Dhaka , Sunday, 17 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুর পর চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ২ তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুনভাবে জাগরণ সৃষ্টি করেছি: এ্যানি সংকট মোকাবিলায় মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে কাঠামোগত সমন্বয় এখন সময়ের দাবি: মালয়েশিয়ায় গোলাম পরওয়ার চট্টগ্রামের কষ্ট দূর করাই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার :- অর্থমন্ত্রী আমির খসরু চট্টগ্রামের কষ্ট দূর করাই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার :- অর্থমন্ত্রী আমির খসরু ট্রাম্প-শি শীর্ষ সম্মেলন : কার জয়, কার পরাজয় নাকি ড্র? কোরবানির হাটে এবার দরপতন, রাজস্ব হারানোর শঙ্কায় চসিক হাম ও উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু কৃষককে পাশে বসিয়ে সুখ-দুঃখের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর ৪নং স্পার বাঁধে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: গোসল করতে নেমে দুই মেধাবী ছাত্রের প্রাণহানি আপনিই আমাকে মুখ্যমন্ত্রী করেছেন: মিঠুনকে শুভেন্দু ১৮ মিলিয়ন ডলারে মার্কিন মামলা মেটাচ্ছেন আদানি ৭ সতর্কবার্তা- যে কারণে আজ থেকেই নেক আমল করার তাগিদ দিলেন রাসুল (সা.) শরীয়তপুরে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকের ওপর হামলা, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় প্রেরণ ব্যক্তির চেয়ে দেশ বড়”— শহীদ জিয়ার এই দর্শন বুকে নিয়েই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন:- ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল রিয়াল মাদ্রিদে আগুন, ‘গ্রুপিং’ সমস্যা প্রকাশ্যে ট্রাম্পের উঁকি দেওয়া নোটবুকটি আসলে কার, যা জানা গেল স্বামীকে হত্যার পর হাড়-মাংস আলাদা করে রাখতে যান ফ্রিজে সন্ধ্যার মধ্যে ৭ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা চৌমুহনীতে আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে জামায়াতে ইসলামী ; নগদ টাকা ও খাদ্য সামগ্রী সহায়তা প্রদান চুরির মামলার আসামির মৃত্যু কারাগারে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে পলাশে যুবক গ্রেপ্তার রূপগঞ্জ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ও শীতলক্ষ্যার ঘাটে ঘাটে আবর্জনার স্তুপ \ পঁচা-দুর্গন্ধে বিপর্যস্ত পরিবেশ  রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি, নগদ টাকা-স্বর্ণালংকার লুট রূপগঞ্জে পৃথক স্থান থেকে নারী-পুরুষের মরদেহ উদ্ধার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের চুক্তি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য জামায়াত আমিরের ইরান-আমিরাত সমঝোতায় ভারতের মধ্যস্থতা চায় রাশিয়া উন্নয়নমূলক কাজের মানে কাউকে ছাড় নয়: ডেপুটি স্পিকার রূপগঞ্জে পৃথক স্থান থেকে নারী-পুরুষের মরদেহ উদ্ধার আম গাছ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

মৃত মুরগী নিয়ে থানার সামনে কাঁদলেন বিচার প্রত্যাশী বৃদ্ধা রশিদা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 12:15:51 pm, Sunday, 6 April 2025
  • 126 বার পড়া হয়েছে

মৃত মুরগী নিয়ে থানার সামনে কাঁদলেন বিচার প্রত্যাশী বৃদ্ধা রশিদা

তৌহিদুল ইসলাম চঞ্চল, বিশেষ প্রতিনিধি 
লালমনিরহাট সদর থানার সামনে ৫ টি মৃত মুরগী নিয়ে হাজির হন বৃদ্ধা রশিদা বেগম। সে সময় তার কান্না দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন থানা চত্বরে উপস্থিত লোকজন ও সদর থানার দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা।
শনিবার-৫ এপ্রিল- বিকেলে ঘটা এই হৃদয় বিদারক ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন লালমনিরহাটের প্রবীণ সাংবাদিক জিন্নাতুল ইসলাম জিন্না। পরে তার ধারণকৃত সেই ভিডিও তিনি ফেসবুকে পোস্ট করলে বিষয়টিতে দুঃখপ্রকাশ করেন অনেকেই।
 
