Dhaka , Sunday, 26 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সিদ্দিরগঞ্জ থানায় পুলিশ সদস্যের হৃদরোগে মৃত্যু নোয়াখালীতে ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করে ধর্ষণ, প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার চবির প্রাঙ্গণে জ্ঞানের আলোকশিখা, কেন্দ্রীয় ‘সরস্বতী জ্ঞান মন্দির’ উদ্বোধন নদীর ঘাটে লুকানো ২৭’শ লিটার ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১ পাইকগাছায় হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সিডিএ কর্ণফুলী হাউজিং হবে চট্টগ্রামের সবচেয়ে নান্দনিক আবাসিক প্রকল্প :- প্রকৌশলী নুরুল করিম, সিডিএ চেয়ারম্যান রূপগঞ্জের লন্ডন প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, নগদ টাকা ও বিদেশী মুদ্রাসহ মালামাল লুট শ্রীপুরে ব্যবসার পাওনা টাকা চাওয়ায় পার্টনারদের মারধরে যুবক অপূর্ব বাছাড়ের আত্মহত্যা লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বিদ্যুৎ অফিসের অর্থ বাণিজ্য, বিচ্ছিন্ন করা অবৈধ ইটভাটায় পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ প্রেসক্লাব পাইকগাছার ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের কমিটি ঘোষণা; সভাপতি ইশরাক হোসেন দপ্তর লেখক আসাদ পারভেজ। প্রচণ্ড গরম ও লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত গাজীপুরের জনজীবন নোয়াখালীতে কাভার্ডভ্যানে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২ মধুপুরে জাসাসের উদ্যোগে মরহুম লোকমান হোসেন ফকির এর মৃত্যু বার্ষিকী পালন জাতিসংঘে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার প্রতিবাদে রাঙামাটিতে পিসিসিপি’র বিক্ষোভ লালমনিরহাটে মে দিবস ও পেশাগত স্বাস্থ্য দিবস পালনের তোড়জোড়: প্রস্তুতি সভা সম্পন্ টেকনাফে বিদেশি পিস্তলসহ ১ মানবপাচারকারী কোস্ট গার্ডের হাতে আটক আমাদের সম্মিলিত লক্ষ্য একটাই, আগামীর সুন্দর দুর্গাপুর : ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল পাইকগাছায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি পালিত স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে কঠিন চ্যালেঞ্জ: পানি সম্পদ মন্ত্রী রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির বিচার দাবিতে নারায়ণগঞ্জে লাল পতাকা র‍্যালী আড়াইহাজারে জমি বিরোধে সংঘর্ষ, আহত ৩—একজনের অবস্থা গুরুতর ইসলামি আদর্শের ভিত্তিতে একটি কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করাই জামায়াতে ইসলামীর লক্ষ্য: মাওঃ আব্দুল হালিম রূপগঞ্জে দুর্বৃত্তের দেয়া আগুনে পুড়ল পিকআপ ভ্যান রূপগঞ্জে রাস্তা নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন চট্টগ্রামে অত্যাধুনিক হাসপাতাল এবং পার্ক গড়তে চান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দুর্গম পাহাড়ে চিকিৎসা সেবায় যেনো কোনো ত্রুটি না হয়:- নির্দেশ পার্বত্য মন্ত্রীর সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না:- ভূমি প্রতিমন্ত্রী জরাজীর্ণ টিনের ঘরে পাঠদান, বিনা বেতনে পড়াচ্ছেন শিক্ষকরা মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

কেউ ঠান্ডায় জবুথবু তবুও রুই কাতলা গজার মাছ ধরতে রুহুল বিলে হাজারো মানুষ ভিড়।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 03:32:54 am, Wednesday, 29 November 2023
  • 143 বার পড়া হয়েছে

