Dhaka , Saturday, 6 June 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
চসিকের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, নিউমার্কেট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত প্রায় ২০০ অবৈধ দোকান উচ্ছেদ কুড়িগ্রামে পিকআপ-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা-ছেলে নিহত বিয়ের চারদিন পর মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যুবকের মৃত্যু মোংলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান রামগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতাসহ ৯ জন গ্রেপ্তার রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়ন জামায়াতের আমিরের পিতা হাছান আলীর ইন্তেকাল ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের পরেই লালমনিরহাটে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: যুবলীগ সভাপতি মোতালেবসহ ১৫ নেতাকর্মী জেলহাজতে চমেক হাসপাতালের ২৪ সদস্য বিশিষ্ট নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি পূর্ণাঙ্গ ঘোষণায় চট্টগ্রামে স্বাগত মিছিল রূপগঞ্জে পুলিশের সামনেই এনসিপির নেতা কর্মীদের উপর বিএনপির হামলা আহত- ১০ বিক্ষোভ করছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’, দেশে ফিরলেন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট নেইমারের শারীরিক অবস্থা নিয়ে যা জানালেন আনচেলত্তি দেশীয় প্রযুক্তিতে অ্যাম্বুলেন্স তৈরি নিয়ে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কুয়েত-বাহরাইনকে লক্ষ্য করে ৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংয়ের ১৮ সদস্য আটক নোয়াখালীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ জুয়া খেলা নিয়ে বাকবিতন্ডা ভাতিজাকে বাঁচাতে গিয়ে চাচার মৃত্যু: কিশোর গ্যাং নেতা গ্রেপ্তার নবায়নযোগ্য জ্বালানি শক্তি জলবায়ু সহনশীল ভবিষ্যতের ভিত্তি বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বিপ্লবী তারকেশ্বর দস্তিদার স্মৃতি পরিষদেরপথসভা অনুষ্ঠিত বিএনপি সকল ধর্মের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করবে : মজিবুর রহমান এমপি পাইকগাছায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও চারা বিতারণ পাইকগাছায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত; র‍্যালি, বৃক্ষরোপণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ​রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ওপর হামলা, দোকানে লুটপাট ও হত্যার হুমকি মাদারীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক রেলি শহীদ জিয়ার আদর্শে দেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান মেয়র ডা. শাহাদাতের চট্টগ্রামের জিয়া স্মৃতি জাদুঘর দ্রুত জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে খালে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে হবে :- ডা. শাহাদাত হোসেন সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে না সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী জি-মেইল হ্যাক, ব্যাংক হিসাব থেকে বিকাশ/নগদে মানি ট্রান্সফার, পরে অনলাইন জুয়া ও গরু ব্যবসায় বিনিয়োগ, প্রতারক চক্রের মূলহোতা ইকবালসহ গ্রেপ্তার ২

রাবি শিক্ষার্থীকে নির্যাতন  -প্রতিবাদে এক কাতারে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:51:20 pm, Thursday, 16 February 2023
  • 203 বার পড়া হয়েছে

রাবি শিক্ষার্থীকে নির্যাতন  -প্রতিবাদে এক কাতারে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

রাবি প্রতিনিধি।।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের কৃষ্ণ রায়কে মারধর ও হত্যার হুমকির প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ওই বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় বিশ^বিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবনের দক্ষিণ ফটকে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, অন্যয়ের প্রতিবাদ করা স্বাভাবিক ও ন্যায্য, প্রতিবাদ আমাদের করতেই হবে বরং না করাটাই অন্যায়। দীর্ঘকাল ধরে বিশ^বিদ্যালয় গুলোতে যে পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে সেটা শিক্ষার অনূকূল নয়। বর্তমান বিশ^বিদ্যালয়ে যে হলগুলো আছে সেগুলো সরকারি বিশেষ ছাত্র সংগঠনের কারনে বসবাসের উপযোগী না। এখন ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের যেভাবে তৈরী করা তারা ভীষণভাবে ভায়োলেন্স, টর্চারার এবং করাপ্ট। কৃষ্ণকে আজকে যেভাবে মারা হয়েছে। সে যে একটা ট্রমার মধ্যে পরেছে এটা থেকে আর বের হতে পারবে না। সব শিক্ষার্থীকে এ বিষয়ে সোচ্চার হওয়া উচিত। এছাড়াও ছাত্রলীগের বোধগম্য হওয়া উচিত রাজনীতি গুন্ডাগিরির বিষয় নয়। রাজনীতিক শিখতে হবে জানতে হবে।

