Dhaka , Saturday, 4 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অত্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত মধুপুরে সাবা স্কয়ার মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি আড়াইহাজারে কোটি টাকার ড্রেন বন্ধের মুখে, জনদুর্ভোগ চরমে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যা নারায়ণগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত আড়াইহাজারে পারিবারিক কলহের জেরে তরুণীর আত্মহত্যা একদিনের ব্যবধানে ৪ টা চুরি: পাইকগাছা পৌরসভায় চোর আতঙ্কে সাধারণ মানুষ নোয়াখালীতে মাদরাসা থেকে ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার শিক্ষার্থীকে বলৎকারের চেষ্টার অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার নোয়াখালীতে ছাদের পানির ট্যাংকে ডিজেল, ৭৫০ লিটার জব্দ মোটরসাইকেলের তেল আনতে গিয়ে তরুণের মৃত্যু ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে প্রবাসীর জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন। দীর্ঘ ভোগান্তির অবসান: পাইকগাছায় বাইপাস সড়ক সংস্কারে ইউএনও’র পদক্ষেপ মৌলভীবাজারে বিএনপি নেতার মরদেহ খাল থেকে উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য রূপগঞ্জে রনি নিট এন্ড কম্পোজিট ডাইয়িং কারখানার বর্জ্যে বিপর্যস্ত পরিবেশ অভিযোগের পরও নীরব ভূমিকায় প্রশাসন রাতের আধারে বিষ ঢালছে কারখানা- মরছে মাছ! দূর্গন্ধে অতিষ্ট জনজীবন সাভারের আশুলিয়ায় রণক্ষেত্রের চিত্র: আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও গুলি বিনিময়—এলাকাজুড়ে চরম আতঙ্ক বাংলাদেশ ফেয়ার মাইন্ড ইউনাইটেড ফাউন্ডেশনের নতুন নেতৃত্বে রাকিব ও আব্দুল্লাহ রিহ্যাব নির্বাচন ২০২৬–২০২৮: স্বচ্ছতা ও টেকসই উন্নয়নের অঙ্গীকারে জাগরণ প্যানেলের প্রার্থীতা ঘোষণা স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতামুক্ত হচ্ছে প্রবর্তক মোড় এলাকা:- মেয়র বায়েজিদের অস্ত্রধারী শীর্ষ সন্ত্রাসী হত্যাকারী গলাকাটা বাচা আবারো সক্রিয় বৈশ্বিক সংকটেও জনস্বার্থে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায়নি সরকার: কুলাঘাটে ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু লালমনিরহাটে শিক্ষা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আধুনিক আশ্রয়কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ত্রাণমন্ত্রী সীমান্তে ১৫ বিজিবি’র তিন অভিযান: ৯টি ভারতীয় গরু ও চিনি জব্দ হাতীবান্ধায় জমি নিয়ে পারিবারিক বিবাদ: চাচাদের পিটুনিতে ভাতিজা খুনের অভিযোগ, একজন গ্রেফতার কলমাকান্দায় প্লাবিত হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ পরিদর্শনে ডেপুটি স্পিকার মা-বোনের সম্ভ্রমহানির সাথে যারা বেঈমানী করেন, তাদের রাজনীতি করার অধিকার নেই: বরকত উল্লাহ বুলু ঘোড়াশাল-পলাশ সারকারখানায় আবারও বন্ধ থাকার উৎপাদন শুরু নিরাপদ পানির নিশ্চয়তায় রামপুর কুবরিকান্দা যুব উন্নয়ন সমিতির উদ্যোগ ভূমি ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করতে হবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী মশা নিধনে মানবিক উদ্যোগ: ৬৬ নং ওয়ার্ডে আজিজুল হক আজিজের প্রশংসনীয় কার্যক্রম

খাল খননের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে জলাবদ্ধতা মুক্ত করা হবে:- মেয়র ডা. শাহাদাত

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 10:01:05 pm, Wednesday, 4 February 2026
  • 123 বার পড়া হয়েছে

ইসমাইল ইমন, চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রাম মহানগরীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে খাল খনন কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রবর্তিত খাল খনন কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় নগরীর প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ পুনরুদ্ধার করে জলাবদ্ধতা মুক্ত চট্টগ্রাম গড়ে তোলাই বর্তমান উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বুধবার নগরীর খুলশী লেকসিটি আবাসিক এলাকার কৈবল্যধামের পেছনে কালির ছড়া খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন। তিনি জানান, নগরীর খালগুলো দখল, ভরাট ও অপরিকল্পিত স্থাপনার কারণে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে দখলমুক্তকরণ ও নিয়মিত খনন—এই দুইটি কাজ একসঙ্গে চালানো হচ্ছে।
নগরীর জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম শহরের অন্যতম প্রধান সমস্যা এখন জলাবদ্ধতা। বর্ষা মৌসুম এলেই ফরিদার পাড়া, বহদ্দারহাট, চান্দগাঁও, বাকলিয়া, মুরাদপুরসহ বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। এই সমস্যা সমাধানে সিটি কর্পোরেশন খাল পুনরুদ্ধার, নালা পরিষ্কার এবং পানি প্রবাহের পথ উন্মুক্ত রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
“প্রাকৃতিক খালগুলোই ছিল চট্টগ্রামের পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম। সেগুলো পুনরুদ্ধার করা গেলে অল্প সময়ে জলাবদ্ধতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। কালির ছড়া খাল খনন তারই একটি অংশ। পর্যায়ক্রমে নগরীর সব গুরুত্বপূর্ণ খাল পরিষ্কার ও খনন করা হবে।”
তিনি জানান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) বর্তমানে নগরীর ৩৬টি খালে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং অবশিষ্ট ২১টি খাল পরিষ্কার ও খননের দায়িত্ব চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন গ্রহণ করবে। তবে শুধু খাল খনন করলেই হবে না—খাল রক্ষা, দখলমুক্ত রাখা এবং বর্জ্যমুক্ত রাখতে নাগরিকদের সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

