Dhaka , Sunday, 10 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে জলাবদ্ধতা শীর্ষক সেমিনারে ডা. শাহাদাত হোসেন গাজীপুরে ৫ হত্যা: আগেই হত্যার হুমকি দিয়েছিল ফুরকান পাইকগাছায় অবৈধভাবে লবণ পানি উত্তোলনের প্রতিবাদে মানববন্ধন নির্বাচনী প্রতিটি প্রতিশ্রুতি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রূপগঞ্জে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেয়া বহু মামলার আসামি শামীম মিয়া কক্সবাজারে গ্রেফতার লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতার চাঁদাবাজি মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার পাইকগাছায় বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস পালন সীমান্তে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: লালমনিরহাটে ১৫ বিজিবির বিশেষ সতর্কতা ও মাইকিং মাহমুদ ক্যালিগ্রাফি সেন্টারের আয়োজনে হয়ে গেলো ব্যতিক্রমধর্মী ক্যালিগ্রাফি আর্ট ক্যাম্প যুদ্ধ থামলে বদলে যাবে বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণ: নতুন বিশ্বব্যবস্থার ইঙ্গিত রূপগঞ্জে রংতুলি ব্লাড ফাউন্ডেশনের ফ্রি ব্লাড গ্রুপ ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা ক্যাম্পিং চট্টগ্রামের মহেশখালীতে আশ বাজারের ১৬তম আউটলেট উদ্বোধন কে সি দে ইনস্টিটিউট অফিসার্স ক্লাবের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় সাধারণ সম্পাদক হলেন সাবেক জেলা নাজির জামাল উদ্দিন জনগণই দেশের মালিক, তাদের সেবা করাই সরকারের মূল লক্ষ্য:- প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি পদ পদবী নয়, দলের আদর্শ ধারণ করে জনগণের সেবাই প্রকৃত রাজনীতি:- ডা. শাহাদাত হোসেন নোয়াখালীতে ৪২ বোতল বিদেশি মদসহ ১১ মামলার আসামি গ্রেপ্তার স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে স্বামীর বাড়িতে অনশন কুড়িগ্রামের তরুণীর চিকিৎসার নামে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার পলাশে ইয়াবাসহ যুবক আটক চবির ঐতিহ্যবাহী আলাওল হলের নতুন প্রভোস্ট অধ্যাপক জামালুল আকবর চৌধুরী দুর্গাপুরে ‘মুসলিম হজ ট্যুরস’-এর হজযাত্রীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ ও উপহার প্রদান সম্ভাবনাময় সীমান্ত বাণিজ্য কেন্দ্র বাস্তবায়নে দ্রুত কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দাবি সম্পূর্ণ কুতুবপুর ইউনিয়নকে সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে স্মারকলিপি ও অবস্থান কর্মসূচি ফতুল্লায় পুলিশের অভিযানে বিপুল দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার, গ্রেফতার ১ মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র ও গুলাবারুদসহ ৪ জলদস্যু আটক চট্টগ্রামে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় দেড় হাজার মানুষের বিশাল যোগদান চট্টগ্রাম জেলার নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে মোঃ মাসুদ আলম বিপিএম’র দায়িত্বভার গ্রহণ রূপগঞ্জে খাল পুনঃখননের দাবিতে কৃষক-গ্রামবাসীর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ লালমনিরহাট সীমান্তে ১৫ বিজিবির অভিযানে মাদকসহ নারী কারবারি আটক রংপুর বিভাগের দুই জেলায় র‍্যাবের মাদকবিরোধী অভিযান: ৯৪ কেজি গাঁজা ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩

চট্টগ্রাম শাখা ড্যাবের অনুষ্ঠানে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন…….

