
তিতাস(কুমিল্লা)প্রতিনিধি।।
কুমিল্লার তিতাসে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে।গত রবিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের ঐচারচর ও কালাইগোবিন্দপুর চকে এ ধান কর্তন করতে দেখা যায়।
এতে কৃষকদের মুখে ফুটে উঠেছে আনন্দের হাসি।উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়,উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের ঐচারচর গ্রামের আউয়াল মিয়ার পুত্র কৃষক সাত্তার মিয়া উপজেলা কৃষি অফিস থেকে চলতি মৌসুমে
ব্রি ধান-৮৯ এনে ঐচারচর গ্রামের উত্তর চকের তাঁর ১ বিঘা জমিতে ব্রি ধান-৮৯ আবাদ করেন।ফলন দেখে তাঁর মুখে বইছে আনন্দের হাসি।
অপর দিকে বলরামপুর ইউনিয়নের কালাইগোবিন্দপুর গ্রামের সাদত আলী সরকারের পুত্র কৃষক তনু মিয়া সরকার দক্ষিণ চকের তাঁর ১ বিঘা জমিতে ব্রি ধান-৯২ আবাদ করে বাম্পার ফলন হওয়ায় তাঁর মুখেও বইছে আনন্দের হাসি।কৃষক সাত্তার মিয়া ও কৃষক তনু মিয়া সরকার জানান,উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের দিক-নির্দেশনা ও পরামর্শনুযায়ী নতুন জাতের এ ধান জমিতে আবাদ করি।এখানকার উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মো.কাউছার আহমেদ বলেন, আমরা কৃষি বিভাগ কৃষকদের মাঝে নতুন নতুন ধানের জাত এবং প্রযুক্তি কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছি, এতে ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে।চলতি মৌসুমে এই মাঠে নতুন জাতের ব্রি ধান – ৮৮,ব্রি ধান – ৮৯ এবং ব্রি ধান -৯২ আবাদ করা হচ্ছে এবং ফলনও সন্তোষজনক,এ জাতের আবাদ ভবিষ্যতে আরও বাড়বে বলে আশা করছি।বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হয় সার-বীজসহ কৃষি উপকরণ।সেজন্যেই জমিতে ব্রি ধান-৮৯ ও ৯২ বাম্পার ফলনের সম্ভব হয়েছে বলে জানা গেছে।যদিও ঘূর্ণিঝড় অশনি আগমনের বার্তা কৃষকরা ধান সংগ্রহের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।তাঁরা এখন অনেকটা শঙ্কামুক্ত,তাদের মধ্যে নেই কোন দুশ্চিন্তা।আবাদকৃত ধান কর্তন করতে পেরে কৃষক সাত্তার মিয়া ও তনু মিয়ার মুখে ফিরে এসেছে আনন্দের হাসি।’

