মানববন্ধনে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল্লাহীল বাকী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু অসাধারণ শিক্ষার্থী আছে যারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মারধর করে। আর আমারা নিপীড়ন, নির্যাতন, হুমকি, ধাকমি, চাপে-ভয়ে কোনঠাসা হতে হতে এমন পর্যায়ে এসেছি যে মেরুদণ্ড সোজা হয় না কষ্ট করে সোজা করতে হয়। খবরে দেখলাম কৃষ্ণকে শিবির বলে মেরে ফেলে দেওয়ার হুমকি দিয়ে মারধর করা হয়েছে। কিন্তু আমি তার সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পারলাম কৃষ্ণ লাশ হয়ে গেছে। সে এখন মানসিক ট্রমার মধ্যে আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে হলগুলোতে শুনেছি টর্চার সেল আছে। আর এদিকে আমাদের প্রশাসন আপোশ মিমাংসায় ব্যস্ত। প্রশাসনিক বিল্ডিংগুলোতে আপোষ বা সালিশি কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। যে কোনো ঘটনা ঘটলে ওই আপোষ কেন্দ্রগুলোতে মীমাংসা চলে। কিন্তু বুঝতে পারিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির বাহিরে গিয়ে এতো আপোষ এবং শান্তি পূর্ন মিমাংসার পরেও এতো অশান্তি কোথায় থেকে আসতছে। আমি প্রশাসনের শিক্ষক নেতাদের পায়ে ধরি তারা যেন শিক্ষার্থীদের ওপর যে নির্যাতন চালছে সেগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে।

বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী মামুন হায়দার বলেন, আজ এমন একটি পরিস্থিতিতে আমরা দাঁড়িয়েছি এই ঘটনাটি শুধু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নয়। আপনারা যারা একটু খবর রাখেন লক্ষ্যে করবেন গত কয়েকদিনে বাংলাদেশের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটেছে। আমরা সোনার বাংলাদেশের গল্প করছি, আমরা বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশের গল্প করছি। কিন্তু আছি আমরা এই বাংলাদেশে। আমরা পাতাল রাস্তা বানাচ্ছি, কর্ণফুলীর নিচ দিয়ে ট্রেন চালাচ্ছি। ওপর দিয়ে ট্রেন চালাচ্ছি। পুরো বাংলাদেশ ট্রেনময় করে দিয়েছি কিন্তু আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হলে থাকতে পারছে না। এই বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশে আমরা অবস্থান করছি। একটা সিটের দাম যদি দশ হাজার টাকা হয় তাহলে আপনার মতো সাধারণ শিক্ষার্থী কেন হলে উঠতে পারবে? নির্যাতিত শিক্ষার্থী কৃষ্ণের তার বাবা নেই। কত যুদ্ধ করে এ জায়গায় এসেছে। হলের সিট তার প্রাপ্য অধিকার। অথচ আমরা কি দেখলাম? সে যে ট্রমার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে আমরা সঙ্কিত আগামী পাচ বছরে কৃষ্ণ এই ট্রোমা ভাঙবে কিভাবে? এর দায় কে নিবে?

মানববন্ধনে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ফাহিম আহমেদের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন বিভাগের অধ্যাপক সাজ্জাদ বকুল, ফোকলোর বিভাগের অধ্যাপক স্বপ্নীল রহমান। এছাড়া মানববন্ধনে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম সহ প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

চসিকের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, নিউমার্কেট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত প্রায় ২০০ অবৈধ দোকান উচ্ছেদ

রাবি শিক্ষার্থীকে নির্যাতন  -প্রতিবাদে এক কাতারে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় : 05:51:20 pm, Thursday, 16 February 2023

