Dhaka , Wednesday, 9 September 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগকে সক্রিয় করার চেষ্টা, অভিযোগ যুবলীগ ক্যাডার তামজিদের বিরুদ্ধে শ্রীপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ পানীয় ও মূল্য তালিকা না থাকায় শিকদার স্টোরকে জরিমানা রূপগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে ৩০ টি আমগাছ কেটে ফেলেছে দূর্বৃত্তরা রূপগঞ্জে চোরাই মোবাইলসহ গ্রেফতার ২ রূপগঞ্জে মাদকের অপরাধে ১৯ জনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড মির্জাপুরে জিয়া সাইবার ফোর্সের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন, সভাপতি মো:রিহাদ ইসলাম রিতু ও সাধারণ সম্পাদক মো:মাসুম সিকদার পাইকগাছায় নকল লেবেলে নিম্নমানের পণ্য! দুই প্রতিষ্ঠানে ৭০ হাজার জরিমানা পাইকগাছা পৌরসভার দারিদ্র্য নিরসন কমিটির ত্রৈমাসিক সভা পাইকগাছায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা নারায়ণগঞ্জে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা সিদ্ধিরগঞ্জে ১১০০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কাউখালীতে নতুন পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ: ১৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা সরানোর নির্দেশ রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্যানমার্কস মডেল: লালমনিরহাটে ডিপিএইচই ও ইউনিসেফের দিনব্যাপী জেলা সম্মেলন অপরাধ দমনে ধারাবাহিক সাফল্য: তৃতীয়বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি খন্দকার শাকের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর সংবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জমির আবাদ কমাই দিছি, চুরি কইরা খামু এহন ” মানিকগঞ্জে অতিরিক্ত সার ক্রয়ে বাধ্য করায় কৃষকের আক্ষেপ লালমনিরহাটে সমবায় সমিতির অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, তদন্তে সিআইডি সীতাকুণ্ডে সংঘর্ষ ও অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় গ্রেফতার; দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার শিশুদের পেটে ইয়াবা পাচার: চট্টগ্রামে মূলহোতা আটক, ৬,৬১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ভারত সরকারের সাথে যোগাযোগ রাখছে বাংলাদেশ সরকার – মাদারীপুরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বাঁধনের উপর হামলাকারী মনিরুলের গ্রামের বাড়ি তালা বদ্ধ পলাতক পরিবার। CHAYANAGAR RAILWAY STATION হাতিয়ায় শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ অসুস্থ ১৬ শিক্ষার্থী, হাসপাতালে ১৩ র‍্যাব-সেনাবাহিনী পরিচয়ে প্রতারণা, স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ, আটক পারভেজ নোয়াখালীতে মাদ্রাসার ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে মাদক সেবীর দেওয়া আগুনে , পুড়ল ১১ বসতঘর ও ৬ দোকান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে হাজতির মৃত্যু হাতিয়াতে ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১ পিরোজপুরে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা: বিশেষ পারফরম্যান্সে পুরস্কৃত কাউখালী ওসি আনোয়ার হোসেন ধর্মপাশায় পরিত্যক্ত কালিজানা ব্রিজ: ঝুঁকি নিয়ে পারাপার, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ,

বন্যা পরিস্থিতিতে সিলেটের পর্যটন খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:05:31 am, Friday, 12 July 2024
  • 128 বার পড়া হয়েছে

বন্যা পরিস্থিতিতে সিলেটের পর্যটন খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি।।

আবুল কাশেম রুমন- সিলেট।।

 

 

সিলেট পর্যটন খাতে বন্যা পরিস্থিতিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। চলতি বছর ২০২৪ শে ৩ দফা বন্যার আক্রমনে পর্যটন স্পট বন্ধ থকে। বার বার বন্ধ থাকার প্রেক্ষিতে প্রায় ৫শ কোটি ক্ষতি হয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি সবচেয়ে বেশি পর্যটক সমাগম ঘটে ঈদকে ঘিরে। কিন্তু সেই ঈদুল আজহার ভরা মৌসুমেও পর্যটকমুখর হয়নি প্রকৃতিকন্যা সিলেট। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের চা বাগান- জলাবন- পাথুরে নদী- পাহাড়ের কোল থেকে নেমে আসা ঝরনা- দিগন্ত বিস্তৃত নীল জলরাশি হাওরসহ বিভাগজুড়ে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন সব পর্যটন কেন্দ্র। এসব দেখার জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুঁটে আসেন প্রকৃতি প্রেমিক। পর্যটনের এ ভরা মৌসুমে সিলেটে বাগড়া দেয় দফায়-দফায় বন্যা। ঘোষণা দিয়ে বন্ধ করে দিতে হয় পর্যটনকেন্দ্র। এর পরই ধস নামে সিলেটের পর্যটন শিল্পে। এখনো পর্যটক শূন্য সিলেট। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যানুযায়ী গত ২৯ মে ভারি বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিলেটে প্রথম বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ৮ জুনের পর পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়। বন্যার দ্বিতীয় ধাক্কা আসে ১৬ জুন।

