Dhaka , Wednesday, 7 January 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
মির্জাপুরে বিভাগীয় ক্যাডেট ২৩ তম ব‍্যাচের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে ১৭ মাস পর তোলা হলো ইমতিয়াজের লাশ দুর্নীতির ৩ মামলায় কক্সবাজার পৌরসভার চারবারের চেয়ারম্যান আ’লীগনেতা নুরুল আবছারের কারাদণ্ড  বিপুল ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার কথিত সাংবাদিক সংস্থা’র সভাপতি বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু নিয়ে কটুক্তির অভিযোগে মাদ্রাসার অধ্যক্ষের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ তারেক রহমানের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সৌজন্য সাক্ষাৎ: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও রাজনৈতিক সংলাপ গাজীপুরে মাদ্রাসার ছাদ থেকে পালাতে গিয়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় রূপগঞ্জে মিলাদ ও দোয়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ নগরীর ট্রাফিক শৃঙ্খলা নিশ্চিতে সিএমপি ট্রাফিক বিভাগের বিশেষ ব্রিফিং সভা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে অতিরিক্ত দামে এলপিজি বিক্রি ; মোবাইল কোর্টে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ নোয়াখালীতে সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি ঝালকাঠি ইনসাফ মঞ্চ এর আত্মপ্রকাশ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড ফৌজদারহাট এলাকায় ফুল উৎসব শুরু হতে যাচ্ছে আগামী ৯জানুয়ারী। পলাশে ব্যবসায়ীকে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও রামু থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রগুলি উদ্ধার। কক্সবাজারের রামুতে সড়ক দুর্ঘটনায় অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের মৃত্যু সুষ্ঠ ভূমি ব্যবস্থাপনার স্বার্থে এডি লাইন টানা প্রয়োজন: ভূমি সচিব ফতুল্লায় মাদক ও বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ফতুল্লার কুতুবপুরে পুকুর থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার একবার বিএসএফের গুলি খেয়েও দ্বিতীয়বার রক্ষা পেল না হাতীবান্ধার যুবক মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ১ ডাকাত আটক, ডাকাতের কবলে পড়া ৯ জেলে উদ্ধার স্কিমের অস্বচ্ছতায় আটকা অনেক আমানতকারী খুলনা আসনের ভোটকেন্দ্র প্রধানদের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা শরীরে বেঁধে গাঁজা পাচারকালে হাতীবান্ধায় দুই নারী আটক বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় লালমনিরহাটে ছাত্রদলের দিনব্যাপী কোরআন খতম, শোকসভা ও দোয়া মাহফিল চন্দনাইশের দোহাজারীতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা

রাবি শিক্ষার্থীকে নির্যাতন  -প্রতিবাদে এক কাতারে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:51:20 pm, Thursday, 16 February 2023
  • 177 বার পড়া হয়েছে

রাবি শিক্ষার্থীকে নির্যাতন  -প্রতিবাদে এক কাতারে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

রাবি প্রতিনিধি।।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের কৃষ্ণ রায়কে মারধর ও হত্যার হুমকির প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ওই বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় বিশ^বিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবনের দক্ষিণ ফটকে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, অন্যয়ের প্রতিবাদ করা স্বাভাবিক ও ন্যায্য, প্রতিবাদ আমাদের করতেই হবে বরং না করাটাই অন্যায়। দীর্ঘকাল ধরে বিশ^বিদ্যালয় গুলোতে যে পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে সেটা শিক্ষার অনূকূল নয়। বর্তমান বিশ^বিদ্যালয়ে যে হলগুলো আছে সেগুলো সরকারি বিশেষ ছাত্র সংগঠনের কারনে বসবাসের উপযোগী না। এখন ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের যেভাবে তৈরী করা তারা ভীষণভাবে ভায়োলেন্স, টর্চারার এবং করাপ্ট। কৃষ্ণকে আজকে যেভাবে মারা হয়েছে। সে যে একটা ট্রমার মধ্যে পরেছে এটা থেকে আর বের হতে পারবে না। সব শিক্ষার্থীকে এ বিষয়ে সোচ্চার হওয়া উচিত। এছাড়াও ছাত্রলীগের বোধগম্য হওয়া উচিত রাজনীতি গুন্ডাগিরির বিষয় নয়। রাজনীতিক শিখতে হবে জানতে হবে।

