Dhaka , Sunday, 11 January 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে উত্তেজনা অনুপ্রবেশকারী ৫৩ জন বিদ্রোহী আটক মধুপুরে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে ক্ষমতাকে আমানত হিসেবে রাখবো:- আবু সুফিয়ান লালমনিরহাটে বিষমুক্ত সবজি চাষে নারী সমবায়ীদের বাজিমাত ঝালকাঠিতে শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বীর জামায়াতে যোগদান বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে তীব্র উত্তেজনা : গুলিতে শিশু নিহত  নোয়াখালীতে থানার পাশে সুপার মার্কেট থেকে চুরি, ৯ ভরি স্বর্ণালংকারসহ গ্রেপ্তার-৩   সাহসিকতা ও দুঃসাহসিক ভূমিকার স্বীকৃতি পেলেন ঢাবি’র আহসান  নোয়াখালীতে রোলার চাপায় শিশুর মৃত্যু রোগের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় সরাইল সাংবাদিক ইউনিয়নের দোয়া মাহফিল রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুই গ্রুপে গোলাগুলি ডজন মামলার আসামি কামাল নিহত “এতিম শিশু ও শীতার্ত মানুষের পাশে মহিউদ্দিন স্মৃতি ফাউন্ডেশন” ইবিতে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে হিন্দি গান, শিক্ষকের নিন্দা ও প্রতিবাদ রাজধানীতে প্রশ্নফাঁস ও ডিজিটাল জালিয়াতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ: পাঁচ দফা দাবিতে উত্তাল রাজধানী শেয়ার ব্যবসায় বন্ধু কাছে প্রতারিত শাহিন, লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণের বোঝা নিয়ে মৃত্যু আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা এলাকা থেকে তিন শিশু উদ্ধার, সমাজসেবা অধিদপ্তরের হেফাজতে মিয়ানমারের সংঘর্ষের গুলি সীমান্ত পেরিয়ে টেকনাফে, নিহত ৭ বছরের শিশু আফনান জুলাই বিপ্লবের শহীদ ওয়াসিম আকরামের স্মরণে গ্রাফিতি উন্মোচন, শহীদ আহসান হাবিবের কবর জিয়ারতে পুলিশ সুপার ফতুল্লায় মর্ডান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের শুভ উদ্বোধন আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফতুল্লায় সংঘর্ষ, চকলেট বোমা বিস্ফোরণ; ৮ জন আটক পাইকগাছায় বিভিন্ন মাদ্রাসায় ইউএনও’র শীতবস্ত্র বিতরণ গাজীপুরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সংস্কৃতিই মানুষে-মানুষে সেতুবন্ধ রচনা করতে পারে: তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ১২ জানুয়ারির মধ্যেই জামায়াত জোটের চূড়ান্ত আসন বণ্টনের সম্ভাবনা-নাহিদ ইসলাম প্রার্থিতা ফিরে পেলেন টাঙ্গাইল-১ আসনের মোহাম্মদ আলী পাইকগাছায় পুলিশ সুপারের মতবিনিময় ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে নতুন আঙ্গিকে ‘ফেস রিকগনিশন’ প্রযুক্তি চালু মোংলা পৌর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হলেন ইমান হোসেন রিপন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে শতাধিক গণমাধ্যম কর্মচারীদের মাঝে কম্বল বিতরণ

লালপুরে ৩২৭তম গোসাই আশ্রমে ২ দিনব্যাপী নবান্ন উৎসব।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 10:59:32 am, Wednesday, 4 December 2024
  • 116 বার পড়া হয়েছে

