
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভার আওতাধীন জামিরজুরী ৬নং ওয়ার্ডের ঘোড়া পাড়া এলাকায় ১২ দিনের নবজাতক সন্তান বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত নারী নুরুল হুদার বাকপ্রতিবন্ধী স্ত্রী এবং চার সন্তানের জননী বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, টাকার জন্য ইতোমধ্যে দুই সন্তানকে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল। তবে নবজাতক সন্তানকে বিক্রি করতে না দেওয়ায় এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে স্থানীয়দের ধারণা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত নুরুল হুদা নেশাগ্রস্ত এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার কারণে একাধিকবার আটক হয়ে কারাভোগ করেছেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কিছু প্রভাবশালী অপরাধী চক্র তাকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করতে সহযোগিতা করত।
এ ঘটনার সঙ্গে ধোপাছড়ি ইউনিয়নের চিড়িংঘাটা ৯নং ওয়ার্ড এলাকায় স্বামী-স্ত্রীর কলহের জেরে সদ্যবিবাহিত সালিমা সুলতানা সাকি (১৮) হত্যার ঘটনার কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ বিকেল আনুমানিক ৪টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে চন্দনাইশ উপজেলার ধোপাছড়ি ইউনিয়নের চিড়িংঘাটা ৯নং ওয়ার্ডে নিহত সালিমা সুলতানা সাকির বাবার বাড়ি কামাল উদ্দিনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায়, চন্দনাইশ থানায় এলাকায় এইরকম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা অপমৃত্যু মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়।এর আগেও ধোপাছড়িতে দুইটি হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটলেও চন্দনাইশ থানায় অপমৃত্যু মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়। এইসব হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কোনো তদন্ত রিপোর্ট আলোর মুখ দেখে না,ফলে মুল আসামিরা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে।

