খাল দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে কেউ যাতে খাল ভরাট বা দখল করতে না পারে সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, খাল ও নালায় পলিথিন, প্লাস্টিক এবং অন্যান্য আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে হবে। এসব বর্জ্যই জলাবদ্ধতার অন্যতম প্রধান কারণ। পলিথিনের কারণে অনেক স্থানে খালের পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, যা নগরবাসীর দুর্ভোগ বাড়িয়ে তুলছে।

দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির বিকল্প নেই মন্তব্য করে মেয়র বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন একটি কার্যকর ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গ্রামবাংলার কৃষি উন্নয়ন ও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যাপক খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। তার সেই দূরদর্শী উদ্যোগের ফলে এক সময় বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে গিয়েছিল। বর্তমান বাস্তবতায় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী করতে সেই ঐতিহাসিক কর্মসূচি পুনরায় কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা জরুরি।
তিনি আরও বলেন, খাল খননের মাধ্যমে একদিকে যেমন কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি সম্ভব, অন্যদিকে নগর ও গ্রামীণ এলাকায় জলাবদ্ধতা হ্রাস, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং পানি সংরক্ষণ কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের এই সময়ে পানিসম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব শর্মা, মেয়রের জলাবদ্ধতা নিরসন বিষয়ক উপদেষ্টা শাহরিয়ার খালেদ, নির্বাহী প্রকৌশলী আনু মিয়া, আবু তাহের, সিটি কর্পোরেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অত্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত

খাল খননের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে জলাবদ্ধতা মুক্ত করা হবে:- মেয়র ডা. শাহাদাত

আপডেট সময় : 10:01:05 pm, Wednesday, 4 February 2026

ইসমাইল ইমন, চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রাম মহানগরীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে খাল খনন কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রবর্তিত খাল খনন কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় নগরীর প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ পুনরুদ্ধার করে জলাবদ্ধতা মুক্ত চট্টগ্রাম গড়ে তোলাই বর্তমান উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বুধবার নগরীর খুলশী লেকসিটি আবাসিক এলাকার কৈবল্যধামের পেছনে কালির ছড়া খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন। তিনি জানান, নগরীর খালগুলো দখল, ভরাট ও অপরিকল্পিত স্থাপনার কারণে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে দখলমুক্তকরণ ও নিয়মিত খনন—এই দুইটি কাজ একসঙ্গে চালানো হচ্ছে।
নগরীর জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম শহরের অন্যতম প্রধান সমস্যা এখন জলাবদ্ধতা। বর্ষা মৌসুম এলেই ফরিদার পাড়া, বহদ্দারহাট, চান্দগাঁও, বাকলিয়া, মুরাদপুরসহ বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। এই সমস্যা সমাধানে সিটি কর্পোরেশন খাল পুনরুদ্ধার, নালা পরিষ্কার এবং পানি প্রবাহের পথ উন্মুক্ত রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
“প্রাকৃতিক খালগুলোই ছিল চট্টগ্রামের পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম। সেগুলো পুনরুদ্ধার করা গেলে অল্প সময়ে জলাবদ্ধতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। কালির ছড়া খাল খনন তারই একটি অংশ। পর্যায়ক্রমে নগরীর সব গুরুত্বপূর্ণ খাল পরিষ্কার ও খনন করা হবে।”
তিনি জানান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) বর্তমানে নগরীর ৩৬টি খালে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং অবশিষ্ট ২১টি খাল পরিষ্কার ও খননের দায়িত্ব চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন গ্রহণ করবে। তবে শুধু খাল খনন করলেই হবে না—খাল রক্ষা, দখলমুক্ত রাখা এবং বর্জ্যমুক্ত রাখতে নাগরিকদের সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

খাল দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে কেউ যাতে খাল ভরাট বা দখল করতে না পারে সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, খাল ও নালায় পলিথিন, প্লাস্টিক এবং অন্যান্য আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে হবে। এসব বর্জ্যই জলাবদ্ধতার অন্যতম প্রধান কারণ। পলিথিনের কারণে অনেক স্থানে খালের পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, যা নগরবাসীর দুর্ভোগ বাড়িয়ে তুলছে।

দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির বিকল্প নেই মন্তব্য করে মেয়র বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন একটি কার্যকর ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গ্রামবাংলার কৃষি উন্নয়ন ও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যাপক খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। তার সেই দূরদর্শী উদ্যোগের ফলে এক সময় বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে গিয়েছিল। বর্তমান বাস্তবতায় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী করতে সেই ঐতিহাসিক কর্মসূচি পুনরায় কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা জরুরি।
তিনি আরও বলেন, খাল খননের মাধ্যমে একদিকে যেমন কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি সম্ভব, অন্যদিকে নগর ও গ্রামীণ এলাকায় জলাবদ্ধতা হ্রাস, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং পানি সংরক্ষণ কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের এই সময়ে পানিসম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব শর্মা, মেয়রের জলাবদ্ধতা নিরসন বিষয়ক উপদেষ্টা শাহরিয়ার খালেদ, নির্বাহী প্রকৌশলী আনু মিয়া, আবু তাহের, সিটি কর্পোরেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় এলাকাবাসী।