
পাবনা প্রতিনিধি:
পাবনার সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসার নামে এক নারী রোগীকে অজ্ঞান করে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালের এক পুরুষ কর্মচারীর বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি ঘটে শনিবার রাতে (১৮ অক্টোবর)। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পরবর্তীতে স্থায়ী জনতা ও এডওয়ার্ড কলেজের ছাত্রদের সঙ্গে হাসপাতাল স্টাফদের ধস্তাধস্তি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ, ডিবি ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে আসে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে এক নারী রোগীকে অজ্ঞান করার ইনজেকশন দেওয়ার পর হাসপাতালের এক পুরুষ স্টাফ তাঁর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে।
এ সময় রোগীর জ্ঞান ফিরে এলে তিনি ওই স্টাফের হাত চেপে ধরেন। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে রোগীর স্বজনরা বিষয়টি জানতে পারলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
অভিযোগ উঠেছে, বিষয়টি ধামাচাপা দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর স্বজনদের ভয়ভীতি দেখায়।
রোগীর স্বজনরা পুলিশকে খবর দিতে চাইলে হাসপাতালের কিছু ভাড়া করা মাস্তান (স্টাফ) উল্টো তাদের ওপর চড়াও হয়।
এতে স্থানীয় জনতা ও এডওয়ার্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে হাসপাতালটিতে ভাঙচুর শুরু করে।
খবর পেয়ে পাবনা সদর থানা পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে, অন্যান্য রোগীর স্বজনরাও হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা, অতিরিক্ত খরচ ও কর্তৃপক্ষের দুর্ব্যবহার নিয়ে নানা অভিযোগ তুলেছেন।
এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, রোগীর স্বজন ও স্থানীয় প্রভাবশালী একটি পক্ষ সমঝোতার চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে।
তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শ্লীলতাহানির অভিযোগে এখন পর্যন্ত হাসপাতালের তিন কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ঘটনাটি স্থানীয় মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে বিভিন্ন মহল।

