লালপুরে ৩২৭তম গোসাই আশ্রমে ২ দিনব্যাপী নবান্ন উৎসব।।

আবু তালেব
লালপুর -নাটোর- প্রতিনিধি।।
   
   
নাটোরের লালপুরে দুইদিন ব্যাপী নবান্ন উৎসব শুরু হয়েছে। ঐতিহ্যের এক অন্যতম নিদর্শন শ্রী. ফকির চন্দ্র গোসাইয়ের আশ্রম। প্রায় সোয়া ৩০০ বছরের পুরনো এই আশ্রম। অশ্রমের অন্যতম প্রধান উৎসব হলো নবান্ন। হাজারো ভক্তবৃন্দ ও দর্শনার্থীদের পদচারণায় উৎসবমুখর পরিবেশে মুখরিত হয়ে উঠেছে এই অংশ্রমস্থল।
মঙ্গলবার -৩ ডিসেন্বর ২০২৪- উপজেলার দুড়দুড়িয়া ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুরে সকালে  আশ্রম কমিটির সভাপতি শ্রী সঞ্জয় কুমারের সভাপত্বিতে আশ্রমের কার্যক্রম শুরু হয়েছে- দুপুরে অতিথী ছিলেন- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা-ইউএনও-মেহেদী হাসান- সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা মাহমুদ- লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা -ওসি- নুরুজ্জামান-
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন কমিটির নাটোর জেলা সভাপতি প্রসাদ কুমার বাচ্চা সরকার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ভক্ত ও দর্শনার্থীবৃন্দ ।
আশ্রম এলাকা ঘুরে ভক্ত ও সেবাইতদের সাথে কথা বলে জানাযায় নারী পুরুষ নির্বিশেষে ভক্তরা আশ্রমে পৌঁছেই শ্রী শ্রী ফকির চাঁদ বৈষ্ণব গোসাইজী ও তার শিষ্য সাধু বৃন্দের সমাধীতে ভক্তি শ্রদ্ধা জানান। ভক্তরা আশ্রমের উন্নয়নে সাধ্যমত দান করছেন। নি:সন্তান বন্ধ্যা মহিলারা আশ্রমের অক্ষয় তলা নামক স্থানে বটগাছের নিচে সদ্য শেষে ভেজা কাপড়ে বসে আঁচল বিছিয়ে সন্তান লাভের জন্য ভীখ মাংগছেন। কথিত আছে যদি গাছের ফল বা পাতা আঁচলের ওপর পড়ে তাহলে নি:সন্তান নারী সন্তান লাভ করবে। আশ্রম প্রাঙ্গনে দুপুরে সারিবদ্ধভাবে বসে গোসাইজীর ভক্তরা কলার পাতায় করে খিচুড়ি, পাঁচ তরকারী ও পায়েশ ভক্ষণ করেন। 
আশ্রমের প্রধান সেবাইত শ্রী পরমানান্দ সাধু জানান, বাংলা ১২১৭ সালে উপজেলা সদর থেকে আট কিলো মিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে দুড়দুড়িয়ার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের গহীন অরণ্যে একটি বটগাছের নিচে আস্তানা স্থাপন করেন ফকির চাঁদ বৈষ্ণব। এখানেই সাধু ধ্যান-তপস্যা ও বৈষ্ণব ধর্ম প্রচার আরম্ভ করেন। প্রতি বছর দোল পূর্ণিমা, গঙ্গা স্নান ও নবান্ন উৎসব উপলক্ষে দেশ-বিদেশের হাজার হাজার ভক্ত সাধক সমবেত হন। সাধু ফকির চাঁদ বৈষ্ণবের মৃত্যুর পর নওপাড়ার জমিদার তারকেস্বর বাবু তাঁর (সাধুর) স্মরণে সমাধিটি পাকা করে দেন। এ ছাড়াও ভক্তদের সুবিধার্থে ৬৮ বিঘা জমি ও সান বাঁধানো বিশাল দুটি পুকুর দান করেন। আশ্রম চত্ত্বরে দালান কোঠা নির্মানেও তিনি সহযোগিতা করেন। আশ্রমের প্রবেশ পথে রয়েছে ময়ূর, বাঘ ও বিভিন্ন প্রাণির মূর্তি এবং লতা-পাতা কারুকার্য খচিত সুবিশাল ফটক। প্রধান দ্বার প্রান্তে ডান পাশে রয়েছে ভক্ত সাধু ও সাধু মাতাদের আবাসন। বাম পাশে রয়েছে ৬ জন সাধুর সমাধি মন্দির। একটু সামনেই রয়েছে শ্রী ফকির চাঁদ বৈষ্ণবের চার কোনা প্রধান সমাধি স্তম্ভ। বর্গাকৃতির ৪০ ফুট সমাধি সৌধের রয়েছে আরেকটি ৩০ ফুট গৃহ। এর একটি দরজা ছাড়া কোন জানালা পর্যন্ত নেই। মূল মন্দিরে শুধুমাত্র প্রধান সেবাইত প্রবেশ করেন। কাথিত আছে, মন্দিরের মধ্যে সাধু ফকির চাঁদ স্বশরীরে প্রবেশ করে ঐশ্বরিকভাবে স্বর্গ লাভ করেন। তাঁর শবদেহ দেখা যায় নি। পরিধেয় বস্ত্রাদি সংরক্ষণ করে সমাধি স্তম্ভ নির্মিত হয়েছে। গম্বুজ আকৃতির সমাধির উপরিভাগ গ্রিল দিয়ে ঘেরা রয়েছে। ঘরের দেয়াল ও দরজায় বিভিন্ন প্রাণি- গাছ- লতা-পাতা খচিত কারুকার্য শোভা পাচ্ছে। সমাধির মাত্র পাঁচ গজ দূরে রয়েছে বিশাল আকৃতির এক কুয়ার একটি সিঁড়ি পথ রয়েছে পাশের রান্না ঘরের সাথে সংযুক্ত। এই সিঁড়ি পথে সাধুগণ স্নানে যেতেন এবং রান্নাসহ পানিয় জল সংগ্রহ করতেন। বর্তমানে কুয়ার পানি ব্যবহার অযোগ্য অবস্থায় রয়েছে। আশ্রম চত্ত্বরে রয়েছে ১৪২ জন ভক্ত সাধুর সমাধি। বাংলা -৩২৮ বছর পূর্বে- শ্রী শ্রী ফকির চাঁদ বৈষ্ণব গোসাইজীর আশ্রম স্থাপিত হয়। 
   
