Dhaka , Monday, 1 September 2025
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিশেষ অবদানে মাদার তেরেসা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত সাংবাদিক মোস্তফা খান সাবেক ভিপি নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে বিক্ষোভ রামগঞ্জে ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিনিধি নির্বাচনে ব্যাপক সংঘর্ষ প্রিসাইডিং অফিসার সহ  আহত ৫  ইয়াবার বড় চালানসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার কক্সবাজারে বোয়ালী ইউনিয়ন বিএনপির নবগঠিত আহবায়ক কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  বিএনপির ৪৭ তম  প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনে কৃষক দলের কমিটি গঠন নোয়াখালীতে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অটোরিকশা চালককে হত্যা: গ্রেপ্তার ২ নোয়াখালীতে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় অটোরিকশা আরোহী যুবকের মৃত্যু মহেশখালীতে শীর্ষ সন্ত্রাসী আনছার সহযোগীসহ গ্রেফতার, অস্ত্র উদ্ধার  রূপগঞ্জে গণঅধিকার পরিষদের বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল  রূপগঞ্জে ফেসবুকে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ” থানায় জিডি জমকালো আয়োজনে সম্পাদক রবিন সিদ্দিকীর জন্মদিন অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে টেক্সটাইল মিলে আগুনে ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন।  অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে ১৬০৪টি সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন হয়েছে- স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা হামলার শিকার বিএনপি নেতার বাড়ীতে লুটপাট শরীয়তপুরে বিদেশে নেওয়ার নামে ভয়াবহ প্রতারণা, আদালতে মামলা শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মুক্তির চেতনা ছড়িয়ে দিতে দুর্গাপুরে পাঠচক্র অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে টেক্সটাইল মিলে অগ্নিকান্ড, ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতি বিএনপির ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনে কৃষক দলের কমিটি গঠন উখিয়ায় ভুয়া আর্মি অফিসার আটক রাজাপুরে নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর খাল থেকে কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার রূপগঞ্জে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার নির্বাচনের আগেই গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধান চাই, র‌্যাব বিলুপ্তির দাবি বাঁকখালী নদী দখল ও দূষণমুক্ত  করতে সকল ব্যবস্থা নেওয়া হবে চবির নতুন প্রশাসনের উদ্যোগে ৩৬ বছরের অচলাবস্থার অবসান মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে খেলাধূলা খেলাধুলার বিকল্প নেই: ইউ এন ও মোশারফ হোসেন উখিয়ায় সাগরে মাছ ধরতে নেমে দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ মায়ের চরণে সন্তানের ভালোবাসা, রামগঞ্জে অনুষ্ঠিত হলো মাতৃপূজা রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ -১ আসনের নির্বাচনী দায়িত্বশীল কর্মশালা অনুষ্ঠিত 

গরু নিয়ে দুই গ্রামবাসীর দু’দফা সংঘর্ষে ২০ জন আহত।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 02:00:24 pm, Sunday, 29 September 2024
  • 126 বার পড়া হয়েছে

