Dhaka , Saturday, 6 June 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাহাড়তলীতে হামলা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় আদালতে জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে মাদক কারবারি আলমগীর স্থানীয় এমপির নির্দেশনায় রুপগঞ্জের গোলাকান্দাইল এশিয়ান হাইওয়ের ময়লার ভাগাড় পরিষ্কার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন এজমল হোসেন পাইলট নানার বাড়ি থেকে ফেরার পর নিখোঁজ, খালে মিলল যুবকের লাশ লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫ বি১-এর ক্যাবিনেট সেক্রেটারি নির্বাচিত হলেন ড. মুহিবুল্লাহ শাহিন গণহত্যার দায়ে জামায়াত-আ.লীগ একই সূত্রে গাঁথা: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক মেকানিক দোকানেই চলছিল মাদক কারবার, গ্রেপ্তার-১ মধুপুরে মাদকাসক্ত ১ জনকে এক বছরের কারাদণ্ড ২৬ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ‘জেল খাটা’ গোলাম কিবরিয়া এবার সাময়িক বরখাস্ত হত্যাসহ একাধিক মামলায় আত্মসমর্পণ, আওয়ামী লীগের ১৪ নেতা কারাগারে কুমির সরিয়ে নেওয়ায় ক্ষোভ খাদেমের, মাজারের দিঘিতে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি ৩৮ বছর পর ফিরলেন স্বামী, রাগ ভাঙছে না স্ত্রীর বিহারের হাসপাতালে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৪ জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগরে পথসভায় জনসাধারণের সাথে মতবিনিময় করলেন পুলিশ সুপার রামুর নবাগত ইউএনও জিল্লুর রহমানের সঙ্গে রামু প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ পাইকগাছায় ৫ দিনব্যাপী রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ‘হিট অ্যাকশন ডে’ কর্মসূচির উদ্বোধন ​ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স (দাবি+) কর্তৃক মুরগির বাচ্চা বিতরণ ও প্রশিক্ষণ সম্পন্ন রূপগঞ্জে কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ প্রতিবেশীর হা’ম’লা’য় নবজাতক যমজ শিশুর মৃ’ত্যু’র অ’ভি’যো’গ, বিচার দাবিতে রায়পুরে মানববন্ধন অবশেষে রূপগঞ্জে দুই মহাসড়কের বিষফোঁড়া ময়লার ভাগাড় অপসারণ মানুষকে হয়রানি না করে সর্বোচ্চ সেবা দিতে হবে :- জহিরুল ইসলাম, এমপি আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুত ও নির্ভুল রোগ নির্ণয় সম্ভব : মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের স্মৃতিতে নির্মিত “বাংলার ঈগল” ১৪ জুন কক্সবাজার যাবেন প্রধানমন্ত্রী : পানি সম্পদ মন্ত্রী আত্রাই নদীতে গোসলে নেমে দুই ভাইয়ের মৃত্যু সীতাকুণ্ডে সরকারি সড়কের দুই পাশের গাছ কাটার অভিযোগ, তদন্তের দাবি হাদি হত্যার বিচার দাবিতে মাঠে নামছে ইনকিলাব মঞ্চ, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা হামে মৃত্যুর মিছিল যেন থামছেই না, দেশে মৃত্যু ছাড়াল ৬০০ মুক্তিযুদ্ধ-মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মানের চেষ্টা করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: নোয়াখালীতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হাতিয়াতে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

কাশ খড় বিক্রি করে স্বাবলম্বী তিস্তা চরের কৃষকরা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 10:03:51 pm, Monday, 27 September 2021
  • 234 বার পড়া হয়েছে

কাশ খড় বিক্রি করে স্বাবলম্বী তিস্তা চরের কৃষকরা

 

হযরত বেল্লাল,

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি।।

শরতের ছোঁয়ায় কাশফুলের ঝাড়ে ভরে উঠেছে তিস্তার চরাঞ্চল। প্রকৃতির অপরুপ মহিমা দেখার জন্য তিস্তার চরাঞ্চলে এখন ভীর করছে অসংখ্য উৎসুক জনতা। পাশাপাশি চরের কৃষকরা কাশফুলের খড় বিক্রি করে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে। তিস্তার বালু চরে গজিয়ে উঠা কাশফুলের ঝাড় যেন চরবাসির জন্য আর্শিবাদ । গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তার চরাঞ্চল এখন আবাদি জমিতে পরিনত হয়েছে। গোটা চরাঞ্চল যেন সবুজের সমারহে ছেঁয়ে গেছে। বিশেষ করে উপজেলার তারাপুর, হরিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়ার চরে কাশফুলের ব্যাপক ঝাড় দেখা দিয়েছে। কাশফুলের খড় পানের বরজ ও বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রের ঘর ছাউনি এবং ঝাড়– তৈরির কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের পাড়াসাদুয়া চরের কৃষক আকবর আলী জানান, তার পাঁচ বিঘা জমিতে কাশফুলের ঝাড় গজিয়ে উঠেছে। আবহাওয়া প্রতিকুলে থাকায় গত দু’বছর কাশফুল হয়নি। তিনি বলেন, যে ভাবে কাশফুলের ঝাড় দেখা দিয়েছে, তাতে করে ৩ লাখ টাকার কাশফুলের খড় বিক্রি করা যাবে। কৃষকরা আশাবাদী চলতি মৌসুমে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে জেলার বাহিরে কাশফুলের খড় রপ্তানি করার যাবে। উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের কঞ্চিবাড়ী গ্রামের পানের বরজ মালিক আনোয়ার হোসেন জানান, কাশফুলের (কাশিয়া খড়) খড় দিয়ে পানের বরজের বেড়া ও ছাউনি দেয়া হয়। এতে করে পানের বরজ ঠান্ড থাকে এবং ফলন ভাল হয়। আজ থেকে দশ বছর আগে তিস্তার চরে এবং বিভিন্ন উচু এলাকায় ব্যাপক হারে কাশফুল গজিয়ে উঠেছিল। বর্তমানে কাশফুল নেই বললে চলে। তিনি বলেন, কাশফুলের খড়ের আটির শ’ বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার টাকায়। তারপরও পাওয়া যাচ্ছে না। উপজেলার হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাফিউল ইসলাম জিমি জানান, তিস্তার চরের কাশফুলের ঝাড় প্রকৃতির নিয়ামত। এটি চাষাবাদ করা লাগে না। এমনিতেই জেগে উঠা চরে গজিয়ে উঠে কাশফুল। চরের অনেক কৃষক বর্তমানে কাশফুলের খড় বিক্রি করে স্বালম্বী হয়ে উঠছে। উপজেলা কৃষি অফিসার রাশিদুল ইসলাম জানান, কৃষিতে তিস্তার চরাঞ্চল এখন সম্ভাবনাময় এলাকায়। তিস্তার বালুচরে এখন নানাবিধ ফসল চাষাবাদ হচ্ছে। সেই সাথে কাশফুলের ঝাড় দেখা দিয়েছে ব্যাপক হারে। উজানের ঢলে নেমে আসা কাশফুরের বীজ চরে পড়ে গজিয়ে উঠে কাশফুলের ঝাড়। বিনা খরচে এখন স্বাবলম্বী চরের কৃষকরা।

ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

পাহাড়তলীতে হামলা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় আদালতে জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে মাদক কারবারি আলমগীর

কাশ খড় বিক্রি করে স্বাবলম্বী তিস্তা চরের কৃষকরা

আপডেট সময় : 10:03:51 pm, Monday, 27 September 2021

 

হযরত বেল্লাল,

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি।।

শরতের ছোঁয়ায় কাশফুলের ঝাড়ে ভরে উঠেছে তিস্তার চরাঞ্চল। প্রকৃতির অপরুপ মহিমা দেখার জন্য তিস্তার চরাঞ্চলে এখন ভীর করছে অসংখ্য উৎসুক জনতা। পাশাপাশি চরের কৃষকরা কাশফুলের খড় বিক্রি করে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে। তিস্তার বালু চরে গজিয়ে উঠা কাশফুলের ঝাড় যেন চরবাসির জন্য আর্শিবাদ । গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তার চরাঞ্চল এখন আবাদি জমিতে পরিনত হয়েছে। গোটা চরাঞ্চল যেন সবুজের সমারহে ছেঁয়ে গেছে। বিশেষ করে উপজেলার তারাপুর, হরিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়ার চরে কাশফুলের ব্যাপক ঝাড় দেখা দিয়েছে। কাশফুলের খড় পানের বরজ ও বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রের ঘর ছাউনি এবং ঝাড়– তৈরির কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের পাড়াসাদুয়া চরের কৃষক আকবর আলী জানান, তার পাঁচ বিঘা জমিতে কাশফুলের ঝাড় গজিয়ে উঠেছে। আবহাওয়া প্রতিকুলে থাকায় গত দু’বছর কাশফুল হয়নি। তিনি বলেন, যে ভাবে কাশফুলের ঝাড় দেখা দিয়েছে, তাতে করে ৩ লাখ টাকার কাশফুলের খড় বিক্রি করা যাবে। কৃষকরা আশাবাদী চলতি মৌসুমে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে জেলার বাহিরে কাশফুলের খড় রপ্তানি করার যাবে। উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের কঞ্চিবাড়ী গ্রামের পানের বরজ মালিক আনোয়ার হোসেন জানান, কাশফুলের (কাশিয়া খড়) খড় দিয়ে পানের বরজের বেড়া ও ছাউনি দেয়া হয়। এতে করে পানের বরজ ঠান্ড থাকে এবং ফলন ভাল হয়। আজ থেকে দশ বছর আগে তিস্তার চরে এবং বিভিন্ন উচু এলাকায় ব্যাপক হারে কাশফুল গজিয়ে উঠেছিল। বর্তমানে কাশফুল নেই বললে চলে। তিনি বলেন, কাশফুলের খড়ের আটির শ’ বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার টাকায়। তারপরও পাওয়া যাচ্ছে না। উপজেলার হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাফিউল ইসলাম জিমি জানান, তিস্তার চরের কাশফুলের ঝাড় প্রকৃতির নিয়ামত। এটি চাষাবাদ করা লাগে না। এমনিতেই জেগে উঠা চরে গজিয়ে উঠে কাশফুল। চরের অনেক কৃষক বর্তমানে কাশফুলের খড় বিক্রি করে স্বালম্বী হয়ে উঠছে। উপজেলা কৃষি অফিসার রাশিদুল ইসলাম জানান, কৃষিতে তিস্তার চরাঞ্চল এখন সম্ভাবনাময় এলাকায়। তিস্তার বালুচরে এখন নানাবিধ ফসল চাষাবাদ হচ্ছে। সেই সাথে কাশফুলের ঝাড় দেখা দিয়েছে ব্যাপক হারে। উজানের ঢলে নেমে আসা কাশফুরের বীজ চরে পড়ে গজিয়ে উঠে কাশফুলের ঝাড়। বিনা খরচে এখন স্বাবলম্বী চরের কৃষকরা।