Dhaka , Friday, 5 June 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাহাড়তলীতে হামলা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় আদালতে জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে মাদক কারবারি আলমগীর স্থানীয় এমপির নির্দেশনায় রুপগঞ্জের গোলাকান্দাইল এশিয়ান হাইওয়ের ময়লার ভাগাড় পরিষ্কার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন এজমল হোসেন পাইলট নানার বাড়ি থেকে ফেরার পর নিখোঁজ, খালে মিলল যুবকের লাশ লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫ বি১-এর ক্যাবিনেট সেক্রেটারি নির্বাচিত হলেন ড. মুহিবুল্লাহ শাহিন গণহত্যার দায়ে জামায়াত-আ.লীগ একই সূত্রে গাঁথা: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক মেকানিক দোকানেই চলছিল মাদক কারবার, গ্রেপ্তার-১ মধুপুরে মাদকাসক্ত ১ জনকে এক বছরের কারাদণ্ড ২৬ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ‘জেল খাটা’ গোলাম কিবরিয়া এবার সাময়িক বরখাস্ত হত্যাসহ একাধিক মামলায় আত্মসমর্পণ, আওয়ামী লীগের ১৪ নেতা কারাগারে কুমির সরিয়ে নেওয়ায় ক্ষোভ খাদেমের, মাজারের দিঘিতে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি ৩৮ বছর পর ফিরলেন স্বামী, রাগ ভাঙছে না স্ত্রীর বিহারের হাসপাতালে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৪ জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগরে পথসভায় জনসাধারণের সাথে মতবিনিময় করলেন পুলিশ সুপার রামুর নবাগত ইউএনও জিল্লুর রহমানের সঙ্গে রামু প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ পাইকগাছায় ৫ দিনব্যাপী রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ‘হিট অ্যাকশন ডে’ কর্মসূচির উদ্বোধন ​ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স (দাবি+) কর্তৃক মুরগির বাচ্চা বিতরণ ও প্রশিক্ষণ সম্পন্ন রূপগঞ্জে কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ প্রতিবেশীর হা’ম’লা’য় নবজাতক যমজ শিশুর মৃ’ত্যু’র অ’ভি’যো’গ, বিচার দাবিতে রায়পুরে মানববন্ধন অবশেষে রূপগঞ্জে দুই মহাসড়কের বিষফোঁড়া ময়লার ভাগাড় অপসারণ মানুষকে হয়রানি না করে সর্বোচ্চ সেবা দিতে হবে :- জহিরুল ইসলাম, এমপি আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুত ও নির্ভুল রোগ নির্ণয় সম্ভব : মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের স্মৃতিতে নির্মিত “বাংলার ঈগল” ১৪ জুন কক্সবাজার যাবেন প্রধানমন্ত্রী : পানি সম্পদ মন্ত্রী আত্রাই নদীতে গোসলে নেমে দুই ভাইয়ের মৃত্যু সীতাকুণ্ডে সরকারি সড়কের দুই পাশের গাছ কাটার অভিযোগ, তদন্তের দাবি হাদি হত্যার বিচার দাবিতে মাঠে নামছে ইনকিলাব মঞ্চ, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা হামে মৃত্যুর মিছিল যেন থামছেই না, দেশে মৃত্যু ছাড়াল ৬০০ মুক্তিযুদ্ধ-মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মানের চেষ্টা করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: নোয়াখালীতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হাতিয়াতে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

গাংনীতে বিধবা সাহেরার দু’মুঠো ভাতের জন্য আহাজরী

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 03:35:45 pm, Sunday, 9 July 2023
  • 206 বার পড়া হয়েছে