কেউ ঠান্ডায় জবুথবু তবুও রুই কাতলা গজার মাছ ধরতে রুহুল বিলে হাজারো মানুষ ভিড়।।

পাবনা প্রতিনিধি।।
 
পাবনা আটঘরিয়া টাঙ্গাইল রাজশাহী নাটোর সিরাজগঞ্জ বগুড়া নঁওগা কুষ্টিয়াসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা শৌখিন মাছ শিকারিরা বাস-মিনিবাস ট্রাক-মিনিট্রাক করিমন-নসিমন সিএনজিচালিত অটোরিকশা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন নিয়ে এসেছেন। 
তখনও ভোরের আলো ফোটেনি। কারও হাতে পলো কারও হাতে জাল। আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিলের ধারে জড়ো হয় হাজারো মানুষ। 
ভোরের আলো ফুটতেই শিশু থেকে শুরু করে নানা বয়সী মানুষ মাছ ধরার উপকরণ নিয়ে বিলের পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। মাছ ধরার এই উৎসব যেন মিলনমেলায় রূপ নেয়। 
কেউ ঠান্ডায় জবুথবু অবস্থা। আবার কেউ মাছ ধরতে পেরে আনন্দ উল্লাস করছেন। যদিও প্রত্যাশা অনুযায়ী মাছ না পাওয়ায় বাউৎ উৎসবের এ হাসি শেষ পর্যন্ত অনেকের মুখেই দেখা যায়নি।
মঙ্গলবার -২৮ নভেম্বর- গভীর রাত থেকে  পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের ওই বিলে মাছ ধরতে নেমেছিলেন কৃষক, শ্রমিক, চাকরিজীবী-ব্যবসায়ী, চিকিৎসকসহ বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার কয়েক হাজার মানুষ।
বিলে গিয়ে দেখা গেছে, মাছ ধরতে নেমেছে আশপাশের ২০ থেকে ২৫ গ্রাম থেকে আসা বাসিন্দারা। 
সকালের শুরুতে মাছ শিকারিদের উৎসাহ দেখে মনে হওয়ার উপায় ছিল না উৎসবে কোনো পরিবর্তন এসেছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাটা পড়ে উৎসবে। কীটনাশক ট্যাবলেট ব্যবহার করে আগের দিন মাছ নিধন করা হয়েছে। ফলে অনেক মাছ মরে ভেসে উঠে। এতে অনেকেই মাছ না পেয়ে হতাশা প্রকাশ করেন। 
বেশ কয়েকজন মাছ শিকারির সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, বর্ষার পর পানি নিচু এলাকাগুলোতে নেমে যায়। ফলে সেখানে প্রচুর মাছ জমে। প্রতি বছরে এ সময়ে বিলপাড়ের বাসিন্দারা একত্র হয়ে মাছ শিকারে নামেন। আগে বিলে নেমে কেউ কোনো দিন খালি হাতে ফেরেনি। 
বড় বড় রুই, কাতলা, বোয়াল, চিতল, শোল ও গজার মাছ পর্যাপ্ত পাওয়া যেত। উৎসব হতো টানা কয়েকদিন ধরে। কিন্তু এবার বিলে মাছের পরিমাণ কমে গেছে। ফলে উৎসব আর আগের মতো হয় না। এখন সপ্তাহের শনি ও মঙ্গলবার আয়োজন করা হয়।  
