
কক্সবাজার প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের রামুতে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় চার সংবাদকর্মী আহত হয়েছে।
বুধবার ৪ ফেব্রুয়ারী সকাল সাড়ে বারো টা দিকে কাউয়াখোপ ইউনিয়ন ৮ নং ওয়ার্ড়ের পশ্চিম নাপিতার ঘোনা এলাকায় এই ঘটনায় ঘটে।
হামলার শিকার সাংবাদিকরা হলেন দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ রামু প্রতিনিধি মোঃ সাইদুজ্জামান সাঈদ,দৈনিক কক্সবাজার বার্তা ও প্যানোয়া নিউজের রামু প্রতিনিধি উচ্ছ্বাস বড়ুয়া,সিসিএন নিউজ রামু প্রতিনিধি মোঃ কাসেম, কোহেলিয়া টিভি রামু প্রতিনিধি সিরাজুল মোস্তফা আবির।
আহত সাংবাদিকেরা বলেন,কাউয়াখোপ ইউনিয়নের নাপিতার ঘোনা এলাকায় অবৈধ পাহাড় কাঁটার খবর পেয়ে চার সাংবাদিক ঘটনাস্থলে যান।
পরে ভিডিও ও ছবি ধারণ করার সময় অবৈধ ভাবে পাহাড় কাটার শ্রমিকেরা চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন। এসময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন পাহাড় খেকো মূলহোতা আব্দুল মালেক।
তিনি ‘সব দুই টাকার সাংবাদিক’ বলে নির্দেশ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হামলা শুরু হয়। প্রথমে সাংবাদিকদের মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে ভাংচুর ও পরে গিয়ে মারধর করা চেষ্টা করে।
কাউয়াখোপের নাপিতের ঘোনা এলাকার চিহ্নিত বালুদস্যু ও পাহাড়খেকো সন্ত্রাসী আব্দুল মালেক বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশ ধ্বংস করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাহাড় কাটার মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে।
চার সংবাদ কর্মীকে পথ অবরোধ করে রাখছে দুই থেকে তিন ঘন্টা টা দিকে রামু থানা পুলিশ ও স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি আমাদের উদ্ধার করে রামু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা বলেন আব্দুল মালেক নামে এই ব্যাক্তি প্রতিনিয়ত মাটি বিক্রি করে থাকে। আমাদের এলাকায় বড় একটি মাদ্রাসা আছে সেখানে অনেক ছোট্ট ছেলে মেয়েরা যাতায়াতে করে থাকে। অতিরিক্ত ডাম্পার চলাচল করার কারণে জীবনে ঝুঁকি নিয়ে মাদ্রাসায় যাতায়াত করতে হয় ছাত্র/ছাত্রীদের।
ঘটনার বিষয়ে জানতে ডাকাত মালেক মুঠোফোনে কল দিলে তিনি ফোন ধরেননি। একপর্যায়ে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ করে দেন।
এই ব্যাপারে রামু প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের ন্যাক্কারজনক হামলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। তারা বলেন, সংবাদকর্মীরা জাতির বিবেক—তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
নেতৃদ্বয় আরও বলেন, হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় সাংবাদিক সমাজ কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে বলেও তারা সতর্ক করেন।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির ইসলাম ভূইয়া বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিষয়টি বুধবার বিকেলে জেনেছি। অবশ্যই হামলাকারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ব্যাপারে রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফজলে রাব্বি চৌধুরী কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান যে আপনাদের অবরোধ করছে সেটা তো পৌজধারী অপরাধ। পুলিশ যাওয়ার পরে কোন ব্যবস্থা নে নাই। পুলিশ এগুলো জব্দ করে নাই।
























