Dhaka , Sunday, 3 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
মধুপুর ফুলবাগচালা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবেন মাসুদ রানা লক্ষ্মীপুরে ১৪ মাস পর কৃষক দল নেতার লাশ উত্তোলন হাতীবান্ধা ও ফুলবাড়ী সীমান্তে ১৫ বিজিবির সাঁড়াশি অভিযান: বিপুল পরিমাণ মাদক ও ভারতীয় পণ্য জব্দ “জলাবদ্ধতা নিরসনে নাগরিক সচেতনতার বিকল্প নেই” :- চসিক মেয়র উপকূলের হতদরিদ্র পরিবারের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হবে- পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ঢাকা আইনজীবী সমিতির ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হলেন অ্যাডভোকেট সোহেল খান ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হলেন কিশোরগঞ্জের খাইরুল ইসলাম। মধুপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক নিহত রূপগঞ্জে ছাত্তার জুট মিলস্ মডেল হাই স্কুল পূনঃনামকরণের প্রস্তাব জলাবদ্ধতা নিরসনে বাঁধ অপসারণ করা হচ্ছে, দ্রুতই হবে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির উন্নতি:- মেয়র ডা. শাহাদাত রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়িতে প্রতিবন্ধী ভাতার কার্যক্রম শুরু পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোনিবেশ করতে নতুন প্রজন্মকে উদ্বুূদ্ধ করতে হবে :- আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ মাগুরার ব্র্যাক নার্সারির উদ্যোগে পেঁপে চাষের আধুনিক পদ্ধতি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস–২০২৬” এর মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিভাবান শিক্ষার্থীরা নিজেদের মেধা ও দক্ষতা বিকাশের সুযোগ পাবে এবং ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম ও বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করবে”:- চসিক মেয়র ডা.শাহদাত হোসেন ​হরিপুরে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের হাতে আটক পাইকগাছায় অনলাইন জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে গদাইপুর ব্লাড ব্যাংকের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ এক ঝড়ে উড়ে গেল ঘর, খোলা আকাশেই দিন-রাত হত্যা করলো রামগঞ্জে লাশ মিললো হাজিগঞ্জে রূপগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি উদ্যোগে যুবশক্তি ও ছাত্রশক্তির সমন্বয়ে সদস্য সংগ্রহ ও আলোচনা সভা লালমনিরহাট ব্যাটালিয়নের অভিযানে সীমান্তে মাদকের বড় চালান জব্দ: গাঁজা ও সিরাপ উদ্ধার রূপগঞ্জে গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে খেলাধুলার বিকল্প নেই: মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু পাওনা টাকা চাওয়ায় রূপগঞ্জে ভাবি-ভাতিজাকে কুপিয়ে জখম রূপগঞ্জে পুকুরের পানিতে পড়ে দুই শিশুর মৃত্যু চিলমারীতে ২ বছরের শিশু আয়েশা হত্যার রহস্য উদঘাটন: দম্পতি গ্রেফতার, আদালতে স্বীকারোক্তি দুই দিন ধরে হাতিয়া রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ নোয়াখালীতে চাচাতো ভাইকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ১ সরাইলে মহান মে দিবস পালিত মডেলিংয়ে ধীরে ধীরে পরিচিত মুখ হচ্ছেন ঝালকাঠির জায়ান মেহেদী, পরিবারের বাধা পেরিয়ে স্বপ্নপূরণে দৃঢ় পদচারণা জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে সরকার আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ড প্রদাণের কথা ভাবছে-তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় (এএইউবি) উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতিতে আমূল পরিবর্তন আনবে: আসাদুল হাবিব দুলু

বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে নিয়ে কঠোর নির্যাতন করা হয়েছিলঃ রফিকুল ইসলাম জামাল

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:08:42 pm, Wednesday, 3 December 2025
  • 46 বার পড়া হয়েছে
মো. নাঈম হাসান ঈমন, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল বলেছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে নিয়ে কঠোর নির্যাতন, নিঃসঙ্গতা ও নানা ধরনের অত্যাচারের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা দুর্বল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তাঁকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র করা হলেও তিনি পিছু হটেননি। বরং দেশের গণতন্ত্র, জনগণের অধিকার ও ন্যায়বিচারের জন্য দীর্ঘ ১৭ বছর অবিচল থেকেছেন।
