
সোহানুর রহমান বাপ্পির,
কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার মামুদপুর গ্রামের সেই বাড়িতে এখন শুধু কান্নার শব্দ। যে মানুষটি সংসারের হাল ধরেছিলেন, সেই কবির হোসেন আজ নেই।
ঘাটে নৌকা ভিড়ানোকে কেন্দ্র করে তর্ক-বিতর্ক, একপর্যায়ে হত্যার হুমকি—তারপর সন্ধ্যা না পেরোতেই প্রাণঘাতী হামলা। যেন বাংলা সিনেমার গল্পকেও হার মানায় এমন এক নির্মম ঘটনাটি ঘটেছে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ঢাকী ইউনিয়নের মামুদপুর গ্রামে।
নৌকা ঘাটে ভিড়ানোর তুচ্ছ বিরোধের জেরে সন্ধ্যায় নামাজে যাওয়ার পথে হামলার শিকার হন তিনি। অভিযোগ, হুনুর উদ্দিন ও তার পরিবারের সদস্যরা সংঘবদ্ধ হয়ে ইট দিয়ে আঘাত করেন।
হাসপাতালের আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত হার মানেন কবির।
পেছনে রেখে গেলেন স্ত্রী ও তিন সন্তানকে। এর মধ্যে মাত্র পাঁচ মাসের এক শিশু—যে এখনও ‘বাবা’ ডাকতে শেখেনি।
সন্তান হারা পরিবারের অভিযোগ, প্রভাব ও অর্থের কাছে তারা অসহায়। বিচার তো দূরের কথা, উল্টো হয়রানির শিকার হচ্ছেন তারা।
