গাংনীতে বিধবা সাহেরার দু’মুঠো ভাতের জন্য আহাজরী

মেহেরপুর

জুরাইস ইসলাম।।

পুত্র বধুদের মানষিক নির্যাতন আর মেয়েদের অবহেলা এখন নিত্য দিনের ঘটনা বৃদ্ধা সাহেরা। বাড়ির উঠানে একটি টিনের ছাপড়া ঘরে বৃদ্ধার ঠাঁই মিলেছে। সেখানেই প্রসাব পায়খানা খাওয়া ও গোসলের ব্যবস্থা। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করতে গিয়ে বাক প্রতিবন্ধী এই সাহেরা ধুকে ধুকে মরছে। সাহেরা খাতুন গাংনীর উপজেলা কল্যাণপুর উত্তর পাড়ার মৃত খেলাফত মÐলের স্ত্রী।
বৃদ্ধা সাহেরা খাতুনের বয়স আশির উর্ধে¦। সংসারে রয়েছে তিন ছেলে ৫ মেয়ে। সকলেই স্বাবলম্বী। বড় ছেলে হকাজ্জেল কৃষিকাজ করে। মেজ ছেলে তুষার ও ছোট ছেলে হানিফ প্রবাসি। স্বামী গত হয়েছেন ১৭ বছর আগে। সন্তানদের বড় করে তুলতে অনেক কষ্ট জবীনে সংগ্রাম করতে হয়েছে তাকে। আশা ছিল সন্তানেরা বৃদ্ধ বয়সে কামাই করে খাওয়াবে আর মৃত্যুর সময় সৃষ্টিকর্তার নামটি কানে দিবে। কিন্তু না, তা হয়নি। হতভাগা মায়ের জীবনে নেমে এসেছে সুখের বদলে দুঃখের ঘনঘটা। পাষÐ সন্তানেরা সম্পদ ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধ মাকে দেখভাল করেন না। স্বামীর রেখে যাওয়া জমির দুই আনা অংশ হিসেবে ৫ কাঠা জমি পান সাহেরা। ওই জমির কিছু অংশ বিক্রি করে ২৫ হাজার টাকা পেলে সাহেরার মেয়ে মেহেন্নীগার। সেই সাথে সুÑকৌশুলে হাতিয়ে নেন মায়ের গলার চেইন ও কানের পাশা।
এদিকে কৌশলে ৫ বোনকে ফাঁকি দিয়ে ৫ কাঠা জমি লিখে নেন তিন ছেলে। মেয়েদের কাছে থাকা অর্থ ও গয়না না পাওয়ায় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সইতে হয় সাহেরাকে। অপরদিকে মেয়েরাও কোন খোঁজ খবর নেন না। সব মিলিয়ে সাহেরার জীবনে নেমে এসেছে অন্ধকার। সাহেরাকে ছেলেদের দালান কোঠায় ঠাঁই হয়নি। উঠানের এক কোণে টিনের ছাপড়া ঘরে তাকে রাখা হয়েছে। সেখানেই প্রসাব পায়খানা খাওয়া ও গোসলের ব্যবস্থা। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করতে গিয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী এই সাহেরা ধুকে ধুকে মরছে। তবে পুত্র বধুরা বলেছেন, বৃদ্ধ আছে বেশ সুখে শান্তিতে।
সাহেরার দেবর হারেজ আলী জানান, সাহেরা খাতুনের স্বামী মারা যাবার পর তিনি নিজেই রান্না বান্না করে খাওয়া দাওয়া করতেন। তার নিজের একটা গাভী ছিল। সেটি বিক্রি করে নগদ ৫০ হাজার টাকা জমা দেন কাউছার মেম্বরের কাছে। সাহেরা অসুস্থ হবার পর ১০ হাজার টাকা খরচ করে। বাকি টাকা রয়ে যায় মেম্বরের কাছে। আবার বয়স্কভাতা প্রাপ্ত টাকা গুলোও সন্তানেরা ভাগ করে নিয়ে নেয়।
প্রতিবেশি বাবলু জানান, মায়ের ভরন পোষন ও ভাত দেয়ার বিষয়ে তিন ভায়ের মধ্যে সমঝোতা হয়। ১০ দিন করে একেক সন্তান মাকে খাওয়াবে ও যতœ নিবে। অথচ কেউ সঠিকভাবে তা করেন না। যার কাছেই যাক সেখানেই অবহেলার পাত্র তিনি। ঠিক মতো খাবার দেন না। করেন না গোসলের ব্যবস্থা। তবে মেজ ছেলের স্ত্রী রুপিয়া জানান, কোন অবহেলা করা হয় না। সকলেই যতœ নেন কোন অবহেলা নেই। তবে মেয়েরা সম্পদ থেকে বঞ্চিত ও তার গচ্ছিত টাকা হাতিয়ে নিতে না পেরে মাকে দেখভাল করেন না উপরন্ত নানা ধরনের ভিডিও করে ফেসবুকে ছেড়ে সম্মানহানী করে।
প্রতিবেশি সাজিয়া খাতুন জানান, সন্তানদের কারো কোন অভাব নেই সংসারে। মেয়েরাও বেশ ধনি। টাকা পয়সার কারণে বৃদ্ধ মহিলাটাকে কেউ দেখে না। তিনি আরো জানান, গত শনিবার ছেলে ও মেয়েদের দ্ব›েদ্বর কারণে তাকে রাস্তায় রেখে গেছে। ছেলের বউরা মেয়ের বাড়িতে রেখে আসলে মেয়েরাও বাড়ি থেকে রাস্তায় ফেলে রাখে। স্থানীয় লোকজনের প্রতিবাদে অবশেষে ছেলের বউরা বাড়িতে নিয়ে যান।
মেজ ছেলের স্ত্রীসহ অন্যান্যরা জানান, যতই আদর যতœ করা হয়, তার পরও বাড়ির পাশে মেয়ে আছে তার কাছে যাওয়া ও দেখার জন্য ছটফট করেন সাহেরা। মেয়েদেরকে খবর দেয়া হলেও তারা কেউ আসে না। এক পর্যায়ে শনিবার মেয়ের বাড়িতে দিয়ে আসা হয়। সম্পদ না পাওয়ার কারণে মেয়েরা বাড়িতে না রেখে রাস্তায় রেখে যায়। পরে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
এ ব্যাপারে সাহেরার মেয়ে মেহেন্নীগার জানান, মাকে তার বাড়িতে না, বাড়ির পাশে রেখে যায় ভাবীরা। তারপর তাদের বাড়ির পাশে রেখে আসা হয়। মায়ের জমি জমা ফেরত দিলে তারাও মায়ের সেবা যতœ করবেন বলে জানান। তিনি আরো জানান, মায়ের বিষয় নিয়ে গ্রামে ও কয়েকবার পুলিশ ক্যাম্পে সালিশ হলেও কোন সমঝোতা আসেনি।
এ ব্যাপারে কাউছার মেম্বর জানান, তার কাছে ৪০ হাজার টাকা গচ্ছিত আছে। যে কোন সময় চিকিৎসা বা তার দাফন কাফনে টাকাগুলো লাগতে পারে। তবে মেয়ের কাছে রাখা টাকাগুলো দিচ্ছেন না তারা। সালিশ বৈঠকেও কোন সুরাহা হয়নি।
গাংনী থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান, এ ব্যাপারে কেউ কোন অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

