
আবু ছাইম,
বগুড়ার শাজাহানপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে দু’পক্ষের মধ্যে মারপিট ও বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদের এক সদস্যসহ মোট ৮৭ জনের বিরুদ্ধে শাজাহানপুর থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার মাঝিড়া ইউনিয়নের সাজাপুর দাড়িকামারিপাড়ার রফিকুল ইসলামের ছেলে নাজমুল হাসান (২৬), একই ইউনিয়নের সাজাপুর কালাইহাটাপাড়ার মৃত মানিক মিয়ার ছেলে রিফাত হোসেন (২৫) এবং একই গ্রামের সাজু মিয়ার ছেলে জনি বাবু (২৫)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, একটি মামলার বাদী নাজমুল হাসান উল্লেখ করেন যে, পূর্ব শত্রুতার জেরে গত ২২ মার্চ রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাঝিড়া বাইপাস মোড়ে কুরবান আলীর দোকানের সামনে ডোমনপুকুর নতুনপাড়ার নেকবর আলীর ছেলে মাহবুব (৩৫), মেহেদী (২৬)সহ ৩৮ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ও তার বন্ধুদের ওপর হামলা চালায়। এতে নাজমুল, আরমান ও রাব্বি আহত হন।
অপরদিকে দ্বিতীয় মামলার বাদী জনি বাবুর স্ত্রী জেমি আক্তার (২৫) এজাহারে উল্লেখ করেন, প্রায় তিন মাস আগে তার কলেজ পড়ুয়া ভাগনিকে কুপ্রস্তাব দিয়েছিলেন নাজমুল হাসান। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে সালিশি বৈঠকে মীমাংসা করা হলেও পরবর্তীতে নাজমুল ও তার সহযোগীরা জনি বাবু ও তার ভাগনে রিফাতকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে থাকেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, ২২ মার্চ রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাঝিড়া বাইপাস এলাকায় কুরবান আলীর দোকানের সামনে নাজমুলসহ তার ৪৬ জন সহযোগী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জনি বাবু, রিফাত ও তাদের বন্ধুদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে জনি বাবু, রিফাত, মেহেদী ও সিয়াম আহত হন। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
এর কিছুক্ষণ পর রাত সাড়ে ৯টার দিকে নাজমুল ও তার সহযোগীরা জনি বাবু ও রিফাতের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
শাজাহানপুর থানার পুলিশ জানায়, ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের হয়েছে। তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

