এ অনুষ্ঠান উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজার হাজার ভক্ত বৃন্দের আগমন ঘটে। দুই শতাব্দির স্মৃতিবাহী ফকির চাঁদ গোসাই আশ্রম দেশ-বিদেশ থেকে আসা দর্শনার্থীদের কোলাহলে মুখরিত আশ্রমটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে। আশ্রমটি ৩২ বিঘা জমির উপর অবস্থিত। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দুই দিনব্যাপী নবান্ন উৎসব অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে উত্তেজনা অনুপ্রবেশকারী ৫৩ জন বিদ্রোহী আটক

লালপুরে ৩২৭তম গোসাই আশ্রমে ২ দিনব্যাপী নবান্ন উৎসব।।

আপডেট সময় : 10:59:32 am, Wednesday, 4 December 2024
আবু তালেব
লালপুর -নাটোর- প্রতিনিধি।।
   
   
নাটোরের লালপুরে দুইদিন ব্যাপী নবান্ন উৎসব শুরু হয়েছে। ঐতিহ্যের এক অন্যতম নিদর্শন শ্রী. ফকির চন্দ্র গোসাইয়ের আশ্রম। প্রায় সোয়া ৩০০ বছরের পুরনো এই আশ্রম। অশ্রমের অন্যতম প্রধান উৎসব হলো নবান্ন। হাজারো ভক্তবৃন্দ ও দর্শনার্থীদের পদচারণায় উৎসবমুখর পরিবেশে মুখরিত হয়ে উঠেছে এই অংশ্রমস্থল।
মঙ্গলবার -৩ ডিসেন্বর ২০২৪- উপজেলার দুড়দুড়িয়া ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুরে সকালে  আশ্রম কমিটির সভাপতি শ্রী সঞ্জয় কুমারের সভাপত্বিতে আশ্রমের কার্যক্রম শুরু হয়েছে- দুপুরে অতিথী ছিলেন- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা-ইউএনও-মেহেদী হাসান- সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা মাহমুদ- লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা -ওসি- নুরুজ্জামান-
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন কমিটির নাটোর জেলা সভাপতি প্রসাদ কুমার বাচ্চা সরকার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ভক্ত ও দর্শনার্থীবৃন্দ ।
আশ্রম এলাকা ঘুরে ভক্ত ও সেবাইতদের সাথে কথা বলে জানাযায় নারী পুরুষ নির্বিশেষে ভক্তরা আশ্রমে পৌঁছেই শ্রী শ্রী ফকির চাঁদ বৈষ্ণব গোসাইজী ও তার শিষ্য সাধু বৃন্দের সমাধীতে ভক্তি শ্রদ্ধা জানান। ভক্তরা আশ্রমের উন্নয়নে সাধ্যমত দান করছেন। নি:সন্তান বন্ধ্যা মহিলারা আশ্রমের অক্ষয় তলা নামক স্থানে বটগাছের নিচে সদ্য শেষে ভেজা কাপড়ে বসে আঁচল বিছিয়ে সন্তান লাভের জন্য ভীখ মাংগছেন। কথিত আছে যদি গাছের ফল বা পাতা আঁচলের ওপর পড়ে তাহলে নি:সন্তান নারী সন্তান লাভ করবে। আশ্রম প্রাঙ্গনে দুপুরে সারিবদ্ধভাবে বসে গোসাইজীর ভক্তরা কলার পাতায় করে খিচুড়ি, পাঁচ তরকারী ও পায়েশ ভক্ষণ করেন। 