পাহাড়তলীতে হামলা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় আদালতে জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে মাদক কারবারি আলমগীর

গাংনীতে বিধবা সাহেরার দু’মুঠো ভাতের জন্য আহাজরী

আপডেট সময় : 03:35:45 pm, Sunday, 9 July 2023

মেহেরপুর

জুরাইস ইসলাম।।

পুত্র বধুদের মানষিক নির্যাতন আর মেয়েদের অবহেলা এখন নিত্য দিনের ঘটনা বৃদ্ধা সাহেরা। বাড়ির উঠানে একটি টিনের ছাপড়া ঘরে বৃদ্ধার ঠাঁই মিলেছে। সেখানেই প্রসাব পায়খানা খাওয়া ও গোসলের ব্যবস্থা। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করতে গিয়ে বাক প্রতিবন্ধী এই সাহেরা ধুকে ধুকে মরছে। সাহেরা খাতুন গাংনীর উপজেলা কল্যাণপুর উত্তর পাড়ার মৃত খেলাফত মÐলের স্ত্রী।
বৃদ্ধা সাহেরা খাতুনের বয়স আশির উর্ধে¦। সংসারে রয়েছে তিন ছেলে ৫ মেয়ে। সকলেই স্বাবলম্বী। বড় ছেলে হকাজ্জেল কৃষিকাজ করে। মেজ ছেলে তুষার ও ছোট ছেলে হানিফ প্রবাসি। স্বামী গত হয়েছেন ১৭ বছর আগে। সন্তানদের বড় করে তুলতে অনেক কষ্ট জবীনে সংগ্রাম করতে হয়েছে তাকে। আশা ছিল সন্তানেরা বৃদ্ধ বয়সে কামাই করে খাওয়াবে আর মৃত্যুর সময় সৃষ্টিকর্তার নামটি কানে দিবে। কিন্তু না, তা হয়নি। হতভাগা মায়ের জীবনে নেমে এসেছে সুখের বদলে দুঃখের ঘনঘটা। পাষÐ সন্তানেরা সম্পদ ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধ মাকে দেখভাল করেন না। স্বামীর রেখে যাওয়া জমির দুই আনা অংশ হিসেবে ৫ কাঠা জমি পান সাহেরা। ওই জমির কিছু অংশ বিক্রি করে ২৫ হাজার টাকা পেলে সাহেরার মেয়ে মেহেন্নীগার। সেই সাথে সুÑকৌশুলে হাতিয়ে নেন মায়ের গলার চেইন ও কানের পাশা।
এদিকে কৌশলে ৫ বোনকে ফাঁকি দিয়ে ৫ কাঠা জমি লিখে নেন তিন ছেলে। মেয়েদের কাছে থাকা অর্থ ও গয়না না পাওয়ায় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সইতে হয় সাহেরাকে। অপরদিকে মেয়েরাও কোন খোঁজ খবর নেন না। সব মিলিয়ে সাহেরার জীবনে নেমে এসেছে অন্ধকার। সাহেরাকে ছেলেদের দালান কোঠায় ঠাঁই হয়নি। উঠানের এক কোণে টিনের ছাপড়া ঘরে তাকে রাখা হয়েছে। সেখানেই প্রসাব পায়খানা খাওয়া ও গোসলের ব্যবস্থা। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করতে গিয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী এই সাহেরা ধুকে ধুকে মরছে। তবে পুত্র বধুরা বলেছেন, বৃদ্ধ আছে বেশ সুখে শান্তিতে।
