
নাদিম সরকার,
আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর, ২০২৬ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের স্থাপনা ব্যবহার করে চলাচলকারী যাত্রীসাধারণের যাতায়াত নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে সেতু বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন শেখ রবিউল আলম এমপি, মাননীয় মন্ত্রী এবং সভায় সভাপতিত্ব করেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আবদুর রউফ। এছাড়াও সভায় সেতু বিভাগ, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাগণ এবং কর্তৃপক্ষের আওতাধীন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকগণ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় মাননীয় মন্ত্রী উল্লেখ করেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেকোন মূল্যে আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে সারাদেশের জনসাধারণের ঈদযাত্রা নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও স্বাচ্ছন্দ্যময় নিরাপদ ও স্বস্তিময় করতে সদয় নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনসাধারণের ঈদযাত্রা নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক, নির্বিঘ্ন, আনন্দদায়ক ও দুর্ঘটনামুক্ত ও সুশৃঙ্খল রাখার লক্ষ্যে একটি সমন্বিত কর্মসূচি গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন। বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পসমূহের কাজের নির্মাণ সামগ্রী যত্রতত্র অপরিকল্পিতভাবে রেখে চলাচলে যাতে বিঘ্ন না ঘটে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পরামর্শ প্রদান করেন। সড়কে যেন কোন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় সেজন্য অতিরিক্ত জনবল নিযুক্ত করে যথাযথভাবে ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনা এবং ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে ও যানবাহনে অতিরিক্ত যাত্রী বহন রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে তৎপর হওয়ার জন্য মাননীয় মন্ত্রী নির্দেশনা প্রদান করেন।
সচিব সেতু বিভাগ ইদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রাপথে সেতুর উভয় প্রান্তে ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) সিস্টেম অর্থাৎ ইটিসি টোল বুথ চালু রাখাতে হবে, যাতে করে ইটিসি কার্ডধারী গাড়িগুলো নির্বিঘ্নে দ্রুত সেতু পার হতে পারে। এছাড়া, সেতু বিভাগের আওতাধীন সকল সেতু/স্থাপনায় সার্ভেইল্যান্স সিস্টেমের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনসমূহের ট্র্যাফিক পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক তদারকি এবং মনিটরিং এর জন্য টোল প্লাজা ও টোলবুথে সিসিটিভি ক্যামেরা চালু রাখার জন্য পরামর্শ প্রদান করেন।
এছাড়াও দ্রুত টোল পরিশোধের সুবিধার্থে টোল বুথে প্রয়োজনীয় অঙ্কের ভাংতি টাকার সংস্থান রাখা এবং ঈদযাত্রায় ফিটনেসবিহীন/লাইসেন্সবিহীন গাড়ি সেতু/স্থাপনাতে ও সড়কে চলাচল করার কারণে যেন যানজট সৃষ্টি না হয় সে বিষয়ে গাড়ির মালিক, গাড়িচালক ও যাত্রীসাধারণের সহযোগিতা কামনা করেন। সভায় সিমেন্ট, রড, পাথর ও বালু বহনকারী ট্রাকসমূহ ঈদ-উল-ফিতরের আগে ও পরে ৭দিন চলাচল সীমিত রাখা এবং ৩দিন আগে থেকে চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়। তবে খাদ্যদ্রব্য, ঔষধ, জ্বালানি, পচনশীল নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনকারী গাড়িগুলোর পণ্য পরিবহনে যেন বিঘ্ন না ঘটে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য সচিব পরামর্শ প্রদান করেন।
