আশ্রমের প্রধান সেবাইত শ্রী পরমানান্দ সাধু জানান, বাংলা ১২১৭ সালে উপজেলা সদর থেকে আট কিলো মিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে দুড়দুড়িয়ার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের গহীন অরণ্যে একটি বটগাছের নিচে আস্তানা স্থাপন করেন ফকির চাঁদ বৈষ্ণব। এখানেই সাধু ধ্যান-তপস্যা ও বৈষ্ণব ধর্ম প্রচার আরম্ভ করেন। প্রতি বছর দোল পূর্ণিমা, গঙ্গা স্নান ও নবান্ন উৎসব উপলক্ষে দেশ-বিদেশের হাজার হাজার ভক্ত সাধক সমবেত হন। সাধু ফকির চাঁদ বৈষ্ণবের মৃত্যুর পর নওপাড়ার জমিদার তারকেস্বর বাবু তাঁর (সাধুর) স্মরণে সমাধিটি পাকা করে দেন। এ ছাড়াও ভক্তদের সুবিধার্থে ৬৮ বিঘা জমি ও সান বাঁধানো বিশাল দুটি পুকুর দান করেন। আশ্রম চত্ত্বরে দালান কোঠা নির্মানেও তিনি সহযোগিতা করেন। আশ্রমের প্রবেশ পথে রয়েছে ময়ূর, বাঘ ও বিভিন্ন প্রাণির মূর্তি এবং লতা-পাতা কারুকার্য খচিত সুবিশাল ফটক। প্রধান দ্বার প্রান্তে ডান পাশে রয়েছে ভক্ত সাধু ও সাধু মাতাদের আবাসন। বাম পাশে রয়েছে ৬ জন সাধুর সমাধি মন্দির। একটু সামনেই রয়েছে শ্রী ফকির চাঁদ বৈষ্ণবের চার কোনা প্রধান সমাধি স্তম্ভ। বর্গাকৃতির ৪০ ফুট সমাধি সৌধের রয়েছে আরেকটি ৩০ ফুট গৃহ। এর একটি দরজা ছাড়া কোন জানালা পর্যন্ত নেই। মূল মন্দিরে শুধুমাত্র প্রধান সেবাইত প্রবেশ করেন। কাথিত আছে, মন্দিরের মধ্যে সাধু ফকির চাঁদ স্বশরীরে প্রবেশ করে ঐশ্বরিকভাবে স্বর্গ লাভ করেন। তাঁর শবদেহ দেখা যায় নি। পরিধেয় বস্ত্রাদি সংরক্ষণ করে সমাধি স্তম্ভ নির্মিত হয়েছে। গম্বুজ আকৃতির সমাধির উপরিভাগ গ্রিল দিয়ে ঘেরা রয়েছে। ঘরের দেয়াল ও দরজায় বিভিন্ন প্রাণি- গাছ- লতা-পাতা খচিত কারুকার্য শোভা পাচ্ছে। সমাধির মাত্র পাঁচ গজ দূরে রয়েছে বিশাল আকৃতির এক কুয়ার একটি সিঁড়ি পথ রয়েছে পাশের রান্না ঘরের সাথে সংযুক্ত। এই সিঁড়ি পথে সাধুগণ স্নানে যেতেন এবং রান্নাসহ পানিয় জল সংগ্রহ করতেন। বর্তমানে কুয়ার পানি ব্যবহার অযোগ্য অবস্থায় রয়েছে। আশ্রম চত্ত্বরে রয়েছে ১৪২ জন ভক্ত সাধুর সমাধি। বাংলা -৩২৮ বছর পূর্বে- শ্রী শ্রী ফকির চাঁদ বৈষ্ণব গোসাইজীর আশ্রম স্থাপিত হয়। 
   
এ অনুষ্ঠান উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজার হাজার ভক্ত বৃন্দের আগমন ঘটে। দুই শতাব্দির স্মৃতিবাহী ফকির চাঁদ গোসাই আশ্রম দেশ-বিদেশ থেকে আসা দর্শনার্থীদের কোলাহলে মুখরিত আশ্রমটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে। আশ্রমটি ৩২ বিঘা জমির উপর অবস্থিত। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দুই দিনব্যাপী নবান্ন উৎসব অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।