
তৌহিদুল ইসলাম চঞ্চল,
নীলফামারীতে যৌতুকের দুই লাখ টাকার দাবিতে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সাদিয়া আক্তারকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যার চাঞ্চল্যকর মামলার প্রধান আসামি স্বামী মোঃ আলামিন (২২)-কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৩।
আজ ২১ মে (বৃহস্পতিবার) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে র্যাব-১৩ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত বছরের মে মাসে সদর উপজেলার সিংদহ দক্ষিণপাড়া এলাকার সাইদুল ইসলামের ছেলে আলামিনের সাথে সাদিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই বিধবা মায়ের দরিদ্র মেয়ে সাদিয়ার কাছে দুই লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিল আলামিন ও তার পরিবার। যৌতুকের টাকা না পেয়ে গত ৭ ফেব্রুয়ারি সাদিয়ার ওপর নির্মম নির্যাতন চালানো হয় এবং একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ঘরের তীরের সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আসামিরা সাদিয়ার মাকে ‘আত্মহত্যা’ বলে ফোনে জানিয়ে বাড়ি তালাবদ্ধ করে পালিয়ে যায়।
পরে গত ২ মার্চ সাদিয়ার মা বাদী হয়ে নীলফামারী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-০৫) দায়ের করেন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করলে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায়,
২০ মে (বুধবার) রাত সোয়া ১১টার দিকে নীলফামারী সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের বড়ডাঙ্গা বাজারের একটি হোটেল থেকে পলাতক প্রধান আসামি আলামিনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র্যাব-১৩ এর সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল।
























