Dhaka , Saturday, 14 February 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
রাউজান পৌরসভা এলাকা হতে পরিত্যাক্ত অবস্থায় ০১টি দেশীয় তৈরী পাইপগান, ০৪টি কার্তুজ ও ০২টি পিস্তলের কার্তুজ উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম ফরিদপুর-০৪ আসনে বিপুল ভোটে বিএনপি’র ধানের শীষের বিজয়। রায়পুরে নিখোঁজ অটোরিকশা চালক সোহাগের লাশ বালুর নিচ থেকে উদ্ধার। নেত্রকোণা ১ আসনে বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হলেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল গাজীপুরে বিএনপি ৪ টি , জামায়াত ১ টি আসনে বিজয় গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর জয়, PR পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ গঠনের পথে দেশ; সংসদে আসতে পারেন নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী পাইকগাছায় শান্তিপূর্ণভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন পাইকগাছা-কয়রায় দাঁড়িপাল্লা প্রার্থীর বিজয় পাইকগাছায় বিএনপি–জামায়াতের উত্তেজনা; ইউএনও’র হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক পাইকগাছায় নির্বাচনী টহল জোরদার; বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পুরো হাটহাজারী-বায়েজিদই আমার ঘর, এলাকাবাসীই আমার পরিবার :- মীর হেলাল। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির অভূতপূর্ব বিজয়ে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অভিনন্দন বিএনপির বিজয়ে পেশাজীবি পরিষদের অভিনন্দন চট্টগ্রামের উন্নয়ন নিশ্চিত করাই হবে প্রথম অগ্রাধিকার:- ডা. শাহাদাত ফতুল্লার সস্তাপুরে গ্যাস বিস্ফোরণ: নরসুন্দরসহ ৫ পথচারী অগ্নিদগ্ধ আড়াইহাজারে পরিত্যক্ত অবস্থায় পিস্তল ও গুলি উদ্ধার ঈদগাঁও বাজারে ভাড়াটিয়ার বিরুদ্ধে দোকান দখলের অভিযোগ, প্রাণনাশের হুমকির দাবি মালিক পক্ষের: লক্ষ্মীপুরের চারটি আসনেই বিএনপি প্রার্থীদের জয়জয়কার লালমনিরহাটে ধানের শীষের জয়জয়কার: নেপথ্যে দুলুর একক রাজনৈতিক ক্যারিশমা নরসিংদীতে ৫টি আসনেই বিএনপির বিজয় ঢাকা-১১ আসনে ২ হাজার ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী নাহিদ ইসলাম রূপগঞ্জে বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু বেসরকারিভাবে নির্বাচিত সীমান্তে ১৫ বিজিবির নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: লালমনিরহাটে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম ও রিটার্নিং অফিসারে’র ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন সিলেটের ১৯ আসনের বেসরকারি ফল: ১৮টিতে বিএনপি, একটিতে মজলিসের জয় মৌলভীবাজার-৩ আসনে বিএনপির এম নাসের রহমান বেসরকারিভাবে বিজয়ী নোয়াখালী-৩ আসনে ধানের শীষের জয়, বরকত উল্লাহ বুলু বিজয়ী ঝালকাঠি-১ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রার্থী ড. ফয়জুল হকের ওপর হামলা, রাজাপুরে ৫ কেন্দ্রে বিএনপির দখলের চেষ্টার অভিযোগ, আহত ৮, আটক ৪ হাতিয়াতে হামলায় সাংবাদিকসহ আহত ৩০ রাজধানীর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

কাশ খড় বিক্রি করে স্বাবলম্বী তিস্তা চরের কৃষকরা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 10:03:51 pm, Monday, 27 September 2021
  • 208 বার পড়া হয়েছে

কাশ খড় বিক্রি করে স্বাবলম্বী তিস্তা চরের কৃষকরা

 

হযরত বেল্লাল,

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি।।

শরতের ছোঁয়ায় কাশফুলের ঝাড়ে ভরে উঠেছে তিস্তার চরাঞ্চল। প্রকৃতির অপরুপ মহিমা দেখার জন্য তিস্তার চরাঞ্চলে এখন ভীর করছে অসংখ্য উৎসুক জনতা। পাশাপাশি চরের কৃষকরা কাশফুলের খড় বিক্রি করে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে। তিস্তার বালু চরে গজিয়ে উঠা কাশফুলের ঝাড় যেন চরবাসির জন্য আর্শিবাদ । গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তার চরাঞ্চল এখন আবাদি জমিতে পরিনত হয়েছে। গোটা চরাঞ্চল যেন সবুজের সমারহে ছেঁয়ে গেছে। বিশেষ করে উপজেলার তারাপুর, হরিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়ার চরে কাশফুলের ব্যাপক ঝাড় দেখা দিয়েছে। কাশফুলের খড় পানের বরজ ও বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রের ঘর ছাউনি এবং ঝাড়– তৈরির কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের পাড়াসাদুয়া চরের কৃষক আকবর আলী জানান, তার পাঁচ বিঘা জমিতে কাশফুলের ঝাড় গজিয়ে উঠেছে। আবহাওয়া প্রতিকুলে থাকায় গত দু’বছর কাশফুল হয়নি। তিনি বলেন, যে ভাবে কাশফুলের ঝাড় দেখা দিয়েছে, তাতে করে ৩ লাখ টাকার কাশফুলের খড় বিক্রি করা যাবে। কৃষকরা আশাবাদী চলতি মৌসুমে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে জেলার বাহিরে কাশফুলের খড় রপ্তানি করার যাবে। উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের কঞ্চিবাড়ী গ্রামের পানের বরজ মালিক আনোয়ার হোসেন জানান, কাশফুলের (কাশিয়া খড়) খড় দিয়ে পানের বরজের বেড়া ও ছাউনি দেয়া হয়। এতে করে পানের বরজ ঠান্ড থাকে এবং ফলন ভাল হয়। আজ থেকে দশ বছর আগে তিস্তার চরে এবং বিভিন্ন উচু এলাকায় ব্যাপক হারে কাশফুল গজিয়ে উঠেছিল। বর্তমানে কাশফুল নেই বললে চলে। তিনি বলেন, কাশফুলের খড়ের আটির শ’ বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার টাকায়। তারপরও পাওয়া যাচ্ছে না। উপজেলার হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাফিউল ইসলাম জিমি জানান, তিস্তার চরের কাশফুলের ঝাড় প্রকৃতির নিয়ামত। এটি চাষাবাদ করা লাগে না। এমনিতেই জেগে উঠা চরে গজিয়ে উঠে কাশফুল। চরের অনেক কৃষক বর্তমানে কাশফুলের খড় বিক্রি করে স্বালম্বী হয়ে উঠছে। উপজেলা কৃষি অফিসার রাশিদুল ইসলাম জানান, কৃষিতে তিস্তার চরাঞ্চল এখন সম্ভাবনাময় এলাকায়। তিস্তার বালুচরে এখন নানাবিধ ফসল চাষাবাদ হচ্ছে। সেই সাথে কাশফুলের ঝাড় দেখা দিয়েছে ব্যাপক হারে। উজানের ঢলে নেমে আসা কাশফুরের বীজ চরে পড়ে গজিয়ে উঠে কাশফুলের ঝাড়। বিনা খরচে এখন স্বাবলম্বী চরের কৃষকরা।

ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাউজান পৌরসভা এলাকা হতে পরিত্যাক্ত অবস্থায় ০১টি দেশীয় তৈরী পাইপগান, ০৪টি কার্তুজ ও ০২টি পিস্তলের কার্তুজ উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম

কাশ খড় বিক্রি করে স্বাবলম্বী তিস্তা চরের কৃষকরা

আপডেট সময় : 10:03:51 pm, Monday, 27 September 2021

 

হযরত বেল্লাল,

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি।।

শরতের ছোঁয়ায় কাশফুলের ঝাড়ে ভরে উঠেছে তিস্তার চরাঞ্চল। প্রকৃতির অপরুপ মহিমা দেখার জন্য তিস্তার চরাঞ্চলে এখন ভীর করছে অসংখ্য উৎসুক জনতা। পাশাপাশি চরের কৃষকরা কাশফুলের খড় বিক্রি করে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে। তিস্তার বালু চরে গজিয়ে উঠা কাশফুলের ঝাড় যেন চরবাসির জন্য আর্শিবাদ । গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তার চরাঞ্চল এখন আবাদি জমিতে পরিনত হয়েছে। গোটা চরাঞ্চল যেন সবুজের সমারহে ছেঁয়ে গেছে। বিশেষ করে উপজেলার তারাপুর, হরিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়ার চরে কাশফুলের ব্যাপক ঝাড় দেখা দিয়েছে। কাশফুলের খড় পানের বরজ ও বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রের ঘর ছাউনি এবং ঝাড়– তৈরির কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের পাড়াসাদুয়া চরের কৃষক আকবর আলী জানান, তার পাঁচ বিঘা জমিতে কাশফুলের ঝাড় গজিয়ে উঠেছে। আবহাওয়া প্রতিকুলে থাকায় গত দু’বছর কাশফুল হয়নি। তিনি বলেন, যে ভাবে কাশফুলের ঝাড় দেখা দিয়েছে, তাতে করে ৩ লাখ টাকার কাশফুলের খড় বিক্রি করা যাবে। কৃষকরা আশাবাদী চলতি মৌসুমে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে জেলার বাহিরে কাশফুলের খড় রপ্তানি করার যাবে। উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের কঞ্চিবাড়ী গ্রামের পানের বরজ মালিক আনোয়ার হোসেন জানান, কাশফুলের (কাশিয়া খড়) খড় দিয়ে পানের বরজের বেড়া ও ছাউনি দেয়া হয়। এতে করে পানের বরজ ঠান্ড থাকে এবং ফলন ভাল হয়। আজ থেকে দশ বছর আগে তিস্তার চরে এবং বিভিন্ন উচু এলাকায় ব্যাপক হারে কাশফুল গজিয়ে উঠেছিল। বর্তমানে কাশফুল নেই বললে চলে। তিনি বলেন, কাশফুলের খড়ের আটির শ’ বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার টাকায়। তারপরও পাওয়া যাচ্ছে না। উপজেলার হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাফিউল ইসলাম জিমি জানান, তিস্তার চরের কাশফুলের ঝাড় প্রকৃতির নিয়ামত। এটি চাষাবাদ করা লাগে না। এমনিতেই জেগে উঠা চরে গজিয়ে উঠে কাশফুল। চরের অনেক কৃষক বর্তমানে কাশফুলের খড় বিক্রি করে স্বালম্বী হয়ে উঠছে। উপজেলা কৃষি অফিসার রাশিদুল ইসলাম জানান, কৃষিতে তিস্তার চরাঞ্চল এখন সম্ভাবনাময় এলাকায়। তিস্তার বালুচরে এখন নানাবিধ ফসল চাষাবাদ হচ্ছে। সেই সাথে কাশফুলের ঝাড় দেখা দিয়েছে ব্যাপক হারে। উজানের ঢলে নেমে আসা কাশফুরের বীজ চরে পড়ে গজিয়ে উঠে কাশফুলের ঝাড়। বিনা খরচে এখন স্বাবলম্বী চরের কৃষকরা।