জানা যায়, রশিদা বেগম লালমনিরহাট সদর উপজেলার গোকুন্ডা ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকার বাসিন্দা। তিনি ভিক্ষা করে মানুষের দেয়া টাকায় চারটি মুরগি কেনেন। আপন সন্তানের মতো মুরগীগুলোর যত্ন নিতেন। বাচ্চাসহ তার মোট এগারটি মুরগী ছিল। শনিবার সকালে তিনি মুরগীগুলোকে খাবার দেয়ার পর সেগুলোকে বাড়ির উঠোনে ছেড়ে দেন। প্রতিবেশী একজনকে মুরগীগুলো দেখে রাখতে বলে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। পরে বাড়ি ফিরে দেখেন যে তার সবগুলো মুরগী মারা গেছে। তখন তিনি প্রমাণ স্বরূপ ৫ টি মুরগী নিয়ে থানায় আসেন। থানায় এসেই করুন সুরে কাঁদতে থাকেন।
রশিদা বেগম বলেন, “ভিক্ষা করে মুরগীগুলো কিনেছিলাম। শুত্রুতা করে কেউ মেরে ফেলেছে। কিন্তু কে মেরেছে তা জানিনা। এগুলোই আমার সম্বল ছিল । ডিম বিক্রি করে কিছু টাকা আয় হতো। কিছু ডিম থেকে বাচ্চা ফুটিয়ে সেগুলোকে বড় করার ইচ্ছা ছিল। আমি গরীব মানুষ কার কি ক্ষতি করেছি যে আমার এই মুরগীগুলোকে মেরে ফেললো? আমি এর বিচার চাই। তাই মৃত ৫ টি মুরগী নিয়ে থানায় এসেছি।”
এ বিষয়ে সদর থানার ওসি মোহাম্মদ নুরনবী বলেন, “রশিদা বেগম ৫টি মৃত মুরগি নিয়ে বিচার চাইতে এসেছেন। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়েছি। তবে তিনি কোনো অভিযোগ দায়ের করেননি। আল্লাহর কাছে বিচার দিয়ে চলে যান।
ওসি আরও বলেন, “মুরগীগুলোর মৃত্যুর কারণ জানতে অনুসন্ধান করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে ভুক্তভোগী নারীর সন্দেহভাজন ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনা করে তদন্ত কার্যক্রম চলছে। প্রয়োজনে মৃত মুরগিগুলোর ময়নাতদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রাণীসম্পদ বিভাগে পাঠানো হবে। এক্ষেত্রে কেউ দায়ী হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুর পর চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ২

মৃত মুরগী নিয়ে থানার সামনে কাঁদলেন বিচার প্রত্যাশী বৃদ্ধা রশিদা

আপডেট সময় : 12:15:51 pm, Sunday, 6 April 2025
তৌহিদুল ইসলাম চঞ্চল, বিশেষ প্রতিনিধি 
লালমনিরহাট সদর থানার সামনে ৫ টি মৃত মুরগী নিয়ে হাজির হন বৃদ্ধা রশিদা বেগম। সে সময় তার কান্না দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন থানা চত্বরে উপস্থিত লোকজন ও সদর থানার দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা।
শনিবার-৫ এপ্রিল- বিকেলে ঘটা এই হৃদয় বিদারক ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন লালমনিরহাটের প্রবীণ সাংবাদিক জিন্নাতুল ইসলাম জিন্না। পরে তার ধারণকৃত সেই ভিডিও তিনি ফেসবুকে পোস্ট করলে বিষয়টিতে দুঃখপ্রকাশ করেন অনেকেই।
 
জানা যায়, রশিদা বেগম লালমনিরহাট সদর উপজেলার গোকুন্ডা ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকার বাসিন্দা। তিনি ভিক্ষা করে মানুষের দেয়া টাকায় চারটি মুরগি কেনেন। আপন সন্তানের মতো মুরগীগুলোর যত্ন নিতেন। বাচ্চাসহ তার মোট এগারটি মুরগী ছিল। শনিবার সকালে তিনি মুরগীগুলোকে খাবার দেয়ার পর সেগুলোকে বাড়ির উঠোনে ছেড়ে দেন। প্রতিবেশী একজনকে মুরগীগুলো দেখে রাখতে বলে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। পরে বাড়ি ফিরে দেখেন যে তার সবগুলো মুরগী মারা গেছে। তখন তিনি প্রমাণ স্বরূপ ৫ টি মুরগী নিয়ে থানায় আসেন। থানায় এসেই করুন সুরে কাঁদতে থাকেন।
রশিদা বেগম বলেন, “ভিক্ষা করে মুরগীগুলো কিনেছিলাম। শুত্রুতা করে কেউ মেরে ফেলেছে। কিন্তু কে মেরেছে তা জানিনা। এগুলোই আমার সম্বল ছিল । ডিম বিক্রি করে কিছু টাকা আয় হতো। কিছু ডিম থেকে বাচ্চা ফুটিয়ে সেগুলোকে বড় করার ইচ্ছা ছিল। আমি গরীব মানুষ কার কি ক্ষতি করেছি যে আমার এই মুরগীগুলোকে মেরে ফেললো? আমি এর বিচার চাই। তাই মৃত ৫ টি মুরগী নিয়ে থানায় এসেছি।”
এ বিষয়ে সদর থানার ওসি মোহাম্মদ নুরনবী বলেন, “রশিদা বেগম ৫টি মৃত মুরগি নিয়ে বিচার চাইতে এসেছেন। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়েছি। তবে তিনি কোনো অভিযোগ দায়ের করেননি। আল্লাহর কাছে বিচার দিয়ে চলে যান।
ওসি আরও বলেন, “মুরগীগুলোর মৃত্যুর কারণ জানতে অনুসন্ধান করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে ভুক্তভোগী নারীর সন্দেহভাজন ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনা করে তদন্ত কার্যক্রম চলছে। প্রয়োজনে মৃত মুরগিগুলোর ময়নাতদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রাণীসম্পদ বিভাগে পাঠানো হবে। এক্ষেত্রে কেউ দায়ী হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।