মানববন্ধনে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল্লাহীল বাকী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু অসাধারণ শিক্ষার্থী আছে যারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মারধর করে। আর আমারা নিপীড়ন, নির্যাতন, হুমকি, ধাকমি, চাপে-ভয়ে কোনঠাসা হতে হতে এমন পর্যায়ে এসেছি যে মেরুদণ্ড সোজা হয় না কষ্ট করে সোজা করতে হয়। খবরে দেখলাম কৃষ্ণকে শিবির বলে মেরে ফেলে দেওয়ার হুমকি দিয়ে মারধর করা হয়েছে। কিন্তু আমি তার সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পারলাম কৃষ্ণ লাশ হয়ে গেছে। সে এখন মানসিক ট্রমার মধ্যে আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে হলগুলোতে শুনেছি টর্চার সেল আছে। আর এদিকে আমাদের প্রশাসন আপোশ মিমাংসায় ব্যস্ত। প্রশাসনিক বিল্ডিংগুলোতে আপোষ বা সালিশি কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। যে কোনো ঘটনা ঘটলে ওই আপোষ কেন্দ্রগুলোতে মীমাংসা চলে। কিন্তু বুঝতে পারিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির বাহিরে গিয়ে এতো আপোষ এবং শান্তি পূর্ন মিমাংসার পরেও এতো অশান্তি কোথায় থেকে আসতছে। আমি প্রশাসনের শিক্ষক নেতাদের পায়ে ধরি তারা যেন শিক্ষার্থীদের ওপর যে নির্যাতন চালছে সেগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে।

বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী মামুন হায়দার বলেন, আজ এমন একটি পরিস্থিতিতে আমরা দাঁড়িয়েছি এই ঘটনাটি শুধু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নয়। আপনারা যারা একটু খবর রাখেন লক্ষ্যে করবেন গত কয়েকদিনে বাংলাদেশের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটেছে। আমরা সোনার বাংলাদেশের গল্প করছি, আমরা বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশের গল্প করছি। কিন্তু আছি আমরা এই বাংলাদেশে। আমরা পাতাল রাস্তা বানাচ্ছি, কর্ণফুলীর নিচ দিয়ে ট্রেন চালাচ্ছি। ওপর দিয়ে ট্রেন চালাচ্ছি। পুরো বাংলাদেশ ট্রেনময় করে দিয়েছি কিন্তু আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হলে থাকতে পারছে না। এই বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশে আমরা অবস্থান করছি। একটা সিটের দাম যদি দশ হাজার টাকা হয় তাহলে আপনার মতো সাধারণ শিক্ষার্থী কেন হলে উঠতে পারবে? নির্যাতিত শিক্ষার্থী কৃষ্ণের তার বাবা নেই। কত যুদ্ধ করে এ জায়গায় এসেছে। হলের সিট তার প্রাপ্য অধিকার। অথচ আমরা কি দেখলাম? সে যে ট্রমার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে আমরা সঙ্কিত আগামী পাচ বছরে কৃষ্ণ এই ট্রোমা ভাঙবে কিভাবে? এর দায় কে নিবে?

মানববন্ধনে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ফাহিম আহমেদের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন বিভাগের অধ্যাপক সাজ্জাদ বকুল, ফোকলোর বিভাগের অধ্যাপক স্বপ্নীল রহমান। এছাড়া মানববন্ধনে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম সহ প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মির্জাপুরে বিভাগীয় ক্যাডেট ২৩ তম ব‍্যাচের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত

রাবি শিক্ষার্থীকে নির্যাতন  -প্রতিবাদে এক কাতারে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় : 05:51:20 pm, Thursday, 16 February 2023