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:04:32 pm, Sunday, 24 August 2025
  • 138 বার পড়া হয়েছে

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন ভূমিকা তুলে ধরে বিএনপি নেতা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, এ নেত্রীকে বাদ দিয়ে দেশের কোনো ইতিহাস রচিত হবে না।

তিনি বলেন, স্বৈরাচারী হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে যখন আওয়ামী লীগ থেকে শুরু করে জামায়াত ইসলামীসহ অন্যান্য দলগুলো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছিল, তখনই আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঘোষণা দিয়েছিলেন, এরশাদের সাথে কোনো নির্বাচনে বিএনপি যাবে না। ১৯৮৬ সালে চট্টগ্রামের লালদিঘীর ময়দানে খালেদা জিয়া এ ঘোষণা দেন। তখন শেখ হাসিনাও একই কথা বললেও ঢাকায় গিয়ে তিনি এরশাদের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেন। অথচ বেগম খালেদা জিয়া কখনো আপোষ করেননি।

তিনি শনিবার (২৩ আগষ্ট) বিকেলে নগরীর নাসিরাবাদ কনভেনশন হলে ড‍্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচন গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় চট্টগ্রাম শাখা ড্যাবের পক্ষ থেকে ভোটার এবং চট্টগ্রামের নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও বেগম খালেদা জিয়ার ৮০তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

চসিক মেয়র বলেন, শেখ হাসিনা ও জামায়াতে ইসলাম নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কারণেই এরশাদের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত হয়েছিল। অন্যথায় এরশাদের পতন ১৯৮৬ সালেই হতো।

তিনি বলেন, ১৯৮৮ সালেও আন্দোলনের মুখে এরশাদ নির্বাচনের ঘোষণা দিলে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের কারণে। এর পরপরই আন্দোলন জোড়দার হয়। সেসময় আমি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল ছাত্রদলের সভাপতি ছিলাম।

খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ছাত্রদলের প্রভাব বৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরে শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, বুয়েট, চুয়েট, ঢাকা মেডিক্যাল, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব ব্রিলিয়ান্ট ইনস্টিটিউশনে ছাত্রদলের জয়জয়কার দেখা গেছে। এমনকি ডাকসু নির্বাচনে আমান-খোকনের প্যানেল নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে।

তিন বলেন, ২৭ নভেম্বর নুর হোসেন, মোজাম্মেল, জিয়াদসহ অনেকে শহীদ হয়েছেন। বিএমএর যুগ্ম সম্পাদক ডা. মিলন গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন, অথচ আওয়ামী লীগের মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন তার পাশে থেকেও অক্ষত ছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদের পতন ঘটে।

বিএনপির এ নেতা বলেন, এই প্রক্রিয়ায় যদি বেগম খালেদা জিয়া ভূমিকা না রাখতেন তাহলে এরশাদের পতন এত সহজে সম্ভব হতো না। আর ১৯৯১ সালে জনগণ ভুল করেনি, খালেদা জিয়ার গলায় বিজয়ের মালা পড়িয়ে দিয়েছিল।

তিনি ১/১১ এর সময়কার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, মাইনাস টু ফর্মূলা বাস্তবায়নের জন্য শেখ হাসিনাকে বিদেশে পাঠানো হয়। সে সময় মনের আনন্দে হাতে মেহেদি নিয়ে তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়াকে বলা হলেও তিনি দেশ ত্যাগ করেননি। তিনি বলেছিলেন ‘যদি বাঁচতে হয় এ দেশেই বাঁচব, মরতে হলে এ দেশেই মরব।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা কুকর্মের বৈধতা দিতে রাজি হওয়ায় ২০০৮ সালে তাঁকে ক্ষমতায় বসানো হয়। আর খালেদা জিয়া বৈধতা দিতে রাজি হননি। এজন্যই ১৬ বছর ধরে নির্বিচারে হত্যা, গুম, মামলা হামলা চলছে।

মানুষের অধিকার আদায়ে কথা বলার কারণে খালেদা জিয়াকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় জেলে ঢোকানো হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষের অধিকার, ভোটের অধিকার, মানবাধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, খাবার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বেঁচে থাকার অধিকারের কথা বলতে গিয়ে তাঁকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় জেলে ঢোকানো হয়েছে, গৃহবন্দি রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আল্লাহ যাকে সম্মান দিতে চান তাকেই সম্মান দেন। রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনার বিপরীতে খালেদা জিয়া রানীর মতো বিদেশে গেছেন, রানীর মতো সম্মান নিয়ে দেশে ফিরেছেন।

আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশনায়ক তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় এনে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করি।

ড্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহবায়ক ডা. এস এম সারোয়ার আলমের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ডা. রিফাত কামাল রনির পরিচালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন ড‍্যাব চমেক শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. জসিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. তমিজ উদ্দীন আহমেদ মানিক, মহানগর শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আব্বাস উদ্দীন, উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আলীম, চমেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. জসীম উদ্দীন, ডা. এম এ মান্নান, অধ‍্যাপক ডা. আনোয়ারুল হক চোধুরী, অধ‍্যাপক ডা. মো. আব্দুল মোত্তালিব, অধ্যাপক ডা. ইকবাল হোসেন, ডা. সুকান্ত ভট্টাচার্য, ডা. কামরুন নাহার দস্তগীর, ডা. মো. ইব্রাহিম চৌধুরী, রাঙামাটি জেলা ড‍্যাবের সভাপতি ডা. নীলু কুমার তন্চংগ‍্যা, জেলা ড‍্যাবের সাধারণ সম্পাদক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, ড্যাব নেতা ডা. মো. টিপু সুলতান, ডা. জীবক চাকমা, অধ্যাপক ডা. অজয় দেব, ডা. আনিসুল হোসেন বাবুল, ডা. জোনায়েদ মাহমুদ খান, ডা. মো. আইউব, ডা. মো. ইয়াসিন, ডা. মোস্তাফিজুর রহমান নাহিদ, ডা. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, অধ্যাপক ডা. রাশেদ মীরজাদা, ডা. শাহাদাত হোসেন, ডা. জিনাত আরা চৌধুরী, ডা. এস মুজিবুর রহমান, ডা. ফিরোজ খান, ডা. মনোজ কুমার বড়ুয়া, ডা. আলী আজগর চৌধুরী, ডা. একেএম আশরাফুল করিম, ডা. শিহাবুল ইসলাম, ডা. জামাল হোসেন, ডা. এনামুল হক, ডা. মাফরুহা খানম পরাগ, ডা. হোসনে আরা বেগম, ডা. মোতাহার হোসেন, ডা. আবদুর রাজ্জাক শিকদার, ডা. রাসেল ফরিদ চৌধুরী, ডা. মিজানুর রহমান, ডা. তৌহিদুর রহমান, ডা. শোয়েবুল করিম পিউ, ডা. আকরাম হোসেন, ডা. মিনহাজ রানা, ডা. শাহনেওয়াজ সিরাজ মামুন, অধ্যাপক ডা. সুলতানা রুমা আলম, ডা. মাজেদ সুলতান, ডা. মো. রিজওয়ানুল হক, ডা. রাহাত খান অন্জন, ডা. রাশেদুল হাসান, অধ্যাপক ডা. ময়নাল হোসেন, ডা. নাজমুল মোরশেদ, ডা. এরশাদুল হক, ডা. মো. মিনহাজুল আলম, ডা. মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, ডা. তানভীর হাবিব তান্না, ডা. ইফতেখার মো. আদনান, ডা. ফারাহ মাবুদ সিলভী, ডা. সালমা আক্তার শিমু, ডা. চিন্ময় বড়ুয়া, ডা. মো. মোদ্দাচ্ছির রহমান, ডা. মো. মইনুদ্দিন, ডা. জোনায়েদ রায়হান, ডা. রিয়াসাদ শাহাবুদ্দিন, ডা. সাদ্দাম হোসেন, ডা. মেহেদি হাসান, ডা. মাহমুদ হোসেন, ডা. তারেকুল ইসলাম জনি, ডা. মো. জায়েদ, ডা. সাদ্দাম হোসেন, ডা. ইয়াসির আরাফাত, ডা. জাহেদুল আলম ইমন, ডা. গিয়াস উদ্দিন নয়ন প্রমূখ।

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম
০১৮১০২৮৪১৯২

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে জলাবদ্ধতা শীর্ষক সেমিনারে ডা. শাহাদাত হোসেন

চট্টগ্রাম শাখা ড্যাবের অনুষ্ঠানে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন…….