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজাপুর সদর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও দ্রুত সুস্থতা কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, আজ তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দেশের মানুষ তাঁর জন্য দোয়া করছে, আমরাও আজ দোয়া ও মিলাদের আয়োজন করেছি। সকলে তাঁর দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন—তিনি যেনো আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসেন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নেতৃত্ব দিতে পারেন। আমরা বিশ্বাস করি—আমাদের আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন—এই দোয়াই আমরা করি।
তিনি বলেন, এদেশে এখনো খালেদা জিয়াকে দরকার, এদেশে এখনো তারেক রহমানকে দরকার। দেশের মানুষ তাদের প্রতি এতটাই আস্থাশীল যে গণতন্ত্রের জন্য তারা যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত। এটাই প্রকৃত দেশপ্রেম—আর আমরা সেই দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়েই দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যেন আরও সুস্থ থাকেন, আরও দিন বেঁচে থাকেন, এবং তারেক রহমানকে দেশের ভবিষ্যৎ পরিচালনার দিকনির্দেশনা দিয়ে যেতে পারেন—এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। দেশের মানুষ যাতে আর নির্যাতনের শিকার না হয়, দেশের উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নত হয়—এই মহান লক্ষ্য নিয়েই খালেদা জিয়া সারাজীবন সংগ্রাম করে গেছেন বলেও উল্লেখ করেন জামাল।
তিনি বলেন, “আমরা লক্ষ কোটি মানুষ আজ আল্লাহর দরবারে হাত তুলেছি। আমরা দোয়া করি—আল্লাহ যাঁর দোয়া কবুল করেন তাঁর উছিলায় হলেও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে পূর্ণ সুস্থতা দান করুন এবং আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিন।”
ঐতিহাসিক প্রসঙ্গ তুলে রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আওয়ামী লীগ নেতারা যখন বিভিন্ন জায়গায় ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েছিলেন, তখন কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তাঁর এই ঘোষণার পর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বড় পরিকল্পনা গ্রহণ করে—জিয়াউর রহমানকে গ্রেফতার করা না গেলে তাঁর স্ত্রী-সন্তানকে আটক করে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার পরিকল্পনা হয়।
তিনি জানান, সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তাঁর দুই সন্তানকে গ্রেফতার করা হয়। পরে জিয়াউর রহমানকে একটি চিঠি পাঠানো হয়, যেখানে লেখা ছিল—“আপনি যদি আত্মসমর্পণ করেন, তাহলে আপনার স্ত্রী-সন্তানকে ফেরত পাবেন।” জিয়াউর রহমান দৃঢ় ভাষায় জবাব দেন—“আমরা যে যুদ্ধে নেমেছি, সেই যুদ্ধে আমরা জয়ী হবো। আমার স্ত্রী-সন্তানের কোনো ক্ষতি হলে পাকিস্তানের ১৬ লাখ সেনার কেউই সুস্থভাবে ফিরতে পারবে না।”
জামাল বলেন, এরপর ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে এক-এগারোর যে অধ্যায়—আমরা তা ভুলে যাইনি। ২০০৭ সালে ফখরুদ্দীন-মঈনুদ্দীন সরকারের সময়েও একই পদ্ধতিতে বেগম খালেদা জিয়ার দুই সন্তানকে জিম্মি করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তখনকার সেনাবাহিনী প্রধান পর্যন্ত বলেছিলেন—“আপনি দুই সন্তানকে নিয়ে দেশ ত্যাগ করুন, তাহলেই আপনাদের ভালো থাকবে।” কিন্তু খালেদা জিয়া জিয়াউর রহমানের মতোই দৃঢ় অবস্থানে বলেছিলেন—“দেশের মানুষের গণতন্ত্র ও অধিকারের জন্য আমি সন্তানদের কষ্ট মেনে নিলাম, কিন্তু দেশ ছেড়ে যাব না।”
তিনি বলেন, ১৯৭১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত জিয়া পরিবার নানা নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এই ত্যাগ-তিতিক্ষার ইতিহাস আমাদের ওপর দায়িত্ব দেয়—গণতন্ত্র রক্ষার পথকে আরও শক্তিশালী করার, এবং জাতীয় নেতৃত্বকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিকে আরও জোরালো করার। তারেক রহমান যেন নিরাপদে দেশে ফিরে এসে জাতিকে নেতৃত্ব দিতে পারেন—এই আমাদের সবার প্রত্যাশা। দোয়া মাহফিলে রাজাপুর উপজেলার বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিকদলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মধুপুর ফুলবাগচালা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবেন মাসুদ রানা

বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে নিয়ে কঠোর নির্যাতন করা হয়েছিলঃ রফিকুল ইসলাম জামাল

আপডেট সময় : 07:08:42 pm, Wednesday, 3 December 2025