পাবনার কুচিয়ামোড়ার শাখাড়িপাড়ার আব্দুস সাত্তার জানান, ছোটবেলা থেকে এই বিলের বাউৎ উৎসব শুরু হলেই তিনি ছুটে আসতেন মাছ ধরতে। মাছ ধরতে এসে তিনি কখনো নিরাশ হননি। 
রুহুল বিলে নামলে তিনি মাছ না নিয়ে কখনো বাড়ি ফিরেছেন এমন ঘটনা ঘটেনি। পলো দিয়ে তিনি ৫ কেজি চিতল পেয়েছিলেন। এবার সেই আশায় তিনি পলো চালিয়ে যাচ্ছেন।
মাছ ধরতে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থেকে এসেছেন মো. সবুর হোসেন মিয়া। তিনি বলেন, আমরা প্রায় ১০-১৫টি বাস-মিনিবাস নিয়ে গতকাল পাবনার ভাঙ্গুড়ার রুহুল বিল এলাকায় অবস্থান করেছি। 
ভোরে বিলের মধ্যে আমরা পলো, ধর্মজাল, চাকজাল, ঠেলাজাল, খুইরা জাল, বাদাই জালসহ মাছ ধরার উপকরণ নিয়ে বিলে নামি। অনেক আশা নিয়েই এখানে এসেছি। কিন্তু বিলের পানিতে নেমে দেখি কোনো মাছ নাই। তাই হতাশ হয়ে বাড়ি ফেরা ছাড়া উপায় নেই।
রাজশাহী থেকে আসা মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমরা কয়েকটি বাস নিয়ে রাত ২টার দিকে এখানে  এসে অবস্থান করি মাছ শিকার করার জন্য। প্রতিবছরই এখানে আমরা আসি। কিন্তু এ বছর কেউ তেমন মাছ পায়নি। 
বাড়িতে গেলে মানুষজন রাগ করবে ভেবে বাজার থেকে মাছ কিনে নিয়ে যেতে হবে। ইজারা না দিয়ে সরকার এটা সবার জন্য উন্মোক্ত করে দিলে সবার জন্যই ভালো হতো।
ভাঙ্গুড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমূল হুদা বলেন, ভাঙ্গুড়ার রুহুল বিলে প্রতিবছরই মাছ ধরার উৎসব হয়ে থাকে। প্রতিবার আমরা সেখানে অংশগ্রহণ করে থাকি। 
এ বছর আমরা বিষয়টি জানিই না। এটা একদিকে যেমন আনন্দ উৎসব অন্যদিকে বিলের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। কারণ একসঙ্গে এত মানুষ পানিতে নামলে পানি দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। আবার মাছেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়। 
মা মাছ, পোনা মাছ সব কিছু ধ্বংস হয়ে যায়। উৎসবের জন্য দেশীয় মাছ কমে যাচ্ছে। দেশীয় মাছ রক্ষার্থে আমরা দুয়ারি, সুতিজালসহ নানা কিছু বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছি। 
মাছের অভয়ারণ্য হিসাবে খ্যাত এই অঞ্চলের নির্ধারিত সীমারেখায় কোনো মানুষ অসাধু প্রক্রিয়ায় যাতে মাছ ধরতে না পারেন সে বিষয়ে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সিদ্দিরগঞ্জ থানায় পুলিশ সদস্যের হৃদরোগে মৃত্যু

