্চিম শোশালিয়া ৯নং ভোলাকোট ইউনিয়নের  ভোলাকোট- লক্ষ্মীধর পাড়া হাপানিয়া- মুক্তার পর- দেহলা- দেবনগর- ভাটরা  ইউনিয়নের ভাস্করপুর- উত্তর দল্টা- ভাটরা- মাইজপাড়া- হীরাপুর- পাঁচরুখী- বিষ্ণুপুর সহ প্রত্যন্ত এলাকা যেখানে বন্যার ভয়াবহতা এখনও স্পষ্ট। এছাড়াও  কাঞ্চনপুর  করপাড়া- ইছাপুর- ভাদুর- চন্ডীপুর- ইউনিয়নে দেখা গেছে একই চিত্র।
বন্যার পানি অন্য এলাকায় কিছুটা কমলেও এই অঞ্চলের পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। এখনো দুই লাখেরও বেশি মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। এ অবস্থায় চুরি ও ডাকাতির ভয়ে অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে চাচ্ছেন না বেশিরভাগ লোকজন। বরং- নিজেদের ঘরবাড়ি ও প্রয়োজনীয় কিছু সামগ্রী রক্ষার জন্য ঝুঁকি নিয়েই পানির মধ্যে বাস করছেন তারা।  
স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য আরও বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে দৈনন্দিন খাদ্য সংস্থান ও রান্না। বন্যার কারণে সৃষ্ট সংকটে অনেকের রান্নার উপকরণ ফুরিয়ে আসছে, খাবারের অভাব দেখা দিচ্ছে- এবং গবাদি পশুগুলোর দেখাশোনা করতেও হিমশিম খাচ্ছেন তারা।
পশ্চিম কাশিমনগর এলাকার বাসিন্দারা জানান- উপজেলার পশ্চিম কাশিম নগরের বেশিরভাগ জায়গা এখন পানির নিচে- যার ফলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। রাস্তা-ঘাট প্লাবিত হওয়ায় মানুষজন নৌকার মাধ্যমে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে এই দুর্যোগের মাঝেও অনেকেই ভিন্ন কোথাও আশ্রয় নিতে পারছেন না চুরি ও ডাকাতির আতঙ্কে যদিও ঘরে থাকা এখন নিরাপদ নয়।
আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে গবাদি পশু নিয়ে যাওয়ার সুবিধাও সেখানে নেই- যা স্থানীয় কৃষক ও পশুপালকদের জন্য বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 
বন্যার ভয়াবহতা এবং এই ক্রান্তিকালে বেঁচে থাকার সংগ্রামে প্রতিনিয়ত নানা সংকটের মুখোমুখি হচ্ছেন রামগঞ্জের মানুষ। এই মুহূর্তে তারা অপেক্ষা করছেন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার জন্য। তবে কবে সেই পরিস্থিতি বদলাবে- তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। 
রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. শারমিন ইসলাম জানান, দ্রুত পানি নামার জন্য আমরা প্রায় শতাধীক বাধ কেটে দিয়েছি। এ উপজেলার অভিশাপ রামগঞ্জ বিরেন্দ্র খাল সংস্কার ও পরিস্কারে আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। খালের ময়লা অপসারন করা হচ্ছে, আশা করছি দ্রুত ফলাফল পাবো।