সেদিন আবার পাহাড়ি ঢলে সিলেটের সীমান্তবর্তী দুই উপজেলা বন্যার কবলে পড়ে। পরে নগর এলাকাসহ জেলার ১৩টি উপজেলায় বন্যা দেখা যায়। গত ১৯ জুন অতিবর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ওইসব উপজেলায় বন্যা বিস্তৃত হয়। এর মধ্যে ১৭ জুন থেকে সুনামগঞ্জ জেলায় ফের বন্যা দেখা দেয়। পরে মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় তা বিস্তুত হয়। এরপর ২৫ জুন থেকে সিলেট অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি অনেকটা উন্নতি হতে শুরু করার মধ্যেই ১ জুলাই সোমবার থেকে অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে নদীর পানি বেড়ে আবার বন্যা পরিস্থিতি তীব্র আকার ধারণ করে।
সিলেট হোটেল-মোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে- সিলেট জেলায় পাঁচ শতাধিক হোটেল- মোটেল রয়েছে। যার  বেশির ভাগ এখনো ফাঁকা। ঈদের দিন থেকে বন্যা শুরু হওয়ায় প্রশাসন পর্যটক কেন্দ্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়। এরপর  থেকে দফায় দফায় বন্যার কারণে সিলেটমুখি হননি পর্যটকরা। সিলেট হোটেল- মোটেল অ্যান্ড গেস্ট হাউজ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি সুমাইয়াত নুরী জুয়েল বলেন- দফায় দফায় বন্যার কারণে পর্যটকরা সিলেটমুখি হননি। তিনি বলেন- ঈদুল আজহার সময় তার হোটেলে কোনো গেস্ট আসেননি। হোটেলের রুম বুকিং ছিল একেবারে নিল। ঈদ  মৌসুমে এ রকম অবস্থা আগে কখনো হয়নি। তিনি বলেন- ঈদের বেশ ক’দিন চলে গেছে। বন্যার পানি নেমে যাচ্ছে- এর পরও দেখা মিলছে না পর্যটকের। এভাবে চলতে থাকলে হয়তো হোটেল- মোটেল ব্যবসা ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখিন হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগকে সক্রিয় করার চেষ্টা, অভিযোগ যুবলীগ ক্যাডার তামজিদের বিরুদ্ধে

বন্যা পরিস্থিতিতে সিলেটের পর্যটন খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি।।

আপডেট সময় : 07:05:31 am, Friday, 12 July 2024

আবুল কাশেম রুমন- সিলেট।।

 

 

সিলেট পর্যটন খাতে বন্যা পরিস্থিতিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। চলতি বছর ২০২৪ শে ৩ দফা বন্যার আক্রমনে পর্যটন স্পট বন্ধ থকে। বার বার বন্ধ থাকার প্রেক্ষিতে প্রায় ৫শ কোটি ক্ষতি হয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি সবচেয়ে বেশি পর্যটক সমাগম ঘটে ঈদকে ঘিরে। কিন্তু সেই ঈদুল আজহার ভরা মৌসুমেও পর্যটকমুখর হয়নি প্রকৃতিকন্যা সিলেট। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের চা বাগান- জলাবন- পাথুরে নদী- পাহাড়ের কোল থেকে নেমে আসা ঝরনা- দিগন্ত বিস্তৃত নীল জলরাশি হাওরসহ বিভাগজুড়ে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন সব পর্যটন কেন্দ্র। এসব দেখার জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুঁটে আসেন প্রকৃতি প্রেমিক। পর্যটনের এ ভরা মৌসুমে সিলেটে বাগড়া দেয় দফায়-দফায় বন্যা। ঘোষণা দিয়ে বন্ধ করে দিতে হয় পর্যটনকেন্দ্র। এর পরই ধস নামে সিলেটের পর্যটন শিল্পে। এখনো পর্যটক শূন্য সিলেট। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যানুযায়ী গত ২৯ মে ভারি বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিলেটে প্রথম বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ৮ জুনের পর পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়। বন্যার দ্বিতীয় ধাক্কা আসে ১৬ জুন।

সেদিন আবার পাহাড়ি ঢলে সিলেটের সীমান্তবর্তী দুই উপজেলা বন্যার কবলে পড়ে। পরে নগর এলাকাসহ জেলার ১৩টি উপজেলায় বন্যা দেখা যায়। গত ১৯ জুন অতিবর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ওইসব উপজেলায় বন্যা বিস্তৃত হয়। এর মধ্যে ১৭ জুন থেকে সুনামগঞ্জ জেলায় ফের বন্যা দেখা দেয়। পরে মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় তা বিস্তুত হয়। এরপর ২৫ জুন থেকে সিলেট অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি অনেকটা উন্নতি হতে শুরু করার মধ্যেই ১ জুলাই সোমবার থেকে অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে নদীর পানি বেড়ে আবার বন্যা পরিস্থিতি তীব্র আকার ধারণ করে।
সিলেট হোটেল-মোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে- সিলেট জেলায় পাঁচ শতাধিক হোটেল- মোটেল রয়েছে। যার  বেশির ভাগ এখনো ফাঁকা। ঈদের দিন থেকে বন্যা শুরু হওয়ায় প্রশাসন পর্যটক কেন্দ্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়। এরপর  থেকে দফায় দফায় বন্যার কারণে সিলেটমুখি হননি পর্যটকরা। সিলেট হোটেল- মোটেল অ্যান্ড গেস্ট হাউজ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি সুমাইয়াত নুরী জুয়েল বলেন- দফায় দফায় বন্যার কারণে পর্যটকরা সিলেটমুখি হননি। তিনি বলেন- ঈদুল আজহার সময় তার হোটেলে কোনো গেস্ট আসেননি। হোটেলের রুম বুকিং ছিল একেবারে নিল। ঈদ  মৌসুমে এ রকম অবস্থা আগে কখনো হয়নি। তিনি বলেন- ঈদের বেশ ক’দিন চলে গেছে। বন্যার পানি নেমে যাচ্ছে- এর পরও দেখা মিলছে না পর্যটকের। এভাবে চলতে থাকলে হয়তো হোটেল- মোটেল ব্যবসা ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখিন হবে।