মো. নাঈম হাসান ঈমন, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল বলেছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে নিয়ে কঠোর নির্যাতন, নিঃসঙ্গতা ও নানা ধরনের অত্যাচারের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা দুর্বল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তাঁকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র করা হলেও তিনি পিছু হটেননি। বরং দেশের গণতন্ত্র, জনগণের অধিকার ও ন্যায়বিচারের জন্য দীর্ঘ ১৭ বছর অবিচল থেকেছেন।
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজাপুর সদর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও দ্রুত সুস্থতা কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, আজ তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দেশের মানুষ তাঁর জন্য দোয়া করছে, আমরাও আজ দোয়া ও মিলাদের আয়োজন করেছি। সকলে তাঁর দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন—তিনি যেনো আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসেন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নেতৃত্ব দিতে পারেন। আমরা বিশ্বাস করি—আমাদের আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন—এই দোয়াই আমরা করি।
তিনি বলেন, এদেশে এখনো খালেদা জিয়াকে দরকার, এদেশে এখনো তারেক রহমানকে দরকার। দেশের মানুষ তাদের প্রতি এতটাই আস্থাশীল যে গণতন্ত্রের জন্য তারা যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত। এটাই প্রকৃত দেশপ্রেম—আর আমরা সেই দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়েই দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যেন আরও সুস্থ থাকেন, আরও দিন বেঁচে থাকেন, এবং তারেক রহমানকে দেশের ভবিষ্যৎ পরিচালনার দিকনির্দেশনা দিয়ে যেতে পারেন—এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। দেশের মানুষ যাতে আর নির্যাতনের শিকার না হয়, দেশের উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নত হয়—এই মহান লক্ষ্য নিয়েই খালেদা জিয়া সারাজীবন সংগ্রাম করে গেছেন বলেও উল্লেখ করেন জামাল।
তিনি বলেন, “আমরা লক্ষ কোটি মানুষ আজ আল্লাহর দরবারে হাত তুলেছি। আমরা দোয়া করি—আল্লাহ যাঁর দোয়া কবুল করেন তাঁর উছিলায় হলেও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে পূর্ণ সুস্থতা দান করুন এবং আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিন।”
ঐতিহাসিক প্রসঙ্গ তুলে রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আওয়ামী লীগ নেতারা যখন বিভিন্ন জায়গায় ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েছিলেন, তখন কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তাঁর এই ঘোষণার পর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বড় পরিকল্পনা গ্রহণ করে—জিয়াউর রহমানকে গ্রেফতার করা না গেলে তাঁর স্ত্রী-সন্তানকে আটক করে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার পরিকল্পনা হয়।
তিনি জানান, সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তাঁর দুই সন্তানকে গ্রেফতার করা হয়। পরে জিয়াউর রহমানকে একটি চিঠি পাঠানো হয়, যেখানে লেখা ছিল—“আপনি যদি আত্মসমর্পণ করেন, তাহলে আপনার স্ত্রী-সন্তানকে ফেরত পাবেন।” জিয়াউর রহমান দৃঢ় ভাষায় জবাব দেন—“আমরা যে যুদ্ধে নেমেছি, সেই যুদ্ধে আমরা জয়ী হবো। আমার স্ত্রী-সন্তানের কোনো ক্ষতি হলে পাকিস্তানের ১৬ লাখ সেনার কেউই সুস্থভাবে ফিরতে পারবে না।”
জামাল বলেন, এরপর ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে এক-এগারোর যে অধ্যায়—আমরা তা ভুলে যাইনি। ২০০৭ সালে ফখরুদ্দীন-মঈনুদ্দীন সরকারের সময়েও একই পদ্ধতিতে বেগম খালেদা জিয়ার দুই সন্তানকে জিম্মি করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তখনকার সেনাবাহিনী প্রধান পর্যন্ত বলেছিলেন—“আপনি দুই সন্তানকে নিয়ে দেশ ত্যাগ করুন, তাহলেই আপনাদের ভালো থাকবে।” কিন্তু খালেদা জিয়া জিয়াউর রহমানের মতোই দৃঢ় অবস্থানে বলেছিলেন—“দেশের মানুষের গণতন্ত্র ও অধিকারের জন্য আমি সন্তানদের কষ্ট মেনে নিলাম, কিন্তু দেশ ছেড়ে যাব না।”
তিনি বলেন, ১৯৭১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত জিয়া পরিবার নানা নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এই ত্যাগ-তিতিক্ষার ইতিহাস আমাদের ওপর দায়িত্ব দেয়—গণতন্ত্র রক্ষার পথকে আরও শক্তিশালী করার, এবং জাতীয় নেতৃত্বকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিকে আরও জোরালো করার। তারেক রহমান যেন নিরাপদে দেশে ফিরে এসে জাতিকে নেতৃত্ব দিতে পারেন—এই আমাদের সবার প্রত্যাশা। দোয়া মাহফিলে রাজাপুর উপজেলার বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিকদলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।