গরু নিয়ে দুই গ্রামবাসীর দু’দফা সংঘর্ষে ২০ জন  আহত।।

মোঃ আব্দুল আল খান
কেন্দুয়া -নেত্রকোনা।।
চোরাই গরু সন্দেহে প্রতিবাদের জের ধরে কেন্দুয়া উপজেলার ৬নং সান্দিকোনা ইউনিয়নের চেংজানা ও সাহিতপুর পেড়ী গ্রামের 
লোকদের মধ্যে দু’দফা সংঘর্ষে উভয় পক্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। 
ঘটনাটি ঘটেছে রোববার সকালে ও শনিবার রাতে সাহিতপুর বাজার ও সাহিতপুর গ্রামে। সংঘর্ষের ঘটনায় গুরুতর আহত সাহিতপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলাম, তার মেয়ের জামাই পিপুল- পেড়ী গ্রামের সিরাজের মামাতো ভাই রাইছুন ও সান্দিকোনা গ্রামের তার বড় 
বোন রেজিয়া আক্তারকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপর দিকে চেংজানা গ্রামের শাহিন- নবালী-
মিলন, হৃদয়, সোহেল ও রাসেলকেও ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য 
কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। রোববার বিকেলে সরেজমিনে গেলে সাহিতপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের কন্যা ঋতু আক্তার জানান, আমি বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসেছি। গরু নিয়ে একটি ঘটনার জের ধরে শনিবার রাতে সাহিতপুর বাজারে চেংজানা ও 
সাহিতপুর পেড়ী গ্রামের লোকদের মধ্যে মারামারি হয়। শুনেছি মারামারিতে চেংজানা গ্রামের শাহিন আহত হয়। এরই জের ধরে 
রোববার সকাল অনুমান ১১ টার দিকে চেংজানা গ্রামের ৪/৫শ লোক বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র ও লাঠিশোটা নিয়ে আমাদের বাড়িতে এসে 
হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। আমার বাবা সিরাজুল ইসলামকে বাঁচানোর জন্য আমরা ঘরের দরজা বন্ধ করে দেই কিন্তু চেংজানা 
গ্রামের লোকজন বসত ঘরের এক পাশের টিনের বেড়া কেটে ঘরে 
প্রবেশ করে আমার বাবাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে টেনে হিছড়ে ঘর থেকে বের করে নিয়ে যায়। এ সময় তারা নারীদের গায়েও 
হাত তুলে। ঘরের মধ্যে সুকেস থেকে নগদ টাকা স্বর্ণালংকার এবং গোয়াল ঘর থেকে ৫টি গরু লুট করে নিয়ে যায়। হামলা কারীরা 
সাহিতপুর গ্রামের আরোও ৩টি বাড়িতে হামলা ভাংচুর ও লুটপাট করে। ঋতু আক্তার এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত ও বিচার দাবি করেন। এদিকে চেংজানা গ্রামের সোহেল মিয়া (সাহিতপুর বাজারের ইজারাদার জানান ৯টি চোরাই গরু সন্দেহে আমরা প্রতিবাদ 
করেছি। গরুগুলো বাজারে উঠালেও ক্রয়, বিক্রয়ের কোন রশিদ ছিলনা। পেড়ী গ্রামের হাদিস মিয়ার বাড়িতে এই গরুগুলি নিয়ে যায়। এর 
প্রতিবাদ জানালে সাহিতপুর ও পেড়ী গ্রামের লোকজন এক হয়েশনিবার রাতে সাহিতপুর বাজারে চেংজানা গ্রাম বাসীর উপর 
অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় আব্দুল হেকিমের ছেলে শাহিন মিয়া 
গুরুতর আহত হয়। আমরা বাজার থেকে দৌড়ে গিয়ে প্রাণে বাঁচি। রাতে এ ঘটনা সারাগ্রামে জানাজানি হলে রোববার সকালেই দুই 
গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। চেংজানা গ্রামের সামছু মিয়া বলেন- সাহিতপুর গ্রামে সিরাজ বা অন্য কারোও বাড়িতে আমরা 
কোন হামলা, ভাংচুর, লুটপাট করিনি। তাদের সাথে সংঘর্ষ হয়েছে। 
তিনি বলেন, নিজেরা নিজেদের ঘর ভেঙ্গে আমাদেরকে দায়ী করছেন। 
আমরাও এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত ও বিচার দাবি করছি। সাহিতপুর বাজারের 
ব্যবসায়ীরা জানান, রোববার দুপুর অনুমান ১২ টার দিকে 
সেনাসদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। 
সেনাসদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাদিস মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে 
নিয়ে আসলেও জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় । কেন্দুয়া 
থানার অফিসার ইনচার্জ-ওসি- মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় 
এখনও কোন মামলা হয়নি বা কাউকে আটক করা হয়নি। তবে আইন 
শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশের টহল 
চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিশেষ অবদানে মাদার তেরেসা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত সাংবাদিক মোস্তফা খান