রাবি প্রতিনিধি।।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের কৃষ্ণ রায়কে মারধর ও হত্যার হুমকির প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ওই বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় বিশ^বিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবনের দক্ষিণ ফটকে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, অন্যয়ের প্রতিবাদ করা স্বাভাবিক ও ন্যায্য, প্রতিবাদ আমাদের করতেই হবে বরং না করাটাই অন্যায়। দীর্ঘকাল ধরে বিশ^বিদ্যালয় গুলোতে যে পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে সেটা শিক্ষার অনূকূল নয়। বর্তমান বিশ^বিদ্যালয়ে যে হলগুলো আছে সেগুলো সরকারি বিশেষ ছাত্র সংগঠনের কারনে বসবাসের উপযোগী না। এখন ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের যেভাবে তৈরী করা তারা ভীষণভাবে ভায়োলেন্স, টর্চারার এবং করাপ্ট। কৃষ্ণকে আজকে যেভাবে মারা হয়েছে। সে যে একটা ট্রমার মধ্যে পরেছে এটা থেকে আর বের হতে পারবে না। সব শিক্ষার্থীকে এ বিষয়ে সোচ্চার হওয়া উচিত। এছাড়াও ছাত্রলীগের বোধগম্য হওয়া উচিত রাজনীতি গুন্ডাগিরির বিষয় নয়। রাজনীতিক শিখতে হবে জানতে হবে।

মানববন্ধনে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল্লাহীল বাকী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু অসাধারণ শিক্ষার্থী আছে যারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মারধর করে। আর আমারা নিপীড়ন, নির্যাতন, হুমকি, ধাকমি, চাপে-ভয়ে কোনঠাসা হতে হতে এমন পর্যায়ে এসেছি যে মেরুদণ্ড সোজা হয় না কষ্ট করে সোজা করতে হয়। খবরে দেখলাম কৃষ্ণকে শিবির বলে মেরে ফেলে দেওয়ার হুমকি দিয়ে মারধর করা হয়েছে। কিন্তু আমি তার সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পারলাম কৃষ্ণ লাশ হয়ে গেছে। সে এখন মানসিক ট্রমার মধ্যে আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে হলগুলোতে শুনেছি টর্চার সেল আছে। আর এদিকে আমাদের প্রশাসন আপোশ মিমাংসায় ব্যস্ত। প্রশাসনিক বিল্ডিংগুলোতে আপোষ বা সালিশি কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। যে কোনো ঘটনা ঘটলে ওই আপোষ কেন্দ্রগুলোতে মীমাংসা চলে। কিন্তু বুঝতে পারিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির বাহিরে গিয়ে এতো আপোষ এবং শান্তি পূর্ন মিমাংসার পরেও এতো অশান্তি কোথায় থেকে আসতছে। আমি প্রশাসনের শিক্ষক নেতাদের পায়ে ধরি তারা যেন শিক্ষার্থীদের ওপর যে নির্যাতন চালছে সেগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে।

বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী মামুন হায়দার বলেন, আজ এমন একটি পরিস্থিতিতে আমরা দাঁড়িয়েছি এই ঘটনাটি শুধু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নয়। আপনারা যারা একটু খবর রাখেন লক্ষ্যে করবেন গত কয়েকদিনে বাংলাদেশের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটেছে। আমরা সোনার বাংলাদেশের গল্প করছি, আমরা বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশের গল্প করছি। কিন্তু আছি আমরা এই বাংলাদেশে। আমরা পাতাল রাস্তা বানাচ্ছি, কর্ণফুলীর নিচ দিয়ে ট্রেন চালাচ্ছি। ওপর দিয়ে ট্রেন চালাচ্ছি। পুরো বাংলাদেশ ট্রেনময় করে দিয়েছি কিন্তু আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হলে থাকতে পারছে না। এই বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশে আমরা অবস্থান করছি। একটা সিটের দাম যদি দশ হাজার টাকা হয় তাহলে আপনার মতো সাধারণ শিক্ষার্থী কেন হলে উঠতে পারবে? নির্যাতিত শিক্ষার্থী কৃষ্ণের তার বাবা নেই। কত যুদ্ধ করে এ জায়গায় এসেছে। হলের সিট তার প্রাপ্য অধিকার। অথচ আমরা কি দেখলাম? সে যে ট্রমার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে আমরা সঙ্কিত আগামী পাচ বছরে কৃষ্ণ এই ট্রোমা ভাঙবে কিভাবে? এর দায় কে নিবে?

মানববন্ধনে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ফাহিম আহমেদের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন বিভাগের অধ্যাপক সাজ্জাদ বকুল, ফোকলোর বিভাগের অধ্যাপক স্বপ্নীল রহমান। এছাড়া মানববন্ধনে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম সহ প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।