
নরওয়ের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে ব্রাজিলের বিদায়ের পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ ছিল কোচ Carlo Ancelottiর কৌশলগত পরিকল্পনার ব্যর্থতা। বলের দখল ছেড়ে দ্রুত পাল্টা আক্রমণের যে পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি, তা পুরো ম্যাচে কার্যকর হয়নি।
প্রথমার্ধে পেনাল্টি পেলেও Bruno Guimarães গোল করতে ব্যর্থ হন। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে না পারার মূল্য চুকাতে হয় ব্রাজিলকে। অন্যদিকে নরওয়ে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় এবং Erling Haalandর দুই গোলে এগিয়ে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধে বদলির পর ব্রাজিল আরও ছন্দ হারায়। নেইমার শেষদিকে পেনাল্টি থেকে একটি গোল শোধ করলেও ম্যাচে ফিরতে পারেনি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচে ব্রাজিলের বল দখল ছিল মাত্র ৩৪ শতাংশ, যা তাদের বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বনিম্ন। সুযোগ তৈরি করেও তা কাজে লাগাতে না পারা এবং নরওয়ের আক্রমণ সামাল দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ২০০২ সালের পর আবারও নকআউটে ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের কাছে বিদায় নিতে হলো সেলেসাওদের।

