গরু নিয়ে দুই গ্রামবাসীর দু’দফা সংঘর্ষে ২০ জন আহত।।

আপডেট সময় : 02:00:24 pm, Sunday, 29 September 2024
মোঃ আব্দুল আল খান
কেন্দুয়া -নেত্রকোনা।।
চোরাই গরু সন্দেহে প্রতিবাদের জের ধরে কেন্দুয়া উপজেলার ৬নং সান্দিকোনা ইউনিয়নের চেংজানা ও সাহিতপুর পেড়ী গ্রামের 
লোকদের মধ্যে দু’দফা সংঘর্ষে উভয় পক্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। 
ঘটনাটি ঘটেছে রোববার সকালে ও শনিবার রাতে সাহিতপুর বাজার ও সাহিতপুর গ্রামে। সংঘর্ষের ঘটনায় গুরুতর আহত সাহিতপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলাম, তার মেয়ের জামাই পিপুল- পেড়ী গ্রামের সিরাজের মামাতো ভাই রাইছুন ও সান্দিকোনা গ্রামের তার বড় 
বোন রেজিয়া আক্তারকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপর দিকে চেংজানা গ্রামের শাহিন- নবালী-
মিলন, হৃদয়, সোহেল ও রাসেলকেও ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য 
কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। রোববার বিকেলে সরেজমিনে গেলে সাহিতপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের কন্যা ঋতু আক্তার জানান, আমি বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসেছি। গরু নিয়ে একটি ঘটনার জের ধরে শনিবার রাতে সাহিতপুর বাজারে চেংজানা ও 
সাহিতপুর পেড়ী গ্রামের লোকদের মধ্যে মারামারি হয়। শুনেছি মারামারিতে চেংজানা গ্রামের শাহিন আহত হয়। এরই জের ধরে 
রোববার সকাল অনুমান ১১ টার দিকে চেংজানা গ্রামের ৪/৫শ লোক বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র ও লাঠিশোটা নিয়ে আমাদের বাড়িতে এসে 
হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। আমার বাবা সিরাজুল ইসলামকে বাঁচানোর জন্য আমরা ঘরের দরজা বন্ধ করে দেই কিন্তু চেংজানা 
গ্রামের লোকজন বসত ঘরের এক পাশের টিনের বেড়া কেটে ঘরে 
প্রবেশ করে আমার বাবাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে টেনে হিছড়ে ঘর থেকে বের করে নিয়ে যায়। এ সময় তারা নারীদের গায়েও 
হাত তুলে। ঘরের মধ্যে সুকেস থেকে নগদ টাকা স্বর্ণালংকার এবং গোয়াল ঘর থেকে ৫টি গরু লুট করে নিয়ে যায়। হামলা কারীরা 
সাহিতপুর গ্রামের আরোও ৩টি বাড়িতে হামলা ভাংচুর ও লুটপাট করে। ঋতু আক্তার এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত ও বিচার দাবি করেন। এদিকে চেংজানা গ্রামের সোহেল মিয়া (সাহিতপুর বাজারের ইজারাদার জানান ৯টি চোরাই গরু সন্দেহে আমরা প্রতিবাদ 
করেছি। গরুগুলো বাজারে উঠালেও ক্রয়, বিক্রয়ের কোন রশিদ ছিলনা। পেড়ী গ্রামের হাদিস মিয়ার বাড়িতে এই গরুগুলি নিয়ে যায়। এর 
প্রতিবাদ জানালে সাহিতপুর ও পেড়ী গ্রামের লোকজন এক হয়েশনিবার রাতে সাহিতপুর বাজারে চেংজানা গ্রাম বাসীর উপর 
অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় আব্দুল হেকিমের ছেলে শাহিন মিয়া 
গুরুতর আহত হয়। আমরা বাজার থেকে দৌড়ে গিয়ে প্রাণে বাঁচি। রাতে এ ঘটনা সারাগ্রামে জানাজানি হলে রোববার সকালেই দুই 
গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। চেংজানা গ্রামের সামছু মিয়া বলেন- সাহিতপুর গ্রামে সিরাজ বা অন্য কারোও বাড়িতে আমরা 
কোন হামলা, ভাংচুর, লুটপাট করিনি। তাদের সাথে সংঘর্ষ হয়েছে। 
তিনি বলেন, নিজেরা নিজেদের ঘর ভেঙ্গে আমাদেরকে দায়ী করছেন। 
আমরাও এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত ও বিচার দাবি করছি। সাহিতপুর বাজারের 
ব্যবসায়ীরা জানান, রোববার দুপুর অনুমান ১২ টার দিকে 
সেনাসদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। 
সেনাসদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাদিস মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে 
নিয়ে আসলেও জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় । কেন্দুয়া 
থানার অফিসার ইনচার্জ-ওসি- মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় 
এখনও কোন মামলা হয়নি বা কাউকে আটক করা হয়নি। তবে আইন 
শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশের টহল 
চলছে।