কেউ ঠান্ডায় জবুথবু তবুও রুই কাতলা গজার মাছ ধরতে রুহুল বিলে হাজারো মানুষ ভিড়।।

আপডেট সময় : 03:32:54 am, Wednesday, 29 November 2023
পাবনা প্রতিনিধি।।
 
পাবনা আটঘরিয়া টাঙ্গাইল রাজশাহী নাটোর সিরাজগঞ্জ বগুড়া নঁওগা কুষ্টিয়াসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা শৌখিন মাছ শিকারিরা বাস-মিনিবাস ট্রাক-মিনিট্রাক করিমন-নসিমন সিএনজিচালিত অটোরিকশা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন নিয়ে এসেছেন। 
তখনও ভোরের আলো ফোটেনি। কারও হাতে পলো কারও হাতে জাল। আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিলের ধারে জড়ো হয় হাজারো মানুষ। 
ভোরের আলো ফুটতেই শিশু থেকে শুরু করে নানা বয়সী মানুষ মাছ ধরার উপকরণ নিয়ে বিলের পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। মাছ ধরার এই উৎসব যেন মিলনমেলায় রূপ নেয়। 
কেউ ঠান্ডায় জবুথবু অবস্থা। আবার কেউ মাছ ধরতে পেরে আনন্দ উল্লাস করছেন। যদিও প্রত্যাশা অনুযায়ী মাছ না পাওয়ায় বাউৎ উৎসবের এ হাসি শেষ পর্যন্ত অনেকের মুখেই দেখা যায়নি।
মঙ্গলবার -২৮ নভেম্বর- গভীর রাত থেকে  পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের ওই বিলে মাছ ধরতে নেমেছিলেন কৃষক, শ্রমিক, চাকরিজীবী-ব্যবসায়ী, চিকিৎসকসহ বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার কয়েক হাজার মানুষ।
বিলে গিয়ে দেখা গেছে, মাছ ধরতে নেমেছে আশপাশের ২০ থেকে ২৫ গ্রাম থেকে আসা বাসিন্দারা। 
সকালের শুরুতে মাছ শিকারিদের উৎসাহ দেখে মনে হওয়ার উপায় ছিল না উৎসবে কোনো পরিবর্তন এসেছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাটা পড়ে উৎসবে। কীটনাশক ট্যাবলেট ব্যবহার করে আগের দিন মাছ নিধন করা হয়েছে। ফলে অনেক মাছ মরে ভেসে উঠে। এতে অনেকেই মাছ না পেয়ে হতাশা প্রকাশ করেন। 
বেশ কয়েকজন মাছ শিকারির সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, বর্ষার পর পানি নিচু এলাকাগুলোতে নেমে যায়। ফলে সেখানে প্রচুর মাছ জমে। প্রতি বছরে এ সময়ে বিলপাড়ের বাসিন্দারা একত্র হয়ে মাছ শিকারে নামেন। আগে বিলে নেমে কেউ কোনো দিন খালি হাতে ফেরেনি। 
বড় বড় রুই, কাতলা, বোয়াল, চিতল, শোল ও গজার মাছ পর্যাপ্ত পাওয়া যেত। উৎসব হতো টানা কয়েকদিন ধরে। কিন্তু এবার বিলে মাছের পরিমাণ কমে গেছে। ফলে উৎসব আর আগের মতো হয় না। এখন সপ্তাহের শনি ও মঙ্গলবার আয়োজন করা হয়।  
পাবনার কুচিয়ামোড়ার শাখাড়িপাড়ার আব্দুস সাত্তার জানান, ছোটবেলা থেকে এই বিলের বাউৎ উৎসব শুরু হলেই তিনি ছুটে আসতেন মাছ ধরতে। মাছ ধরতে এসে তিনি কখনো নিরাশ হননি। 
রুহুল বিলে নামলে তিনি মাছ না নিয়ে কখনো বাড়ি ফিরেছেন এমন ঘটনা ঘটেনি। পলো দিয়ে তিনি ৫ কেজি চিতল পেয়েছিলেন। এবার সেই আশায় তিনি পলো চালিয়ে যাচ্ছেন।
মাছ ধরতে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থেকে এসেছেন মো. সবুর হোসেন মিয়া। তিনি বলেন, আমরা প্রায় ১০-১৫টি বাস-মিনিবাস নিয়ে গতকাল পাবনার ভাঙ্গুড়ার রুহুল বিল এলাকায় অবস্থান করেছি। 
ভোরে বিলের মধ্যে আমরা পলো, ধর্মজাল, চাকজাল, ঠেলাজাল, খুইরা জাল, বাদাই জালসহ মাছ ধরার উপকরণ নিয়ে বিলে নামি। অনেক আশা নিয়েই এখানে এসেছি। কিন্তু বিলের পানিতে নেমে দেখি কোনো মাছ নাই। তাই হতাশ হয়ে বাড়ি ফেরা ছাড়া উপায় নেই।
রাজশাহী থেকে আসা মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমরা কয়েকটি বাস নিয়ে রাত ২টার দিকে এখানে  এসে অবস্থান করি মাছ শিকার করার জন্য। প্রতিবছরই এখানে আমরা আসি। কিন্তু এ বছর কেউ তেমন মাছ পায়নি। 
বাড়িতে গেলে মানুষজন রাগ করবে ভেবে বাজার থেকে মাছ কিনে নিয়ে যেতে হবে। ইজারা না দিয়ে সরকার এটা সবার জন্য উন্মোক্ত করে দিলে সবার জন্যই ভালো হতো।
ভাঙ্গুড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমূল হুদা বলেন, ভাঙ্গুড়ার রুহুল বিলে প্রতিবছরই মাছ ধরার উৎসব হয়ে থাকে। প্রতিবার আমরা সেখানে অংশগ্রহণ করে থাকি। 
এ বছর আমরা বিষয়টি জানিই না। এটা একদিকে যেমন আনন্দ উৎসব অন্যদিকে বিলের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। কারণ একসঙ্গে এত মানুষ পানিতে নামলে পানি দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। আবার মাছেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়। 
মা মাছ, পোনা মাছ সব কিছু ধ্বংস হয়ে যায়। উৎসবের জন্য দেশীয় মাছ কমে যাচ্ছে। দেশীয় মাছ রক্ষার্থে আমরা দুয়ারি, সুতিজালসহ নানা কিছু বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছি। 
মাছের অভয়ারণ্য হিসাবে খ্যাত এই অঞ্চলের নির্ধারিত সীমারেখায় কোনো মানুষ অসাধু প্রক্রিয়ায় যাতে মাছ ধরতে না পারেন সে বিষয়ে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।