রাবি প্রতিনিধি।।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের কৃষ্ণ রায়কে মারধর ও হত্যার হুমকির প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ওই বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় বিশ^বিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবনের দক্ষিণ ফটকে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, অন্যয়ের প্রতিবাদ করা স্বাভাবিক ও ন্যায্য, প্রতিবাদ আমাদের করতেই হবে বরং না করাটাই অন্যায়। দীর্ঘকাল ধরে বিশ^বিদ্যালয় গুলোতে যে পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে সেটা শিক্ষার অনূকূল নয়। বর্তমান বিশ^বিদ্যালয়ে যে হলগুলো আছে সেগুলো সরকারি বিশেষ ছাত্র সংগঠনের কারনে বসবাসের উপযোগী না। এখন ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের যেভাবে তৈরী করা তারা ভীষণভাবে ভায়োলেন্স, টর্চারার এবং করাপ্ট। কৃষ্ণকে আজকে যেভাবে মারা হয়েছে। সে যে একটা ট্রমার মধ্যে পরেছে এটা থেকে আর বের হতে পারবে না। সব শিক্ষার্থীকে এ বিষয়ে সোচ্চার হওয়া উচিত। এছাড়াও ছাত্রলীগের বোধগম্য হওয়া উচিত রাজনীতি গুন্ডাগিরির বিষয় নয়। রাজনীতিক শিখতে হবে জানতে হবে।

মানববন্ধনে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল্লাহীল বাকী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু অসাধারণ শিক্ষার্থী আছে যারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মারধর করে। আর আমারা নিপীড়ন, নির্যাতন, হুমকি, ধাকমি, চাপে-ভয়ে কোনঠাসা হতে হতে এমন পর্যায়ে এসেছি যে মেরুদণ্ড সোজা হয় না কষ্ট করে সোজা করতে হয়। খবরে দেখলাম কৃষ্ণকে শিবির বলে মেরে ফেলে দেওয়ার হুমকি দিয়ে মারধর করা হয়েছে। কিন্তু আমি তার সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পারলাম কৃষ্ণ লাশ হয়ে গেছে। সে এখন মানসিক ট্রমার মধ্যে আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে হলগুলোতে শুনেছি টর্চার সেল আছে। আর এদিকে আমাদের প্রশাসন আপোশ মিমাংসায় ব্যস্ত। প্রশাসনিক বিল্ডিংগুলোতে আপোষ বা সালিশি কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। যে কোনো ঘটনা ঘটলে ওই আপোষ কেন্দ্রগুলোতে মীমাংসা চলে। কিন্তু বুঝতে পারিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির বাহিরে গিয়ে এতো আপোষ এবং শান্তি পূর্ন মিমাংসার পরেও এতো অশান্তি কোথায় থেকে আসতছে। আমি প্রশাসনের শিক্ষক নেতাদের পায়ে ধরি তারা যেন শিক্ষার্থীদের ওপর যে নির্যাতন চালছে সেগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে।

বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী মামুন হায়দার বলেন, আজ এমন একটি পরিস্থিতিতে আমরা দাঁড়িয়েছি এই ঘটনাটি শুধু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নয়। আপনারা যারা একটু খবর রাখেন লক্ষ্যে করবেন গত কয়েকদিনে বাংলাদেশের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটেছে। আমরা সোনার বাংলাদেশের গল্প করছি, আমরা বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশের গল্প করছি। কিন্তু আছি আমরা এই বাংলাদেশে। আমরা পাতাল রাস্তা বানাচ্ছি, কর্ণফুলীর নিচ দিয়ে ট্রেন চালাচ্ছি। ওপর দিয়ে ট্রেন চালাচ্ছি। পুরো বাংলাদেশ ট্রেনময় করে দিয়েছি কিন্তু আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হলে থাকতে পারছে না। এই বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশে আমরা অবস্থান করছি। একটা সিটের দাম যদি দশ হাজার টাকা হয় তাহলে আপনার মতো সাধারণ শিক্ষার্থী কেন হলে উঠতে পারবে? নির্যাতিত শিক্ষার্থী কৃষ্ণের তার বাবা নেই। কত যুদ্ধ করে এ জায়গায় এসেছে। হলের সিট তার প্রাপ্য অধিকার। অথচ আমরা কি দেখলাম? সে যে ট্রমার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে আমরা সঙ্কিত আগামী পাচ বছরে কৃষ্ণ এই ট্রোমা ভাঙবে কিভাবে? এর দায় কে নিবে?

মানববন্ধনে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ফাহিম আহমেদের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন বিভাগের অধ্যাপক সাজ্জাদ বকুল, ফোকলোর বিভাগের অধ্যাপক স্বপ্নীল রহমান। এছাড়া মানববন্ধনে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম সহ প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।