আপডেট সময় : 04:04:32 pm, Sunday, 24 August 2025

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন ভূমিকা তুলে ধরে বিএনপি নেতা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, এ নেত্রীকে বাদ দিয়ে দেশের কোনো ইতিহাস রচিত হবে না।

তিনি বলেন, স্বৈরাচারী হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে যখন আওয়ামী লীগ থেকে শুরু করে জামায়াত ইসলামীসহ অন্যান্য দলগুলো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছিল, তখনই আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঘোষণা দিয়েছিলেন, এরশাদের সাথে কোনো নির্বাচনে বিএনপি যাবে না। ১৯৮৬ সালে চট্টগ্রামের লালদিঘীর ময়দানে খালেদা জিয়া এ ঘোষণা দেন। তখন শেখ হাসিনাও একই কথা বললেও ঢাকায় গিয়ে তিনি এরশাদের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেন। অথচ বেগম খালেদা জিয়া কখনো আপোষ করেননি।

তিনি শনিবার (২৩ আগষ্ট) বিকেলে নগরীর নাসিরাবাদ কনভেনশন হলে ড‍্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচন গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় চট্টগ্রাম শাখা ড্যাবের পক্ষ থেকে ভোটার এবং চট্টগ্রামের নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও বেগম খালেদা জিয়ার ৮০তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

চসিক মেয়র বলেন, শেখ হাসিনা ও জামায়াতে ইসলাম নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কারণেই এরশাদের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত হয়েছিল। অন্যথায় এরশাদের পতন ১৯৮৬ সালেই হতো।

তিনি বলেন, ১৯৮৮ সালেও আন্দোলনের মুখে এরশাদ নির্বাচনের ঘোষণা দিলে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের কারণে। এর পরপরই আন্দোলন জোড়দার হয়। সেসময় আমি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল ছাত্রদলের সভাপতি ছিলাম।

খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ছাত্রদলের প্রভাব বৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরে শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, বুয়েট, চুয়েট, ঢাকা মেডিক্যাল, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব ব্রিলিয়ান্ট ইনস্টিটিউশনে ছাত্রদলের জয়জয়কার দেখা গেছে। এমনকি ডাকসু নির্বাচনে আমান-খোকনের প্যানেল নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে।

তিন বলেন, ২৭ নভেম্বর নুর হোসেন, মোজাম্মেল, জিয়াদসহ অনেকে শহীদ হয়েছেন। বিএমএর যুগ্ম সম্পাদক ডা. মিলন গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন, অথচ আওয়ামী লীগের মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন তার পাশে থেকেও অক্ষত ছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদের পতন ঘটে।

বিএনপির এ নেতা বলেন, এই প্রক্রিয়ায় যদি বেগম খালেদা জিয়া ভূমিকা না রাখতেন তাহলে এরশাদের পতন এত সহজে সম্ভব হতো না। আর ১৯৯১ সালে জনগণ ভুল করেনি, খালেদা জিয়ার গলায় বিজয়ের মালা পড়িয়ে দিয়েছিল।

তিনি ১/১১ এর সময়কার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, মাইনাস টু ফর্মূলা বাস্তবায়নের জন্য শেখ হাসিনাকে বিদেশে পাঠানো হয়। সে সময় মনের আনন্দে হাতে মেহেদি নিয়ে তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়াকে বলা হলেও তিনি দেশ ত্যাগ করেননি। তিনি বলেছিলেন ‘যদি বাঁচতে হয় এ দেশেই বাঁচব, মরতে হলে এ দেশেই মরব।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা কুকর্মের বৈধতা দিতে রাজি হওয়ায় ২০০৮ সালে তাঁকে ক্ষমতায় বসানো হয়। আর খালেদা জিয়া বৈধতা দিতে রাজি হননি। এজন্যই ১৬ বছর ধরে নির্বিচারে হত্যা, গুম, মামলা হামলা চলছে।

মানুষের অধিকার আদায়ে কথা বলার কারণে খালেদা জিয়াকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় জেলে ঢোকানো হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষের অধিকার, ভোটের অধিকার, মানবাধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, খাবার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বেঁচে থাকার অধিকারের কথা বলতে গিয়ে তাঁকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় জেলে ঢোকানো হয়েছে, গৃহবন্দি রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আল্লাহ যাকে সম্মান দিতে চান তাকেই সম্মান দেন। রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনার বিপরীতে খালেদা জিয়া রানীর মতো বিদেশে গেছেন, রানীর মতো সম্মান নিয়ে দেশে ফিরেছেন।

আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশনায়ক তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় এনে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করি।

ড্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহবায়ক ডা. এস এম সারোয়ার আলমের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ডা. রিফাত কামাল রনির পরিচালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন ড‍্যাব চমেক শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. জসিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. তমিজ উদ্দীন আহমেদ মানিক, মহানগর শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আব্বাস উদ্দীন, উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আলীম, চমেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. জসীম উদ্দীন, ডা. এম এ মান্নান, অধ‍্যাপক ডা. আনোয়ারুল হক চোধুরী, অধ‍্যাপক ডা. মো. আব্দুল মোত্তালিব, অধ্যাপক ডা. ইকবাল হোসেন, ডা. সুকান্ত ভট্টাচার্য, ডা. কামরুন নাহার দস্তগীর, ডা. মো. ইব্রাহিম চৌধুরী, রাঙামাটি জেলা ড‍্যাবের সভাপতি ডা. নীলু কুমার তন্চংগ‍্যা, জেলা ড‍্যাবের সাধারণ সম্পাদক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, ড্যাব নেতা ডা. মো. টিপু সুলতান, ডা. জীবক চাকমা, অধ্যাপক ডা. অজয় দেব, ডা. আনিসুল হোসেন বাবুল, ডা. জোনায়েদ মাহমুদ খান, ডা. মো. আইউব, ডা. মো. ইয়াসিন, ডা. মোস্তাফিজুর রহমান নাহিদ, ডা. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, অধ্যাপক ডা. রাশেদ মীরজাদা, ডা. শাহাদাত হোসেন, ডা. জিনাত আরা চৌধুরী, ডা. এস মুজিবুর রহমান, ডা. ফিরোজ খান, ডা. মনোজ কুমার বড়ুয়া, ডা. আলী আজগর চৌধুরী, ডা. একেএম আশরাফুল করিম, ডা. শিহাবুল ইসলাম, ডা. জামাল হোসেন, ডা. এনামুল হক, ডা. মাফরুহা খানম পরাগ, ডা. হোসনে আরা বেগম, ডা. মোতাহার হোসেন, ডা. আবদুর রাজ্জাক শিকদার, ডা. রাসেল ফরিদ চৌধুরী, ডা. মিজানুর রহমান, ডা. তৌহিদুর রহমান, ডা. শোয়েবুল করিম পিউ, ডা. আকরাম হোসেন, ডা. মিনহাজ রানা, ডা. শাহনেওয়াজ সিরাজ মামুন, অধ্যাপক ডা. সুলতানা রুমা আলম, ডা. মাজেদ সুলতান, ডা. মো. রিজওয়ানুল হক, ডা. রাহাত খান অন্জন, ডা. রাশেদুল হাসান, অধ্যাপক ডা. ময়নাল হোসেন, ডা. নাজমুল মোরশেদ, ডা. এরশাদুল হক, ডা. মো. মিনহাজুল আলম, ডা. মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, ডা. তানভীর হাবিব তান্না, ডা. ইফতেখার মো. আদনান, ডা. ফারাহ মাবুদ সিলভী, ডা. সালমা আক্তার শিমু, ডা. চিন্ময় বড়ুয়া, ডা. মো. মোদ্দাচ্ছির রহমান, ডা. মো. মইনুদ্দিন, ডা. জোনায়েদ রায়হান, ডা. রিয়াসাদ শাহাবুদ্দিন, ডা. সাদ্দাম হোসেন, ডা. মেহেদি হাসান, ডা. মাহমুদ হোসেন, ডা. তারেকুল ইসলাম জনি, ডা. মো. জায়েদ, ডা. সাদ্দাম হোসেন, ডা. ইয়াসির আরাফাত, ডা. জাহেদুল আলম ইমন, ডা. গিয়াস উদ্দিন নয়ন প্রমূখ।

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম
০১৮১০২৮৪১৯২