Dhaka , Saturday, 27 June 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাইকগাছায় জনগুরুত্বপূর্ণ বাইনতলা-খড়িয়া সড়ক সংস্কারহীন; চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী চন্দনাইশ প্রবাসী সমিতি-দাম্মাম এর সহযোগিতায় বরকল এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান কিশোর বয়সে প্রেমের বিয়ে, ৮ মাস পর রহস্যজনক মৃত্যু অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে আশেকানে গাউছিয়া সুলতানপুরী পরিষদ রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর লুটপাট ও জমি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মধুপুরে পরিত্যক্ত গর্ত থেকে ছাগল তুলতে গিয়ে বাবা-ছেলে – মামা সহ প্রাণ গেল ৪ জনের রায়পুরে বর্ণমালা একাডেমীতে ফল উৎসব ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। তারুণ্যের মেধা ও প্রযুক্তির শক্তিতেই গড়ে উঠবে সুখী-সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ: ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল কঠিন সময়ে সতীর্থকে পাশে পাচ্ছেন রোনালদো ইরানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যা করছে, তা ‘বিশ্বকাপের ইতিহাসে কালো অধ্যায়’ মোহাম্মদপুরের অপরাধীদের নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে খুশি করতে মিথ্যা সংবাদ লেখার প্রয়োজন নেই: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ স্বপ্নের নিউক্লিয়াস বদলে যাওয়া ভিনি নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির অভিযানে ৩ কোটি টাকার বেশি মূল্যের ইয়াবা উদ্ধার সরাইলে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক প্রযুক্তি নির্ভর কৃষিই উন্নয়নের চাবিকাঠি: ড. মঈন খান সাতকানিয়ার আমিলাইশে রাতের অন্ধকারে বাড়িতে আগুন নন্দিনী হত্যার বিচার হবে দ্রুততম সময়ে, ফলিমারীতে নিহতের পরিবারকে সান্ত্বনা ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে ত্রাণমন্ত্রী দুলুর ঘোষণা ক্যাবের চরভদ্রাসন উপজেলা শাখার পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। মির্জাপুরের গোড়াই শিল্পাঞ্চলে বিশেষ অভিযান বিপুল পরিমাণ অবৈধ তিতাস গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন মধুপুরে কারিতাসের দিনব্যাপী কৃষি ও খাদ্য মেলা অনুষ্ঠিত মধুপুরে ব্র্যাকের উদ্যোগে ভার্মি কম্পোস্ট প্রশিক্ষণ ও উপকরণ বিতরণ মধুপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ মধুপুরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা জেল, জরিমানা ঘাটাইলে ব্র্যাকের বিশেষ প্রশিক্ষণ শেষে হাঁসের বাচ্চা বিতরণ রূপগঞ্জের অপহৃত ব্যবসায়ী ১৫ দিনেও উদ্ধার হয়নি রূপগঞ্জ বালু নদের কায়েতপাড়া-নগরপাড়া সেতু আগামী এক বছরের মধ্যে চালু করা হবে – প্রতিমন্ত্রী নারী শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র ঐতিহ্যবাহী সহিতুন্নেছা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় রূপগঞ্জে মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে মা সমাবেশ রূপগঞ্জে অপহৃত ব্যবসায়ী উদ্ধারের দাবিতে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন খুনিয়াপালংয়ের ছাদিরকাঠার সড়ক বর্ষায় চলাচলের অনুপযোগী, দুর্ভোগে পথচারীরা

তদন্ত রিপোর্টে নেই দালিলিক প্রমাণ, তবুও বরখাস্ত ও পদোন্নতি বঞ্চিত চবির সহকারী রেজিস্ট্রার সাহাব উদ্দিন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 11:58:14 am, Saturday, 21 February 2026
  • 94 বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি:
গত ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং তারিখে দ্য বাংলাদেশ মোমেন্টস সহ দৈনিক জনবাণী পত্রিকার ডিজিটাল ভার্সনে, “কোটি কোটি টাকার মালিক মশিবুর, সাহাব উদ্দিনের লাগামহীন দুর্নীতি” ও “বিশ্ববিদ্যালয় সহকারী রেজিস্ট্রার যখন কোটিপতি” শীর্ষক শিরোনামে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে অন্যজনের সাথে জড়িয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিত, দালিলিক প্রমাণ বিহীন সংবাদ প্রকাশিত হয়।
