
তৌহিদ বেলাল
কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি।।
কক্সবাজারের ঈদগাঁও এলাকায় ইজিবাইক চালক মোরশেদ আলমকে ছুরিকাঘাতে হত্যায় জড়িত মূল ঘাতকসহ দুজন গ্রেপ্তার হয়েছে। শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে কক্সবাজার শহর ও সদরের ভারুয়াখালি এলাকা এ দুজনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
এরা হলেন- ঈদগাঁও উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মিয়াজিপাড়ার আবদুস শুক্কুরের পুত্র মুরশেদ আলম (৩১) ও কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালি ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের চৌধুরীপাড়ার ছগির আহমদের পুত্র মুহাম্মদ শাহ আলম (৪২)। নিহত ইজিবাইক চালক মোরশেদ আলম কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডি ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের দক্ষিণপাড়ার শামসুল আলমের পুত্র।
র্যাব জানায়, গত ৯ ফেব্রুয়ারি সকাল আটটার দিকে ঈদগাঁও উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের মিয়াজিপাড়ার একটি সুপারি বাগান থেকে ইজিবাইক চালক মোরশেদ আলমের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এবিষয়ে ঈদগাঁও থানায় মামলা হলে র্যাব-১৫, কক্সবাজার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আসামিদের গ্রেপ্তার করে।
র্যাব জানিয়েছে, হত্যাকান্ডের মূলহোতা মুরশেদ আলমকে শনিবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের উত্তর টেকপাড়া এলাকার জনতার সড়কের বোরহান উদ্দিনের ভাড়া বাসা হতে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেয়া তথ্যমতে পরে রাত আটটার দিকে সদর উপজেলার পিএমখালি ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের পশ্চিম মুহসিনিয়াপাড়া হতে হত্যাকান্ডের সহযোগী শাহআলমকে গ্রেপ্তার ও নিহতের ইজিবাইকটি উদ্ধার হয়।
আসামিরা র্যাব’র জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া মুরশেদ একজন অটোরিকশা ছিনতাইকারী চক্রের দলনেতা। বিভিন্ন সময়ে সে তার সহযোগী ছিনতাইচক্রের মাধ্যমে কক্সবাজার শহর ও আশপাশের এলাকায় ইজিবাইক এবং অটোরিকশা ভাড়ার কথা বলে সুবিধাজনক স্থানে নিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ছিনতাই করে সর্বস্ব লুটে নেয়। পরে ছিনতাইকৃত ইজিবাইক-অটোরিকশা অন্যত্র বিক্রি করে দেয়।
তারা আরো জানায়, ঘটনার দিন ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে ঘাতক মুরশেদ কয়েকজন সহযোগীসহ নিহত মোরশেদ আলমের ইজিবাইকটি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ভাড়া নেয়। পরে চালক মোরশেদ আলমকে হত্যা করে তার মোবাইল ফোন ও ইজিবাইক ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। পরে এঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামীরা গ্রেপ্তার এড়াতে দেশের বিভিন্নস্থানে আত্মগোপনে চলে যায়।

























