
চঞ্চল,
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে লালমনিরহাট সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা (হাই-অ্যালার্ট) জারি করেছে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)। অবৈধ অনুপ্রবেশ ও গবাদি পশুর অবৈধ প্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তের প্রতিটি পয়েন্টে বিজিবির নজরদারি এখন কয়েক গুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
বিজিবি সূত্রে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সীমান্ত দিয়ে কোনো ব্যক্তি যাতে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কেবল টহল নয়, সীমান্ত জনপদের বাসিন্দাদের সতর্ক করতে বিজিবির পক্ষ থেকে নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে। স্থানীয়দের সচেতন করার মাধ্যমে সীমান্ত সুরক্ষাকে আরও শক্তিশালী করাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এক শ্রেণির অসাধু চক্র যাতে সীমান্ত দিয়ে গরু চোরাচালান করতে না পারে, সেজন্য বিজিবি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা বিশেষ টহল দলের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকাগুলো সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে।
১৫ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম, পিএসসি অভিযানের বিষয়ে বলেন, “সীমান্ত সুরক্ষা এবং পুশইন প্রতিরোধে বিজিবি সবসময় অতন্দ্র প্রহরী। যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ চেষ্টা বা চোরাচালান রুখে দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।”
সীমান্তবর্তী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং চোরাকারবারীদের রুখতে বিজিবির এই কঠোর অবস্থান পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
