এই মর্মে মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন গত ২১ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং তারিখে উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদলিপি দেন। প্রতিবাদলিপি অনুসারে সংবাদে উত্থাপিত, বিশ্ববিদ্যালয়ে আত্মীয়দের চাকরি দেয়া, আপন ছোট ভাইর বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করা, উপাচার্য দপ্তরে দায়িত্ব পালন করার সময় ৩ লক্ষ টাকার সি সি ক্যামেরার বিল ১৬ লক্ষ টাকা করা, স্বাক্ষর জাল করে চাকরি দেয়া, ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি, ফার্সি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের নিয়োগ সংক্রান্ত ফোনালাপ ঘটনায় সম্পৃক্ততা, শাস্তি হিসেবে অন্যত্র বদলি, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর সাথে সখ্যতা সহ প্রকাশিত সংবাদে আনিত অভিযোগগুলো মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত তার যৌক্তিক উপস্থাপন তুলে ধরা হয়।
তবে উক্ত দালিলিক প্রমাণ বিহীন সংবাদের উপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ১৩ আগস্ট ২৫ ইং তারিখে তদন্ত কমিটি গঠন করে। সেখানে আরবি বিভাগের অধ্যাপক ডঃ মুহাম্মদ ফরিদুদ্দিন কে নিয়ে ১ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে, ২ সেপ্টেম্বর ২৫ ইং তারিখে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ করে। উল্লেখ্য, তদন্ত কমিটিতে কোনোরকম দালিলিক প্রমাণ ছাড়াই শুধুমাত্র সাংবাদপত্রের উপর ভিত্তি করে মোহাম্মদ সাহাবউদ্দিন কে পদাবনমন করে বদলি করার সুপারিশ করা হয়। তবে, মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিনের নামে বিগত সময়ে কোনো ধরনের তদন্ত কমিটি গঠন হয়নি এবং তিনি এর পূর্বে কোন প্রশাসনিক শাস্তির আত্মায় দন্ডপ্রাপ্তও হননি।
পরবর্তীতে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটে কোনোরকম দালিলিক প্রমাণ ছাড়াই পূর্বের তদন্তের সিদ্ধান্তে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে দ্বিতীয় আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়, এবং এর মাঝে অমানবিকভাবে তার পদোন্নতি প্রক্রিয়া স্থগিত রাখা হয়। অথচ পূর্বের তদন্ত রিপোর্টে প্রতিবেদনের সাথে অনিয়ম ও দুর্নীতির কোনো সুনির্দিষ্ট দালিলিক প্রমাণ দিতে পারেনি তদন্ত কমিটি।
বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, নিয়মতান্ত্রিকভাবে তদন্ত চলাকালীন সময়ে পদোন্নতি প্রক্রিয়া চলমান থাকায় কোন বাধা নেই এবং ইতিপূর্বে এর একাধিক দৃষ্টান্তও বিশ্ববিদ্যালয়টিতে রয়েছে। যেমন- আলাওল হলের সৈয়দ হোসেন, হলের ২৫ হাজার টাকার চেক সংক্রান্ত বিষয়ে জালিয়াতির অভিযোগে তদন্ত চলাকালীন সময়েও উচ্চমান সহকারি থেকে সেকশন অফিসারে পদোন্নতি পান। কিন্তু মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিনের ক্ষেত্রে সহকারী রেজিস্ট্রার থেকে ডেপুটি রেজিস্ট্রার পদে পদোন্নতি প্রক্রিয়া স্থগিত করে রাখা হয় যা অত্যন্ত অমানবিক এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, যেখানে তদন্ত কমিটি এখনো প্রক্রিয়াধীন এবং তিনি দোষী সাব্যস্ত হননি।
ইতোমধ্যে, মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন গত ৩ নভেম্বর ২০২৫ ইং তারিখ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের বিরুদ্ধে এক লিখিত মন্তব্য পেশ করেছেন। তদন্তাধীন বিষয়ের উপর তিনি জবাবে জানান, “২৬/০৯/২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৫৬৪ তম সভার ১৮ (খ) নং সিদ্ধান্ত মোতাবেক কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ ব্যাতিরেকে আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে আমাকে সামাজিক ও মানসিকভাবে হেয় করা হয়েছে।”
