
মোঃ জিনারুল ইসলাম, পাইকগাছা,
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত, দর্শন ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে খুলনার পাইকগাছায় ‘নজরুল বর্ষ’ পালনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিকার আলোকে উপজেলা পর্যায়ে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, কাজী নজরুল ইসলামের সাম্য, মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা ও প্রতিবাদী চেতনাকে নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা প্রয়োজন। আগামী ৩১ আগস্ট দেশব্যাপী একযোগে অনুষ্ঠিতব্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পাইকগাছায়ও বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কর্মসূচির মধ্যে উপজেলার কিন্ডারগার্টেন, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কারিগরি বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কলেজ পর্যায়ে নজরুলসংগীত, কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, একক অভিনয়, একক নৃত্য, হামদ-নাত, উপস্থিত বক্তৃতা ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন রয়েছে।
সভায় অধ্যক্ষ প্রফেসর সমরেশ রায়, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আজহারুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রওশনা পারভীন, সমবায় কর্মকর্তা হুমায়ূন কবির, সমাজসেবা কর্মকর্তা অনাথ কুমার বিশ্বাস, বন কর্মকর্তা প্রবীর কুমার দত্ত, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন, আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মরিয়ম আক্তার এবং এসএফডিএফ কর্মকর্তা জিএম জাকারিয়াসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. আবদুল মজিদ, জামায়াতে ইসলামী খুলনা জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আমিনুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ, সদস্য সচিব এস এম ইমদাদুল হক, বিএনপি নেতা তুষার কান্তি মণ্ডল, বীর মুক্তিযোদ্ধা রণজিৎ কুমার সরকার, ষোলআনার সভাপতি জিএম শুক্রুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ উৎপল বাইন, প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল ওহাব, দেবাশীষ সরদার, রহিমা আখতার শম্পা, অঞ্জলী রাণী শীল এবং মডেল মসজিদের ইমাম মো. আশরাফুল ইসলামসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, স্থানীয় সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচি যথাযথভাবে বাস্তবায়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

























