Dhaka , Wednesday, 8 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
চট্টগ্রামের বর্জ্য ও ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে চসিক ও নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত আসন্ন বরকল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সকলের দোয়া কামনা করেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আলমগীর পাইকগাছায় বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত পাইকগাছায় এসিল্যান্ডের অভিযান; অবৈধ দখল অপসারণ বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ছেংঙ্গারচর শাখার শুভ উদ্বোধন রাজাপুরে খাল দখল করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ, প্রশাসনের ভাঙার নির্দেশ পাইকগাছায় বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন সোনারগাঁ-এ পূর্ব শত্রুতার জেরে হামলা, বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাট, আহত ৫ বিজ্ঞান চর্চায় নতুন উদ্দীপনা: পাইকগাছায় জাতীয় বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। চবি ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক নোমানের নেতৃত্বে বিশাল মিছিল, অংশ নিল চার শতাধিক নেতাকর্মী  বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসে ঢাকায় হাম সচেতনতা ক্যাম্পেইন; শিক্ষার্থীদের মাঝে স্বাস্থ্যবার্তা পৌঁছে দিলো এনবিএ রূপগঞ্জে রূপসী নিউজ স্কুল এন্ড কলেজে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোচিং ফির নামে হয়রানীর অভিযোগ সৎ মা ও ভাইদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ রূপগঞ্জে বাকপ্রতিবন্ধী পরিবারের উপর নির্যাতন, জমি ও ঘর নির্মাণে বাধা সিএমপি ডিবি পশ্চিমের অভিযানে ৮ কেজি হেরোইন, ১৪ হাজার ইয়াবা ও বাস জব্দ, গ্রেফতার ৩ মাদক বিস্তারে উদ্বেগ, ধ্বংসের মুখে যুবসমাজ রূপগঞ্জ থানায় নবনিযুক্ত অফিসার ইনচার্জ এ.এইচ.এম. সালাউদ্দিনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে Channel 86 পরিবার রুপগঞ্জের প্রতিটি ইউনিয়নে ভূমি তথ্য সংগ্রহ ও সেবা ক্যাম্প শুরু মধুপুরে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর মাঝে ছাগল বিতরণ অনুষ্ঠিত নগরীতে জলাবদ্ধতা প্রকল্পে ভবন ভাঙায় আতঙ্কে ৪৪ পরিবার ডিবি পুলিশের জালে আন্তঃজেলা ডিজিটাল প্রতারক চক্র: মাগুরা থেকে গ্রেপ্তার ৩ আড়াইহাজারে চা বিক্রেতার জায়গা ও মার্কেট দখলের চেষ্টা। বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রমাণ করবে তরুণরা:- ডিসি জাহিদ বৈরী আবহাওয়ায় বিপর্যস্ত রেলপথ, নোয়াখালী-ঢাকা ট্রেন চলাচল অচলাবস্থা নোয়াখালীতে ৪০ লাখ টাকার অবৈধ জাল ও পলিথিন জব্দ ঝালকাঠির শ্মশানঘাট এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই ১০টির বেশি বসতঘর পাইকগাছায় সোলাদানা সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন রূপগঞ্জে হাসপাতালে গুলোতে হাম রোগীর সংখ্যা বেড়েছে, আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ চিকিৎসকদের পাইকগাছায় ইউএনও’র অভিযানে অবৈধ নেট-পাটা উচ্ছেদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ‘জাতীয় স্বার্থবিরোধী’ বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে নারায়ণগঞ্জে মানববন্ধন ও মিছিল রজতজয়ন্তীতে উৎসবমুখর চবির প্রাণরসায়ন বিভাগ

কাশ খড় বিক্রি করে স্বাবলম্বী তিস্তা চরের কৃষকরা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 10:03:51 pm, Monday, 27 September 2021
  • 223 বার পড়া হয়েছে

কাশ খড় বিক্রি করে স্বাবলম্বী তিস্তা চরের কৃষকরা

 