২৪ এর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়োগ ও পদোন্নতি সহ বিভিন্ন বিষয়ে দলীয়করণ ও স্বজন প্রীতি সহ নানান নীতিবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে বিতর্কিত। তবে ইতিপূর্বে
বিশ্ববিদ্যালয়টির নানান অসঙ্গতি, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রমাণসহ তথ্যবহুল সংবাদ প্রকাশ করা হলেও সেই সকল ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন দৃষ্টিগোচর নয়। তবে মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিনের বিষয়টি এই ক্ষেত্রে অনেকটাই নজির বিহীন যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতারই ইঙ্গিত বহন করে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, তদন্ত কমিটি দুই রকম হয়ে থাকে। একটি হলো ভাইস চ্যান্সেলর করে আরেকটা সিন্ডিকেট করে। ভিসি যেইটা করে সেইটিকে অনেকটা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির মত বলা হয়। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি যদি দোষী সাব্যস্ত করে তখন দ্বিতীয় তদন্ত কমিটি হয়ে থাকে সিন্ডিকেটে। আর দ্বিতীয় তদন্ত কমিটির রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত হয়। তিনি আরও বলেন, আমার কথা হলো, একজনকে বা কয়েকজনকে ইনকয়ারি করতে দিলাম, তারা ইনকয়ারি করলো, ইনকোয়ারি করে কোন রেকমেন্ডেশন বা রিপোর্ট দিল, ওটাকে ইগনোর করে যাওয়া হলো ইনকোয়ারি কমিটিকে ইগনোর করা। এটি তাদের জন্য প্রেস্টিজ কনসার্ন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছায় জনগুরুত্বপূর্ণ বাইনতলা-খড়িয়া সড়ক সংস্কারহীন; চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

তদন্ত রিপোর্টে নেই দালিলিক প্রমাণ, তবুও বরখাস্ত ও পদোন্নতি বঞ্চিত চবির সহকারী রেজিস্ট্রার সাহাব উদ্দিন

আপডেট সময় : 11:58:14 am, Saturday, 21 February 2026
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি:
গত ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং তারিখে দ্য বাংলাদেশ মোমেন্টস সহ দৈনিক জনবাণী পত্রিকার ডিজিটাল ভার্সনে, “কোটি কোটি টাকার মালিক মশিবুর, সাহাব উদ্দিনের লাগামহীন দুর্নীতি” ও “বিশ্ববিদ্যালয় সহকারী রেজিস্ট্রার যখন কোটিপতি” শীর্ষক শিরোনামে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে অন্যজনের সাথে জড়িয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিত, দালিলিক প্রমাণ বিহীন সংবাদ প্রকাশিত হয়।
এই মর্মে মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন গত ২১ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং তারিখে উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদলিপি দেন। প্রতিবাদলিপি অনুসারে সংবাদে উত্থাপিত, বিশ্ববিদ্যালয়ে আত্মীয়দের চাকরি দেয়া, আপন ছোট ভাইর বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করা, উপাচার্য দপ্তরে দায়িত্ব পালন করার সময় ৩ লক্ষ টাকার সি সি ক্যামেরার বিল ১৬ লক্ষ টাকা করা, স্বাক্ষর জাল করে চাকরি দেয়া, ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি, ফার্সি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের নিয়োগ সংক্রান্ত ফোনালাপ ঘটনায় সম্পৃক্ততা, শাস্তি হিসেবে অন্যত্র বদলি, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর সাথে সখ্যতা সহ প্রকাশিত সংবাদে আনিত অভিযোগগুলো মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত তার যৌক্তিক উপস্থাপন তুলে ধরা হয়।