সাহেরার দেবর হারেজ আলী জানান, সাহেরা খাতুনের স্বামী মারা যাবার পর তিনি নিজেই রান্না বান্না করে খাওয়া দাওয়া করতেন। তার নিজের একটা গাভী ছিল। সেটি বিক্রি করে নগদ ৫০ হাজার টাকা জমা দেন কাউছার মেম্বরের কাছে। সাহেরা অসুস্থ হবার পর ১০ হাজার টাকা খরচ করে। বাকি টাকা রয়ে যায় মেম্বরের কাছে। আবার বয়স্কভাতা প্রাপ্ত টাকা গুলোও সন্তানেরা ভাগ করে নিয়ে নেয়।
প্রতিবেশি বাবলু জানান, মায়ের ভরন পোষন ও ভাত দেয়ার বিষয়ে তিন ভায়ের মধ্যে সমঝোতা হয়। ১০ দিন করে একেক সন্তান মাকে খাওয়াবে ও যতœ নিবে। অথচ কেউ সঠিকভাবে তা করেন না। যার কাছেই যাক সেখানেই অবহেলার পাত্র তিনি। ঠিক মতো খাবার দেন না। করেন না গোসলের ব্যবস্থা। তবে মেজ ছেলের স্ত্রী রুপিয়া জানান, কোন অবহেলা করা হয় না। সকলেই যতœ নেন কোন অবহেলা নেই। তবে মেয়েরা সম্পদ থেকে বঞ্চিত ও তার গচ্ছিত টাকা হাতিয়ে নিতে না পেরে মাকে দেখভাল করেন না উপরন্ত নানা ধরনের ভিডিও করে ফেসবুকে ছেড়ে সম্মানহানী করে।
প্রতিবেশি সাজিয়া খাতুন জানান, সন্তানদের কারো কোন অভাব নেই সংসারে। মেয়েরাও বেশ ধনি। টাকা পয়সার কারণে বৃদ্ধ মহিলাটাকে কেউ দেখে না। তিনি আরো জানান, গত শনিবার ছেলে ও মেয়েদের দ্ব›েদ্বর কারণে তাকে রাস্তায় রেখে গেছে। ছেলের বউরা মেয়ের বাড়িতে রেখে আসলে মেয়েরাও বাড়ি থেকে রাস্তায় ফেলে রাখে। স্থানীয় লোকজনের প্রতিবাদে অবশেষে ছেলের বউরা বাড়িতে নিয়ে যান।
মেজ ছেলের স্ত্রীসহ অন্যান্যরা জানান, যতই আদর যতœ করা হয়, তার পরও বাড়ির পাশে মেয়ে আছে তার কাছে যাওয়া ও দেখার জন্য ছটফট করেন সাহেরা। মেয়েদেরকে খবর দেয়া হলেও তারা কেউ আসে না। এক পর্যায়ে শনিবার মেয়ের বাড়িতে দিয়ে আসা হয়। সম্পদ না পাওয়ার কারণে মেয়েরা বাড়িতে না রেখে রাস্তায় রেখে যায়। পরে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
এ ব্যাপারে সাহেরার মেয়ে মেহেন্নীগার জানান, মাকে তার বাড়িতে না, বাড়ির পাশে রেখে যায় ভাবীরা। তারপর তাদের বাড়ির পাশে রেখে আসা হয়। মায়ের জমি জমা ফেরত দিলে তারাও মায়ের সেবা যতœ করবেন বলে জানান। তিনি আরো জানান, মায়ের বিষয় নিয়ে গ্রামে ও কয়েকবার পুলিশ ক্যাম্পে সালিশ হলেও কোন সমঝোতা আসেনি।
এ ব্যাপারে কাউছার মেম্বর জানান, তার কাছে ৪০ হাজার টাকা গচ্ছিত আছে। যে কোন সময় চিকিৎসা বা তার দাফন কাফনে টাকাগুলো লাগতে পারে। তবে মেয়ের কাছে রাখা টাকাগুলো দিচ্ছেন না তারা। সালিশ বৈঠকেও কোন সুরাহা হয়নি।
গাংনী থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান, এ ব্যাপারে কেউ কোন অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।