হযরত বেল্লাল,

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি।।

শরতের ছোঁয়ায় কাশফুলের ঝাড়ে ভরে উঠেছে তিস্তার চরাঞ্চল। প্রকৃতির অপরুপ মহিমা দেখার জন্য তিস্তার চরাঞ্চলে এখন ভীর করছে অসংখ্য উৎসুক জনতা। পাশাপাশি চরের কৃষকরা কাশফুলের খড় বিক্রি করে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে। তিস্তার বালু চরে গজিয়ে উঠা কাশফুলের ঝাড় যেন চরবাসির জন্য আর্শিবাদ । গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তার চরাঞ্চল এখন আবাদি জমিতে পরিনত হয়েছে। গোটা চরাঞ্চল যেন সবুজের সমারহে ছেঁয়ে গেছে। বিশেষ করে উপজেলার তারাপুর, হরিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়ার চরে কাশফুলের ব্যাপক ঝাড় দেখা দিয়েছে। কাশফুলের খড় পানের বরজ ও বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রের ঘর ছাউনি এবং ঝাড়– তৈরির কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের পাড়াসাদুয়া চরের কৃষক আকবর আলী জানান, তার পাঁচ বিঘা জমিতে কাশফুলের ঝাড় গজিয়ে উঠেছে। আবহাওয়া প্রতিকুলে থাকায় গত দু’বছর কাশফুল হয়নি। তিনি বলেন, যে ভাবে কাশফুলের ঝাড় দেখা দিয়েছে, তাতে করে ৩ লাখ টাকার কাশফুলের খড় বিক্রি করা যাবে। কৃষকরা আশাবাদী চলতি মৌসুমে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে জেলার বাহিরে কাশফুলের খড় রপ্তানি করার যাবে। উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের কঞ্চিবাড়ী গ্রামের পানের বরজ মালিক আনোয়ার হোসেন জানান, কাশফুলের (কাশিয়া খড়) খড় দিয়ে পানের বরজের বেড়া ও ছাউনি দেয়া হয়। এতে করে পানের বরজ ঠান্ড থাকে এবং ফলন ভাল হয়। আজ থেকে দশ বছর আগে তিস্তার চরে এবং বিভিন্ন উচু এলাকায় ব্যাপক হারে কাশফুল গজিয়ে উঠেছিল। বর্তমানে কাশফুল নেই বললে চলে। তিনি বলেন, কাশফুলের খড়ের আটির শ’ বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার টাকায়। তারপরও পাওয়া যাচ্ছে না। উপজেলার হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাফিউল ইসলাম জিমি জানান, তিস্তার চরের কাশফুলের ঝাড় প্রকৃতির নিয়ামত। এটি চাষাবাদ করা লাগে না। এমনিতেই জেগে উঠা চরে গজিয়ে উঠে কাশফুল। চরের অনেক কৃষক বর্তমানে কাশফুলের খড় বিক্রি করে স্বালম্বী হয়ে উঠছে। উপজেলা কৃষি অফিসার রাশিদুল ইসলাম জানান, কৃষিতে তিস্তার চরাঞ্চল এখন সম্ভাবনাময় এলাকায়। তিস্তার বালুচরে এখন নানাবিধ ফসল চাষাবাদ হচ্ছে। সেই সাথে কাশফুলের ঝাড় দেখা দিয়েছে ব্যাপক হারে। উজানের ঢলে নেমে আসা কাশফুরের বীজ চরে পড়ে গজিয়ে উঠে কাশফুলের ঝাড়। বিনা খরচে এখন স্বাবলম্বী চরের কৃষকরা।

ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামের বর্জ্য ও ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে চসিক ও নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত

কাশ খড় বিক্রি করে স্বাবলম্বী তিস্তা চরের কৃষকরা

আপডেট সময় : 10:03:51 pm, Monday, 27 September 2021

 

হযরত বেল্লাল,

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি।।

শরতের ছোঁয়ায় কাশফুলের ঝাড়ে ভরে উঠেছে তিস্তার চরাঞ্চল। প্রকৃতির অপরুপ মহিমা দেখার জন্য তিস্তার চরাঞ্চলে এখন ভীর করছে অসংখ্য উৎসুক জনতা। পাশাপাশি চরের কৃষকরা কাশফুলের খড় বিক্রি করে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে। তিস্তার বালু চরে গজিয়ে উঠা কাশফুলের ঝাড় যেন চরবাসির জন্য আর্শিবাদ । গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তার চরাঞ্চল এখন আবাদি জমিতে পরিনত হয়েছে। গোটা চরাঞ্চল যেন সবুজের সমারহে ছেঁয়ে গেছে। বিশেষ করে উপজেলার তারাপুর, হরিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়ার চরে কাশফুলের ব্যাপক ঝাড় দেখা দিয়েছে। কাশফুলের খড় পানের বরজ ও বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রের ঘর ছাউনি এবং ঝাড়– তৈরির কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের পাড়াসাদুয়া চরের কৃষক আকবর আলী জানান, তার পাঁচ বিঘা জমিতে কাশফুলের ঝাড় গজিয়ে উঠেছে। আবহাওয়া প্রতিকুলে থাকায় গত দু’বছর কাশফুল হয়নি। তিনি বলেন, যে ভাবে কাশফুলের ঝাড় দেখা দিয়েছে, তাতে করে ৩ লাখ টাকার কাশফুলের খড় বিক্রি করা যাবে। কৃষকরা আশাবাদী চলতি মৌসুমে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে জেলার বাহিরে কাশফুলের খড় রপ্তানি করার যাবে। উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের কঞ্চিবাড়ী গ্রামের পানের বরজ মালিক আনোয়ার হোসেন জানান, কাশফুলের (কাশিয়া খড়) খড় দিয়ে পানের বরজের বেড়া ও ছাউনি দেয়া হয়। এতে করে পানের বরজ ঠান্ড থাকে এবং ফলন ভাল হয়। আজ থেকে দশ বছর আগে তিস্তার চরে এবং বিভিন্ন উচু এলাকায় ব্যাপক হারে কাশফুল গজিয়ে উঠেছিল। বর্তমানে কাশফুল নেই বললে চলে। তিনি বলেন, কাশফুলের খড়ের আটির শ’ বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার টাকায়। তারপরও পাওয়া যাচ্ছে না। উপজেলার হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাফিউল ইসলাম জিমি জানান, তিস্তার চরের কাশফুলের ঝাড় প্রকৃতির নিয়ামত। এটি চাষাবাদ করা লাগে না। এমনিতেই জেগে উঠা চরে গজিয়ে উঠে কাশফুল। চরের অনেক কৃষক বর্তমানে কাশফুলের খড় বিক্রি করে স্বালম্বী হয়ে উঠছে। উপজেলা কৃষি অফিসার রাশিদুল ইসলাম জানান, কৃষিতে তিস্তার চরাঞ্চল এখন সম্ভাবনাময় এলাকায়। তিস্তার বালুচরে এখন নানাবিধ ফসল চাষাবাদ হচ্ছে। সেই সাথে কাশফুলের ঝাড় দেখা দিয়েছে ব্যাপক হারে। উজানের ঢলে নেমে আসা কাশফুরের বীজ চরে পড়ে গজিয়ে উঠে কাশফুলের ঝাড়। বিনা খরচে এখন স্বাবলম্বী চরের কৃষকরা।