তবে উক্ত দালিলিক প্রমাণ বিহীন সংবাদের উপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ১৩ আগস্ট ২৫ ইং তারিখে তদন্ত কমিটি গঠন করে। সেখানে আরবি বিভাগের অধ্যাপক ডঃ মুহাম্মদ ফরিদুদ্দিন কে নিয়ে ১ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে, ২ সেপ্টেম্বর ২৫ ইং তারিখে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ করে। উল্লেখ্য, তদন্ত কমিটিতে কোনোরকম দালিলিক প্রমাণ ছাড়াই শুধুমাত্র সাংবাদপত্রের উপর ভিত্তি করে মোহাম্মদ সাহাবউদ্দিন কে পদাবনমন করে বদলি করার সুপারিশ করা হয়। তবে, মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিনের নামে বিগত সময়ে কোনো ধরনের তদন্ত কমিটি গঠন হয়নি এবং তিনি এর পূর্বে কোন প্রশাসনিক শাস্তির আত্মায় দন্ডপ্রাপ্তও হননি।
পরবর্তীতে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটে কোনোরকম দালিলিক প্রমাণ ছাড়াই পূর্বের তদন্তের সিদ্ধান্তে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে দ্বিতীয় আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়, এবং এর মাঝে অমানবিকভাবে তার পদোন্নতি প্রক্রিয়া স্থগিত রাখা হয়। অথচ পূর্বের তদন্ত রিপোর্টে প্রতিবেদনের সাথে অনিয়ম ও দুর্নীতির কোনো সুনির্দিষ্ট দালিলিক প্রমাণ দিতে পারেনি তদন্ত কমিটি।
বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, নিয়মতান্ত্রিকভাবে তদন্ত চলাকালীন সময়ে পদোন্নতি প্রক্রিয়া চলমান থাকায় কোন বাধা নেই এবং ইতিপূর্বে এর একাধিক দৃষ্টান্তও বিশ্ববিদ্যালয়টিতে রয়েছে। যেমন- আলাওল হলের সৈয়দ হোসেন, হলের ২৫ হাজার টাকার চেক সংক্রান্ত বিষয়ে জালিয়াতির অভিযোগে তদন্ত চলাকালীন সময়েও উচ্চমান সহকারি থেকে সেকশন অফিসারে পদোন্নতি পান। কিন্তু মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিনের ক্ষেত্রে সহকারী রেজিস্ট্রার থেকে ডেপুটি রেজিস্ট্রার পদে পদোন্নতি প্রক্রিয়া স্থগিত করে রাখা হয় যা অত্যন্ত অমানবিক এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, যেখানে তদন্ত কমিটি এখনো প্রক্রিয়াধীন এবং তিনি দোষী সাব্যস্ত হননি।
ইতোমধ্যে, মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন গত ৩ নভেম্বর ২০২৫ ইং তারিখ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের বিরুদ্ধে এক লিখিত মন্তব্য পেশ করেছেন। তদন্তাধীন বিষয়ের উপর তিনি জবাবে জানান, “২৬/০৯/২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৫৬৪ তম সভার ১৮ (খ) নং সিদ্ধান্ত মোতাবেক কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ ব্যাতিরেকে আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে আমাকে সামাজিক ও মানসিকভাবে হেয় করা হয়েছে।”
২৪ এর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়োগ ও পদোন্নতি সহ বিভিন্ন বিষয়ে দলীয়করণ ও স্বজন প্রীতি সহ নানান নীতিবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে বিতর্কিত। তবে ইতিপূর্বে
বিশ্ববিদ্যালয়টির নানান অসঙ্গতি, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রমাণসহ তথ্যবহুল সংবাদ প্রকাশ করা হলেও সেই সকল ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন দৃষ্টিগোচর নয়। তবে মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিনের বিষয়টি এই ক্ষেত্রে অনেকটাই নজির বিহীন যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতারই ইঙ্গিত বহন করে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, তদন্ত কমিটি দুই রকম হয়ে থাকে। একটি হলো ভাইস চ্যান্সেলর করে আরেকটা সিন্ডিকেট করে। ভিসি যেইটা করে সেইটিকে অনেকটা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির মত বলা হয়। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি যদি দোষী সাব্যস্ত করে তখন দ্বিতীয় তদন্ত কমিটি হয়ে থাকে সিন্ডিকেটে। আর দ্বিতীয় তদন্ত কমিটির রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত হয়। তিনি আরও বলেন, আমার কথা হলো, একজনকে বা কয়েকজনকে ইনকয়ারি করতে দিলাম, তারা ইনকয়ারি করলো, ইনকোয়ারি করে কোন রেকমেন্ডেশন বা রিপোর্ট দিল, ওটাকে ইগনোর করে যাওয়া হলো ইনকোয়ারি কমিটিকে ইগনোর করা। এটি তাদের জন্য প্রেস্টিজ কনসার্ন।