
মাকসুদুল হোসেন তুষার,
নারায়ণগঞ্জ-নরসিংদী অগ্রণী সেচ প্রকল্প-১ এর আওতাধীন পানি উন্নয়ন বোর্ডের সম্পত্তির সীমানা নির্ধারণে মাঠ পরিদর্শন ও চিহ্নিতকরণ কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করা হয়েছে। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবার উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভার নল পাথর এলাকা থেকে এ কার্যকর্ম শুরু করা হয়।
এর আগে, রূপগঞ্জের খাল গুলো প্রভাবশালীদের হাতে দখলে। বর্ষা এবং বৃষ্টি আসার আগেই খাল গুলো পুনরুদ্ধার করে খনন করার দাবির বিষয়ে গ্রীন টেলিভিশনে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৪ সালে ৯০ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ে নারায়ণগঞ্জ-নরসিংদী অগ্রণী সেচ প্রকল্প-১ বাস্তবায়ন করা হয়। পরে ১৯৯৩ সালে প্রায় ১০১ কোটি টাকা ব্যয়ে শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্বপাড়ে প্রায় পাঁচ হাজার হেক্টর জমি ঘিরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ করা হয়। এ প্রকল্পের আওতায় বিস্তীর্ণ এলাকার কৃষিজমি বন্যার হাত থেকে রক্ষা এবং সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।
সম্প্রতি পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন ওই সম্পত্তির সীমানা নির্ধারণ ও যাচাই কার্যক্রম পরিচালনা করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। মাঠ পর্যায়ে উপস্থিত থেকে তারা জমির সীমানা পরিমাপ ও চিহ্নিত করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী রাকিবুল আলম রাজিব, সহকারী প্রকৌশলী মঞ্জুরুল ইসলাম, সেকশন অফিসার রতন সরকার, সহকারী সেচ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, রাজস্ব সার্ভেয়ার শরিফুল ইসলাম এবং এসি ল্যান্ডের সার্ভেয়ার আবুল হাসান।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী রাকিবুল আলম রাজিব বলেন, এখন থেকেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের যেসব খালগুলো দখল হয়ে গেছে তা উচ্ছেদ করে দখল মুক্ত অব্যাহত থাকবে।
























